a
ফাইল ছবি
ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযানে সহায়তা করলে চীনকে কঠোর পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
আজ সোমবার ইতালির রাজধানী রোমে এ বৈঠকে বসতে যাচ্ছে চীনা ও মার্কিন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের মাঝে। এর আগেই এ ধরনের হুমকি এল। বিভিন্ন মার্কিন গণমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য দিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।
নির্দিষ্টভাবে কোনও কর্মকর্তার নাম উল্লেখ না করে আমেরিকার বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয় যে, ইউক্রেন অভিযানে চীনের কাছে সামরিক সহায়তা চেয়েছে রাশিয়া।
ওয়াশিংটনে চীনা অ্যাম্বেসি দাবি করেছে, এ ব্যাপারে তারা কিছুই জানে না।
উল্লেখ্য, ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পরাশক্তি রাশিয়া। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোর থেকে এই অভিযান শুরু করে। এরই মধ্যে সোমবার ১৮তম দিন অতিবাহিত হয়েছে এই অভিযান। বিগত এইদিনে ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি নগরী দখল করে নিয়েছে রুশ বাহিনী। সূত্র: বিবিসি
সংগৃহীত ছবি
লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ সংগঠন হিজবুল্লাহ নিয়ে ইসরাইলের গণমাধ্যম বিস্ময়কর তথ্য প্রকাশ করেছে। ইহুদি গণমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে, হিজবুল্লাহর কাছে বর্তমানে দেড় লাখ ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। যুদ্ধ শুরু হলে হিজবুল্লাহ প্রতিদিন ইসরাইলে এক হাজার থেকে তিন হাজার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার সক্ষমতা অর্জন করেছে।
হিজবুল্লাহ-ইসরাইল যুদ্ধের ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ইসরাইলের গণমাধ্যমে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ইসরাইলের বিখ্যাত সংবাদ মাধ্যম ওয়ালার খবরে বলা হয়েছে, ২০০৬ সালের যুদ্ধের পর গত ১৫ বছরে হিজবুল্লাহ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ অনেক বাড়িয়েছে। তাদের অস্ত্রাগারে ২০০ কিলোমিটার পাল্লার গাইডেড মিসাইল রয়েছে। এছাড়া হিজবুল্লাহর ড্রোনগুলোর পাল্লা ৪০০ কিলোমিটারের বেশি।
ইসরাইলের ইংরেজি দৈনিক হারেৎজের খবরে বলা হয়েছে, হিজবুল্লাহর নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণ প্রকল্পে ইসরাইলি বার বার হামলা সত্ত্বেও সংগঠনটি এ ক্ষেত্রে সফল হয়েছে। তারা নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে এতটাই এগিয়েছে যে, ইসরাইলের নিরাপত্তা বিভাগগুলো এখন তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রয়েছে।
দুই বছর আগে ইসরাইলের সামরিক বিশ্লেষক অমোস হারয়েল হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইসরাইল আবারও লেবাননের হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে ইসলামী এই প্রতিরোধ আন্দোলন উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণ ইসরাইলের সব অবকাঠামোই ধ্বংস করার সক্ষমতা রয়েছে। ইসরাইল কমান্ডার গুই যুর এর মতে-হেজবুল্লাহ বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী গেরিলা যোদ্ধা।
গত বছরের শেষ দিকে হিজবুল্লাহ প্রধান সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ বলেন, তাদের নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা আগের বছরের চেয়ে দ্বিগুণ হয়েছে এবং ইসরাইলের যেকোনো স্থানে তারা হামলা চালাতে সক্ষম।
২০০৬ সালে হিজবুল্লাহ ইসরাইল যুদ্ধঃ
২০০৬ সালের জুলাই মাসে লেবাননের ইসলামী প্রতিরোধ সংগঠন হিজবুল্লাহ এবং ইসরাইলের মধ্যে ১২ জুলাই যুদ্ধ শুরু হয়ে তা ২০০৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর শেষ হয়। এই সংঘর্ষে ১৩’শ জন লেবানিজ এবং ১৬৫ জন ইসরাইলি নিহত হয়েছিল।
এই যুদ্ধে ইসরাইলের গর্ব বেশ কয়েকটি মারকাভা ট্যাংক ধ্বংস হয়। এ ট্যাংক গুলোকে তারা বিশ্বের সেরা ট্যাংক হিসেবে দাবি করতো।
১৪ আগষ্ট আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি হয়। ইসরাইল সরকার সামান্য মিলিশিয়াদের কাছে পরাজয়ের জন্য নিজ দেশের জনগণের কাছে ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এহুদ ওলমার্টের পদত্যাগের দাবি ওঠে। হিজবুল্লাহ লেবানিজদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।
ফাইল ছবি
ইরাকের একজন সিনিয়র সংসদ সদস্য জানিয়েছেন, রাশিয়া থেকে এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার চিন্তা করছে বাগদাদ। দেশের সামরিক বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানো ও শত্রুর আগ্রাসন থেকে দেশকে রক্ষা করতে এই পদক্ষেপ নেয়া হবে।
ইরাকের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক সংসদীয় কমিটির প্রধান রিদা আল-হায়দারের বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, বিমান বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল শিহাব জাহিদ আলীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সম্প্রতি মস্কো সফর করেছে এবং এ সফরে রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
এ বিষয়ে চুক্তি করতে কিছু সময় লাগতে পারে বলে তিনি জানান। তবে এ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
রিদা হায়দার বলেন, বাগদাদ এরইমধ্যে মস্কোর সঙ্গে বেশ কিছু চুক্তি করেছে যার আওতায় রাশিয়া ইরাকের আর্মার্ড ব্রিগেডকে আধুনিকায়ন করবে। তিনি আরও বলেন, ইরাকি সেনাদের রুশ সামরিক সরঞ্জাম বিশেষ করে ট্যাংক ও আর্মার্ড ভেহিক্যাল ব্যবহারের পুরনো অভিজ্ঞতা রয়েছে। সূত্র : পার্সটুডে