a
ফাইল ছবি
ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযানে সহায়তা করলে চীনকে কঠোর পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
আজ সোমবার ইতালির রাজধানী রোমে এ বৈঠকে বসতে যাচ্ছে চীনা ও মার্কিন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের মাঝে। এর আগেই এ ধরনের হুমকি এল। বিভিন্ন মার্কিন গণমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য দিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।
নির্দিষ্টভাবে কোনও কর্মকর্তার নাম উল্লেখ না করে আমেরিকার বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয় যে, ইউক্রেন অভিযানে চীনের কাছে সামরিক সহায়তা চেয়েছে রাশিয়া।
ওয়াশিংটনে চীনা অ্যাম্বেসি দাবি করেছে, এ ব্যাপারে তারা কিছুই জানে না।
উল্লেখ্য, ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পরাশক্তি রাশিয়া। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোর থেকে এই অভিযান শুরু করে। এরই মধ্যে সোমবার ১৮তম দিন অতিবাহিত হয়েছে এই অভিযান। বিগত এইদিনে ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি নগরী দখল করে নিয়েছে রুশ বাহিনী। সূত্র: বিবিসি
ফাইল ছবি
শুক্রবার আব্রাহাম অ্যাকর্ড চুক্তির স্মরণে আয়োজিত সভায় এ তথ্য জানানো হয়। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের।
খবরে বলা হয়, আরও আরব দেশকে বর্বর ইহুদীবাদি ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে উৎসাহিত করবে বাইডেন প্রশাসন।
আব্রাহাম অ্যাকর্ড হচ্ছে ইসরায়েল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) কর্তৃক ২০২০ সালের ১৩ আগস্ট সই করা একটি সম্মতিপ্রাপ্ত চুক্তি। ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যস্থতায় এ চুক্তি সই হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন বলেন, ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং মরক্কোকে অনুসরণ করার জন্য আমরা আরও দেশকে উৎসাহিত করবো।
ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ার লাপিদ বলেন, যে কোনো দেশ আমাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে পারবে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত গত বছরের সেপ্টেম্বরে ট্রাম্প প্রশাসনের শেষ মাসে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে সম্মত হয়। এরপর বাহরাইন, সুদান এবং মরক্কো আরব আমিরাতের পথ অনুসরণ করে বর্বর ইহুদি রাষ্ট্রটির সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে।
বিনিময়ে ট্রাম্প প্রশাসন পশ্চিম সাহারার ওপর মরক্কোর কর্তৃত্বের স্বীকৃতি দেয়, সুদানকে যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসী রাষ্ট্রের তালিকা থেকে বাদ দেয় এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সংক্রান্ত একটি চুক্তি সই করে।
এদিকে ব্লিঙ্কেন ফিলিস্তিনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে ইচ্ছের কথা জানান, যা ট্রাম্পের প্রশাসনের সময় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এবং গাজার নিয়ন্ত্রক গোষ্ঠী হামাস কেউই ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়টিকে সেসময় ভালোভাবে নেয়নি। তারা ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়টিকে ‘পিঠে ছুরি মারার’ সঙ্গে তুলনা করেছে। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
মধ্যপ্রাচ্যের যোদ্ধাদের ইরান ড্রোন প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে ইসরাইল। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বেনি গ্যান্টজ দাবি করছেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা এসব তথ্য জানতে পেরেছেন।
ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বেনি গ্যান্টজ দাবি করেন, ইরাক, সিরিয়া, লেবানন, ইয়েমেন ও ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদেরকে ড্রোন প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ইরান। ইস্পাহান শহরে অবস্থিত একটি বিমানঘাঁটিতে ইরান এই প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয় ।
এর কয়েকদিন আগে ইসরাইলের পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেছিলেন, ইরান পরমাণু অস্ত্র নির্মাণের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। অবিলম্বে তেহরানকে থামানো না গেলে মাত্র ৬০ দিনের মধ্যে তারা পরমাণু অস্ত্র তৈরি করে ফেলবে।
রোববার তেল আবিবের নিকটবর্তী রেইচম্যান ইউনিভার্সিটিতে এক সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বেনি গ্যান্টজ এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, গাজা উপত্যকায় কিভাবে মনুষ্যবিহীন ড্রোন বানানো যাবে তেহরান সেটা স্থান্তরিত করার চেষ্টা করছে। ইরানের ইস্পাহান শহরের কাসানে ড্রোনের রানওয়ে আছে বলেও দাবি করেন।
তবে এ বিষয়ে ইরান কোনো মন্তব্য করেনি। পরমাণু চুক্তি নিয়ে ইরানের সঙ্গে পশ্চিমা বিশ্বের চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। জাতিসংঘের একাধিক গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে, তেহরান গোপনে পরমাণু চুল্লি বৃদ্ধি করেছে।
বিবিসির এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ইরান ও ইসরাইলের মধ্যকার দীর্ঘদিনের অঘোষিত ছায়াযুদ্ধ এখন একটি বিপজ্জনক মোড় নিয়েছে।