a আফগান মেয়েরা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারবেন
ঢাকা রবিবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

আফগান মেয়েরা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারবেন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ৩০ আগষ্ট, ২০২১, ১০:২৭
আফগান মেয়েরা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারবেন

ফাইল ছবি

আফগান তালেবানের ভারপ্রাপ্ত উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, তাঁদের নতুন আইনের অধীন দেশটির মেয়েরাও বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে ও পড়াশোনা করতে পারবেন। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

গতকাল রোববার তালেবানের ভারপ্রাপ্ত উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী আবদুল বাকি হাক্কানি এ কথা বলেন। তবে তিনি জানান, আফগান নারীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করার অনুমতি দেওয়া হলেও শরিয়াহ আইন অনুযায়ী মিশ্র ক্লাস নিষিদ্ধ থাকবে। অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছেলেমেয়েরা একসঙ্গে পড়তে বা ক্লাস করতে পারবে না।

আবদুল বাকি হাক্কানি বলেন, আফগানিস্তানের মানুষ শরিয়াহ আইনের আলোকে মিশ্র নরনারীর পরিবেশ ছাড়া নিরাপদে তাদের উচ্চশিক্ষা অব্যাহত রাখতে পারবেন।

তালেবানের ভারপ্রাপ্ত উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তাঁরা তাঁদের ইসলামিক, জাতীয় ও ঐতিহাসিক মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি যুক্তিসংগত ও ইসলামিক পাঠ্যক্রম তৈরি করতে চান। অন্যদিকে অন্যান্য দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতাতেও সক্ষম হতে চান।

তালেবানের শরিয়াহ আইন অনুযায়ী, আফগানিস্তানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাব্যবস্থাতেও ছেলেমেয়েদের আলাদা করা হবে, যা রক্ষণশীল আফগানিস্তানে পূর্বে থেকেই প্রচলিত।

আফগানিস্তানে নারীরা অধিকারের ক্ষেত্রে যে অগ্রগতি অর্জন করেছে, তার প্রতি শ্রদ্ধা দেখাবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তালেবান। তবে এ ক্ষেত্রে তালেবান শর্ত দিয়েছে যে তাদের প্রবর্তিত ইসলামি আইন অনুযায়ী সবকিছু করা হবে।

১৫ আগস্ট কাবুলের পতনের মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানের ক্ষমতা তালেবানের হাতে যায়। তারা এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো সরকার গঠন করেনি। তবে কয়েকজন মন্ত্রীর নাম ঘোষণা করেছে। 

আগামী এক অথবা দুই সপ্তাহের মধ্যে তালেবান নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করতে পারে বলে জানিয়েছে। এ মন্ত্রিসভায় নারীরা দায়িত্ব পালন করবেন কি না, সে ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্র ৩১ আগস্ট ত্যাগ করবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সহিংসতাকারীদের দেখামাত্র গুলির নির্দেশ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ১১ মে, ২০২২, ০৮:০৭
সহিংসতাকারীদের দেখামাত্র গুলির নির্দেশ

ফাইল ছবি

শ্রীলঙ্কায় এবার সহিংসতাকারীদের গুলি করতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে রাজাপাকসে সরকার। দেশটির পুলিশ বুধবার (১১ মে) জানিয়েছে, কাউকে সরকারি সম্পত্তি লুটপাট, ধ্বংস এবং মানবজীবনের ক্ষতি করতে দেখলে তাদের গুলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার দেশটির সেনাবাহিনীকে এই নির্দেশ দেয় শ্রীলঙ্কান সরকার।  

দ্বীপরাষ্ট্রটি ইতিহাসের ভয়াবহ অর্থনৈতিক সঙ্কটের মুখে পড়ায় বিক্ষোভকারীরা এখন প্রেসিডেন্ট গোটাবায়া রাজাপাকশার পদত্যাগ দাবি করছে। সোমবার ব্যাপক বিক্ষোভ-সহিংসতার মুখে তার ভাই প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকশা পদত্যাগ করেন। সহিংসতায় এখন পর্যন্ত ৯ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ২ শতাধিক।

দেশজুড়ে চলা কারফিউর মধ্যে রাজধানী কলোম্বোর রাস্তায় ১০ হাজারের বেশি সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

রাস্তায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অবস্থান সত্ত্বেও শহরটির শীর্ষস্থানীয় একজন পুলিশ কর্মকর্তা মঙ্গলবার বিকেলে বিক্ষোভকারীদের হামলার মুখে পড়ে। হামলাকারীদের অভিযোগ, যারা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করছিল তাদের সুরক্ষা দিতে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। কলোম্বোর গ্যল ফেস গ্রিন এর সমুদ্রের দিকে মানুষজন এখন ভিড় করা শুরু করেছে।

উল্লেখ্য, দেশজুড়ে চলা কারফিউ আগামীকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। সূত্র: ই্ত্তেফাক

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

মিয়ানমারের জঙ্গিরা সেনাদের বিরুদ্ধে একজোট হতে শুরু করেছে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ০১ এপ্রিল, ২০২১, ০১:১৪
মিয়ানমারের জঙ্গিরা সেনাদের বিরুদ্ধে একজোট হতে শুরু করেছে

ফাইল ছবি

গত দুই মাস ধরে সেনা-বিরোধী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে প্রাণ গিয়েছে কমপক্ষে ৫০০ জনের। এই পরিস্থিতিতে মায়ানমারে সেনার বিরুদ্ধে একজোট হতে শুরু করেছে সশস্ত্র জনজাতি গোষ্ঠীগুলি। 

গত শনিবার মিয়ানমারের সেনাদের গুলিতে এক দিনে শতাধিক বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়। ওই দিন থেকে সেনাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ শুরু করেছে প্রত্যন্ত এলাকার জনজাতি জঙ্গিরা। আজ ভোরের দিকে উত্তর মিয়ানমারের কাচিন গেরিলা বাহিনী পুলিশের একটি পোস্ট দখল করে নেয়। 

একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কারেন গেরিলা বাহিনী। গত শনিবার এই  জঙ্গি গোষ্ঠীই প্রথম সেনাদের উপরে হামলা চালিয়েছিল। তার জবাবে প্রত্যন্ত জনজাতি অধ্যুষিত গ্রামগুলিতে আকাশপথে হামলা চালাচ্ছে মিয়ানমারের সেনারা। ইতিমধ্যেই ১০ গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়েছে। 

মায়ানমার পার্লামেন্টের নির্বাসিত সদস্যেরা সেনা-বিরোধী যে গোষ্ঠী ইতিমধ্যেই গড়ছেন, আপাতত সেই সিআরপিএইচ গোষ্ঠীর নেতৃত্বে রয়েছেন ডক্টর সাসা নামে এনএলডি-র এক নেতা। তিনি আজ স্পষ্ট জানিয়েছেন, সেনার অত্যাচার রুখতে জনজাতি জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির সাহায্য নিতে তাঁরা প্রস্তুত। জনজাতি ও নাগরিক গোষ্ঠী একত্র হয়ে একটি ‘ফেডারেল আর্মড ফোর্স’ গঠনের চিন্তা-ভাবনা করছে বলেও জানান তিনি।

এই পরিস্থিতিতে চাপ বাড়ছে থাইল্যান্ড সীমান্তে। মায়ানমার সীমান্ত ঘেঁষা থাই প্রদেশের গভর্নর আজ জানিয়েছেন, যে সব বাসিন্দা সীমান্ত পেরিয়ে তাঁদের দেশে ঢুকেছিলেন, তাঁরা স্বেচ্ছায় ফিরে গিয়েছেন। যদিও মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, থাই সেনারা জোর করে তাঁদের ফেরত পাঠিয়েছে। এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রয়ুত চান-ওচা। 

এদিকে, মায়ানমারে জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত নন এমন আমেরিকান কূটনীতিকদের অবিলম্বে দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে জো বাইডেন প্রশাসন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক