a
মার্কিন দম্পতি বিল গেটস ও মেলিন্ডা সাত বছর প্রেম করার পর বিয়ে করেছিলেন। সংসার করেছেন ২৭ বছর। বিল ও মেলিন্ডার সংসারে আছে তিনটি সন্তান। ৩৪ বছর পর সম্পর্কে ইতি টানার ঘোষণা দিয়েছেন মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস ও উদ্যোক্তা মেলিন্ডা।
গত ৩ মে বিল ও মেলিন্ডা যৌথভাবে টুইটারে এ ঘোষণা দিয়েছেন। ২০০০ সালে বিল ও মেলিন্ডা দুজনে মিলে গড়ে তুলেছিলেন বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। বিচ্ছেদের পরও এই ফাউন্ডেশনের হয়ে একসঙ্গে কাজ করবেন তারা।
বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দাতব্য প্রতিষ্ঠান। সারা বিশ্বে স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে এই ফাউন্ডেশন।
ফাইল ছবি
দোনেৎস্ক বিমানবন্দরে একটি মপ-আপ অপারেশন সম্পন্নের পর সেখানে থাকা ইউক্রেনীয় সেনাদের এম ৪ হাইওয়ের পেছনে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দোনেৎস্ক পিপলস মিলিশিয়ার কর্নেল আর্টিওম জোগা।
সোমবার স্পার্টা পুনরুদ্ধার ব্যাটালিয়নের কমান্ডার তার টেলিগ্রাম চ্যানেলে এ তথ্য দেন। খবর তাস নিউজের।
তিনি বলেন, এর আগে সামরিক সংবাদদাতা সেমিয়ন পেগভ রিপোর্ট করেছেন যে, দোনেৎস্ক বিমানবন্দরের অঞ্চল শত্রু সেনা থেকে সম্পূর্ণরূপে মুক্ত করা হয়েছে। আমি তার কথাগুলো নিশ্চিত করছি এবং দোনেৎস্ক বিমানবন্দরে শত্রুর শেষ শক্ত ঘাঁটি ধ্বংস করার ভিডিও ফুটেজ আপলোড করছি।
জোগা বলেন, বিমানবন্দরের সব বিল্ডিং ২০১৫ সাল থেকে ডিপিআর বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, কিন্তু ওপিটনয়ে বন্দোবস্তের এলাকায় অবস্থানগুলো খালি রয়ে গেছে। বিমানবন্দরের মোট এলাকা ১০ বর্গ কিলোমিটারের বেশি।
কর্নেল বলেন, ‘আমরা এক মাসেরও বেশি সময় আগে বিমানবন্দরের দখল নিয়েছিলাম, কিন্তু নিরাপদে থাকার জন্য শত্রু বাহিনীকে এম৪ হাইওয়ের পেছনে তাড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।’
অপারেশনগুলো আর্চেঞ্জেল মাইকেল ব্যাটালিয়নের একটি কোম্পানির সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত হয়েছিল একটি পৃথক ট্যাংক ব্যাটালিয়নের ট্যাংকার এবং ২৩৮তম আর্টিলারি ব্রিগেডের আর্টিলারিম্যান, ঝোগা নির্দিষ্ট করে বলেছিলেন। স্পার্টা ব্যাটালিয়ন ২০১৪ সালে তৈরি করা হয়েছিল, তারা স্লাভিয়ানস্ক ও দোনেৎস্ক বিমানবন্দরের যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
বাখমুতের পূর্বাঞ্চল নিয়ন্ত্রণের দাবি করেছে রাশিয়ার ভাড়াটে সেনাবাহিনী ওয়াগনার। বুধবার টেলিগ্রামে এ দাবি করেন ওয়াগনারের প্রধান ইয়েভজেনি প্রিগোঝিন।
তিনি বলেন, ওয়াগনারের সামরিক ইউনিটগুলো বাখমুতের পূর্ব অংশ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। বাখমুতকা নদীর পূর্বের সবকিছুই এখন ওয়াগনারের নিয়ন্ত্রণে। খবর রয়টার্স। এদিকে, ইউক্রেন দাবি করছে, তারা বাখমুতে রুশ বাহিনীর ওপর পাল্টা হামলা চালাচ্ছে।অপরদিকে, ন্যাটোপ্রধান দাবি করেছেন, অচিরেই গোটা বাখমুতের নিয়ন্ত্রণ রাশিয়ার হাতে চলে যাবে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু বলেছেন, ইউক্রেনের বাখমুত দখল করা বৃহত্তর দনবাস অঞ্চলের ভেতরে সম্মুখ অভিযান শুরু করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বাখমুতকে ইউক্রেন বাহিনীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক কেন্দ্র বলেও অভিহিত করেছেন তিনি।
গত কয়েক মাস ধরে বাখমুত দখলের জন্য লড়াই চালিয়ে আসছে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী। বাখমুতে রাশিয়ার বাহিনীর আক্রমণের নেতৃত্ব দিচ্ছে ওয়াগনার। শহরটি দখল করতে পারলে গত গ্রীষ্মের পর এটিই হবে মস্কোর বড় সাফল্য। সূত্র: যুগান্তর