a টিউলিপ লন্ডনের সেই ফ্ল্যাটটি নিয়ে মিথ্যাচার করায় মন্ত্রিত্ব হারাতে পারেন
ঢাকা শুক্রবার, ২৩ মাঘ ১৪৩২, ০৬ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

টিউলিপ লন্ডনের সেই ফ্ল্যাটটি নিয়ে মিথ্যাচার করায় মন্ত্রিত্ব হারাতে পারেন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০৬ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৮:২০
টিউলিপ লন্ডনের সেই ফ্ল্যাটটি নিয়ে মিথ্যাচার করায় মন্ত্রিত্ব হারাতে পারেন

ফাইল ছবি: টিউলিপ সিদ্দিক ও শেখ রেহানা


নিউজ ডেস্ক: শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক যুক্তরাজ্যে এবার মন্ত্রিত্ব হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছেন। লন্ডনে বহুল আলোচিত উপহারের ফ্ল্যাটটি নিয়ে মিথ্যাচার করায় তার ওপর পদত্যাগের চাপ জোরালো হয়েছে।

বর্তমানে যুক্তরাজ্যের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনীতিবিষয়ক মিনিস্টার (ইকোনমিক সেক্রেটারি) হিসেবে আর্থিক খাতে দুর্নীতি বন্ধের দায়িত্বে আছেন টিউলিপ। রবিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ব্রিটিশ এই সংবাদমাধ্যমের সহযোগী দৈনিক দ্য মেইল অন সানডে টিউলিপ সিদ্দিকের কাছে একাধিকবার জানতে চায়, তাকে দুই শয্যাকক্ষের ফ্ল্যাটটি উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছে কি না। বর্তমানে যার বাজার মূল্য ৭ লাখ পাউন্ড; ফ্ল্যাটটি তার বাংলাদেশি স্বৈরশাসক খালা শেখ হাসিনার পরিচিত একজন ডেভেলপারের মালিকানাধীন।

জবাবে উপহার হিসেবে ফ্ল্যাট পাওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন টিউলিপ সিদ্দিক। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ফ্ল্যাটটি তার বাবা-মা তাকে কিনে দিয়েছেন। একই সঙ্গে দ্য মেইল অন সানডে পত্রিকার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন টিউলিপ।

তবে দেশটির লেবার পার্টির একাধিক সূত্র লন্ডনের কিংস ক্রস এলাকার ফ্ল্যাটটি আসলে একজন ডেভেলপার টিউলিপ সিদ্দিককে “কৃতজ্ঞতাস্বরূপ” দিয়েছিলেন বলে নিশ্চিত করেছে।

৪২ বছর বয়সী টিউলিপ যুক্তরাজ্যের আর্থিক খাতের দুর্নীতি বন্ধের দায়িত্বে রয়েছেন। বাংলাদেশে তিনি ও তার পরিবারের চার সদস্যের বিরুদ্ধে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ৩ দশমিক ৯ বিলিয়ন পাউন্ড আত্মসাতের অভিযোগের তদন্ত চলছে।

শনিবার রাতে ব্রিটেনের টরি এমপিরা দাবি জানিয়ে বলেন, টিউলিপ সিদ্দিক যদি তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে না পারেন, তাহলে তার অর্থমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানো উচিত।

লন্ডনের হ্যারো ইস্টের টরি এমপি বব ব্ল্যাকম্যান বলেন, টিউলিপ সিদ্দিককে তার সম্পত্তির বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট এবং ব্যাখ্যা করতে হবে, আসলে তিনি কী বলেছিলেন এবং কেন। যদি তিনি তা না করেন, তাহলে মন্ত্রী হিসেবে তার অবস্থান অগ্রহণযোগ্য হবে।

ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের ছায়ামন্ত্রী ম্যাট ভিকার্স বলেন, “সরকারের কোনও সদস্যের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ অগ্রহণযোগ্য। কিন্তু সেই সদস্য যখন স্টারমারের দুর্নীতি-বিরোধী মন্ত্রী তখন তা আরও বেশি প্রশ্নবিদ্ধ।”

আর হান্টিংডনের টরি এমপি বেন ওবেস-জেকটি বলেন, টিউলিপ সিদ্দিক সম্পর্কে নতুন এই তথ্য বেশ উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, এখন দেখা যাচ্ছে ফ্ল্যাটটি উপহার হিসেবে পাওয়া এবং আগের দাবি অনুযায়ী না কেনার বিষয়ে টিউলিপ সিদ্দিকের কাছে আরও কিছু প্রশ্নের জবাব আছে।

লেবার দলীয় একাধিক সূত্র শনিবার রাতে দ্য মেইল অন সানডেকে বলেছে, ২০২২ সালে আমরা যখন প্রথম তদন্ত করি সেই সময় টিউলিপ সিদ্দিককে তার পরিবার বলেছিল, একটি বাড়ি বিক্রির অর্থে ফ্ল্যাটটি কেনা হয়েছিল। কিন্তু গত সপ্তাহে এই ফ্ল্যাট কেনার বিষয়ে তার পরিবারের স্মৃতিচারণ পাল্টে গেছে। অর্থাৎ আগের দাবির সঙ্গে তাদের বর্তমান দাবির কোনও মিল নেই।

দেশটির ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির একজন রাজনীতিক ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেছেন, জীবনের চ্যালেঞ্জিং সময়ে এক ব্যক্তিকে আর্থিক সহায়তা করেছিলেন টিউলিপ সিদ্দিকের বাবা-মা। তার বা-মায়ের আর্থিক সহায়তার কৃতজ্ঞতাস্বরূপ সেই ব্যক্তি তাকে একটি সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর করেছিলেন।

ফিন্যান্সিয়াল টাইমসে প্রতিবেদন প্রকাশের পরপর লেবার দলীয় সূত্র মেইল অন সানডের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানায়, তারা তিন বছর আগে আমাদেরকে ‘ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্ত’ করেনি।

লন্ডনের ভূমি রেজিস্ট্রি রেকর্ডে দেখা যায়, ২০০৪ সালের নভেম্বরে তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটটির একক মালিক হন টিউলিপ সিদ্দিক। আর তখন তিনি কেবল লন্ডনের কিংস কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করেছিলেন এবং তার কোনও উপার্জন ছিল না। ফ্ল্যাটটির কোনও মর্টগেজও ছিল না এবং এর কোনও দামও উল্লেখ ছিল না। এর ফলে ফ্ল্যাটটি যে কেনা হয়নি এবং তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল, সেটির প্রমাণ মিলেছে।

মেইল অন সানডে বলেছে, ফ্ল্যাটটির আগের মালিক ৭০ বছর বয়সী বাংলাদেশি আব্দুল মোতালিফ ২০০১ সালে সেটি এক লাখ ৯৫ হাজার পাউন্ডে কিনেছিলেন বলে জানিয়েছেন। ২০২২ সালের এপ্রিলে মেইল অন সানডের পক্ষ থেকে টিউলিপ সিদ্দিকের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, ফ্ল্যাটটি তাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল কি না?

তখন লেবার পার্টি এক ই-মেইলে বলেছিল, ২০ বছর আগে টিউলিপের বাবা-মা যখন আলাদা হয়েছিলেন, তখন তাদের পারিবারিক বাড়ি বিক্রি করে কিংস ক্রস এলাকার ফ্ল্যাটটি কিনেছিলেন। ফ্ল্যাট কেনার এই অর্থ অন্য কোনও উৎস থেকে এসেছে, এমন দাবি একেবারে ভুল এবং মানহানিকর।

পরে টিউলিপ সিদ্দিকের পরিবারের বিষয়ে অনুসন্ধান করে মেইল অন সানডে। অনুসন্ধানে ২০২২ সালে অথবা তার আগে টিউলিপ সিদ্দিকের পরিবারের বাড়ি বিক্রি করার কোনও প্রমাণ পায়নি ব্রিটিশ এই সংবাদমাধ্যম। পরে গত জুলাইয়ে টিউলিপ সিদ্দিক ও লেবার পার্টির কাছে এই বিষয়ে জানতে আবারও প্রশ্ন পাঠিয়েছিল মেইল অন সানডে। প্রশ্নের জবাব না দিলেও তিনি সংবাদমাধ্যমটির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেন। সূত্র: ডেইলি মেইল

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

কাদের মির্জা এবার ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিলেন (ভিডিও)


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২১, ১২:১২
কাদের মির্জা এবার ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিলেন

মেয়র আবদুল কাদের মির্জা

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানার মূল ফটকের সামনে উপজেলা আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ডিসি, এসপির প্রত্যাহারের দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আর্টিমেটাম দিয়েছেন বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।

২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে তিনি বলেন, এই সময়ের মধ্যে ডিসি, এসপি, এডিশন্যাল এসপি, ইউএনও, এসিল্যান্ড, ওসি, পরিদর্শককে (তদন্ত) ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহার করতে হবে।

এছাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি খিজির হায়াত খান, সাধারণ সম্পাদক নুরনবী, রুমেল, সবুজ,কচি, শাহীন চেয়ারম্যান, আব্দুর রাজ্জাক চেয়ারম্যানকে অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় আনা না হলে কোম্পানীগঞ্জে শান্তি আসবে না। 

তিনি বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি এটার কিছু না হয়, তাহলে ২৪ ঘণ্টা পর আমি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাস্তায় নামব। এসময় তিনি তার আটক অনুসারী সাবেক কাউন্সিলর শিমুলকে এক ঘণ্টার মধ্যে ছেড়ে দেওয়ারও দাবি জানান।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১১টায় তিনি তার ছেলে তাশিক মির্জা কাদেরের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, পুলিশের সামনে বসে পকেটে অস্ত্র, এ কোন দেশ, এ দেশে কি আইনের শাসন নেই, ইউএনও’র সামনে বসে পকেটে অস্ত্র, এ দেশে কি আইনের শাসন নেই, মানবাধিকার সংস্থা নেই। আজকে আমাকে ফেসবুকে কথা বলতে দেওয়া হয় না। অথচ আমার প্রতিপক্ষরা ফেসবুকে কথা বলতে পারতেছে। আমি পারতেছি না। এগুলো কে করেছে, ওবায়দুল কাদের সাহেব, তার বউয়ের অপকর্মকে ঢাকার জন্য। সেই এগুলো করতেছে। না হলে কে করতেছে?

আজকে তারা আমার পরিবারকে ধ্বংস করতে চায়। ওসি তুমি মিথ্যা কথা বলো। মুনাফিক ১০ লাখ টাকা খেয়ে আজকে প্রতারণা করছো। তুমি আমার ছেলেদের জেলের ভয় দেখাও। তোমাকে এ সাহস কে দিয়েছে? বাজে লোক, যোগ করেন তিনি।

আবদুল কাদের মির্জা বলেন, সাবধান, সাবধান, সাবধান করে দিচ্ছি তোমাদের। আমাকে চিন না, চিন না, চিনবা পরে। আমি কারো তোয়াক্কা করি না, আল্লাহ ছাড়া। জনগণ ছাড়া কাউকে ভয় করি না। আমি সাহস করে সত্য কথা বলব। আমার পরিবার প্রয়োজনে এ পথে নিজেদের বিসর্জন দেবো। তারপরও কোনও অপরাধী, অপরাজনীতি, সন্ত্রাসী, অস্ত্রবাজ, ঘুষখোর সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে কোনো আপোস করব না।  
     
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে কোম্পানীগঞ্জ থানার সামনে আবদুল কাদের মির্জা ও বাদল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ঢাকামুখী কর্মজীবি মানুষের চাপে ফেরিতে উঠতে পারছেনা রোগীবাহী গাড়ি


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শনিবার, ৩১ জুলাই, ২০২১, ০৩:৫২
ঢাকামুখী কর্মজীবি মানুষের চাপে ফেরিতে উঠতে পারছেনা রোগীবাহী গাড়ি

ফাইল ছবি

আগামীকাল থেকে আবারো নিয়মিত কার্যক্রমে যাচ্ছে গার্মেন্টস ও অন্যান্য শিল্পপ্রতিষ্ঠান। সরকারের হঠাৎ এ সিদ্ধান্তের ফলে শনিবার (৩১ জুলাই) সকাল থেকেই শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ-রুটের ফেরিঘাটগুলোতে বেড়েছে ঢাকামুখীদের ভিড়। দৌলতদিয়া ঘাটে মানুষের চাপে ফেরিতে উঠতে পারেনি রোগীবাহীসহ কোনো গাড়ি।

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, শনিবার বাংলাবাজার থেকে শিমুলিয়া ঘাটে আসা প্রতিটি ফেরিতে যানবাহনের পাশাপাশি যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়। প্রতিটি ফেরিতেই ঢাকামুখী অসংখ্য মানুষ। আছে অনেক মোটরসাইকেলও। আবার শিমুলিয়া হয়ে বাংলাবাজার যাচ্ছেন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলগামী যাত্রীরা। তবে ফেরিতে দক্ষিনাঞ্চলগামী যাত্রীদের চেয়ে ঢাকামুখী যাত্রীদের ভিড় ছিল অনেক বেশি। 

গার্মেন্টসসহ কালখানা খুলতে পারে এমন খবরে মানুষ ঢাকামুখী হচ্ছে বলে যাত্রীরা জানায়। এদিকে, যানবাহন না পেয়ে বাংলাবাজার থেকে শিমুলিয়াঘাটে আসা ঢাকামুখী যাত্রীরা দীর্ঘ পথ পাড়ি দিচ্ছেন পায়ে হেঁটে ও ছোট ছোট যানবাহনে করে ভঙ্গে ভেঙ্গে।

এদিকে, ঢাকামুখী মানুষের চাপে ফেরিতে উঠতে পারেনি রোগীবাহী গাড়ি এবং জরুরী পণ্যবাহী যানবাহনও।

এ ব্যাপারে বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাটের এজিএম (মেরিন) আহম্মদ আলী বলেন, ‘শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌ-রুটে ছোট-বড়-মাঝারী মিলিয়ে মোট ৯টি ফেরি চলাচল করছে। জরুরি ও লকডাউনের আওতার বাইরে থাকা যানবাহন পারাপারে এসব ফেরি সচল রাখা হয়েছে।

লকডাউন বাস্তবায়ন ও ফেরিতে যাত্রী চলাচল নিয়ন্ত্রণে ঘাটের অভিমুখে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। তবে তা অতিক্রম করতে যাত্রীরা বিভিন্ন অজুহাত দিয়ে পার পাবার চেষ্টা করে। 

বাংলাবাজার থেকে শিমুলিয়া ঘাটে আসা প্রতিটি ফেরিতে যানবাহনের পাশাপাশি যাত্রীদেরও প্রচন্ড ভিড় রয়েছে। প্রতিটি ফেরিতেই শতশত ঢাকামুখী মানুষ। আবার শিমুলিয়া হয়ে বাংলাবাজার যাচ্ছেন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলগামী অনেক যাত্রী। তবে ফেরিতে দক্ষিণাঞ্চলগামী যাত্রীদের চেয়ে ঢাকামুখী যাত্রীদের ভিড় রয়েছে অনেক বেশি।

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) থেকে জানা যায়, রবিবার (৩১ জুলাই) সকাল থেকে দৌলতদিয়া ঘাটে উপছে পড়া ভিড়র দেখা গেছে। মানুষের চাপে ফেরিতে উঠতে পারেনি রোগীবাহীসহ কোনো গাড়ি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ঢাকামুখী যাত্রীর সংখ্যা। 

ফেরিতে তিল পরিমান জায়গা নেই দাঁড়ানোর মতো। গায়ে গা লাগিয়ে ঠাসাঠাসি করে পার হচ্ছে যাত্রীরা, স্বাস্থ্যবিধির কোনো বালাই নেই ফেরিগুলোতে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় রিক্সা, ভ্যান, অটো, মাহিদ্র, মোটরসাইকলসহ বিভিন্ন ছোট যানে যাত্রীরা আসছে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে। কেউবা আসছে পায়ে হেটে। পাড়ে ভেড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীরা হুমড়ি খেয়ে পরছে ফেরিতে। ফলে ফেরি আনলোড করতেও সমস্যা হচ্ছে। অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে ফেরি থেকে নামতে পারছেনা কোনো গাড়ি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক