a
ফাইল ছবি
ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলীয় আনবার প্রদেশের মার্কিন নিয়ন্ত্রিত সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। ওই ঘাঁটির নাম আইন আল-আসাদ। খবর আরব নিউজের
আরব নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুটি কমব্যাট ড্রোন আইন আল-আসাদ সামরিক ঘাঁটির ভেতরে হামলা চালায়।
ঘাঁটিতে সি-আরএএম এবং পেট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন থাকলেও তা ড্রোন দুটিকে শনাক্ত কিংবা প্রতিহত করতে পারেনি।
এ ব্যাপারে ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের মিডিয়া সেল থেকে বলা হয়েছে, ড্রোন দুটিকে ভূপাতিত করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা সংগঠন এই ড্রোন হামলার দায় এখনো স্বীকার করেনি।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে ইরাকে মার্কিন দখলদার সেনাদের ওপর হামলার ঘটনা বেড়েই চলেছে। সূত্র: আরব নিউজ/পার্সটুডে
ফাইল ছবি
ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের আধিপত্য ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং অস্ট্রেলিয়া একটি যৌথ ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা কর্মসূচি শুরু করছে। এর আওতায় অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তি চালিত সাবমেরিন তৈরিতে সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন তিন দেশের প্রধান। খবর রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক যৌথ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই উদ্যোগের ঘোষণা করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং অস্ট্রেলিয়ান প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন।
এ প্রসঙ্গে মরিসন বলেন, অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেডে আগামী দেড় বছরের মধ্যে পরমাণু শক্তি চালিত সাবমেরিন বহর তৈরি করার একটি যৌথ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে তিন দেশ। এর বাস্তবায়ন করা হলে বিশ্বের পারমাণবিক শক্তি চালিত সাবমেরিন থাকা সপ্তম দেশে পরিণত হবো আমরা।
যৌথ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই উদ্যোগের ঘোষণা করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন
অস্ট্রেলিয়ান প্রধানমন্ত্রী পারমাণবিক জ্বালানি পরিচালনায় আন্তর্জাতিক চুক্তির বাধ্যবাধকতার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় পারমাণবিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করার জন্য আমাদের কী করতে হবে তার একটি গভীর পরীক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তবে আমি স্পষ্ট বলতে চাই। অস্ট্রেলিয়া পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন বা পারমাণবিক ক্ষমতাধর দেশ হতে চাইছে না।’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, ‘আমাদের এই অঞ্চলের বর্তমান কৌশলগত পরিবেশ ও এটি কীভাবে বিকশিত হতে পারে সে বিষয়টি সবাইকে বুঝতে হবে। কারণ বিশ্বের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের স্থায়ীত্ব এবং সমৃদ্ধির ওপর।’
এদিকে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী করিস জনসন বলেন, ভৌগোলিকভাবে আলাদা হওয়া সত্ত্বেও এই তিনটি দেশ অতীতেও ‘প্রাকৃতিক মিত্র’ ছিল।
ছবি সংগৃহীত
ক্রিকেট বিশ্বের আকর্ষণীয় লড়াই বিশ্বকাপ ফাইনালে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। এরপরই মুখোমুখি হবে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া। ক্রিকেটীয় এই মহারণ মঞ্চস্থ করতে পুরোদমে প্রস্তুত আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম।
টুর্নামেন্টের শুরু থেকে ধারাবাহিক পারফর্ম করে সবার আগেই সেমিফাইনালের পর ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে ভারত। অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপ আসর শুরু করা রোহিত শর্মার দল শেষটা তাদের হারিয়েই করতে চায়।
যদিও শক্তিমত্তায় ভারত-অস্ট্রেলিয়া সমানে সমান। তবে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স এবং হোম কন্ডিশনের দিক থেকে অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে এগিয়ে আছে ভারত। তাদের ব্যালেন্স টিম রয়েছে।
ফাইনাল ম্যাচটি সম্পন্নের আগে নিশ্চিত করে বলা মুশকিল, কে শিরোপা জিতবে। তবে ভারতকেই এগিয়ে রাখছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।
ফাইনালে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ:
রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শুভমান গিল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়াস আইয়ার, লোকেশ রাহুল (উইকেটরক্ষক), সূর্যকুমার যাদব, রবীন্দ্র জাদেজা, মোহাম্মদ শামি, জসপ্রিত বুমরাহ, কুলদীপ যাদব ও মোহাম্মদ সিরাজ।
ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার সম্ভাব্য একাদশ:
ডেভিড ওয়ার্নার, মিচেল মার্শ, স্টিভ স্মিথ, মার্নাস লাবুশেন, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যালেক্স কেরি, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, প্যাট কামিন্স, জস হ্যাজল উড ও অ্যাডাম জাম্পা। সূত্র: বিডি প্রতিদিন