a
ফাইল ছবি
ইসরায়েল এবং পারস্য উপসাগরীয় কয়েকটি আরব দেশকে সাথে নিয়ে পারস্য উপসাগরে একটি যৌথ সমুদ্র ড্রোন টাস্কফোর্স গঠন করতে যাচ্ছে আমেরিকা।
বুধবার মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক মার্কিন পঞ্চম নৌবহর এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মার্কিন পঞ্চম নৌবহর ঘোষণা করেছে যে, তারা একটি নতুন টাস্কফোর্স গঠন করবে যার সঙ্গে এয়ারবোর্ন, নৌ জাহাজ ও আন্ডারওয়াটার ড্রোন যুক্ত থাকবে। সমুদ্রে জাহাজে হামলার ঘটনা নিয়ে যখন ইরোনের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি আরব দেশ ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা চলছে তখন এই ধরণের খবর প্রকাশ পেল।
মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে তারা বলেছে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল তাদের ড্রোন বহরের সক্ষমতা দেখবে।
দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে মধ্য এশিয়ায় মার্কিন সেনারা একের পর এক ব্যর্থতার পর নতুন কৌশল গ্রহণ করেছে। এর আওতায় লোকজনের মনোযোগ আকর্ষণ এবং মার্কিন সেনাদের উপস্থিতির বৈধতা দেয়ার লক্ষ্যে সমুদ্রভিত্তিক এই কথিত যৌথ টাস্ক ফোর্স গঠনের তৎপরতা চালাচ্ছে।
ফাইল ছবি
ইসরায়েল ক্রমেই গৃহযুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে - এমন আশঙ্কা করেছেন দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইহুদ ওলমার্ট। তিনি বলেছেন, এই মুহূর্তে ইসরায়েল মারত্মক ঝুঁকির মুখে রয়েছে।
ব্যাপক প্রতিবাদ ও গণবিক্ষোভ সত্ত্বেও ইসরায়েলি পার্লামেন্ট গত সোমবার সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা খর্ব করা সংক্রান্ত একটি বিল পাস করেছে। এর ফলে বাস্তবে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মন্ত্রিসভার ক্ষমতা বাড়বে।
ওলমার্ট আরও বলেছেন, ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা গণতন্ত্রের ভিত্তিগুলোর জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে যা আমাদের পক্ষে সহ্য করা সম্ভব নয়।
ইসরায়েলি গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের সাবেক প্রধান ড্যানি ইয়াটোম বলেছেন, বিচারিক কাঠামোতে পরিবর্তন আনার প্রতিবাদে বর্তমান প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত ছিল।
এর আগে ইসরায়েলের সাবেক যুদ্ধমন্ত্রী বেনি গান্তজ সতর্ক করে বলেছিলেন, বিচারিক কাঠামো পরিবর্তনের বিল পাস করা হলে গৃহযুদ্ধ দেখা দিতে পারে।
সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা হ্রাসের প্রস্তাবটি সোমবার সংসদে পাস হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলো অস্থিরতা ও ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। বিক্ষোভকারী ও ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট, টাইমস অব ইসরায়েল
ফাইল ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া, মিশিগান, অরেগনসহ বেশ কিছু অঙ্গরাজ্যে ভারী তুষারপাত হয়েছে। তুষারপাতের কারণে এসব এলাকার কয়েক লাখ মানুষ বিদ্যুৎ–সংযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় দিন পার করছে। বাতিল করা হয়েছে হাজার হাজার ফ্লাইট। আবার কয়েক হাজার ফ্লাইট দেরিতে ছেড়েছে। কিছু প্রধান সড়কেও চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
গতকাল শুক্রবার তুষারপাতের কারণে ক্যালিফোর্নিয়ায় বৃষ্টি ও বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
গত কয়েক দশকের মধ্যে এই অঞ্চলে সবচেয়ে খারাপ মাত্রার তুষারপাত শুর হয়েছে। রাস্তায় রাস্তায় এখন হাঁটু পর্যন্ত বরফ। টেলিভিশনে আবহাওয়ার সংবাদ উপস্থাপকদের সেই পথ পাড়ি দিয়ে কর্মস্থলে যেতে হচ্ছে।
এপির খবর, দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের বেশির ভাগ এলাকায় ভারী তুষারপাত ও বৃষ্টি হয়েছে। মিশিগান অঙ্গরাজ্যেও তাপমাত্রা হিমাঙ্কে। সেখানে বিদ্যুৎ–সংযোগ বিচ্ছিন্ন আছে।
মিশিগানের প্রায় ১০ লাখ ঘরবাড়ি অন্ধকারে নিমজ্জিত। প্রধান সড়ক, মহাসড়ক বন্ধ হয়ে গেছে। উড়োজাহাজ চলাচলে বিঘ্ন দেখা দিয়েছে। ফ্লাইটঅ্যাওয়ার ডটকম বলেছে, গতকাল পর্যন্ত ১ হাজার ২০০-এর বেশি ফ্লাইটের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। ১৭ হাজারের বেশি ফ্লাইট দেরিতে ছেড়েছে।
জাতীয় আবহাওয়া সংস্থা সতর্কতা জারি করে বলেছে, ক্যালিফোর্নিয়ায় আজ শনিবারও তুষারপাত হবে। সিয়েরা নেভাদা ও ক্যালিফোর্নিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে পাহাড়ি এলাকায় পাঁচ ফুট পর্যন্ত তুষার পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এসব অঞ্চলে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক নিচে নেমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
মিশিগানে ৮ লাখ ২০ হাজার বাসিন্দা অন্ধকারে রয়েছে। আগামীকাল রোববারের মধ্যে বিদ্যুৎ–সংযোগ সচল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সংযোগকারী প্রধান সড়কগুলো তুষারপাতের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। কখন এগুলো চলাচলের উপযোগী হবে, তা বলতে পারছে না কর্তৃপক্ষ।
প্রচণ্ড তুষারপাতের কারণে বিদ্যুতের লাইনগুলো নিচে নেমে এসেছে। এতে ক্যালিফোর্নিয়ার এক লাখের বেশি মানুষকে বিদ্যুৎ–সংযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আছে। অরেগন অঙ্গরাজ্যেও তুষারপাত হয়েছে। সূত্র: প্রথম আলো