a
ফাইল ছবি
আরব সাগরে ডুবে যাওয়া একটি নৌযানের নয় ভারতীয় নাবিকের জীবন বাঁচালো পাকিস্তানের নৌবাহিনী।
পাকিস্তান নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ডুবে যাওয়া নৌযানটির নাম ‘জামনা সাগর’। তাতে মোট ১০ জন কর্মী ছিলেন। এটি থেকে তারা ‘ডিসট্রেস’ কল দেন। সেই কল শোনার পর পাকিস্তান মেরিটাইম ইনফরমেশন সেন্টার পাশে থাকা একটি জাহাজকে প্রয়োজনীয় সাহায্য করতে বলে। তারাই ডুবে যাওয়া ওই নৌযানের নয়জন ভারতীয় কর্মীকে উদ্ধার করে। ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার। তবে পাকিস্তান নৌবাহিনী বিষয়টি বৃহস্পতিবার জানিয়েছে।
জানা গেছে, পাকিস্তানের ওই জাহাজটি দুবাই যাচ্ছিল। তারা ভারতীয় কর্মীদের উদ্ধার করে আবার দুবাই যাত্রা শুরু করে। যাত্রাপথে তারা ভারতীয় কর্মীদের নামিয়ে দিয়ে যাবে।
এরপর পাকিস্তানের নৌবাহিনীর জাহাজ ও দু’টি হেলিকপ্টার সেখানে গিয়ে পৌঁছায়। কারণ, তখনও একজন কর্মীর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তারা সেই কর্মীর মৃতদেহ সমুদ্রে ভাসতে দেখে। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে মরদেহটি পাকিস্তান মেরিটাইম সিকিউরিটি এজেন্সিকে দিয়েছে। সূত্র: ডেইলি টাইমস, বিডি প্রতিদিন
যুক্তরাষ্ট্রের গুয়ানতানামো বে কারাগার
গুয়ানতানামো বে কারাগারের গোপন ইউনিট বন্ধ করে দিয়েছে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন। কিউবার আমেরিকান ঘাঁটিতে অবস্থিত এই ইউনিট থেকে বন্দিদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। এ সংবাদ প্রকাশ করেছে এনবিসি নিউজ
ইউএস সাউদার্ন কমান্ড জানিয়েছে, ক্যাম্প-৭ থেকে বন্দিদের কাছের ক্যাম্প-৫-এ স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে কতজনকে সরানো হয়েছে এবং কবে সরানো হয়েছে তা জানা যায়নি। এই ক্যাম্পে ১৪ জন বন্দি ছিলেন বলে ধারণা করা হয়।
মিয়ামিভিত্তিক সাউদার্ন কমান্ড জানিয়েছে, গুয়ানতানামো বে কারাগারে ৪০ জন বন্দি ছিলেন। ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে ক্যাম্প-৭ খোলা হয়।
বহু বিতর্কের জন্ম দেয় এই গুয়ানতানামো বে কারাগার। অনেক দিন ধরেই এসব বন্দিশিবিরটি বন্ধ করার দাবি করে আসছিল বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন। মার্কিন সেনারা এসব বন্দিদের ওপর অকথ্য অত্যাচার চালিয়ে আসছিল বলে অভিযোগ করে আসছিল বিশ্ব বিবেক। এমনকি কোনো কোনো শিবিরে অত্যন্ত চুপিসারে গোপনে বিভিন্ন কাজকর্ম হতো বলেও অভিযোগ ছিল।
মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে এমন অভিযোগে বারবার সরব হয়ে উঠেছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনগুলো কিন্তু তারপরও মার্কিন প্রশাসন এসব বিষয়ে কর্ণপাত না করে এত বছর ধরে গুয়ানতানামোয় বন্দিশিবিরগুলো চালু রেখেছে। এই কারাগারে বিশ্বের সবচেয়ে অমানবিক কাজকর্মগুলো হতো বলে মানবিধার সংগঠনগুলোর অভিযোগ করায় বাইডেন প্রশাসন নির্বাচনের আগে ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি নির্বাচিত হলে এই কারাগার বন্ধ করে দেবেন।
ফাইল ছবি
জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব ও কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, যতক্ষণ সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ থাকবে ততক্ষণ সংসদ সদস্যদের স্বাধীন কথা বলার সুযোগ নেই। বাজেটে সংসদ সদস্যদের কোনো অংশগ্রহণ নেই। স্বাধীনভাবে (কথা) বলার সুযোগ নেই।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে আলোচনা হয়। এসময় একটি বিল পাসের ওপর আলোচনাকালে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরাও এসব মন্তব্য করেন।
মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, সংসদের কি খুব একটা ক্ষমতা আছে? যিনি সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা তার হাতেই সকল ক্ষমতা। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে কারো কিছু বলার ক্ষমতা আছে? সদস্য পদ কি থাকবে? এ সময় বিএনপির সাংসদ রুমিন ফারহানাও একই প্রশ্ন তোলেন।
প্রসঙ্গত: সংবিধানের ৭০ অনুূচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো সংসদ সদস্য দলের সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিতে পারেন না। এতে বলা আছে, কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী রূপে মনোনীত হয়ে কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে সংসদে ওই দলের বিপক্ষে ভোটদান করলে সংসদে তার আসন শূন্য হবে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন