a মোদির চিঠির উত্তরে শান্তির বার্তা দিলেন ইমরান খান
ঢাকা বুধবার, ৩০ পৌষ ১৪৩২, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

মোদির চিঠির উত্তরে শান্তির বার্তা দিলেন ইমরান খান


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
বুধবার, ৩১ মার্চ, ২০২১, ১০:১৮
মোদির চিঠির উত্তরে শান্তির বার্তা দিলেন ইমরান খান

ফাইল ছবি: ইমরান খান (বামে) ও নরেন্দ্র মোদি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চিঠি পাওয়ার পর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে শান্তি বজায় রাখার ব্যাপারে উদ্যোগী হলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। গত মঙ্গলবার তিনি মোদির চিঠির উত্তর দিয়েছেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী ‘পাকিস্তান দিবস’ উপলক্ষে ইমরান খানকে চিঠি লিখেছিলেন। তাতে জানিয়েছিলেন, প্রতিবেশি দেশটির সঙ্গে ভাল সম্পর্ক চায় ভারত। চিঠিতে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নত করার বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। 

ইমরান খান এবার তাতে ইতিবাচকভাবে সাড়া দিলেন। ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার বার্তা দিলেন চিঠিতে।

চিঠিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “ভারত-সহ প্রতিটি প্রতিবেশি রাষ্ট্রের সঙ্গেই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান চায় পাকিস্তানের নাগরিক। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক ভাল থাকলে তবেই ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সমস্ত ইস্যুর সমাধান করা সম্ভব। যার মধ্যে অন্যতম জম্মু ও কাশ্মীর সমস্যা।”

একইসঙ্গে করোনা মহামারীর সঙ্গে ভারতীয়দের লড়াইকেও অভিনন্দন জানিয়েছেন ইমরান খান।

সম্প্রতি তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ভারত-পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ হয়েছিল। সেখানে আলাদা করে তাদের কোনও বৈঠক না হলেও, পরবর্তীতে ইমরানের এই চিঠি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। সূত্র: এনডিটিভি, ইন্ডিয়াটিভি, আল-জাজিরা

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী হলেন ইমরান খান জোটের চৌধুরী পারভেজ এলাহি


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ২৭ জুলাই, ২০২২, ০১:০৪
অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী হলেন ইমরান খান জোটের চৌধুরী পারভেজ এলাহি

ফাইল ছবি

গতকাল মঙ্গলবার রাত নয়টায় পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী পদে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের ছেলে হামজা শাহবাজের নিয়োগ ‘অবৈধ’ ঘোষণা করে রায় দেন সুপ্রিম কোর্ট। এরপর দিবাগত রাত দুইটায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান–সমর্থিত চৌধুরী পারভেজ এলাহি নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। খবর ডন ও জিও নিউজের।

সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে ক্ষমতাসীন পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, পাঞ্জাবের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে মরিয়া ছিল কেন্দ্রীয় সরকার।

রায় ঘোষণার পর এক সংবাদ সম্মেলনে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তকে ‘বিচারিক অভ্যুত্থান’ বলে কড়া সমালোচনা করেছেন তথ্যমন্ত্রী মারিয়াম আওরঙ্গজেব। অন্যদিকে, রায় মেনে নিতে পিএমএল-এন জোটের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইমরান খানের পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)।

রাত নয়টায় সংক্ষিপ্ত রায় ঘোষণা করেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি উমর আতা বান্দিয়ালের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ। পাঞ্জাবের ডেপুটি স্পিকার দোস্ত মুহাম্মদ মাজারির আদেশ বাতিল করে এতে বলা হয়, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৩এ(১)(বি) নিয়ে তাঁর জানাশোনা ও বাস্তবায়ন ‘ভুল ও ত্রুটিপূর্ণ’।

গত শুক্রবার পাঞ্জাবের প্রাদেশিক পরিষদে মুখ্যমন্ত্রী পদে ভোটাভুটি হয়। এতে জোটের শরিক পাকিস্তান মুসলিম লিগ-কায়েদের (পিএমএল-কিউ) চৌধুরী পারভেজ এলাহিকে প্রার্থী করে পিটিআই। তিনি পান ১৮৬ ভোট। আর পিএমএল-এন নেতৃত্বাধীন প্রার্থী হামজা শাহবাজ পান ১৭৯ ভোট।

কিন্তু সংবিধানের ৬৩(এ) অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে ডেপুটি স্পিকার পিএমএল-কিউ দলের ১০ সদস্যের ভোট বাতিল করে দেন। কারণ হিসেবে তিনি দাবি করেন, পিএমএল-কিউ প্রধান চৌধুরী সুজাত হোসেন কোনো দলের পক্ষে পার্লামেন্ট সদস্যদের ভোট না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে এক চিঠিতে তাঁকে জানিয়েছেন। ফলে, তিন ভোটে হামজা শাহবাজকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

সংবিধানের ৬৩(এ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে দেওয়া কোনো পার্লামেন্ট সদস্যের ভোট গণনা করা হবে না। এমনকি দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ভোট দিলে তাঁদের সদস্য পদও বাতিল বলে গণ্য হবে।

ডেপুটি স্পিকারে সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন পিটিআই নেতা রাজা বাশারাত। তিনি বলেন, পিএমএল-কিউয়ের সংসদীয় নেতা চৌধুরী সাজিদ। তাই এ ক্ষেত্রে সংবিধানের আর্টিকেল ৬৩(এ) প্রযোজ্য হবে না। উল্লেখ্য, এই অনুচ্ছেদের ব্যাখ্যায় ‘পার্লামেন্টারি পার্টির সিদ্ধান্তের’ কথা বলেছিলেন সুপ্রিম কোর্ট।

একপর্যায়ে অধিবেশন মুলতবি করে পিটিআই ও পিএমএল-কিউ নেতাদের তাঁদের আপত্তি নিয়ে ‘আদালতের দ্বারস্থ হতে বলেন’ ডেপুটি স্পিকার। শেষ পর্যন্ত তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলে গতকাল ডেপুটি স্পিকারের রায় অবৈধ ঘোষণা করেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ।

একই সঙ্গে চৌধুরী পারভেজ এলাহিকে মুখ্যমন্ত্রী নিয়োগ দিয়ে তাঁকে রাত সাড়ে ১১টায় শপথ পড়াতে পাঞ্জাবের গভর্নরকে নির্দেশ দেন সুপ্রিম কোর্ট। যদি কোনো কারণে গভর্নর এলাহিকে শপথ না পড়ান, তাহলে প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি তাঁকে শপথ পড়াবেন বলে আদেশে বলা হয়।

পাঞ্জাবের গভর্নর এলাহিকে শপথ পড়াতে অস্বীকৃতি জানালে সুপ্রিম কোর্টের আদেশ অনুযায়ী রাত দুইটার দিকে তিনি প্রেসিডেন্ট আলভির কাছে শপথ নেন। জিও নিউজ জানায়, ইসলামাবাদে শপথ অনুষ্ঠানে আনতে এলাহির জন্য বিশেষ উড়োজাহাজ পাঠান প্রেসিডেন্ট।

জাতীয় পরিষদে বিরোধী জোটের আনা অনাস্থা প্রস্তাবে হেরে গত ৯ এপ্রিল বিদায় নেয় ইমরান খানের সরকার। অনাস্থা ভোটের অধিবেশন ঘিরেও ওই দিন রাতভর নাটকীয়তা চলে। ওই সংকট চলাকালে মধ্যরাতে বসেছিলেন সুপ্রিম কোর্ট। সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জানাজায় ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে হাজির করা মানবাধিকার পরিপন্থি: মানবাধিকার কমিশন


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২২, ০৯:২০
জানাজায় ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে হাজির করা মানবাধিকার পরিপন্থি: মানবাধিকার কমিশন

ফাইল ছবি

প্যারোলে মুক্তি পাওয়া ছেলেকে মায়ের জানাজায় ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে হাজির করা সংবিধান ও মৌলিক মানবাধিকার পরিপন্থি বলে মন্তব্য করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। পাশাপাশি এ ঘটনার নিন্দাও জানিয়েছে সংস্থাটি।

গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়- আলী আজমের মা সাহেরা বেগম বার্ধক্যজনিত কারণে ১৮ ডিসেম্বর মারা যান। শেষবার মায়ের লাশ দেখতে ও জানাজায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেতে আইনজীবীর মাধ্যমে ১৯ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসক বরাবর প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেন আলী আজম। ২০ ডিসেম্বর তিন ঘণ্টার জন্য তাকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়। তিনি তার মায়ের জানাজায় উপস্থিত থাকার সুযোগ পান। প্যারোলের পুরোটা সময় হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি পরা অবস্থায় ছিলেন তিনি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জানাজা পড়ানোর সময় তার হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি খুলে দেওয়ার অনুরোধ করা হলেও তা খুলে দেয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। কমিশন মনে করে, ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনপূর্বক প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার পরও একজন বন্দিকে মায়ের জানাজায় ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে নিয়ে যাওয়া শুধু অমানবিকই নয় বরং বাংলাদেশের সংবিধান ও মৌলিক মানবাধিকারের পরিপন্থি। বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিচার বা দণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানসিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাবে না।

বিবৃতিতে বলা হয়, পাশাপাশি কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ডান্ডাবেড়ি পরানো বিষয়ক উচ্চ আদালতের যে নির্দেশনা রয়েছে, সেটা এক্ষেত্রে অনুসরণ করা হয়নি, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েনসহ যথাযথ নজরদারিসহ অন্যান্য পদক্ষেপ নেওয়া সমীচীন ছিল। এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজে যথার্থ পদক্ষেপ গ্রহণে যত্নবান হতে হবে। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক