ঢাকা মঙ্গলবার, ৪ মাঘ ১৪২৮, ১৮ জানুয়ারী, ২০২২
Mukto Sangbad Protidin

ইরান নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ৫১ মার্কিন সামরিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন রবিবার, ০৯ জানুয়ারী, ২০২২, ০৫:১৮
ইরান নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ৫১ মার্কিন সামরিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে
ফাইল ছবি

ইরাকে ড্রোন হামলা চালিয়ে ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে হত্যার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর ৫১ পদস্থ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইরান।

২০২০ সালে ইরাকের বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সন্নিকটে ড্রোন হামলায় ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কুদস ফোর্সের শীর্ষ জেনারেলকে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র। এর জেরে এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে বলে শনিবার জানিয়েছে তেহরান। খবর রয়টার্সের।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সন্ত্রাসবাদ এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে ৫১ মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাকে চিহ্নিত করা হয়েছে।  ইরানের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে আছেন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল মার্ক মিলি, হোয়াইট হাউসের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ও’ব্রায়েন প্রমুখ।

এই নিষেধাজ্ঞার ফলে ইরানে থাকা মার্কিন কর্মকর্তাদের সম্পদ ইরানি কর্তৃপক্ষ বাজেয়াপ্ত করতে পারবে। যদিও ইরানে মার্কিন কর্মকর্তাদের সম্পদ না থাকায় এই নিষেধাজ্ঞা প্রতীকী ব্যবস্থা হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে।

তেহরানের স্থানীয় গণমাধ্যমে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির বরাত দিয়ে বলেছে, জেনারেল কাসেম সোলাইমানি এবং তার সহযোগির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবাদী ভূমিকায় সংশ্লিষ্টতা এবং সন্ত্রাসবাদ ও মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে ৫১ জনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে।

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর অভিজাত শাখা কুদস ফোর্সের কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলাইমানি, যিনি এই বাহিনীর সার্বিক কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন।

জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে ২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি ইরাকে ড্রোন হামলা চালিয়ে হত্যা করে মার্কিন সামরিক বাহিনী। পরে দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, তার নির্দেশেই সোলাইমানিকে হত্যা করা হয়েছে।

সন্ত্রাসী এবং মানবতাবিরোধী কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে ১ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং অন্য কয়েকজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল তেহরান।

গত সপ্তাহে জেনারেল সোলাইমানি হত্যাকাণ্ডের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহীম রাইসি বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের জন্য ট্রাম্পকে অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি হতে হবে, নতুবা তেহরান নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিশোধ নেবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ইসরায়েলে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করলেন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ১৪ জুন, ২০২১, ১১:৫১
ইসরায়েলে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করলেন

ফাইল ছবি

আজ সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট রিওভেন রিভলিনের সঙ্গে সাক্ষাতের পর আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন নতুন মন্ত্রীসভা।

এর আগে গতকাল রবিবার রাতে ইসরায়েলি আইনপরিষদ নেসেটের অধিবেশনের আস্থাভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য লাপিদ-বেনেতের জোট সরকারের প্রতি সমর্থন দেয়। এর ফলে দেশটির দীর্ঘতম সময় ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর শাসনের অবসান ঘটে। ২০০৯ থেকে টানা ১২ বছরসহ মোট ১৫ বছর তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

আস্থাভোটে নির্বাচিত হওয়ার পরপরই জোট সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যরা নেসেটে তাৎক্ষণিকভাবে শপথ নেন। আগের সমঝোতা অনুযায়ী চার বছর মেয়াদের সরকারের প্রথম দফায় দুই বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রীর শপথ নেন নাফতালি বেনেত। ২০২৩ সালে শেষ দুই বছরের জন্য ইসরায়েলের নেতৃত্বের দায়িত্ব বেনেতের কাছ থেকে গ্রহণ করবেন ইয়ায়ির লাপিদ।

এদিকে আজ সোমবার কোনো প্রকার আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই বেনেতের কাছে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব হস্তান্তরের ঘোষণা দিয়েছেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। রবিবার রাতেই এ বিষয়ে নাফতালি বেনেতকে বার্তা দেওয়ার কথা জানায় নেতানিয়াহুর দপ্তর।

ইয়ায়ির লাপিদের ইয়েশ আতিদ ও নাফতালি বেনেতের ইয়ামিনা দল ছাড়াও প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেনি গান্টজের মধ্যপন্থী ব্লু অ্যান্ড হোয়াইট, অ্যাভিগদর লিবারমানের রক্ষণশীল ইসরায়েল বেইতেইনু, মিরেভ মিশেইলির নেতৃত্বের মধ্য-বামপন্থী লেবার পার্টি, গিদন সারের নেতৃত্বের মধ্য-ডানপন্থী নিউ হোপ পার্টি, নিৎজান হরোউৎজের বামপন্থী মেরেৎজ ও মানসুর আব্বাসের নেতৃত্বের আরব-ইসরায়েলিদের রাজনৈতিক দল ইউনাইটেড আরব লিস্ট এই জোটে রয়েছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আমার চক্ষু দান করতে চাই মৃত্যুর পর: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৫:৫২
আমার চক্ষু দান করতে চাই মৃত্যুর পর: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী

ফাইল ছবি

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক মরণোত্তর চক্ষুদান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে মরণোত্তর চক্ষুদানবিষয়ক এক অনুষ্ঠানে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ও সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি। 

মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আমার মৃত্যুর পর চক্ষুদান করতে চাই। মৃত্যুর পর আমার চোখ যদি কারও কাজে আসে, তাহলে আমি ‍খুশি হব।’

তিনি বলেন, ‘চক্ষুদানের মাধ্যমে অন্য কোনো ব্যক্তি দৃষ্টি শক্তি পেলে মানুষ মরেও বেঁচে থাকতে পারে। এটা সোয়াবের কাজ, ভালো কাজ এবং পুণ্যের কাজ। আমার মৃত্যুর পর চোখ কারও কাজে লাগলে ভালো লাগবে। এ চক্ষুদানকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে পারলে অনেক মানুষের উপকার হবে।’

মোজাম্মেল হক বলেন, ‘শহরের মানুষের মধ্যে অপেক্ষাকৃত মানবিকতা কম। সব কাজই নিজের স্বার্থের কথা চিন্তা করে। অন্যদিকে গ্রামের মানুষ উদার। অন্যের জন্য কিছু করার চেষ্টা করে। তাই মরণোত্তর চক্ষুদান আন্দোলন উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছাতে পারলে ভালো সুফল পাওয়া যাবে। এক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতা নিয়ে কর্নিয়া সংগ্রহ করা গেলে, অনেক মানুষ পৃথিবীর আলো দেখতে পারবে।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক সেনাপ্রধান লে. জে. (অব.) হারুন-অর-রশিদ, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ বরেন চক্রবর্তী, আমিনুল ইসলাম লিটু প্রমুখ।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক