a
ফাইল ছবি
ইসরায়েল সরকারের কাছে অস্ত্রের চালান সরবরাহে সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ইতালির বন্দর শ্রমিকরা। ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি সেনারা বর্বর হত্যাযজ্ঞ চালানোর প্রতিবাদে অস্ত্র চালান সরবরাহে ইতালির শ্রমিকরা সহযোগিতা করবেনা বলে জানিয়েছে।
অস্ত্রের একটি চালান ইসরায়েলে যাচ্ছে এমন তথ্য পাওয়ার পর ইতালির লিভোরনো শহরের বন্দর শ্রমিকরা এই সিদ্ধান্ত নেয়। ইতালির অনলাইন পত্রিকা কন্ট্রোপিয়ানো এ খবর প্রকাশ করে।
অস্ত্র ভর্তি কয়েকটি কন্টেইনার জাহাজে তুলে দেয়ার জন্য বন্দর শ্রমিকদের নির্দেশ দেয়ার পর শ্রমিকরা জানতে পারে যে, এসব কন্টেইনার ইসরায়েলের বন্দরনগরী আশদোদে যাবে। আর এসব কন্টেইনারে অস্ত্র ও গোলাবারুদ ছিল।
পত্রিকাটি লিখেছে, অস্ত্র ও বিস্ফোরক ফিলিস্তিনি জনগণকে হত্যার জন্য ব্যবহৃত হবে। আর ইতিমধ্যে ফিলিস্তিনিদের ওপর এইরমধ্যে ইসরায়েল মারাত্মক হামলা চালিয়ে আসছে। ইসরায়েলি এসব আগ্রাসনে দেড়শ’র বেশি সাধারণ মানুষ শহীদ হয়েছেন। সূত্র: আরব নিউজ, পার্সটুডে
ফাইল ছবি । মোদি, পুতিন ও শি জিনপিং
ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চীন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দু’জনেই যথেষ্ট অভিজ্ঞ নেতা। ভারত-চীনের মধ্যেকার যে কোন সমস্যা তারা নিজেরাই মিটিয়ে ফেলতে পারবেন। এই বিষয়ে তৃতীয় কোনো আঞ্চলিত শক্তি না থাকাই ভাল।
শনিবার এসব মন্তব্য করেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
রুশ প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, আমি জানি ভারত-চীনের মধ্যে কিছু বিষয় নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এটা প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে হয়েই থাকে। আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চীন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে ব্যক্তিগত ভাবে জানি। তারা অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ।
তিনি আরো বলেন, তারা পরস্পরকে শ্রদ্ধা করেন। আমার বিশ্বাস কোনো সমস্যা তৈরি হলে, তারা ঠিক সমাধানসূত্র নিজেরাই বের করবেন। তবে এটাও দেখা জরুরি, এই ইস্যুতে যেন অন্য কোনো আঞ্চলিক শক্তি প্রবেশ না করে।
আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, রুশ প্রেসিডেন্টের শেষের উক্তিটি আমেরিকার উদ্দেশেই করা হয়েছে। কারণ, ভারত-চীন দ্বন্দ্বে নয়াদিল্লির পাশে দাঁড়িয়ে প্রথম থেকেই বেইজিংয়ের বিরোধিতায় সরব রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
ভারত, আমেরিকা, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া এই চার দেশের তৈরি আঞ্চলিক সংগঠন ‘কোয়াদ’ নিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘কার সঙ্গে কার, কতটা বন্ধুত্ব হবে তা নিয়ে মস্কো আগ্রহী নয়। তবে কোনো একজনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার জন্য কারও সঙ্গে বন্ধুত্ব করা উচিত নয়।’ সূত্র: জিনিউজ ও টাইমস অব ইন্ডিয়া।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সাইফুল আলম , ঢাকা: জীবনব্যাপী শিক্ষা, জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি এবং টেকসই সমাজ বিষয়ক একটি জাতীয় সেমিনার গ্লোবাল নলেজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঢাকার রিপোর্টার্স ইউনিটিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর, শিক্ষক, গবেষক, নীতিনির্ধারক, ব্যাংকার, লেখক, আইনজীবী ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই সেমিনারে দেশের উন্নয়নযাত্রায় জীবনব্যাপী শিক্ষার গুরুত্ব, জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির সম্ভাবনা এবং একটি টেকসই সমাজ গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতামূলক কাঠামো তুলে ধরা হয়।
সিজিডি'র নির্বাহী পরিচালক সাইদুল ইসলামের পরিচালনায় এবং এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শাহজাহান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন সহকারী অধ্যাপক ও গবেষক মু. আবিদুর রহমান আবেদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন খ্যাতনামা লেখক ও চিন্তাবিদ গ্লোবাল নলেজ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মুহা. ওমর ফারুক। যিনি জীবনব্যাপী শিক্ষা, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ তুলে ধরেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. ফরিদ এ. সোবহানী বলেন, জীবনব্যাপী শিক্ষা দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির পূর্বশর্ত, যা জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। পাশাপাশি নীতিমালা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে একটি টেকসই সমাজ গঠন করা সম্ভব।
প্রফেসর ড. শাহজাহান খান বলেন, জীবনব্যাপী শিক্ষা জাতীয় উন্নয়নকে টেকসই করতে অন্যতম চালিকাশক্তি এবং জ্ঞান-প্রযুক্তি-দক্ষতার সমন্বয়ে বাংলাদেশ একটি শক্তিশালী অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনা করেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেসের অধ্যাপক এবং IQAC পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহির রায়হান, আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার নাসরিন সুলতানা মিলি, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. জাকির হোসেন।
সেমিনারে প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশগ্রহণ করেন, আইবি এডুকেটর ও গবেষক জনাব জাকির হোসেন, সুইজারল্যান্ড; শিক্ষাবিদ ড. মো. নুরুল ইসলাম, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি সহকারী অধ্যাপক ড. কাজী মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আব্দুল আজিজ ভুইয়া এবং মাল্টিমিডিয়া ও আইটি বিশেষজ্ঞ ফাহিম ফয়সাল।
গ্লোবাল নলেজ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান রাবেয়া আক্তারের সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে এবং অংশগ্রহনকারীদের সনদ প্রদানের মাধ্যমে সেমিনার সমাপ্তি হয়।