a
ফাইল ছবি
ইসরায়েল সরকারের কাছে অস্ত্রের চালান সরবরাহে সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ইতালির বন্দর শ্রমিকরা। ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি সেনারা বর্বর হত্যাযজ্ঞ চালানোর প্রতিবাদে অস্ত্র চালান সরবরাহে ইতালির শ্রমিকরা সহযোগিতা করবেনা বলে জানিয়েছে।
অস্ত্রের একটি চালান ইসরায়েলে যাচ্ছে এমন তথ্য পাওয়ার পর ইতালির লিভোরনো শহরের বন্দর শ্রমিকরা এই সিদ্ধান্ত নেয়। ইতালির অনলাইন পত্রিকা কন্ট্রোপিয়ানো এ খবর প্রকাশ করে।
অস্ত্র ভর্তি কয়েকটি কন্টেইনার জাহাজে তুলে দেয়ার জন্য বন্দর শ্রমিকদের নির্দেশ দেয়ার পর শ্রমিকরা জানতে পারে যে, এসব কন্টেইনার ইসরায়েলের বন্দরনগরী আশদোদে যাবে। আর এসব কন্টেইনারে অস্ত্র ও গোলাবারুদ ছিল।
পত্রিকাটি লিখেছে, অস্ত্র ও বিস্ফোরক ফিলিস্তিনি জনগণকে হত্যার জন্য ব্যবহৃত হবে। আর ইতিমধ্যে ফিলিস্তিনিদের ওপর এইরমধ্যে ইসরায়েল মারাত্মক হামলা চালিয়ে আসছে। ইসরায়েলি এসব আগ্রাসনে দেড়শ’র বেশি সাধারণ মানুষ শহীদ হয়েছেন। সূত্র: আরব নিউজ, পার্সটুডে
ছবি: সংগৃহীত
ফিলিস্তিনকে পূর্ণ সদস্যপদ দেয়া নিয়ে আগামীকাল শুক্রবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ভোট হবে। এ সংক্রান্ত খসড়া প্রস্তাব নিরাপত্তা পরিষদে পাস হতে অন্তত ৯ ভোট প্রয়োজন।
তবে ভোটের চেয়েও বড়ো কথা ইসরায়েলের পরম মিত্র যুক্তরাষ্ট্র এ প্রস্তাবে ভেটো দিতে পারে বলেই মনে যাচ্ছে। যদিও মুখে তারা ফিলিস্তিন ইস্যুতে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের কথাই বলে আসছে অনেক আগে থেকেই।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে এই ভোটাভুটির মধ্য দিয়ে কার্যত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি মিলবে।
কূটনীতিকরা জানান, ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদ শুক্রবার বেলা ৩টার দিকে খসড়া প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটি হবে। এই প্রস্তাবে ১৯৩ সদস্যের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে যে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হোক।
নিরাপত্তা পরিষদে এ প্রস্তাব পাশ হতে এর পক্ষে অন্তত ৯টি ভোট প্রয়োজন। তবে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া কিংবা চীনের কেউ ভেটো দিলেই কোনো ভোটে আর কাজ হবে না।
কূটনীতিকরা বলছেন, ফিলিস্তিনকে পূর্ণ জাতিসংঘ সদস্য করার পক্ষ সমর্থন করতে পারে নিরাপত্তা পরিষদের ১৩ সদস্য। ফলে প্রস্তাবটি আটকানোর জন্য শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ভেটো দিতে পারে।
ফিলিস্তিন বর্তমানে জাতিসংঘ সদস্য না হলেও ২০১২ সালে তারা জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা পেয়েছে। জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ লাভের জন্য ফিলিস্তিন বছরের পর বছর চেষ্টা চালিয়ে আসছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি: আইনমন্ত্রী আনিসুল হক
মিথ্যা তথ্য এবং মিথ্যা খবর দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি বন্ধ করতে নতুন আইন আসছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। আজ রবিবার সংসদে জাতীয় পার্টির এমপি রুহুল আমিন হাওলাদারের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘মিথ্যা তথ্য এবং মিথ্যা খবর দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি বন্ধ করতে সরকার ব্যবস্থা নেবে। কিছু আইন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই সংসদে আসবে। তবে সংবাদমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ সরকারের উদ্দেশ্য নয়।’
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতের অনুপস্থিতিতে তার পক্ষে সংসদে প্রশ্নের জবাব দেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। জাপার এমপি রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘অনেক অনলাইন সংবাদমাধ্যম মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করে অস্থিরতা সৃষ্টি করে, অপপ্রচার করে। এগুলো বন্ধে আইন করা হবে কি না?’
জবাবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘সংবিধানে বলা মৌলিক অধিকারের মধ্যে বাকস্বাধীনতা এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথা বলা আছে। সেই নিরিখে এবং সেটাকে যথাযথ মর্যাদা দিয়ে আইন প্রণয়ন করতে হয়। ইতোমধ্যে সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট প্রণয়ন করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমি সংসদ সদস্যকে জানাতে চাই, সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট এবং আরও কিছু আইন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই সংসদে আসবে। তবে সংবাদ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ নয়, মিথ্যা তথ্য এবং মিথ্যা খবর দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা যাতে বন্ধ করা যায়, সে ব্যবস্থা সরকার নেবে। কিন্তু এর পাশাপাশি আমি বলে রাখত চাই, সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা কোনোভাবে সরকার খর্ব করবে না।’ সূত্র: বিডি প্রতিদিন