a
ফাইল ছবি
ইসরায়েল সরকারের কাছে অস্ত্রের চালান সরবরাহে সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ইতালির বন্দর শ্রমিকরা। ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি সেনারা বর্বর হত্যাযজ্ঞ চালানোর প্রতিবাদে অস্ত্র চালান সরবরাহে ইতালির শ্রমিকরা সহযোগিতা করবেনা বলে জানিয়েছে।
অস্ত্রের একটি চালান ইসরায়েলে যাচ্ছে এমন তথ্য পাওয়ার পর ইতালির লিভোরনো শহরের বন্দর শ্রমিকরা এই সিদ্ধান্ত নেয়। ইতালির অনলাইন পত্রিকা কন্ট্রোপিয়ানো এ খবর প্রকাশ করে।
অস্ত্র ভর্তি কয়েকটি কন্টেইনার জাহাজে তুলে দেয়ার জন্য বন্দর শ্রমিকদের নির্দেশ দেয়ার পর শ্রমিকরা জানতে পারে যে, এসব কন্টেইনার ইসরায়েলের বন্দরনগরী আশদোদে যাবে। আর এসব কন্টেইনারে অস্ত্র ও গোলাবারুদ ছিল।
পত্রিকাটি লিখেছে, অস্ত্র ও বিস্ফোরক ফিলিস্তিনি জনগণকে হত্যার জন্য ব্যবহৃত হবে। আর ইতিমধ্যে ফিলিস্তিনিদের ওপর এইরমধ্যে ইসরায়েল মারাত্মক হামলা চালিয়ে আসছে। ইসরায়েলি এসব আগ্রাসনে দেড়শ’র বেশি সাধারণ মানুষ শহীদ হয়েছেন। সূত্র: আরব নিউজ, পার্সটুডে
ফাইল ছবি
আগামী ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বিশ্বে করোনাভাইরাসে নতুন করে ৫ লাখ মানুষের মৃত্যু দেখতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইউরোপীয় অঞ্চলের পরিচালক হ্যান্স ক্লুগে।
ইউরোপীয় অঞ্চলের ৫৩ দেশে এখনও কোভিডের সংক্রমণ অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি। ফলে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রাণহানির সংখ্যাও বাড়তে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে করোনার ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতিকে ‘গুরুতর’ ও ‘উদ্বেগজনক’ অ্যাখ্যা দেন তিনি। বিশেষ করে ইউরোপে প্রাণঘাতী কোভিডের সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন ডব্লিউএইচও’র এই পরিচালক। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে পাঁচ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।
ডব্লিউএইচও'র তালিকায় ইউরোপের ৫৩টি দেশের পাশাপাশি মধ্য এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশও রয়েছে। যদিও মহামারির দূর করতে বিশ্বজুড়ে টিকাদান কার্যক্রম ভালই চলছে। তবে দরিদ্র দেশগুলো এক্ষেত্রে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। কোভিড টিকার সুষমে বণ্টনে সব ধনী দেশকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে আসছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। করোনায় এ পর্যন্ত সারা বিশ্বে ৫০ লাখের বেশি মানুষ মারা গেছেন।
ফাইল ছবি
অধিকৃত ফিলিস্তিনের পূর্ব বায়তুল মুকাদ্দাস শহরের শেখ জাররাহ শরণার্থী শিবির এবং অন্যান্য অংশ থেকে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের উচ্ছেদের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে ইসরায়েল। এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ করায় ব্যাপক ধরপাকড় চালাচ্ছে ইসরায়েলি পুলিশ।
জেরুজালেমে বিক্ষোভের সময় দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। উচ্ছেদের উদ্যোগ নেওয়ায় গত কয়েকদিন ধরে চলে আসা সংঘর্ষে শত শত ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।
এর আগে শেখ জাররাহ শরণার্থী শিবির এবং অন্যান্য অংশ থেকে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের উচ্ছেদের উদ্যোগকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছে সুইজারল্যান্ড। ইসরায়েলের এসব পদক্ষেপকে নিন্দা করেছে দেশটি।
সোমবার সুইজারল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতির মাধ্যমে এই নিন্দা জানায়। তবে সব পক্ষকে এই স্পর্শকাতর' সময়ে ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানানো হয়।
আদালতকে ব্যবহার করে ইসরায়েল সরকার শেখ জাররাহ শরণার্থী শিবিরের ফিলিস্তিনি নাগরিকদের উচ্ছেদ এবং তাদের ঘর-বাড়ি ধ্বংস করছে। সেখানে নতুন একটি ইহুদি বসতি স্থাপন করার পরিকল্পনা নিয়ে এসব ধ্বংসাত্বক কাজ করছে তেল আবিব।
গত কয়েকদিনে ইসরায়েলি সেনা ও অবৈধ বসতি স্থাপনকারী ইহুদিরা ফিলিস্তিনিদের সেখান থেকে জোর করে বের কের দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং এ নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে।
ইতিমধ্যে, ইসরায়েলি সেনাদের বর্বচিত হামলায় বহু ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন এবং অনেককে আটক করা হয়েছে। শেখ জাররাহ শরণার্থী শিবির থেকে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের উচ্ছেদ প্রক্রিয়া বন্ধ করার জন্য ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনটি বলেছে, ইসরায়েল এই পরিকল্পনা বন্ধ না করলে চড়া মূল্য দিতে হবে।