a
ফাইল ছবি
হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলেভান সোমবার বলেছেন, ইরান ইউক্রেনে ব্যবহারের জন্য রাশিয়াকে যুদ্ধাস্ত্র বহনে সক্ষম এমন ড্রোন দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। খবর এএফপির।
সুলেভান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যাচ্ছে রুশ সামরিক বাহিনী ইউক্রেনে যথেষ্ট ক্ষয়-ক্ষতির শিকার হওয়ার পর এখন তারা টিকে থাকার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ইরান সরকার রাশিয়াকে যুদ্ধাস্ত্র বহনে সক্ষম কয়েক'শ ড্রোন দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রাপ্ত তথ্যে এমনও ইঙ্গিত রয়েছে যে, এসব ড্রোন (মনুষ্যবিহীন আকাশ যান) ব্যবহারের জন্য ইরান রাশিয়ার সৈন্যদের প্রশিক্ষণ দেয়ারও প্রস্তুতি নিচ্ছে।
হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলেভান আরও বলেন, ইরান ইতোমধ্যেই রাশিয়ায় কোন ড্রোন সরবরাহ করেছে কি না তা এখনো পরিষ্কার নয়। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
সংগৃহীত ছবি
রাশিয়ার একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ ২৮ জন আরোহী নিয়ে নিখোঁজ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার এএন-২৬ নামের উড়োজাহাজটি দেশটির পেট্রোপাভলভস্ক-কামচাটস্কি থেকে পালানা শহরে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়।
বার্তা সংস্থা তাস ও ইন্টারফ্যাক্স দেশটির আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেট্রোপাভলভস্ক-কামচাটস্কি থেকে পালানা শহরে যাওয়া সময় উড়োজাহাজটির কামচাটকায় কন্ট্রোলরুমের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে কর্মকর্তারা ধারণা করছেন উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়েছে।
উড়োজাহাজটিতে ৬ জন ক্রু এবং ২২ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে দুইজন শিশুও রয়েছে। এদিকে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার ব্যাপারে দেশটির কর্মকর্তাদের মধ্যে দুই ধরণের মত পোষণ করেছে। একটি সূত্র জানায়, উড়োজাহাজটি সমুদ্রে বিধ্বস্ত হতে পারে। আবার অন্য একটি সূত্র দাবি করেছে, এটি পালানা শহরে অবস্থিত একটি কয়লা খনিতে অবতরণ করেছে।
এদিকে দেশটির উদ্ধারকর্মীরা কমপক্ষে দু’টি হেলিকপ্টার নিয়ে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে। পাশাপাশি আরও উদ্ধারকর্মীদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
ছবি: এম.এস.প্রতিদিন
সদরঘাটের সাথে পরিচিত নন এমন লোক বাংলাদেশে হয়ত খুজেই পাওয়া যাবে না। সদরঘাট হলো দক্ষিণবঙ্গগামী সকল মানুষের জন্য নদীপথে ঢাকা ত্যাগের প্রধান ফটক। ২২টি জেলার মানুষের কাছে প্রধান চলাচল মাধ্যম সদরঘাট। পূর্বে সদরঘাটের নাম শুনলেই চোখে ভেসে আসতো এদিক সেদিক ময়লার ভাগাড় কিন্তু বর্তমান সদরঘাটের চিত্র দেখে অনেকেই বিশ্বাস করতে পারবে না তারা কোথায় চলে এসেছে।
বাংলাদেশ সরকারের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় বিআইডব্লিউটিআইর সাবেক যুগ্ম পরিচালক একেএম আরিফ উদ্দিনের প্রচেষ্টায় ২০১৯ সালে দখলদারদের থেকে সদরঘাটের বিভিন্ন যায়গা উদ্ধার করে গ্রিন সদরঘাট করা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিলেন তার সেই পদক্ষেপ আজ মানুষের সামনে দৃশ্যমান।
বর্তমানে দেশের এই নদী বন্দরকে সর্বদা পর্যবেক্ষণ করার জন্য ৩২টি পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। যেকোনো সময় যাত্রী সেবা দিতে চালু করা হয়েছে হটলাইন নম্বর। দখলি স্থান উদ্ধার করে সেখানে লাগানো হয়েছে নানা ধরনের গাছ, ঝাউ গাছ, বট গাছ, কৃষ্ণচূড়া গাছ উল্লেখযোগ্যভাবে সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলছে। একেবারে লালকুঠি ঘাট থেকে পশ্চিমের সীমানা পর্যন্ত রাস্তার পাশে ড্রামের ভিতর লাগানো হয়েছে ঝাউ গাছ এছাড়া লালকুঠি ঘাট থেকে প্রধান ফটক পর্যন্ত ইট দিয়ে গোলা করে মাটি উচু করে বট গাছ লাগানো হয়েছে। যা টার্মিনালের সামনের সড়কের শৃঙ্খলা বজায়ে রাখতে সহায়তা করে।
টার্মিনালের সামনেই রয়েছে পাবলিক টয়লেটের ব্যবস্থা যা খুব প্রয়োজন ছিল এমন গুরুত্বপূর্ণ যায়গায়। প্রধান ফটক থেকে শুরু করে আহসান মঞ্জিল পর্যন্ত প্রত্যেক গেট দিয়ে ঢুকার সময়ই মন কেড়ে নিবে বাহারি ফুলের সৌন্দর্য্যে।
বর্তমানে যাত্রীর চাপ হালকা করতে বিভিন্ন অঞ্চলের ঘাট আলাদা করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ, পূর্বে সদরঘাটে পন্টুন সংখ্যা ছিল মাত্র ১৩টি উচ্ছেদ অভিযানের পর পন্টুনের সংখ্যা এখন ৩০টি। ঘাটে কমেছে কুলি ও দালালদের দৌরাত্ব।