a
ফাইল ছবি
শীত ও করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের আবির্ভাবে ইউরোপে ভাইরাসটির প্রকোপ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর পূর্বে বিশেষজ্ঞদের ধারণাই বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। ইউরোপের বেশ কয়েকটি রাষ্ট্রে প্রতিদিনই সংক্রমণের নতুন নতুন রেকর্ড গড়ছে। যুক্তরাজ্য, ইতালি, গ্রিস, ফ্রান্স এবং পর্তুগালে আক্রান্তের হার ক্রমই ঊর্ধ্বমুখী। সূত্র: আল জাজিরা
ফ্রান্সে করোনা মহামারির শুরুর পর মঙ্গলবার একদিনে রেকর্ড ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮০৭ জন শনাক্ত হয়েছে।
যুক্তরাজ্যেও করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার শনাক্ত হয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৭১ জনের মধ্যে।
সংক্রমণের হার ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে পর্তুগাল, স্পেন, সাইপ্রাস, ইতালি, গ্রিস ও জার্মানিতে। এসব রাষ্ট্রগুলোতে ভ্যাকসিনের দুই ডোজ দেওয়া মানুষও নতুন করে ওমিক্রনে আক্রান্ত হচ্ছেন।
সাইবেরিয়ার শহর বারনাউলের ভিটাস নামের বাঘ গান গায়
বাঘ গান গায় শুনে অবাক হচ্ছেন অনেকেই। শুনতে অবাক হলেও ঘটনা সত্য। সাইবেরিয়ার শহর বারনাউলের একটি সার্কাসে এই বাঘকে দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন মানুষ।
আট মাস বয়সী সেই বাঘ শাবককে এখন পরররযন্ত গর্জন করতে শোনেনি কেউ। তবে সেটির গলা থেকে মধুর সুর শুনেছেন অনেকেই। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাঘটি ছোট থেকেই এইভাবে ডাকে। এখন সেই ডাক আগের থেকে অনেকটাই বেড়েছে।
ভিটাস নামের সেই বাঘটিকে দেখতে রোজ দলে দলে মানুষ আসছেন চিড়িয়াখানায়। বারনাউলের দ্য লেসন্যায়া স্যাজকা চিড়িয়াখানায় এখন প্রধান আকর্ষণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ভিটাস। চিড়িয়াখানার অনেকে বলছেন, শাবকটি তার মাকে ডাকার সময় অদ্ভুত সুর তোলে। সেই ডাক অনেকটা পাখির কলতানের মতো। আবার কিছুটা বন্য বাঁদরের ডাকের মতোও বটে! তবে কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, সেই ডাকে কোনও যন্ত্রণা নেই। বরং আহ্লাদে আটখানা হয়েই শাবকটি ওরকম ডাক ছাড়ে।
সেই শাবকটির ডাক রেকর্ড করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, শাবকটির গলার ভোকাল কর্ডের গঠন ঠিকঠাক হয়নি। তাই গর্জনে সমস্যা হচ্ছে। ২০২০ সালের জুন মাসে জন্মেছিল ভিটাস। সে শেরখান ও বাঘীরার চতুর্থ সন্তান।
ফাইল ছবি
চলতি বছর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা হচ্ছে না।
মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
প্রতি বছর নভেম্বর মাসে জেএসসি ও জেডিসি এবং পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
উল্লেখ্য, করোনা মহামারির কারণে গত বছরও এই পরীক্ষা হয়নি। তখন পরীক্ষা ছাড়াই শিক্ষার্থীদের উপরের শ্রেণিতে ওঠার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।