a
ফাইল ছবি
চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন জানায়, আফগানিস্তান থেকে ৯০ শতাংশেরও বেশি মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে। বাইডেন সরকারের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেকেই সমালোচনা করছেন। এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ।
আজ বুধবার এক সাক্ষাৎকারে তালেবান নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি দাবি করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এমন সিদ্ধান্তের কারণে কট্টরপন্থী তালেবান গোষ্ঠীর হত্যাকাণ্ডের মুখে পড়তে হবে আফগানিস্তানের নিরীহ মানুষদের।
ডয়চে ভেলেকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে বুশ আরও বলেন, আফগানিস্তানের নারী ও শিশুরা অবর্ণনীয় কষ্টের মুখে পড়তে যাচ্ছে। সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ভুল। নীরিহ আফগানিদের কট্টরপন্থী তালেবান গোষ্ঠীর শিকার হওয়ার জন্য ছেড়ে দেওয়া হলো। এ সিদ্ধান্ত আমার মন ভেঙে যাচ্ছে। সূত্র: এনডিটিভি ও ডয়চে ভেলে।
সংগৃহীত ছবি
আমেরিকান সৈন্যসহ ন্যাটোবাহিনী আফগানিস্তান ত্যাগ করার পর আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলে তালেবাদের দাপট জোরালো হওয়ায় শত শত আফগান সেনা পালিয়ে যাচ্ছেন।
আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলে তালেবানের সাথে যুদ্ধে টিকতে না পেরে এক হাজারেরও বেশি আফগান সেনারা সীমান্ত অতিক্রম করে পার্শ্ববর্তী তাজিকিস্তানে পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে জানা যায়, তাজিক কর্মকর্তারা জানান, আফগান প্রদেশ বাদাখশানের কয়েকটি জেলায় যুদ্ধের পর 'জান বাঁচানোর' তাগিদেই এসব আফগান সৈন্য তাদের দেশে আশ্রয় নিয়েছে। আফগানিস্তানের এক-তৃতীয়াংশ এলাকা এখন তালেবানের দখলে, এবং প্রতিদিনই তারা নতুন নতুন জেলা সরকারি বাহিনীর হাত থেকে ছিনিয়ে নিচ্ছে।
আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলে তালেবাদের দাপট জোরালো হওয়ায় শত শত আফগান সৈন্য পালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু গতকাল রবিবার একদিনে সর্বাধিক সেনা সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার ঘটনা ঘটলো। যুক্তরাষ্ট্র বাগরাম বিমানঘাঁটি খালি করে দেওয়ার দুই দিন পর এই ঘটনা ঘটলো।
সৈন্যদের এভাবে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে তাজিকিস্তান যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও কতজন সৈন্য দেশটিতে পালিয়ে গেছেন তা নিশ্চিত করতে পারেনি মার্কিন সমর্থিত আফগানিস্তান সরকারের একজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা।
এদিকে আশংকা করা হচ্ছে, তালেবানের সাথে সরকারি বাহিনীর লড়াই যদি আরও তীব্র হয়, তাহলে শরণার্থীর ঢল সীমান্ত অতিক্রম করে আশেপাশের দেশে চলে যেতে পারে। আর মধ্য এশিয়ার দেশগুলো এখন থেকেই সেই পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ফাইল ছবি
মিয়ানমারে ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভে এ পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছে ৪৫৯ জন। আজ সোমবার রয়টার্স এ খবর প্রকাশ করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, শেষকৃত্য অনুষ্ঠানেও গুলি চালিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।
গত শনিবারই বিক্ষোভে প্রাণ হারান ১১৪ জন। এরপর রবিবার নিহতদের শেষকৃত্যে গুলির ঘটনা ঘটেছে। মিয়ানমারের নিরাপত্তা রক্ষী বাহিনী সামরিক অভ্যুত্থানের প্রতিবাদকারী এক ব্যক্তিকে হত্যা করে এবং দেড় বছরের একটি শিশুকেও গুলি করেছে।