a
সংগৃহীত ছবি
চলতি বছরের মে মাসে ১১ দিন ধরে ফিলিস্তিনের গাজায় লড়াই হয়েছিল হামাসের ও ইসরায়েলি সেনাদের। সেই লড়াইয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সরাসরি ‘যুদ্ধাপরাধ’ বা ‘ওয়ার ক্রাইমে’র অভিযোগ তুলেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।
ঘটনার ২ মাস পর এক রিপোর্টে এমনটাই জানিয়েছে এই মানবাধিকার সংস্থাটি। হামাসের বিরুদ্ধেও অবশ্য একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে। চলতি আগস্টে হামাসের বিষয়েও একটি আলাদা রিপোর্ট প্রকাশ করবে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।
জেরুজালেমে ফিলিস্তিনি বসবাসকারীদের উচ্ছেদ নিয়ে প্রথম গোলমাল শুরু হয় হামাস এবং ইসরায়েলের মধ্যে। সে সময় গাজা উপত্যকায় একের পর এক বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী। ইসরায়েলের সেই বিমান হামলা নিয়ে এর আগেও অনেক বিতর্ক হয়েছে। এতে বহু নিরীহ ফিলিস্তিনির প্রাণহানি হয়েছে।
সংস্থাটি বলছে, ওই ১১ দিনে ইসরায়েলের জনবসতি লক্ষ্য করে অন্তত চার হাজার রকেট ছুড়েছিল হামাস। যার ফলে ইসরায়েলের সাধারণ মানুষও আক্রান্ত হয়েছেন। অবশ্য আয়রন ডোম থাকায় বহু মানুষের প্রাণ বেঁচেছে। সূত্র: ডয়চে ভেলে।
ফাইল ছবি
ইসরায়েল ক্রমেই গৃহযুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে - এমন আশঙ্কা করেছেন দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইহুদ ওলমার্ট। তিনি বলেছেন, এই মুহূর্তে ইসরায়েল মারত্মক ঝুঁকির মুখে রয়েছে।
ব্যাপক প্রতিবাদ ও গণবিক্ষোভ সত্ত্বেও ইসরায়েলি পার্লামেন্ট গত সোমবার সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা খর্ব করা সংক্রান্ত একটি বিল পাস করেছে। এর ফলে বাস্তবে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মন্ত্রিসভার ক্ষমতা বাড়বে।
ওলমার্ট আরও বলেছেন, ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা গণতন্ত্রের ভিত্তিগুলোর জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে যা আমাদের পক্ষে সহ্য করা সম্ভব নয়।
ইসরায়েলি গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের সাবেক প্রধান ড্যানি ইয়াটোম বলেছেন, বিচারিক কাঠামোতে পরিবর্তন আনার প্রতিবাদে বর্তমান প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত ছিল।
এর আগে ইসরায়েলের সাবেক যুদ্ধমন্ত্রী বেনি গান্তজ সতর্ক করে বলেছিলেন, বিচারিক কাঠামো পরিবর্তনের বিল পাস করা হলে গৃহযুদ্ধ দেখা দিতে পারে।
সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা হ্রাসের প্রস্তাবটি সোমবার সংসদে পাস হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলো অস্থিরতা ও ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। বিক্ষোভকারী ও ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট, টাইমস অব ইসরায়েল
ছবি সংগৃহীত
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে নিহত ১
আজ ২ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখ ০৫৫০ ঘটিকায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়ারচর উপজেলার পেরাছড়া এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এসময় ইউপিডিএফ (মূল) এর গোপন আস্তানার সন্ধান পেয়ে সেনাবাহিনী তল্লাশি অভিযান শুরু করলে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা গুলিবর্ষণ করে। এতে সেনাবাহিনীর সাথে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটলে ইউপিডিএফ (মূল) এর একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয় এবং বেশ কিছু সংখ্যক সন্ত্রাসী আহত অবস্থায় গহীন জঙ্গলে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে, উক্ত স্থানে তল্লাশি চালিয়ে সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত ০১ টি এ্যাসল্ট রাইফেল (এম-১৬), ০২ রাউন্ড এমজি/স্নাইপার এ্যমোনিশন, ৯০ রাউন্ড রাইফেল এ্যমোনিশন, ০১ টি ওয়াকি-টকি সেট ও ১২ টি মোবাইল ফোনসহ বেশ কিছু সরঞ্জামাদি উদ্ধার করে। পালিয়ে যাওয়া সন্ত্রাসীদের সন্ধানে সেনা অভিযান চলমান রয়েছে। সূত্র: বাংলাদেশ আর্মি