a পাকিস্তানের নৌবাহিনী আরব সাগরে নয় ভারতীয় নাবিকের জীবন বাঁচালো
ঢাকা বুধবার, ৭ মাঘ ১৪৩২, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

পাকিস্তানের নৌবাহিনী আরব সাগরে নয় ভারতীয় নাবিকের জীবন বাঁচালো


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ১২ আগষ্ট, ২০২২, ১২:১৯
পাকিস্তানের নৌবাহিনী আরব সাগরে নয় ভারতীয় নাবিকের জীবন বাঁচালো

ফাইল ছবি

আরব সাগরে ডুবে যাওয়া একটি নৌযানের নয় ভারতীয় নাবিকের জীবন বাঁচালো পাকিস্তানের নৌবাহিনী।

পাকিস্তান নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ডুবে যাওয়া নৌযানটির নাম ‘জামনা সাগর’। তাতে মোট ১০ জন কর্মী ছিলেন। এটি থেকে তারা ‘ডিসট্রেস’ কল দেন। সেই কল শোনার পর পাকিস্তান মেরিটাইম ইনফরমেশন সেন্টার পাশে থাকা একটি জাহাজকে প্রয়োজনীয় সাহায্য করতে বলে। তারাই ডুবে যাওয়া ওই নৌযানের নয়জন ভারতীয় কর্মীকে উদ্ধার করে। ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার। তবে পাকিস্তান নৌবাহিনী বিষয়টি বৃহস্পতিবার জানিয়েছে।

জানা গেছে, পাকিস্তানের ওই জাহাজটি দুবাই যাচ্ছিল। তারা ভারতীয় কর্মীদের উদ্ধার করে আবার দুবাই যাত্রা শুরু করে। যাত্রাপথে তারা ভারতীয় কর্মীদের নামিয়ে দিয়ে যাবে।

এরপর পাকিস্তানের নৌবাহিনীর জাহাজ ও দু’টি হেলিকপ্টার সেখানে গিয়ে পৌঁছায়। কারণ, তখনও একজন কর্মীর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তারা সেই কর্মীর মৃতদেহ সমুদ্রে ভাসতে দেখে। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে মরদেহটি পাকিস্তান মেরিটাইম সিকিউরিটি এজেন্সিকে দিয়েছে। সূত্র: ডেইলি টাইমস, বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

মা-বাবা-নানিকে গুলি করে হত্যার পর দু’ভাইয়েরও আত্মহত্যা


নিউজ ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ০৬ এপ্রিল, ২০২১, ০৯:৫৬
মা-বাবা-নানিকে গুলি করে হত্যার পর দু’ভাইয়েরও আত্মহত্যা

ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস স্টেটের ডালাস সংলগ্ন এলেন সিটির এক বাংলাদেশি পরিবারের ৬ সদস্যই খুন হয়েছেন। সোমবার ভোর রাতে এলেন সিটির পুলিশ টেলিফোন পেয়ে ঐ বাসায় গেলে নৃশংসভাবে হত্যার শিকারদের লাশ উদ্ধার করে। প্রাথমিক বর্ণনায় পুলিশ জানায়, দু’ভাই মিলে তাদের মা-বাবা, নানি এবং একমাত্র বোনকে হত্যার পর নিজেরাও আত্মহত্যা করেছে।

এলেন সিটি পুলিশের সার্জেন্ট জন ফেলী গণমাধ্যমকে জানান, সম্ভবত, গত শনিবার এমন নৃশংসতার ঘটনা ঘটেছে। ১৯ বছর বয়সী একজনের ফেসবুকের স্ট্যাটাসে এই পরিস্থিতির বর্ণনা করা হয়েছে। পুলিশের মতে ‘আত্মহত্যার প্রসঙ্গ’-তে রয়েছে, হতাশার ধারাবিবরণী। 

ক্যারেন ফেল্লা নামের ওই পরিবারের এক প্রতিবেশী বলেন, যথারীতি আমরা রবিবার কাজে গেছি। কিছুই বুঝিনি যে, ওরা কেউ আর বেঁচে নেই। এই পরিবারের ব্যাপারে তাদের বেশি ধারণা নেই। ফেল্লা নিহত পরিবারের একমাত্র তরুণীর ব্যাপারে বলেন, সে খুবই মেধাবী ছাত্রী ছিল। আমার মেয়ের স্কুলেই পড়তো।

কেভিন পাটেল (২৮) নামক আরেক প্রতিবেশী জানান, তাদের বিষয়ে খুব বেশি জানতাম না। তবে তারা সুখী পরিবার ছিল বলেই মনে হতো। সোমবার সকাল সাড়ে ৭টায় কাজ থেকে ফিরেই দেখি পুলিশের উপস্থিতি। অবাক হয়েছি ঘটনা জেনে।

বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব নর্থ টেক্সাসের সেক্রেটারি নাহিদা আলী হতাশার সাথে জানান, এমন সংবাদে সকলেই হতভম্ব। শোকাচ্ছন্ন গোটা কমিউনিটি। তৌহিদুল ইসলাম (৫৬)  খুবই ভালো মানুষ ছিলেন। তার স্ত্রী আইরিন ইসলাম নীলাও (৫৫) আসতেন কমিউনিটির অনুষ্ঠানে। সব সময় তারা দুই পুত্র তানভির তৌহিদ (২১) এবং ফারহান তৌহিদ (১৯) কে নিয়ে উচ্ছ্বাস করতেন। একইভাবে মেধাবী কন্যা পারভিন তৌহিদকে (১৯) নিয়েও তার অহংকারের শেষ ছিল না। পারভিন পড়তেন নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটিতে। সপ্তাহখানেক আগে তাকে নিউইয়র্ক থেকে বাসায় নেয়া হয়। ফারহান গত বছর ভর্তি হয়েছিলেন অস্টিনে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসে। তানভিরও  পড়তেন ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসের অস্টিনে। তার এবারই গ্র্যাজুয়েশনের কথা। তবে ফারহান আর পারভিন ছিলো যমজ। এমন একটি পরিবারের সকলেই একইসাথে নিঃশেষ হয়ে যাবে-এটি কল্পনারও অতীত ছিল। সাথে তৌফিকের শাশুড়ি আলতাফুন্নেসাকেও (৭৭) মৃত্যুবরণ করতে হলো।

গত সপ্তাহেই আলতাফুন্নেসার বাংলাদেশে ফেরার কথা ছিল। করোনা জটিলতায় তিনি সফর স্থগিত করেছিলেন। নাহিদা জানান, পুলিশী তদন্ত শেষে লাশগুলো পেলে যদি ঐ হতভাগা পরিবারের কোন স্বজন দায়িত্ব না নেন তাহলে আমরা এসোসিয়েশনের উদ্যোগে দাফনের পদক্ষেপ নেব। এটি আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

জানা গেছে, তৌহিদুল ৮ বছর আগে টেক্সাসের এই সিটিতে বসতি গড়ার আগে নিউইয়র্কে বাস করতেন। তার দেশের বাড়ি ছিল পুরনো ঢাকায়। সর্বশেষ তিনি টেক্সাসে সিটি ব্যাংকে চাকরি করতেন।

পরিবারের প্রধান তৌহিদের পরিচিত ট্র্যাভেল ব্যবসায়ী শাহীন হাসান জানান, কোনো কারণে তৌহিদের দুই পুত্রই বিষন্নতায় আক্রান্ত ছিল। আত্মহত্যার সেই নোটে সে (ফারহান) উল্লেখ করেছে, ২০১৬ সালে  নবম গ্রেডে পড়াবস্থায় আমি বিষন্নতায় আক্রান্ত হয়েছি বলে চিকিৎসক জানায়। এজন্যে আমি পরীক্ষায় ফেল করেছি। আজ আমি নিজের শরীর দু’বার কেটেছি। খুবই কষ্ট পেয়েছি। আমার মনে আছে ২০১৭ সালের ২২ আগস্ট, কাঁচির মত ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরে কেটেছিলাম। অনুভব করেছি কতটা অসহনীয় যন্ত্রণা। এরপর প্রায় দিনই শরীরে রান্নাঘরের চাকু দিয়ে কেটেছি। বিষন্নতার দুঃখবোধ লাঘবের পথ খুঁজেছি। এ অবস্থায় আমার ঘনিষ্ঠ তিন বন্ধু আমাকে ত্যাগ করেছে।

এমনি হতাশার মধ্যেই আমাকে ভর্তি করা হয় ইউনিভার্সিটি অব অস্টিনে কম্পিউটার সায়েন্স ডিপার্টমেন্টে। এরপর আমি ভেবেছি যে, এবার জীবনটা সঠিক ট্র্যাকে উঠেছে। বাস্তবে তা ঘটেনি। বিষন্নতায় জর্জরিত হয়ে পুনরায় আমি নিজের শরীর রক্তাক্ত করি এবং কাঁদতে কাঁদতে বিছানায় ঘুমাতে যাই। সান্ত্বনা খুঁজি যে, আমি সুস্থ হয়েছি। অন্যদের মতই স্বাভাবিক। কিন্তু সেটি সত্য বলে কখনোই মনে হয়নি।

এক পর্যায়ে সে লিখেছে, আমি যদি আত্মহত্যা করি তাহলে গোটা পরিবার সারাটি জীবন কষ্ট পাবে। সেটি চাই না। সেজন্যে পরিবারের সকলকে নিয়ে মারা যাবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে বড়ভাইকে সামিল করলাম। দু’ভাই গেলাম বন্দুক ক্রয় করতে।  আমি হত্যা করবো ছোটবোন আর নানীকে। আমার ভাই করবে মা-বাবাকে। এরপর উভয়ে আত্মহত্যা করবো। কেউ থাকবে না কষ্ট পাবার।

আত্মহত্যার প্রাক্কােলে লেখা ওই নোটে সে আরও উল্লেখ করেছে, বন্দুক ক্রয়ের ব্যাপারটি খুবই মামুলি। বন্দুক নিয়ন্ত্রণ আইনের নামে তামাশা চলছে সর্বত্র। বড়ভাই গেলেন দোকানে। বললেন যে, বাড়ির নিরাপত্তার জন্যে বন্দুক দরকার। দোকানি কয়েকটি ফরম ধরিয়ে দিলে সেখানে স্বাক্ষর করলেন ভাই। এরপর হাতে পেলাম কাঙ্ক্ষিত বস্তুটি, যা দিয়ে নিজের কষ্ট এবং পরিবারের কষ্ট সহজে লাঘব করা যাবে।

এদিকে, ফোবানার সাবেক চেয়ারম্যান  ও ক্যানসাসের ডেমোক্র্যাটিক ককাসের প্রতিষ্ঠাতা-চেয়ারপার্সন রেহান রেজা এ সংবাদদাতাকে বলেন, এমন নিষ্ঠুর পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি রোধে অভিভাবকদের সচেতন হওয়া দরকার। সময় মতো যথাযথ চিকিৎসার পদক্ষেপ নিলে হয়তো এমন দুঃখজনক পরিস্থিতির অবতারণা হতো না। তিনি অবিলম্বে বন্দুক নিয়ন্ত্রণ আইনের দাবিও জানিয়েছেন। সূত্র:বিডিপ্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

টানেলে বন্যার পানি ঢুকে চীনে ১৩ শ্রমিকের মৃত্যু


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ২২ জুলাই, ২০২১, ১২:৩৯
টানেলে বন্যার পানি ঢুকে চীনে ১৩ শ্রমিকের মৃত্যু

ফাইল ছবি

চীনের দক্ষিণাঞ্চলের ঝুহাই শহরে নির্মাণাধীন টানেলে বন্যার পানি ঢুকে যাওয়ার পর সেখানে আটকে পড়া ১০ শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গত সপ্তাহে ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘটনায় এর আগে ওই টানেল থেকে আরও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে টানেলটি থেকে মোট ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলো। 

গতকাল বুধবার চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

১৫ জুলাই টানেলটিতে হঠাৎ বন্যার পানি ঢুকে পড়ে। টানেলে প্রবেশমুখ থেকে এক কিলোমিটারেরও বেশি ভেতরে আটকে পড়েন ১৪ শ্রমিক। তাঁদের মধ্যে ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলো। এখনো নিখোঁজ একজন। তাঁকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। উদ্ধারকর্মীরা বলছেন, নিখোঁজ ওই শ্রমিকের সঙ্গে এখনো কোনো ধরনের যোগাযোগ স্থাপন করতে পারেননি তাঁরা।

চীনের গুয়াংডং প্রদেশের ঝুহাই শহরে নির্মাণ করা হচ্ছে টানেলটি। এটি একটি এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের অংশ। এই মহাসড়ক প্রকল্পের আওতায় উপকূলবর্তী স্থানীয় শহরগুলোকে ম্যাকাও ও হংকংকে সংযোগকারী একটি সেতুর সঙ্গে যুক্ত করা হবে।

টানেলটিতে এর আগেও নির্মাণশ্রমিকদের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। গত মার্চে সেখানে প্রাচীরধসের ঘটনায় দুই শ্রমিক নিহত হন।

এদিকে বন্যার জেরে চীনের হেনান প্রদেশে কমপক্ষে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ ৭ জন। প্রদেশটি থেকে এক লাখ মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বন্যার পানিতে ঢুবে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে রেল ও সড়ক যোগাযোগ। জারি করা হয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কতা। প্রদেশের বাঁধগুলো পানির চাপে যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

হেনানে ২৫ জনের মধ্যে ১২ জনেরই মৃত্যু হয় প্রদেশটির ঝেংঝউ শহরে পাতালরেলের ভেতর বন্যার পানি ঢুকে। টানা ভারী বৃষ্টিপাতে শহরের পাতালরেল স্টেশন ডুবে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে। স্টেশন থেকে আরও ৫০০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

মেট্রো স্টেশনে ট্রেনের ভেতরে পানি ঢুকে পড়ার কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা যায়, ট্রেনের বগির ভেতরে পানি থেকে বের হতে চেষ্টা করছেন যাত্রীরা। একপর্যায়ে বগির ছাদ কেটে তাঁদের বের করতে হয় বলে উল্লেখ করেছে স্থানীয় গণমাধ্যম।

হেনানে মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে গংই শহরে বন্যায় বাড়ি ধসে নিহত চারজন রয়েছে। ঝেংঝউয়ের মতো এই শহরও ইয়োলো নদীর তীরে অবস্থিত। বৃষ্টিপাতের পর নদী থেকে পানি উপচে শহরে ঢোকে।

গত শনি থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত ঝেংঝউ শহরে ৬১৭ দশমিক ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। সাধারণত, এক বছরে শহরটিতে এ পরিমাণ বৃষ্টি হয়। এমন বৃষ্টি ‘হাজার বছরে একবার দেখা যায়’ বলে উল্লেখ করেছে চীনের আবহাওয়া ব্যুরো। ঝেংঝউয়ে বছরে গড়ে ৪৬০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়।

তুমুল বৃষ্টিপাত ও বন্যার মধ্যে হেনানে শিগগির এ দুর্যোগ থামছে না বলে জানিয়েছে আবহাওয়া ব্যুরো। তারা জানিয়েছে, প্রদেশটিতে আগামী তিন দিনও ঝরবে বৃষ্টি। বৃষ্টিপাত ও বন্যার ক্ষয়ক্ষতি সামাল দিতে উপদ্রুত এলাকাগুলোয় ৫ হাজার ৭০০ সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক