a
ফাইল ছবি
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে শুক্রবার গভীররাতে একটি বাণিজ্যিক ভবনে আগুন লেগে ২৭ জন দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন। পোড়া ভবন থেকে একে একে বের করে আনা হচ্ছে মৃতদেহ। শুত্রবার মধ্যরাতে আগুনে পোড়ার ক্ষত নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অন্তত ৪০ জন।
দমকল বাহনিীর লোকজন অন্তত ৬০-৭০ জনকে উদ্ধার করেছেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের পরিবার পিছু ২ লাখ ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। খবর এনডিটিভি ও আনন্দবাজার পত্রিকার।
মুন্ডকা মেট্রো স্টেশনের কাছে ওই ৪তলা বাড়িটিতে মূলত বিভিন্ন সংস্থার অফিস রয়েছে। দোতলায় রয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা ও রাউটার নির্মাতা একটি সংস্থার অফিস।
শুক্রবার বিকাল পৌনে পাঁচটা নাগাদ সেই অফিসেই প্রথম আগুন লাগে। দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে ভবনটিতে। ভিতরে যারা ছিলেন, কিছু লোক বেরিয়ে আসেন। শনিবার সকালেও উদ্ধার কাজ অব্যাহত আছে।
সমাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, কেউ দড়ি ধরে দেওয়াল বেয়ে নামছেন। কেউ আগুন থেকে বাঁচতে লাফ দিচ্ছেন।
নরেন্দ্র মোদি এক টুইটবার্তায় বলেছেন, ‘দিল্লির অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় আমি অত্যন্ত দুঃখিত। শোকাহত পরিবারগুলিকে সমবেদনা জানাই। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।’ সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
রাশিয়া জার্মানিতে গ্যাস সরবারার বন্ধ করে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছে জার্মানি। সরকারের একজন প্রতিনিধি জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রাশিয়া জার্মানিতে নর্ড স্ট্রিম ১ পাইপলাইনের গ্যাস সরবাহ বন্ধ করে দিতে পারে।
জার্মানির ফেডারেল নেটওয়ার্ক এজেন্সির প্রধান ক্লাউস ম্যুলার দেশটির ফুংকে মিডিয়া গ্রুপের একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, এমন হতে পারে যে, রাশিয়া নর্ড স্ট্রিম ১ পাইপলাইন দিয়ে গ্যাসের সরবাহ বন্ধ করে দিতে পারে। তার সন্দেহ, গ্যাস লাইনটিকে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষনের জন্য যে ১১ দিন সময় প্রয়োজন তা দীর্ঘায়িত করতে পারে রাশিয়া। আর তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হতে পারে।
তিনি বলেন, ‘‘রাশিয়া যদি গ্যাস সরবারাহ কমিয়ে দেয় তাহলে আমাদেরকে বিষয়টি খুব গুরুত্বসহকারে দেখতে হবে এবং গ্যাসের ব্যবহার কমিয়ে আনতে হবে।'' উল্লেখ্য, ইউক্রেনে হামলান পর ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে উত্তেজনার প্রেক্ষিতে বেশ কযেকটি দেশে গ্যাস রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে রাশিয়া। ধারণা করা হচ্ছে, বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার জবাবেই এমন পদক্ষেপ নিয়েছে রাশিয়া।
ম্যুলার ইতোমধ্যেই গ্যাস ব্যবহারের বিষয়ে জার্মানির বাসিন্দাদের মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বাসা-বাড়ির বাসিন্দাদের সম্ভাব্য এমন পরিস্থিতি ঠেকাতে শীতকাল শুরুর ১২ সপ্তাহ আগে থেকেই অর্থাৎ এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে।
তার মতে, গ্যাস বয়লার এবং হিটারগুলো জ্বালানি সাশ্রয়ী কি না তা জরুরিভিত্তিতে যাচাই করা প্রয়োজন। এর ফলে গ্যাসের ব্যবহার ১০ থেকে ১৫ ভাগ কমিয়ে আনা সম্ভব। তবে তিনি আশ্বস্ত করেন, রাশিয়া সরবরাহ বন্ধ করে দিলে শুধু জার্মানিতে গ্যাসের উপরই চাপ পড়বে। বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি তেলের সংকট হবে না।
তাছাড়া এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে জার্মানিতে কোনো গ্যাস থাকবে না বিষয়টি এমন নয়। এ সময় তিনি নেদারল্যান্ডস এবং নরওয়েকে জার্মানির গ্যাসের সম্ভাব্য উৎস হিসেবে মন্তব্য করেন। সূত্র: ডয়চে ভেলে/বিডি প্রতিদিন।
ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, ‘একটি অপ্রিয় সত্য কথা বলতে চাই। বাংলাদেশের রাজনীতিতে আজকে যে দুর্বৃত্তায়ন চলছে এজন্য আজকে রাস্তায় মানুষ বলাবলি করছে ‘ওবায়দুল কাদের সাহেব নাকি মেরুদণ্ডহীন প্রাণী’।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে মির্জা কাদের এসব কথা বলেন।
কাদের মির্জা বলেন, আর নোয়াখালীর মানুষ বলাবলি করছে, নোয়াখালীর রাজনীতির এই দূরবস্থা এবং একরাম চৌধুরীর অপকর্মের জন্য মেরুদণ্ডহীন সভাপতি খায়রুল আনম সেলিম দায়ী। তারপরে কোম্পানীগঞ্জের রাজনীতির আজকের এই অবস্থার জন্য আরেক মেরুদণ্ডহীন সাহাব উদ্দিন দায়ী।’
তিনি বলেন, এটা অপ্রিয় হলেও সত্য কথা। এটা মানুষের কথা, মানুষের মনের কথা। আমি আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেছি। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সংগঠন বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের সদস্য হয়ে রাজনীতি করবো। আমি নামাজের বিছানায় বসে শপথ করেছি অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে কথা বলবো।
কাদের মির্জা বলেন, আমি আমার প্রতিশ্রুতি থেকে আজও এক চুল পরিমাণ সরে যায়নি। হেফাজতের উত্থান কিভাবে হয়েছে আপনারা জানেন। আওয়ামী লীগের অপরাজনীতির কারণে তাদের উত্থান। তারা আজকে এমন পর্যায়ে গিয়েছে, তারা এখন মানুষ হত্যা করতে দ্বিধাবোধ করে না। দলের এখন সুসময়। বসন্তের কোকিলদের আনাগোনায় ত্যাগীরা হারিয়ে যাচ্ছেন।
কাদের মির্জা বলেন, মন্ত্রীর স্ত্রী সন্ত্রাসীদের অর্থের যোগান দিয়েছেন। যেহেতু তিনি দুর্নীতিগ্রস্ত, তার দুর্নীতিকে ঢাকা দেওয়ার জন্য আমি যাতে তার দুর্নীতির বিরুদ্ধে নেত্রীর কাছে দেশবাসীর কাছে কোনো কিছু করতে না পারি সেজন্য তিনি আমার বিরোধীতা করছেন।
আমাকে হত্যা করার জন্য ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। কিন্তু আমার প্রশ্ন ওবায়দুল কাদের সাহেব আপনি কার স্বার্থে, কিসের স্বার্থে, কেন আজকে সন্ত্রাসী, অস্ত্রবাজদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। আমার নেতাকর্মীরা গুলি খেয়ে ঢাকাতে হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছে। আপনি একবার তাদের দেখতেও যাননি, আপনার কোন প্রতিনিধিও যায়নি। এটার জবাব একদিন জনগণকে দিতে হবে, আল্লাহর আদালতে দিতে হবে।