a
ফাইল ছবি : ডোনাল্ড ট্রাম্প
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, তার ছেলে ট্রাম্প জুনিয়র এবং ইভাঙ্কা ট্রাম্পকে তদন্তের অধীনে আনার জন্য সমন জারি করা হয়েছে। ট্রাম্পের আইনজীবীরা এই সমন এড়াতে সর্বাত্বক চেষ্টা করছেন। নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল সোমবার এই সমন জারি করেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমসের অফিস জানায়, ট্রাম্প ও তার সন্তানদের মালিকানাধীন কোম্পানির সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণ সম্পর্কিত তদন্তের জন্য জবানবন্দি নিতে ও সংশ্লিষ্ট দলিলপত্র খতিয়ে দেখতে এই সমন জারি করা হয়েছে।
সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার কোম্পানির সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণে ইচ্ছাকৃতভাবে কম-বেশি দেখানো হয়েছে বলে সন্দেহ করা হয়। তাই এই বিষয়ে ফৌজদারি তদন্ত চলছে। খবর: এএফপি, সূত্র: যুগান্তর
যুক্তরাষ্ট্রের গুয়ানতানামো বে কারাগার
গুয়ানতানামো বে কারাগারের গোপন ইউনিট বন্ধ করে দিয়েছে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন। কিউবার আমেরিকান ঘাঁটিতে অবস্থিত এই ইউনিট থেকে বন্দিদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। এ সংবাদ প্রকাশ করেছে এনবিসি নিউজ
ইউএস সাউদার্ন কমান্ড জানিয়েছে, ক্যাম্প-৭ থেকে বন্দিদের কাছের ক্যাম্প-৫-এ স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে কতজনকে সরানো হয়েছে এবং কবে সরানো হয়েছে তা জানা যায়নি। এই ক্যাম্পে ১৪ জন বন্দি ছিলেন বলে ধারণা করা হয়।
মিয়ামিভিত্তিক সাউদার্ন কমান্ড জানিয়েছে, গুয়ানতানামো বে কারাগারে ৪০ জন বন্দি ছিলেন। ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে ক্যাম্প-৭ খোলা হয়।
বহু বিতর্কের জন্ম দেয় এই গুয়ানতানামো বে কারাগার। অনেক দিন ধরেই এসব বন্দিশিবিরটি বন্ধ করার দাবি করে আসছিল বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন। মার্কিন সেনারা এসব বন্দিদের ওপর অকথ্য অত্যাচার চালিয়ে আসছিল বলে অভিযোগ করে আসছিল বিশ্ব বিবেক। এমনকি কোনো কোনো শিবিরে অত্যন্ত চুপিসারে গোপনে বিভিন্ন কাজকর্ম হতো বলেও অভিযোগ ছিল।
মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে এমন অভিযোগে বারবার সরব হয়ে উঠেছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনগুলো কিন্তু তারপরও মার্কিন প্রশাসন এসব বিষয়ে কর্ণপাত না করে এত বছর ধরে গুয়ানতানামোয় বন্দিশিবিরগুলো চালু রেখেছে। এই কারাগারে বিশ্বের সবচেয়ে অমানবিক কাজকর্মগুলো হতো বলে মানবিধার সংগঠনগুলোর অভিযোগ করায় বাইডেন প্রশাসন নির্বাচনের আগে ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি নির্বাচিত হলে এই কারাগার বন্ধ করে দেবেন।
ছবি: আলজেরিয়ান ফুটবলার ইউসুফ এটল
ফরাসি ওজিসি নেইস ফুটবল ক্লাবের আলজেরিয়ান ফুটবলার ইউসুফ এটলকে একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসরাইলের বর্বর হামলার বিপক্ষে প্রতিবাদ করায় ফ্রান্সে এই ফুটবলারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে ফরাসি পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) ফরাসি পুলিশ তার দেওয়া ওই পোস্ট সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে বলে জানা যায়। খবর আলজাজিরার।
এরপর শুক্রবার ৮০ হাজার ইউরো জরিমানার বিনিময়ে তাকে মুক্তি দেয়া হয়। পুলিশ আরও জানায়, আন্তর্জাতিক খেলা ছাড়া ফ্রান্স ছাড়তে পারবেন না ইউসুফ।
প্রসঙ্গত, গত মাসে একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট শেয়ার করার অভিযোগে ফরাসি ফুটবল লিগে সাতটি খেলার জন্য তাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। অভিযোগ করা হচ্ছে, তার ভিডিওতে ইহুদিদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে উসকে দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে ইউসুফের ক্লাব নেইস ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানোর দায়ে তার বিরুদ্ধে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। আর কমিটি বলেছে, ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে তার বিচারকাজ শুরু হবে, সে পর্যন্ত ক্লাবের সব খেলা থেকে নিষিদ্ধ থাকবেন ইউসুফ।
ফুটবলার ইউসুফ এটেল বলেন, তিনি কখনই সহিংসতা বা কারও বিপক্ষে ঘৃণা ছড়ানো পছন্দ করেন না। বিশ্বের যেখানেই সহিংসতা হোক তিনি এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবেন। সূত্র: যুগান্তর