a
ফাইল ছবি
আটলান্টিক মহাসাগরে ইরানের নৌবহরের উপস্থিতিতে শত্রুরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। সোমবার তেহরানে এক সামরিক অনুষ্ঠানের অবকাশে ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল হোসেইন খানজাদি এমন মন্তব্য করেছেন। খবর পার্সটুডের
তিনি বলেন, এমন সময় তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে যখন আটলান্টিক তীরবর্তী দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ইরান ওই মহাসাগরে নৌবহর পাঠিয়েছে। আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইনের আওতায় ইরান নিজের কৌশলগত অধিকার প্রয়োগের লক্ষ্যে এ তৎপরতা চালাচ্ছে এবং এ কাজ অব্যাহত থাকবে।
সোমবারের ওই সামরিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ডেস্ট্রয়ার ‘দেনা’ এবং মাইনহান্টার ‘শাহিন’ আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের নৌবাহিনীতে যুক্ত হয়। ইরান সম্প্রতি আটলান্টিক মহাসাগরে পোর্ট শিপ ‘মাকরান’ এবং ডেস্ট্রয়ার ‘সাহান্দ’ পাঠিয়েছে।
ফাইল ছবি
দখলদার ইসরায়েলের 'রামুন' বিমানবন্দরে আইয়াশ-২৫০ নামে মধ্য পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের দ্বারা ইসরায়েলের সকল স্থানে হামলা চালানোর সক্ষম বলে জানিয়েছে হামাস।
হামাসের সামরিক শাখা ইয্যাদ্দিন কাসসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু ওবায়দা জানান, বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের রামুন বিমানবন্দরে মধ্য পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র 'আইয়াশ' এর সাহায্যে হামলা চালানো হয়েছে। গাজা থেকে বিমানবন্দরটির দূরত্ব ২২০ কিলোমিটার, আর ২৫০ কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে আঘাতটি করা হয়। ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আইরন ডোম ক্ষেপনাস্ত্রটিকে ঠেকাতে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে। ২৫০ কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ইসরায়েলের যে কোনো স্থানে হামলা করতে সক্ষম।
ক্ষেপণাস্ত্রটি হামাসের গুরুত্বপূর্ণ নেতা শহীদ ইয়াহিয়া আইয়াশের নামে নাম দেয়া হয়েছে। তিনি ১৯৯৬ সালের ৫ জানুয়ারি শিনবেত এলাকায় ইসরায়েলের হামলায় শহীদ হন। সূত্র: পার্সটুডে
ফাইল ছবি
ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েল কর্তৃক ফিলিস্তিনিদের উপর আক্রমনে নিজ সৈন্যদের নিরাপত্তার জন্য ইসরায়েল থেকে শতাধিক সেনা ও কয়েকজন বেসামরিক নাগরিককে সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমান সহিংস অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নিল মার্কিন প্রশাসন।
গতকাল বৃহস্পতিবার ১৪ মে পেন্টাগন সূত্রে জানা যায়, ইসরায়েল থেকে ১২০ জন সেনাকে একটি সি-১৭ উড়োজাহাজে করে জার্মানির মার্কিন ঘাঁটিতে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এসব সেনা যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নিতে ইসরায়েলে গিয়েছিলেন।
মার্কিন সেনা সদরদফতরের মুখপাত্র জন কিরবি জানান, এসব সেনা ইতোমধ্যে জার্মানির রামস্টেইন ঘাঁটিতে পৌঁছেছেন। ইসরায়েলিদের সাথে পরামর্শ করেই তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে এদিকে আমেরিকা থেকে ইসরায়েলে ভ্রমনে দেশটির সাধারণ জনগণকে সতর্ক করা হয়েছে।
গত বুধবার হোয়াইট হাউস প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছিল,ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট বিনইয়ামিন নেতানিয়াহু’র সাথে ফোনালাপে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।
গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সূত্রে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ইসরায়েলি দখলদারদের হামলায় এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১৩ জন। এর মধ্যে ৩১টি কোমলমতি শিশুও রয়েছে। এছাড়া ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়েছেন ছয়শ’রও বেশি ফিলিস্তিনি।
বর্বর এই হামলার এই হামলার জন্য বাংলাদেশসহ মুসলিম বিশ্ব ইসরায়েলকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। এছাড়া মুক্তিকামী সংগঠন হামাস মুসলমানদের উপর হামলারস্বরুপ তেল আবিবে রকেট হামলা অব্যাহত রেখেছে। সূত্র: পার্স টুডে, আল জাজিরা