a
ফাইল ছবি
আজ ইসরাইলের হাইফা শহরের একটি গ্যাস ক্ষেত্রের আগুন লাগার খবর পাওয়া গেছে। হাইফার এলাকার আশেপাশে বসবাসকারী ইসরায়েলিরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে অগ্নিকাণ্ডের ছবি শেয়ার করেছেন। তারা বলছেন, গ্যাস ফিল্ডের প্ল্যাটফর্মে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।
রুশ বার্তাসংস্থা স্পুটনিক এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ইসরাইলের গ্যাস ফিল্ডের আগুনের ছবি ছড়িয়ে পড়লে মুহুর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায়।
ইসরায়েলি আক্রমনের জবাবে ফিলিস্তিনিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ভিতরই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলো। তবে সেখানে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে কিনা তা নিশ্চিত নয়। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বলছে, কারিগরি ঝামেলার জন্যই উক্ত ঘটনা ঘটেতে পারে এবং এই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
দুই সপ্তাহ পূর্বে ইসরায়েলের হাইফার এলাকায় একটি তেল শোধনাগারে ব্যাপক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল এবং এর ফলে সেখানে ব্যাপক পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়। অগ্নিকাণ্ডের কারণে পুরো এলাকায় তেল সরবরাহ বন্ধ করে দিতে হয়েছিল। সূত্র: পার্সটুডে ও স্পুটনিক
ফাইল ছবি
আর্মেনিয়ার দখল থেকে ২৮ বছর পর নাগোরনো কারাবাখ মুক্ত করেছে আজারবাইজান। যুদ্ধে কীভাবে আর্মেনিয়ার বিপক্ষে লড়াই করেছে আজারবাইজান, সেকথা নিজেই জানালেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ।
রাশিয়ার একটি ম্যাগাজিনকে সাক্ষৎকারে তিনি জানান, কারাবাখ যুদ্ধে তিনি তুর্কি ড্রোন ব্যবহার করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন। ১০ বছর আগ থেকেই তিনি তুর্কি ড্রোন কিনে সংগ্রহ করতে থাকেন। তিনি বলেন, দ্বিতীয় কারাবাখ যুদ্ধের আগে মনুষ্যবিহীন বিমান (ড্রোন) ব্যবহার করিনি। অনেকদিন আগ থেকেই আমরা ড্রোন সংগ্রহ করতে থাকি, ১০ বছরের বেশি সময় ধরে, যদি আমার স্মৃতি ভুল না করে।
তিনি জানান, সেই সময়ে তুরস্কের সামরিক প্রতিষ্ঠান এটি (ড্রোন) তৈরি শুরু করেনি। আমি প্রথম বায়রাকতার টিবি-২ ড্রোনের বিদেশি ক্রেতা ছিলাম। এটি খুবই কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে এবং এটি সঠিকভাবে হামলা চালাতে পেরেছে।
বায়রাকতার টিবি২ সশস্ত্র ড্রোন তুরস্কের প্রতিরক্ষা কোম্পানি বায়কার টেকনোলজিস তৈরি করছে। এই ড্রোনটি তুরস্কের সামরিক বাহিনী ২০১৫ সাল থেকে দেশের নিরাপত্তার জন্য সামরিক বাহিনীতে সংযুক্ত করে। সম্প্রতি আজারবাইজানের সেনাবাহিনী সেসব ড্রোন ব্যবহার করে কারাবাখ যুদ্ধে ব্যাপকভাবে সফলতা অর্জন করে।
ড. এ কে এম রফিক আহাম্মেদ
পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. এ কে এম রফিক আহাম্মেদ মারণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্তে মারা গেছেন। আজ শনিবার (১০ এপ্রিল) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ভোর ৪টা ১৪ মিনিটে তিনি মারা যান।
পরিবেশ অধিদপ্তরের পিআরও মো. রিয়াজুল ইসলাম তার মৃত্যুর বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর।
ড. এ কে এম রফিক আহাম্মেদ ২০১৯ সালের ২২ মে মহাপরিচালক হিসেবে পরিবেশ অধিদফতরে যোগদান করেন। ড. আহাম্মেদ ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারে কর্মজীবন শুরু করেন এবং গত ২৭ বছরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
এর আগে তিনি দুবাইয়ের বাংলাদেশের কনসুলেট জেনারেলের বাণিজ্যিক পরামর্শদাতা হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্কিত দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে কাজ করেছেন।
এ ছাড়া তিনি তৎকালীন পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব এবং মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবেও কাজ করেছেন। ড. আহাম্মেদ ২০১৪ সালে পরিচালক (জলবায়ু পরিবর্তন ও আন্তর্জাতিক সম্মেলন) হিসেবে পরিবেশ অধিদফতরেও কাজ করেছিলেন।
ড. এ কে এম রফিক আহাম্মেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাণিবিদ্যায় স্নাতক (অনার্স) এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।