a
ফাইল ছবি
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আমন্ত্রণে মস্কো সফরে যাচ্ছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রায়িসি। দু’দেশের মধ্যকার কৌশলগত সম্পর্ক আরও বাড়াতে আলোচনা করতে ২০২২ সালের শুরুতে এ সফর অনুষ্ঠিত হবে।
ইরান সরকারের মুখপাত্র গতকাল মঙ্গলবার তেহরানে সাংবাদিকদের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
এ সময় তিনি আরও বলেন, রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে ‘কৌশলগত সম্পর্ক আরও বাড়াতে প্রেসিডেন্ট পুতিন তার ইরানি সমকক্ষকে মস্কো সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। জাহরোমি বলেন, তেহরান-মস্কো সহযোগিতা ও সম্পর্ক শক্তিশালী করাই এই সফরের আসল উদ্দেশ্য।
ওদিকে রুশ প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ গতকাল মঙ্গলবার মস্কোয় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ইরান ও রাশিয়া ‘সর্বোচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ স্থাপনের’ প্রস্তুতি চলছে।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নানা ক্ষেত্রে রাশিয়ার সঙ্গে ইরানের সহযোগিতা শক্তিশালী করা হয়েছে। ইরানের বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচিতে সহযোগিতা ও সমর্থন দিয়ে আসছে রাশিয়া। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
ভারতের গুজরাটের স্থলভাগে প্রবল শক্তি নিয়ে আছড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড় টাউটি। গতকাল ১৭ই মে সোমবার সন্ধ্যায় টাউটির দাপটে তছনছ হয়ে যায় গুজরাটের উপকূল। ভারতের পশ্চিম উপকূলের অন্যান্য রাজ্যেও একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
সোমবার রাতে দিউয়ের পূর্ব উপকূল দিয়ে এই ঘূর্ণিঝড় স্থলভাগে প্রবেশ করে। খুব তীব্র ঝড়ের বেগ ছিল। পাশাপাশি উপকূল অঞ্চলে প্রবল বৃষ্টিপাতও হয়। ভারতীয় আবওহাওয়া অফিসের একটি বিবৃতিতে জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় টাউটি স্থলভাগে ঘণ্টায় প্রায় ২০০ কিলোমিটার বেগে প্রবেশ করলেও পরে ঝড়ের গতিবেগ দাঁড়ায় ঘণ্টায় ১৯০ কিলোমিটার।
গুজরাটের উপরে এখনও রয়েছে ঘূর্ণিঝড় টাউটি। যা ইতিমধ্যে অনেকটাই শক্তি হারিয়ে ফেলেছে। গুজরাট হতে এই ঘূর্ণিঝড় রাজস্থানে প্রবেশ করবে। এখন ঝড়ের দাপট অনেকটাই কম। কিন্তু অব্যহত রয়েছে বৃষ্টি। প্রবল এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে একাধিক এলাকায় উপড়ে গিয়েছে গাছ, বৈদ্যুতিন খুঁটি।
সোমবার বিকেলের মধ্যে প্রায় ২ লাখ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় টাউটির আঘাতে কমপক্ষে ১২ জন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ১২৭ জন। ভয়াবহ এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে মুম্বাইয়ের কাছে আরব সাগরে একটি বার্জ নৌকা ডুবে যায়। সেই নৌকার ৬০ জনকে ভারতীয় নৌবাহিনী উদ্ধার করেছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে মহারাষ্ট্রেও প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সোমবার মুম্বাইয়ে আগত ও মুম্বাই থেকে ছাড়া হবে এমন ৫৫টি বিমান বাতিল ঘোষণা করা হয়। ।
ফাইল ছবি: নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ
নিউজ ডেস্ক: ভারতের সাত দফার লোকসভার নির্বাচনের ভোটগ্রহণ গত শনিবার শেষ হয়েছে। এরপর আজ মঙ্গলবার দেশটির স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। আন্তর্জাতিক মিডিয়ার পূর্বাভাস, বুথ ফেরত জরিপের ফলাফলের আভাস অনুযায়ী দেশটির ক্ষমতাসীন বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট যে রেকর্ড সংখ্যক আসন পাবে বলে ধারণা করা হয়েছিল, তা অনেকটা বিপরীত হতে চলেছে।
দেশটির অধিকাংশ মূলস্রোতের সংবাদমাধ্যমের যে বুথ ফেরত সমীক্ষা দেখানো হয়, তাতে বলা হয় বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতাসীন সরকার আবারও ফিরে আসবে।
বস্তুত, অধিকাংশ সংবাদমাধ্যমের সমীক্ষা জানায়, এনডিএ ৩৫০ এর বেশি আসন পেতে চলেছে। ৫৪৩ আসনের লোকসভায় ২৭২ ম্যাজিক ফিগার। যে দল ২৭২টি আসন পাবে, সে দলই সরকার গঠন করতে পারবে। ২০১৯ সালে বিজেপি একাই পেয়েছিল ৩০৩টি আসন। এনডিএ মিলে পেয়েছিল ৩৩০ এর বেশি আসন।
তবে আজকে দেওয়া এখন পর্যন্ত ফল অনুযায়ী এনডিএ ২৯০ আসনে এগিয়ে আছে। অন্যদিকে বিরোধীজোট ইন্ডিয়া ২৩৪ আসনে এগিয়ে। বিবিসির লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নরেন্দ্র মোদি যখন "আব কি বার, চারশ পার" (এবারে চারশ ছাড়িয়ে যাব) স্লোগান দিয়ে প্রচার শুরু করেছিলেন, তখন তিনি তার বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের জন্য ৪০০ টিরও বেশি আসনে জয়ী হওয়ার লক্ষ্য রেখেছিলেন।
সবচেয়ে আশাবাদী বুথ ফেরত জরিপও পূর্বাভাস দিয়েছিল যে তার জোট ৪০০ আসনে জয়ী হবে। তবে প্রাথমিক ভোট গণনা থেকে ধারণা করা হচ্ছে, নির্বাচনে বিরোধী মধ্য বামপন্থী ইন্ডিয়া জোটের সাথে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে এবং সরকারও কে গঠন করবে তাও অনিশ্চিত রয়ে গেছে। সূত্র: ইত্তেফাক