a ইসরায়েলে অস্ত্রের চালান সরবরাহে ইতালির শ্রমিকদের অস্বীকৃতি
ঢাকা সোমবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ইসরায়েলে অস্ত্রের চালান সরবরাহে ইতালির শ্রমিকদের অস্বীকৃতি


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ১৭ মে, ২০২১, ১০:৪৫
ইসরায়েলে অস্ত্রের চালান সরবরাহে ইতালির শ্রমিকদের অস্বীকৃতি

ফাইল ছবি

 

ইসরায়েল সরকারের কাছে অস্ত্রের চালান সরবরাহে সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ইতালির বন্দর শ্রমিকরা। ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি সেনারা বর্বর হত্যাযজ্ঞ চালানোর প্রতিবাদে অস্ত্র চালান সরবরাহে ইতালির শ্রমিকরা সহযোগিতা করবেনা বলে জানিয়েছে।

অস্ত্রের একটি চালান ইসরায়েলে যাচ্ছে এমন তথ্য পাওয়ার পর ইতালির লিভোরনো শহরের বন্দর শ্রমিকরা এই সিদ্ধান্ত নেয়। ইতালির অনলাইন পত্রিকা কন্ট্রোপিয়ানো এ খবর প্রকাশ করে।

অস্ত্র ভর্তি কয়েকটি কন্টেইনার জাহাজে তুলে দেয়ার জন্য বন্দর শ্রমিকদের নির্দেশ দেয়ার পর শ্রমিকরা জানতে পারে যে, এসব কন্টেইনার ইসরায়েলের বন্দরনগরী আশদোদে যাবে। আর এসব কন্টেইনারে অস্ত্র ও গোলাবারুদ ছিল।

পত্রিকাটি লিখেছে, অস্ত্র ও বিস্ফোরক ফিলিস্তিনি জনগণকে হত্যার জন্য ব্যবহৃত হবে। আর ইতিমধ্যে ফিলিস্তিনিদের ওপর এইরমধ্যে ইসরায়েল মারাত্মক হামলা চালিয়ে আসছে। ইসরায়েলি এসব আগ্রাসনে দেড়শ’র বেশি সাধারণ মানুষ শহীদ হয়েছেন। সূত্র: আরব নিউজ, পার্সটুডে

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

পাকিস্তান, ইরান, রাশিয়া ও চীন শিগগিরই বসছে আফগান ইস্যুতে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৩:৫৯
পাকিস্তান, ইরান, রাশিয়া ও চীন শিগগিরই বসছে আফগান ইস্যুতে

ফাইল ছবি

আফগান ইস্যুতে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে প্রতিবেশী পাকিস্তান, ইরান, রাশিয়া ও চীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন বসতে যাচ্ছে।

আফগানিস্তান থেকে আকস্মিকভাবে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর চলমান গোলযোগপূর্ণ অবস্থা নিয়ে এই ভার্চুয়াল সম্মেলনে আলোচনা করা হবে। এতে অংশ নেবেন আফগানিস্তানবিষয়ক চার দেশের বিশেষ প্রতিনিধি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।

গতকাল (শনিবার) ইরান, রাশিয়া, চীন ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে টেলিফোন আলাপে এ ব্যাপারে বিস্তারিত পরামর্শ করা হয়। এরপর চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা আফগানিস্তান ইস্যুতে খুব শিগগিরই ভার্চুয়াল সম্মেলনে বসার ব্যাপারে একমত হন।

এর আগে, গত মাসে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কোরেশি ইরান সফরে করেন। তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট সাইয়্যেদ ইবরাহিম রায়িসি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আবদুল্লাহিয়ানের সঙ্গে আফগানিস্তানের ঘটনাবলি ও আঞ্চলিক-আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেন।

পরে তিনি এক টুইটার পোস্টে জানান, আঞ্চলিক শান্তি এবং আফগানিস্তানের বিষয়ে সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে দেশটির নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক সমাধানের বিষয়ে কাজ করা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

এরপর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল্লাহিয়ান রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ এবং চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র সঙ্গে টেলিফোনে আলাপ করেন। এসব আলাপে আফগানিস্তানে একটি অংশগ্রহণমূলক সরকার গঠনের বিষয় নিয়ে কথা হয়। সূত্র: পার্সটুডে 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বিএফইউজে ও ডিইউজে’র নেতৃবৃন্ধ কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি


খোরশেদ আলম: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১৩ জুন, ২০২১, ১০:১৪
বিএফইউজে ও ডিইউজে’র নেতৃবৃন্ধ কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি

ফাইল ছবি

কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন-ডিইউজে। রবিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএফইউজে ও ডিইউজে’র আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে সাংবাদিক নেতৃবৃন্ধ এ দাবি করেন।

গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় বিচার বিভাগের নিরপেক্ষ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে সাংবাদিক নেতারা বলেন, দেশ ও গণতন্ত্রের স্বার্থে বিচার বিভাগকে মুক্তসাংবাদিকতার পক্ষে ভূমিকা নেয়া উচিত। তারা বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আদালত আজ মুক্ত সাংবাদিকতার পক্ষে রায় দিচ্ছেন। অথচ বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো সংবিধান বিরোধী আইন বন্ধে আদালতের ভূমিকা আমরা দেখতে পাইনি। 

সাংবাদিকরা গ্রেফতার হচ্ছেন এবং তারা বছরের পর জেল আছেন অথচ জামিন দেয়া হচ্ছে না।  দেশের বিচার বিভাগ স্বাধীন বলা হয়। কিন্তু কতটুকু স্বাধীন তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। দেশের বিচার বিভাগ নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারলে রুহুল আমিন গাজী মুক্তি পেতেন।

সমাবেশে বিএফইউজে ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ বলেন, এ সরকারের প্রধান প্রতিপক্ষ গণমাধ্যম। আর সত্য হচ্ছে প্রধান শত্রু । সত্য প্রকাশের জন্য অনেক সাংবাদিককে আটক করে রাখা হয়েছে। অনেক সাংবাদিক খুন হয়েছেন। মামলা-নির্যাতনে হয়রানি করা হচ্ছে।

রুহুল আমিন গাজীসহ সকল কারাবন্দি সাংবাদিকের মুক্তি দাবি করে তিনি বলেন, মামলার মেরিট দেখে আর সংবিধান প্রদত্ত অধিকার প্রয়োগ করে বিচার বিভাগ রায় দিলে এসব মামলা টিকতে পারে না। 

এ প্রসঙ্গে শওকত মাহমুদ সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করে বলেন, আমাদের পাশ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারতে প্রেস ফ্রিডম নেই। অথচ ওই দেশের বিচারপতিরা সাম্প্রতিক সময়ে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অনেক মামলার আসামিকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন। রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় সাংবাদিক আটককে অবৈধ ঘোষণা করেছেন।

সভাপতির বক্তব্যে কাদের গনি চৌধুরী বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার মূল লক্ষ্য তাদের অপশাসনকে দীর্ঘায়িত করা। তিনি মুক্ত সাংবাদিকতা বিরোধী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ সকল কালা কানুন বাতিলের দাবি জানিয়ে বলেন, কোনো সভ্যদেশে এমন ভয়ংকর আইন কল্পনাও করা যায় না। 

আমেরিকার সংবিধানে প্রথম সংশোধনী আনা হয় মিডিয়ার স্বাধীনতা রক্ষায়। এতে বলা হয়, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ করে এমন কোনো আইন কখনো মার্কিন কংগ্রেসে পাস করবে না। এরাই হলো সভ্য। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশের সংবিধানেও সংশোধনী এনে মিডিয়ার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হোক।

বিএফইউজে মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন সরকারকে অতীত থেকে শিক্ষা নেয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, ৭৫ পূর্বে সংবাদপত্র বন্ধ করে এবং নির্যাতনের স্টিম রোলার চালিয়ে তৎকালীন সরকার নিজেদের রক্ষা করতে পারেনি। তিনি বলেন, বিচার বিভাগ নিরপেক্ষ অবস্থান নিলেই রুহুল আমিন গাজীসহ কারাবন্দি সকল সাংবাদিকের মুক্তি সম্ভব।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান বলেন, এ সরকার অবৈধ। এ সরকার কর্তৃত্ববাদী। টিকে থাকার জন্য এ সরকার সব কিছু করতে পারে।

ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম অবিলম্বে কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি এবং শওকত মাহমুদসহ অন্যদের মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বলেন, রুহুল আমিন গাজী কিডনি সমস্যাসহ অনেক জটিল রোগে আক্রান্ত। অথচ তার চিকিৎসার কোন ব্যবস্থা নেই।

ডিইউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএফইউজে ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ। বক্তব্য রাখেন, বিএফইউজের মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোরসালীন নোমানী, রফিকুল ইসলাম আজাদ সাবেক সভাপতি ইলিয়াস হোসেন, বিএফইউজের সহসভাপতি মোদাব্বের হোসেন, বিএফইউজের কোষাধ্যক্ষ খায়রুল বাশার, ডিইউজের সহ-সভাপতি শাহীন হাসনাত ও রাশেদুল হক, বিএফইউজের সহকারি মহাসচিব শহীদুল্লাহ মিয়াজী, ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ও বিএফইউজের নির্বাহী সদস্য একেএম মহসীন, ডিইউজে নেতা শাহজাহান সাজু, দেওয়ান মাসুদা, সাখাওয়াত হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরী প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএফইউজের সাংগঠনিক সম্পাদক খুরশীদ আলম, দপ্তর সম্পাদক তোফায়েল হোসেন, নির্বাহী সদস্য জাকির হোসেন, ডিইউজের সাবেক সহসভাপতি সৈয়দ আলী আসফার, ডিইউজের নির্বাহী সদস্য জেসমিন জুঁই প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডিইউজের সাংগঠনিক সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার ও কোষাধ্যক্ষ গাজী আনোয়ারুল হক।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক