a
গত ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও ভোট ডাকাতির অভিযোগ অভিযোগ নিয়ে প্রেসিডেন্ট ড. আরিফ আলভির সঙ্গে দেখা করেছেন কারাবন্দি ইমরান খানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) নেতারা।
বাংলাদেশ সময় সোমবার রাত ৯টার পর দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের একটি লাইভ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্ট আলভির সঙ্গে পিটিআই নেতা রউফ হাসান ও উমর নিয়াজি সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাতে পিটিআই নেতারা প্রেসিডেন্টকে ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের সময় স্পষ্ট অনিয়ম সম্পর্কে অবহিত করেন। প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
পিটিআই প্রতিনিধিদল অনিয়মের বিষয়গুলো প্রেসিডেন্টকে জানিয়েছেন, দলকে চাপে রাখা, নির্বাচনী প্রতীক না দেওয়া এবং অসংখ্য নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তারের পরও পিটিআই সব প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে বিজয়ী হয়েছে। সাধারণ মানুষ পিটিআই-সমর্থিত প্রার্থীদের ওপর আস্থা দেখিয়েছেন।
এর আগে গত শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে পিটিআইয়ের বর্তমান চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গহর আলী খান আশা প্রকাশ করে বলেছিলেন, প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি তার দলকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন। কারণ, তারা জাতীয় পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছেন।
সে সময় সাধারণ মানুষের চাওয়াকে সম্মান জানানোর আহ্বান জানিয়ে গহর বলেছিলেন, ‘কারও সঙ্গে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। আমরা এগিয়ে যেতে চাই। আমরা এগিয়ে যাব এবং সংবিধান ও আইন অনুযায়ী সরকার গঠন করব।’ সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
নন্দীগ্রামের বয়ালের বুথে গিয়ে দু' ঘণ্টা আটকে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। সেই সময় অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে সেখানকার পরিস্থিতি। রাজ্যে ভোট প্রচারে এসে এই ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র কটাক্ষ করলেন মোদি। তার দাবি, নন্দীগ্রামের ঘটনাই প্রমাণ করে যে দিদি (মমতা) হার মেনে নিয়েছেন।
হাওড়ার উলুবেড়িয়ার সভায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'কিছুক্ষণ আগে নন্দীগ্রামে যা হলো আমরা সবাই দেখেছি। এতেই প্রমাণিত, দিদি হার মেনে নিযেছেন। এটাই বুঝিয়ে দিচ্ছে যে বাংলায বিজেপির সরকার তৈরি হতে চলেছে।
তৃণমূলনেত্রীকে উদ্দেশ করে মোদি আরও বলেন, দিদি, এখনও শেষ দফার ভোটের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়া চলছে। কানাঘুষা শুনছি আপনি নাকি শেষ পর্বের ভোটের জন্য অন্য কোনও আসন থেকে মনোনয়ন জমা দিতে পারেন, এটা কি সত্যি? আপনি নন্দীগ্রামে গেলেন, মানুষ আপনাকে জবাব দিয়ে দিয়েছে। আপনি অন্য কোথাও গেলেও বাংলার মানুষ তৈরি হয়ে রয়েছে।
মমতাকে আক্রমণ করে মোদি বলেন, 'বাংলার মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছেন যে দিদিকে বিদায় জানাতে হবে। নন্দীগ্রামের মানুষ এ দিন সেই স্বপ্নটাই পূরণ করলেন।' সূত্র:বিডিপ্রতিদিন
ফাইল ছবি: কাদের মির্জা
বসুরহাট পৌরসভার আলোচিত মেয়র আবদুল কাদের মির্জা আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।ফেসবুক লাইভে এসে আজ বুধবার (৩১ মার্চ) দুপুর পৌনে ১২ টায় এ ঘোষণা দেন। তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন।
কাদের মির্জা বলেন, ‘আমি সব অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে কথা বলে এখন সবার কাছে অপ্রিয় হয়ে গেছি। যে দলে সম্মান নাই সে দলে থাকতে চাইনা। আমি বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের সদস্য হয়েছি সেখানেই কাজ করবো।’
বিদায় বেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যে কাদের মির্জা বলেন, ‘আপনি একসাথে না পারলেও আস্তে আস্তে দলের দুর্নীতিবাজদের লাগাম টেনে ধরুন। যারা বেশি অনিয়মকারী তাদেরকে দল থেকে বহিষ্কার করেন।
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে বলবো আপনি মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন, কিন্তু আপনার প্রশাসন মাদককে সহযোগিতা করছে। আর এখনি ঘোষণা দিন যে, সংসদ সদস্যসহ যে কোনো প্রতিনিধি বা পদে আসতে মাদক ও নারীর সাথে থাকতে পারবে না। ডোব টেস্ট করে চাকরিতে যোগদান করান।’
ঢাকাতে সব দল একদল হয়ে গেছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘দিনের বেলা তারা আলাদা রাজনীতি করলেও রাতের বেলা আ’লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি মিলে হোটেলে এক হয়ে কাজ করে। এরা ‘জাতীয় অপকর্ম পার্টি’ গঠন করেছে বলেও মন্তব্য করেন।
ওবায়দুল কাদেরের সমালোচনা করে কাদের মির্জা বলেন, ‘তিনি পদ-পদবীর জন্য অপশক্তিদের কাছে মাথা নত করেছেন। যেদিন আমার ছোটভাই (দেলোয়ার) ফাঁসি দিয়ে মারা গেছে সে দিনই তার সাথে (ওবায়দুল কাদের) সম্পর্ক মানসিকভাবে দুরে সরে গেছে।’
কাদের মির্জা ওবায়দুল কাদেরের সাবেক এপিএস বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি এটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট আমিন উদ্দিন মানিকের সমালোচনা করে বলেছেন, ‘সে চাকরিপ্রার্থী অনেক নারীর সাথে অনিয়ম করেছে, অবশেষে বিয়েও করেছেন অনিয়ম করে।’