a
ফাইল ছবি
আটলান্টিক মহাসাগরে ইরানের নৌবহরের উপস্থিতিতে শত্রুরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। সোমবার তেহরানে এক সামরিক অনুষ্ঠানের অবকাশে ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল হোসেইন খানজাদি এমন মন্তব্য করেছেন। খবর পার্সটুডের
তিনি বলেন, এমন সময় তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে যখন আটলান্টিক তীরবর্তী দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ইরান ওই মহাসাগরে নৌবহর পাঠিয়েছে। আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইনের আওতায় ইরান নিজের কৌশলগত অধিকার প্রয়োগের লক্ষ্যে এ তৎপরতা চালাচ্ছে এবং এ কাজ অব্যাহত থাকবে।
সোমবারের ওই সামরিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ডেস্ট্রয়ার ‘দেনা’ এবং মাইনহান্টার ‘শাহিন’ আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের নৌবাহিনীতে যুক্ত হয়। ইরান সম্প্রতি আটলান্টিক মহাসাগরে পোর্ট শিপ ‘মাকরান’ এবং ডেস্ট্রয়ার ‘সাহান্দ’ পাঠিয়েছে।
সংগৃহীত ছবি
বাড়ছে বিশ্বের তাপমাত্রা। এই পরিস্থিতিতে আরও চিন্তা বাড়াচ্ছে জয়বায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল আইপিসিসি’র সাম্প্রতিক রিপোর্ট।
জানা গেছে, ওই রিপোর্টে সাফ বলা হয়েছে- যে হারে সমুদ্রের পানির স্তর বাড়ছে তাতে কয়েক বছরের মধ্যেই পানিতে তলিয়ে যেতে পারে ভারতের ১২টি উপকূলবর্তী শহর। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য মুম্বাই, চেন্নাই, কোচি, বিশাখাপত্তনম। প্রায় তিন ফুট পানির নিচে চলে যেতে পারে এই শহরগুলো। খবর জি নিউজের।
জানা গেছে, উষ্ণায়নের ফলে যেভাবে বিশ্বব্যাপী জলস্তর বাড়ছে তা নিয়ে চিন্তিত স্পেস এজেন্সিগুলো। তাদেরও নজরে পড়েছে ভারতের ১২টি উপকূলবর্তী শহর বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে আছে।
আইপিসিসি’র রিপোর্ট বলছে, গোটা বিশ্বের তুলনায় এশিয়ার পানির স্তর বৃদ্ধির হার অনেক বেশি। আগে যেখানে ১০০ বছরে একবার সমুদ্রের জলস্তর পরিবর্তিত হত, আগামী কয়েক বছরে মাঝে মধ্যেই সেই পরিবর্তন হবে। সেজন্যই বাড়বে সমুদ্রের পানির স্তর। যদি এই হারেই জলস্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে তবে, শতাব্দীর শেষে ভারতের ১২টি উপকূলবর্তী শহর তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেসব শহরগুলো হল:
কান্দলা: ১.৮৭ ফুট
ওখা: ১.৯৬ ফুট
ভৌনগর: ২.৭০ ফুট
মুম্বাই: ১.৯০ ফুট
মরমুগাও: ২.০৬ ফুট
ম্যাঙ্গালোর: ১.৮৭ ফুট
কোচিন: ২.৩২ ফুট
পরাদীপ: ১.৯৩ ফুট
খিদিরপুর: ০.৪৯ ফুট
বিশাখাপত্তনম: ১.৭৭ ফুট
চেন্নাই: ১.৮৭ ফুট
তুতিকোরিন: ১.৯ ফুট
সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কাছে খুতবা পাঠ পৌঁছে দিতে সৌদি আরব সরকার বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এবার আরাফার বিস্তৃত প্রাঙ্গণে হাজিদের উদ্দেশ্যে হজের যে খুতবা পাঠ করা হবে সেখানে বাংলাসহ ১০টি ভাষায় অনুবাদ করা হবে।
সেখানে দু’টি প্লাটফর্মে সেটি সম্প্রচার করা হবে বলে জানিয়েছেন সৌদির পবিত্র দুই মসজিদের পরিচালনা বিভাগের প্রধান শায়খ ড. আবদুর রহমান আল সুদাইস।
যে সকল ভাষায় সম্প্রচারিত হবে সেগুলো হলো- বাংলা, ইংরেজি, ফ্রেন্স, তুর্কি, মালাইউ, চায়নিজ, উর্দু, ফার্সি, রাশিয়ান ও হাউসা। শায়খ ড. আবদুর রহমান আল সুদাইস, ইসলামের সুমহান বার্তা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম কর্তৃক গৃহীত হারামাইন শরীফাইন ও আরাফা'র খুতবার তাৎক্ষণিক অনুবাদ প্রকল্পের অংশ হিসেবে, মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববী পরিচালনা পরিষদ (আর রিয়াসা আল আম্মা) জানিয়েছে, উক্ত খুতবা বিশ্বের এই দশটি ভাষায় সরাসরি (লাইভ) সম্প্রচার করা হবে।
চলতি বছরে আরাফার দিনের খুতবা দেবেন মক্কার মসজিদুল হারামের ইমাম ও খতিব শেখ ড. বন্দর বিন আবদুল আজিজ বালিলা। রাজকীয় এক ডিক্রির মাধ্যমে সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান এই নির্দেশ জারি করেন।
গ্র্যান্ড মসজিদের ইমামের দায়িত্ব ছাড়াও শেখ বন্দর কাউন্সিল অব সিনিয়র স্কলার্সেরও সদস্য। আরাফার দিনে খুতবার দায়িত্ব দেয়ার পর সৌদি বাদশাহ সালমানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন শেখ বন্দর বালিলা।
করোনাকালে দ্বিতীয় বারের মতো সীমিত সংখ্যক হাজিদের অংশগ্রহণে হজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গতকাল শনিবার (১৭ জুলাই) থেকে সৌদির বিভিন্ন স্থান থেকে হাজিরা মক্কার মসজিদুল হারামে এসে তাওয়াফ শুরু করেছেন। এবারের জিলহজ মাসের নবম দিন আরাফার দিন অনুষ্ঠিত হবে পবিত্র হজ। সূত্র: দ্যানিউজগ্লোরি।