a ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে আবারও বিভ্রাট
ঢাকা মঙ্গলবার, ৭ মাঘ ১৪৩২, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে আবারও বিভ্রাট


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ০৯ অক্টোবর, ২০২১, ০৯:২৭
ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে আবারও বিভ্রাট

ফাইল ছবি

৪ দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো শুক্রবার মধ্য রাতের পর ফেসবুক, মেসেঞ্জার ও ইনস্টাগ্রামে আবারও সমস্যার সৃষ্টি হয়।

ইনস্টাগ্রামে ছবি শেয়ার করা ও ফেসবুক মেসেঞ্জারে মেসেজ পাঠাতে না পারার কথা জানান অনেক ব্যবহারকারীরা। খবর ব্লুমবার্গের

এব কথা স্বীকার করে ফেসবুক সমস্যার জন্য ক্ষমাও চেয়েছে। যদিও বৃহত্তর ক্ষেত্রে শুক্রবার পরিসেবায় কোনও সমস্যা তৈরি হয়নি।

এর আগে সোমবার রাতে দীর্ঘক্ষণ, কোথাও কোথাও সাত ঘণ্টার কাছাকাছি বন্ধ ছিল ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম পরিসেবা। এক সপ্তাহের চার দিনের মধ্যেই ফের সমস্যায় পড়লেন ব্যবহারকারী।

শুক্রবার ফেসবুকের পক্ষ থেকে একটি পোস্ট করে লেখা হয়েছে, আমরা জানি কিছু ব্যবহারকারী আমাদের অ্যাপ ব্যবহার করতে গিয়ে সমস্যার মুখে পড়েছেন। যত দ্রুত পরিসেবা স্বাভাবিক করা যায়, তা চেষ্টা আমরা করে যাচ্ছি। সমস্যার জন্য ক্ষমা চাইছি।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

বিশ্ব ল্যাবরেটরি দিবসে শিক্ষক ও গবেষকদের মতামত


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১, ০৩:২৪
বিশ্ব ল্যাবরেটরি দিবসে শিক্ষক ও গবেষকদের মতামত

ফাইল ছবি

বিশ্ব ল্যাবরেটরি দিবসটি ২৪শে এপ্রিল  অনুষ্ঠিত হয়। দুর্দান্ত  আবিষ্কারের জায়গা উল্লেখ করে এটি  উদযাপন করা হয়, যা বিশ্বকে আরও উন্নত করতে সহায়তা করে। পরীক্ষাগার এমন একটি জায়গা যা নিয়ন্ত্রিত শর্তাদি ও সরঞ্জাম সরবরাহ করে, যেখানে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পরিমাপ সম্পাদন করা যেতে পারে। গবেষণাগারে অগণিত ধারণা এবং তত্ত্ব পরীক্ষা করা হয়। সীমাহীন অধ্যয়ন এবং পরীক্ষার পরে বিশ্বের বেশিরভাগ বৃহত্তম চিকিৎসা এবং নিরাময়গুলি পরীক্ষাগারগুলিতে আবিষ্কার ও সিদ্ধ করা হয়েছিল। পরীক্ষাগার থেকে বেরিয়ে আসা পণ্যগুলি মানবজাতিকে  বহু উপায়ে সহায়তা করেছে। 

বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের বিভিন্ন প্রয়োজনের কারণে বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত ল্যাবরেটরি  অনেকগুলি রূপ নেয়। একটি পদার্থবিদ্যার ল্যাবটিতে একটি কণা ত্বরণকারী বা ভ্যাকুয়াম চেম্বার থাকতে পারে, অন্যদিকে ধাতুবিদ্যার গবেষণাগারে ধাতব ঢালাই বা পরিশোধন করার জন্য বা তাদের শক্তি পরীক্ষা করার জন্য যন্ত্রপাতি থাকতে পারে। একজন রসায়নবিদ বা জীববিজ্ঞানী একটি জীবন্ত বা কেমিক্যাল সম্পন্ন পরীক্ষাগার ব্যবহার করতে পারেন। যখন একজন মনোবিজ্ঞানের ল্যাব এমন এক ঘর হতে পারে যেখানে একমুখী আয়না এবং লুকানো ক্যামেরা রয়েছে যাতে আচরণটি পর্যবেক্ষণ করা যায়। বৈজ্ঞানিক পরীক্ষাগারগুলি স্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে, শিল্পে, সরকারী বা সামরিক সুবিধাগুলিতে এবং জাহাজ এবং মহাকাশযানের উপরেও পাওয়া যায়।


শিক্ষক ও গবেষকদের মতামত নিতে গেলে তাদের থেকে গবেষণাগারের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে আসে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের  অধ্যাপক ডঃ শামীমা বেগম বলেন, "ল্যাবরেটরীর প্রয়োজনীয়তাটা বিশেষভাবে প্রভাবিত করে দেশ এর উন্নয়নে। একদম সূচনা লগ্ন স্কুল পর্যায় থেকে শুরু করে কলেজ পর্যায় এবং পরবর্তী বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ল্যাবরেটরির গুরুত্ব অপরিসীম। উচ্চতর গবেষণা বা শিক্ষার জন্য ল্যাবরেটরী বিশেষ প্রয়োজনীয়তা যেমন রয়েছে তার মধ্যে সমৃদ্ধ ল্যাবরেটরির বিষয়টিকে ছাড় দিলে চলবে না। 

বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বা বিশেষ প্রতিষ্ঠান ক্ষেত্রে বললে ল্যাবরেটরী সমৃদ্ধ হলে সেখানে উন্নয়নের ধারা অবশ্যই দ্রুতগতির হবে। যদিও এর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করা ব্যয়বহুল তাই কেন্দ্রীয় ভাবে হলেও ল্যাবরেটরী প্রতিষ্ঠা করে গবেষণাকে এগিয়ে নিয়ে যািয়া উচিত।"

কোন বিভাগের অধ্যাপক ডক্টর আমিনুল হক বলেন, "ল্যাবে তৈরি হচ্ছে বিজ্ঞানের হৃদপিণ্ড। ল্যাবরেটরী ছাড়া প্রয়োগিক শিক্ষার কথা চিন্তাই করা যায় না। বিশেষ করে বিভাগের শিক্ষার্থীদের কথা বললে ল্যাবরেটরী ছাড়া উচ্চতর শিক্ষা শিক্ষার প্রায়োগিক বিষয়গুলোকে কল্পনায় আনা যায় না। মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক ও উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে ল্যাবরেটরির অপরিহার্যতা রয়েছে। বর্তমান বিশ্বের প্যানডেমিক অবস্থার কথা বিবেচনায় আনলেও ল্যাবরেটরিতে ছাড়া এর থেকে মুক্তির কথা চিন্তা করা যায় না। সকলক্ষেত্রে বর্তমান সময়ে ল্যাবরেটরীকে বিবেচনা করা যায় হার্টের  মতো।তাই ল্যাবরেটরি দিবসকে উপলক্ষ করে হলেও সমৃদ্ধি শিখরে পৌঁছাতে এর গুরুত্বের কথা সকলের সামনে তুলে ধরা উচিত।"

অধ্যাপক ড. সুব্রত চন্দ্র রায়, (রসায়ন বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) বলেন, "গবেষণাগারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলতে গেলে তা সকল ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের অনন্য জায়গা। রসায়নবিদ হিসেবে বাস্তবিক প্রয়োগ ব্যতীত এর কার্যক্রম পরিচালনা করা কখনোই সম্ভব না। অতএব গবেষণাগারের সম্প্রসারণ ও এর প্রয়োগক্ষেত্রে বাড়াতে পারলে দেশকে বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।"

মনোবিজ্ঞান বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডক্টর অশোক কুমার সাহা বলেন, "শিক্ষার প্রয়োগিক  দিক গবেষণার ক্ষেত্রে বললে মনোবিজ্ঞান বিভাগের গবেষণাগার বিশেষভাবে প্রয়োজনীয়। বিশ্বে প্রথম মনোবিজ্ঞানে ল্যাবরেটরী বা গবেষণাগারের ব্যবহার জার্মানে শুরু হয়েছিল। বাংলাদেশ পূর্বে মনোবিজ্ঞান গবেষণার বিভিন্ন যন্ত্রপাতি দেশের বাইরে থেকে কেনা হতো। বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন কোম্পানির সকল যন্ত্রপাতি তৈরি করে থাকে এবং ল্যাবের সরবরাহ করে থাকে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের ল্যাবরেটরীও বর্তমানে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও প্রয়োজনীয় উপাদানের সমন্বয়ে সুবিধা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও গবেষণার সুব্যবস্থা নিশ্চিত করতেই কাজ চলছে। ল্যাবরেটরী দিবসকে সামনে রেখে একে আরো সমৃদ্ধ করা যায়।"

ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব মোঃ মহিউদ্দিন বলেন, "প্রতীক প্রতীক পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার প্রয়োগিক দিককে  গুরুত্ব দিলে দেশ তথা জাতি এগিয়ে যাবে বহুদূর। তাত্ত্বিক শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে প্রয়োগিক শিক্ষার ক্ষেত্রে ল্যাবরেটরীর অপরিহার্যতা রয়েছে। ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের বৈদিক শিক্ষার দিক থেকে ব্যবহৃত হয় এনভারমেন্টাল ল্যাবরেটরী। এছাড়াও রয়েছে সয়েল টেস্ট, ওয়াটার টেস্ট ও রক টেস্ট  এর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা। ল্যাবরেটরী দিবস কে বিবেচনা করে কার্যক্রমকে এগিয়ে নিয়া যাওয়া যায় আর গবেষণার কার্যক্রমকে জোড়দার করা যায়।তাহলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াও সহজ এবং দেশের দ্রুত সম্প্রসারণ সম্ভব হবে।"

এভাবেই গবেষক ও শিক্ষকদের মতামত অনুসারে ল্যাবরেটরী দিবসকে সামনে রেখে দেশে গবেষণার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয় এবং তারা মনে করেন দেশকে এগিয়ে নিতে ভাল ও উন্নত ল্যাবরেটরীর গুরুত্ব অপরিসীম।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

নারী আন্দোলনের স্বতন্ত্র ধারা বিণির্মানে সর্বস্তরে সহায়ক শক্তি বৃদ্ধি করতে হবে


সাইফুল আলম, ঢাকা প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোম বার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫, ০২:২৫
নারী আন্দোলনের স্বতন্ত্র ধারা বিণির্মানে সর্বস্তরে সহায়ক শক্তি বৃদ্ধি করতে হবে

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

সাইফুল আলম, ঢাকা:   “প্রতিবাদে প্রতিরোধে নারীর পথচলা” শীর্ষক নারী সংগঠনসমূহের ৭ম জাতীয় সম্মেলন থেকে প্রাপ্ত ফলাফল উপস্থাপন করার জন্য ঢাকা রিপোর্টারস ইউনিটিতে আজ ১ অগ্রহায়ণ ১৪৩২/১৬ নভেম্বর ২০২৫ ইং এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন নারীপক্ষ। 

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা নারীদের নিয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। তারা বলেন, সম্মেলনে ৩টি প্ল্যানারি অধিবেশন এবং ৮টি বিষয়ে মোট ১৬টি অর্থাৎ ১ টি বিষয়ে ২ টি করে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয় । কর্মশালার আলোচ্য বিষয়সমূহ ছিল-
১. নারী আন্দোলনের স্বতন্ত্র ধারা বিনির্মাণ ও আন্দোলনকে শক্তিশালী করার উপায়
২. নারী আন্দোলনের জন্য সম্পদ আহরণ ও সম্ভাব্য উৎস
৩. বৈচিত্র্যের মাঝে ঐক্য প্রতিষ্ঠা
৪. সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর স্বাধীন ও বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর
৫. তৃণমূল নারী সংগঠনসমূহের সমস্যা বিশ্লেষণ ও সমাধানের কৌশল
৬. আন্তঃপ্রজন্মের কথোপকথন: অভিজ্ঞতা, চ্যালেঞ্জ ও পারস্পরিক প্রত্যাশা
৭. নারী অধিকারভিত্তিক সংগঠন ও নারী রাজনৈতিক কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতা
৮. বিভিন্ন অধিকার আন্দোলনের সঙ্গে কার্যকর সম্পর্ক স্থাপনের কৌশল। 

প্ল্যানারি অধিবেশনগুলোতে আদিবাসী নারী নেত্রী, শ্রমিক আন্দোলন, যৌনকর্মীদের অধিকার আন্দোলন এবং জুলাই আন্দোলনের নারী শিক্ষার্থী তাদের সংগ্রামের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। বক্তা হিসেবে বিভিন্ন প্ল্যানারীতে অনেকে উপস্থিত ছিলেন। উল্ল্যেখ্য যে, প্রথম প্ল্যানারীতে নারী আন্দোলনের স্বতন্ত্র ধারা বিনির্মাণ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন শেফালিকা ত্রিপুরা, চেয়ারম্যান (অস্থায়ী), খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ।
সমাপনী অধিবেশনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-
• বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, আপিল বিভাগ। 
• রাশেদা কে. চৌধূরী, উপদেষ্টা, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার।
• খুশি কবির, সমন্বয়কারী, নিজেরা করি। 
সম্মেলনে গাজা এবং বাংলাদেশের আদিবাসী মানুষের প্রতি সংহতি জানানো হয়। এছাড়া এই সম্মেলনে নারীপক্ষ'র প্রয়াত সদস্য ও নারী আন্দোলনের নেত্রী নাসরিন হক স্মারক বক্তৃতা গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয় ।
সম্মেলনের বিভিন্ন কর্মশালা থেকে প্রাপ্ত সুপারিশ সমূহের কিছু উল্লেখযোগ্য অংশ আপনাদের সামনে তুলে ধরা হলো-
সকল ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণে ও নারীর স্বাধীন ও বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর প্রতিষ্ঠায় সংগঠিত হতে হবে, আওয়াজ তুলতে হবে, যথাযথ জায়গায় দাবী উপস্থাপন এবং দেন-দরবার করতে হবে
নারী আন্দোলনের স্বতন্ত্র ধারা বিণির্মানে সর্বস্তরে সহায়ক শক্তি বৃদ্ধি করতে হবে এবং তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
• নারী আন্দোলনের জন্য সম্পদ আহরণ ও সম্ভাব্য উৎস যেমন: মানবসম্পদ, নেটওয়ার্ক, বিভিন্ন জোট, স্থানীয় সম্পদ, প্রযুক্তিগত জ্ঞান ইত্যাদি চিহ্নিতকরণে ও অর্জনে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে ।
• বৈচিত্রের মাঝে ঐক্য প্রতিষ্ঠায় ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। বিভিন্ন অধিকার আন্দোলনের সাথে কার্যকর সম্পর্ক স্থাপনের কৌশল হিসেবে বিভিন্ন উদ্যোগের, যেমন- শ্রম আন্দোলন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, যৌনকর্মীদের আন্দোলন এর সাথে নারী আন্দোলনকে সংযুক্ত করতে হবে ।
• আন্তঃপ্রজন্মের মধ্যে যোগসূত্রতা স্থাপনের মাধ্যমে নারী আন্দোলনের ধারাকে চলমান রাখতে হবে। • তৃণমূল নারী সংগঠনগুলোর নিজেদের আত্মমূল্যায়নের মাধ্যমে সমস্যা চিহ্নিত করে উত্তরণের পদক্ষেপ নিতে হবে।
• নারী আন্দোলনের ইস্যুকে রাজনৈতিক দলের এজেন্ডায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে
মনোযোগ দিয়ে শোনার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং আমাদের সম্মেলনের বিষয়টি আপনাদের পত্রিকায় প্রকাশ করবেন সেই আশাবাদ ব্যক্ত করে আমার কথা শেষ করছি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - তথ্য ও প্রযুক্তি

সর্বোচ্চ পঠিত - তথ্য ও প্রযুক্তি

তথ্য ও প্রযুক্তি এর সব খবর