a
ফাইল ছবি
চলমান ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য ড্রোন সরবরাহ পেতে ইরানের সহায়তা চেয়েছে রাশিয়া। এসব ড্রোনের মধ্যে অস্ত্র পরিবহনে সক্ষম ড্রোনও রয়েছে। এদিকে, মঙ্গলবার মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনকে যুক্তরাষ্ট্রের বাইডেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাশিয়ার হাতে এসে পৌঁছেছে ইরানের অস্ত্রবহনকারী ড্রোন। এগুলো ইউক্রেনে যুদ্ধক্ষেত্রে মোতায়েন করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ মাসের শুরুতে ইরানের বিমান ঘাঁটি থেকে ড্রোনগুলো বুঝে নেয় রাশিয়া। এরপর মধ্য আগস্টে কার্গো বিমানে করে এগুলো রাশিয়ায় নেয়া হয়।
তারা আরও জানিয়েছে, রাশিয়ার কর্মকর্তারা এ মাসের শেষ দিকে এগুলোর ওপর নিজেদের সেনাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেছে।
সিএনএন এর আগে জানিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন রাশিয়া ইরানের কাছ থেকে মোহাজের-৬ এবং শহিদ সিরিজের শহিদ-১২৯ এবং শহিদ-১৯১ ড্রোন কিনেছে এবং সেগুলো রাশিয়ায় পাঠানো হয়েছে। এই ড্রোনগুলো ইউক্রেনে ব্যবহার হতে পারে। এসব ড্রোন উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন অস্ত্র পরিবহণ ও নজরদারি চালাতে সক্ষম।
ইরান স্বল্প, মধ্যম ও দূরপাল্লার ড্রোন তৈরি করে থাকে। সম্প্রতি ড্রোন থেকে ছুড়তে সক্ষম এমন ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষাও চালিয়েছে দেশটি। রাশিয়ার দীর্ঘদিনের মিত্র ইরান। সম্প্রতি সিরিয়া ইস্যুতে দুই দেশের ঘনিষ্ঠতা আরো বেড়েছে।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এরপর থেকেই পশ্চিমাদের বাধা উপেক্ষা করে পূর্ব ইউরোপের দেশটিতে চলছে রুশ সেনাদের সামরিক অভিযান। সূত্র: সিএনএন/বিডি প্রতিদিন
ছবি: সংগৃহীত
অবশেষে চতুর্থবারে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস করা হয়েছে। সোমবার প্রস্তাবটির ওপর নিরাপত্তা পরিষদে ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়। ১৫ সদস্যের মধ্যে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়েছে ১৪টি। তবে ভোট দানে বিরত ছিল রাশিয়া। খবর আল-জাজিরা।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গত ৩১ মে গাজায় তিন ধাপে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের এ প্রস্তাব দেন। সোমবার প্রস্তাবটির ওপর নিরাপত্তা পরিষদে ভোটাভুটি হয়। জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের দূত লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড ইসরায়েল ও হামাসকে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ।
যুদ্ধবিরতির এই প্রস্তাবকে তিনি নতুন সুযোগ বলেও অভিহিত করেছেন। নিরাপত্তা পরিষদে পাস হওয়া যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি কীভাবে যুদ্ধবিরতির শর্তগুলো বাস্তবায়ন করা যায়, সে বিষয়ে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে কাজ করার সদিচ্ছার কথা জানিয়েছে। তবে নিরাপত্তা পরিষদে পাস হওয়া যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি ইসরায়েল সরকার।
যদিও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের দেওয়া প্রস্তাবই ঘোষণা করেছিলেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন।
এর আগে তিনবার গাজায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হয়েছিল কিন্তু প্রতিবার আমেরিকা সব সময় ইসরায়েলের পক্ষ নিয়েছে এবং নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো প্রদান করে ইসরায়েলকে খুশি করতে যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব বিরত রেখেছে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘সরকার করোনার টিকা সংগ্রহে স্বেচ্ছাচারিতা ও নতুন অনিশ্চয়তায় গোটা জাতিকে হতাশ করেছে। রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যবহার করে সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ ও শেয়ারবাজার লুটপাটে অভিযুক্ত এক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে টিকা সরবরাহের একচেটিয়া সুবিধা দিতে গিয়ে আজ সমগ্র জাতিকে ভয়াবহ স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলে দিয়েছে।’
শনিবার ( ২৪ এপ্রিল) দুপুরে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব বলেন। ‘মির্জা ফখরুল বলেন, ভারতের পশ্চিম বাংলায় এই সংক্রমণটা সবচেয়ে বেশি হয়েছে। সেজন্য আমরা মনে করি, ভারতের সাথে স্থল পথের যে সীমান্ত আছে, এই সীমান্তগুলো একেবারেই বন্ধ করা দরকার।’
তার মতে, ‘একই উৎস থেকে টিকা সংগ্রহ করতে গিয়ে আজকে এই মহা সংকট সৃষ্টি হয়েছে। প্রথম থেকেই ভারতের বিকল্প সূত্র থেকে টিকা কেনার কথা আমরা বার বার করে বলেছি, বিকল্প উৎস থেকে টিকা সংগ্রহের কথা বলেছি। কিন্তু কোনটাই করা হয়নি। ফলে আজকে একটা ভয়ংকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। যদিও এখন আমরা দেখতে পারছি যে, শেষ সময় এসে সরকার রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে একত্রিত হয়ে ভ্যাকসিন সংগ্রহের চিন্তা করছে। আমাদের মনে হয় সেটা দেরি হয়ে গেছে ইতিমধ্যে। আগে করতে পারলে আরও ভালো হতো।
প্রতিবেশী দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের স্থল সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ার পাশাপাশি বিমানপথে আসা যাত্রীদের ‘তিনদিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকা’র সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
ফখরুল বলেন, ‘বাইরে থেকে যারা বিমানপথে আসবেন তাদেরকে মাত্র তিনদিনের কোয়ারেন্টাইন করতে হবে। যেটা বিশ্বের কোথাও শুনিনি। এই সমস্ত সিদ্ধান্তগুলো আমাদের পরিস্থিতিকে ভয়ংকরভাবে নাজুক করে ফেলছে। লকডাউনের সময় যারা ঢাকার বাইরে চলে গিয়েছিলো এখন দোকান-মার্কেট খোলায় তারা আবার ঢাকায় ঢুকছে। ঈদের আগে তারা আবার গ্রামের ফিরে যাবেন। ফলে কী হবে? সারা দেশেই করোনাভাইরাসের সংক্রামণ মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পাবে।’
বিএনপি মহাসচিবের মতে, আমরা সরকারকে বলতে চাই যে, এই বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা দরকার এবং একটা পরিকল্পিত, সমন্বিত সিদ্ধান্ত গ্রহন করা প্রয়োজন। এতো লেজে গোবরে করে ফেলেছে যেন এখন কোনটাই সামাল দিতে পারছে না।’