a
রাশিয়ার সামরিক বাহিনী বলেছে, শুক্রবার রাতে ইহুদিবাদী ইসরায়েল সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক লক্ষ্য করে যে ২৪টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে। এরমধ্যে ২১টি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে সক্ষম হয় সিরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী।
সিরিয়ায় রাশিয়ার রিকনসিলেশন সেন্টারের উপপ্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল ভাদিম কুলিত এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে লেবাননের আকাশসীমা ব্যবহার করে ইসরায়েলের বিমান বাহিনী এফ-১৫ বিমান থেকে দামেস্ক শহর লক্ষ্য করে ২৪টি গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।
কিন্তু সিরিয়ার সামরিক বাহিনী রুশ নির্মিত বাক-এম-২ই এবং পান্তশির এস-১ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সাহায্যে ২১টি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করে। সূত্র:পার্সটুডে ও জেরুজালেম পোস্ট
সংগৃহীত ছবি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান সিনেটর জেমস রিশ পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ৫০ মিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা আটকে দিয়েছেন। এতে গাজা উপত্যকায় ভবন, সড়ক ও নিরাপদ পানি সরবরাহ স্থাপনা নির্মাণ বিলম্বিত হবে। এতে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়বে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজাবাসী।
আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করে। গণমাধ্যমটি আরও জানায়, গত মাসে ১১দিন ব্যাপী হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধে গাজায় শত শত ভবন ধ্বংস করেছে ইহুদিবাদীদের যুদ্ধবিমান। মিশরের সহায়তায় দুই পক্ষের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন ওই আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল।
তবে মার্কিন কংগ্রেসে পাস হওয়া ফিলিস্তিনিদের আর্থিক সহায়তা গত মাসে রিপাবলিকান সিনেটর জেমস রিশ বন্ধের পদক্ষেপ নেন। তিনি দাবি করেন, এই অর্থ হামাস বা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে যাবে না সেটা আগে নিশ্চিত করতে হবে। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের একটি আইনকে ব্যবহার করে এটি আটকে দিয়েছে সিনেটর জেমস।
ফাইল ফটো:পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ভারতের সঙ্গে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি ১০ বছর আগেই সই সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু তার বাস্তবায়ন করা হয়নি। কী কারণে সেটা বাস্তব রূপ পায়নি সেটা আমরা জানি। শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সহিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সব কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিস্তা চুক্তি ১০ বছর আগে সম্পন্ন হয়েছে। দুই পক্ষই ডকুমেন্টে সই করেছে। ভারত সরকার আমাদের বলেছে, আগে যে চুক্তি হয়েছে সেটা ‘স্টান্ডবাই’। তারা এটা গ্রহণ করে এবং তার থেকে কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।
কি কারণে সেটা বাস্তবায়ন হয় নাই, আমরা সেটা জানি। তিনি পরোক্ষভাবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসহযোগিতার ইঙ্গিতই প্রকাশ করেছেন।