a
ফাইল ছবি
চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন জানায়, আফগানিস্তান থেকে ৯০ শতাংশেরও বেশি মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে। বাইডেন সরকারের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেকেই সমালোচনা করছেন। এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ।
আজ বুধবার এক সাক্ষাৎকারে তালেবান নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি দাবি করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এমন সিদ্ধান্তের কারণে কট্টরপন্থী তালেবান গোষ্ঠীর হত্যাকাণ্ডের মুখে পড়তে হবে আফগানিস্তানের নিরীহ মানুষদের।
ডয়চে ভেলেকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে বুশ আরও বলেন, আফগানিস্তানের নারী ও শিশুরা অবর্ণনীয় কষ্টের মুখে পড়তে যাচ্ছে। সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ভুল। নীরিহ আফগানিদের কট্টরপন্থী তালেবান গোষ্ঠীর শিকার হওয়ার জন্য ছেড়ে দেওয়া হলো। এ সিদ্ধান্ত আমার মন ভেঙে যাচ্ছে। সূত্র: এনডিটিভি ও ডয়চে ভেলে।
ফাইল ছবি
দীর্ঘ ২০ বছর পর ফের আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করেছে তালেবান। ক্ষমতা দখলের পর সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে তালেবান। সেই সাথে নারীদেরকেও তাদের সরকারে অংশ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
এদিকে, মঙ্গলবার রাজধানী কাবুলে প্রথমবারের মতো সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি। এতে তালেবানের পক্ষে বক্তব্য রাখেন তাদের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ। তিনি জানিয়েছেন, আফগানিস্তানে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে তালেবান। এজন্য তাদের যোদ্ধারা কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, ২০ বছরের সংগ্রামের পর আমরা দেশকে মুক্ত করেছি এবং বিদেশিদের বিতাড়িত করেছি। এটি পুরো জাতির জন্য গর্বের মুহূর্ত। আমরা কোনো বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ শত্রু চাই না। আমরা কাবুলে বিশৃঙ্খলা দেখতে চাই না বলে মন্তব্য করেন তালেবানের এই মুখপাত্র।
তিনি বলেন, ‘আমি যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে নিশ্চিত করতে চাই, কারও ক্ষতি হবে না। আমি আমাদের প্রতিবেশীদের আশ্বস্ত করছি, আমরা আমাদের ভূখণ্ড কাউকে বা কোনো দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেব না। সুতরাং বিশ্ব সম্প্রদায়ের আশ্বস্ত হওয়া উচিত, আমরা এক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে, আপনার ক্ষতি হবে না।’
সংবাদ সম্মেলনে তালেবান মুখপাত্র প্রতিশ্রুতি দেন, নারীদের অধিকারকে সম্মান জানানো হবে। তবে তা মুসলিম আইনের সীমার মধ্যে থাকবে। আমরা ইসলামের সীমার মধ্যে তাদের (নারীদের) সব অধিকার নিশ্চিত করব।
তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আমরা আশ্বস্ত করতে চাই যে এখানে কোনো বৈষম্য থাকবে না। আমরা আমাদের সাংস্কৃতিক কাঠামোর মধ্যে মিডিয়ার প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি এও বলেন, গণমাধ্যমের কার্যক্রমের ক্ষেত্রে কোনো কিছুই ইসলামী মূল্যবোধের বিরুদ্ধে হওয়া উচিত নয়।
ছবি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সাহিত্য সংসদ আয়োজন করছে সাহিত্য বিষয়ক প্রতিযোগিতা ‘ভাবনায় স্বপ্নের পদ্মাসেতু’। প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে প্রকাশিত হবে একটি দেয়ালিকা ও সাহিত্য পত্রিকা।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য সংসদের সভাপতি আলিমুল ইসলাম জানান, আগামী ২৫ জুন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন, সেই মহেদ্রক্ষণকে স্মরণীয় করে রাখতেই আমাদের এই আয়োজন। তিনি আরো জানান প্রতিযোগিতা তিনটি বিভাগে অনুষ্ঠিত হবে। ‘ক’ বিভাগে থাকবে ছড়া ও কবিতা, ‘খ’ বিভাগে গল্প, ছোট গল্প,লৌকিক গল্প এবং ‘গ’ বিভাগে প্রবন্ধ ও চিত্রাঙ্কন।
গল্প, ছোট গল্প, লৌকিক গল্পের শব্দ সংখ্যা ৩৫০-৫০০ শব্দের ভেতরে হতে হবে। লেখক তার লেখা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য সংসদের অফিসিয়াল গ্রুপে নাম, ব্যাচ, বিভাগ দিয়ে আপলোড করতে হবে। প্রতিযোগিতাটি শিক্ষক ও শিক্ষার্থী সবার জন্য উম্মুক্ত এবং একজন লেখক তার নিজের লেখা দিয়ে যেকোনো বিভাগে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাবে।
পুরস্কার হিসেবে কি থাকছে জানতে চাইলে তিনি জানান প্রতিটি বিভাগে(ক,খ,গ) প্রথম ও দ্বিতীয় জনকে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা সমমূল্যের বই উপহার দেওয়া হবে।
সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিচারকমন্ডলী কর্তৃক লেখার মান নির্ণয় করে প্রত্যেক বিভাগ থেকে দুইজন বিজয়ী ঘোষণা করা হবে এবং তাদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হবে।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে কারা উপস্থিত থাকবেন এ নিয়ে তিনি বলেন আমরা আজকেও উপাচার্য মহোদয় ও ট্রেজারের সঙ্গে কথা বলেছি, অতিথি নিয়ে কথা চলমান রয়েছে। আগামী ২০ শে জুন রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত লেখা জমা নেয়া হবে।