a
ফাইল ছবি
ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সাবেক প্রধান ইয়োসি কোহেনের গোপন চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস হলো। তথ্য সূত্রে জানা যায়, এক ফ্লাইট অ্যাটেন্ডেন্টের সহিত অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন কোহেন। আর সেই সম্পর্কের সূত্র ধরে অনেক গোপন তথ্য ফাঁস করে ইয়োসি।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ওই ফ্লাইট অ্যাটেন্ডেন্টের স্বামী নিজেই। চ্যানেল থার্টিন নামে একটি ইসরায়েলি টিভি চ্যানেলের বরাতে এ খবর দিয়েছে টাইমস অব ইসরায়েল। গাই শিকার নামের ওই ব্যক্তি জানান, তার স্ত্রী কোহেনের সঙ্গে সম্পর্কের মাধ্যমে ইসরায়েলের অনেক গোপন তথ্য পাচার করেছে। অনেক গোপন তথ্য নিজের অবৈধ প্রেমিকাকে বলতেন কোহেন। আর তাদের এই অবৈধ সম্পর্ক শুরু হয় ২০১৮ সালের শেশের দিকে।
অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাবেক মোসাদ প্রধান কোহেন। তিনি বলেছেন, যা বলার এখতিয়ার তার ছিল না তেমন কোনো কিছুই কোথাও প্রকাশ করেননি। এদিকে কোহেনের এই তথ্য ফাঁসের পুরো অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি আগামী বৃহস্পতিবার প্রচার করবে চ্যানেল থার্টিন নামে এক গণমাধ্যম।
ওই ফ্লাইট অ্যাটেন্ডেন্টের স্বামী আরো জানিয়েছেন, মোসাদের নানাবিধ কর্মকাণ্ড, বিশ্বজুড়ে চালানো অপারেশন, নিজের ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়াসহ নানা স্পর্শকাতর তথ্য প্রকাশ করেন কোহেন।
ইসরায়েলের পুঁজিবাজারের পরিচিত মুখ গাই আরও বলেন, কোহেন তার স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক চালিয়ে যাওয়ার সময় ইরানের ওপর ইসরায়েলে নানা গোয়েন্দা কর্মকাণ্ড নিয়েও বিভিন্ন তথ্য ফাঁস করেছেন।
ইসরায়েল যে ইরানের নাতাঞ্জ পারমানবিক কেন্দ্রের ভূগর্ভে সেন্ট্রিফিউজ নিউক্লিয়ার ফ্যাসিলিটি ধ্বংস করে দেয় সে তথ্যও ফাঁস করে দেন কোহেন। এরপর তাকে মোসাদ প্রধানের পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে কোহেন মোসাদের দায়িত্ব নেওয়ার পর কখন কোন দেশ ভ্রমণ করেছেন সে তথ্যও পাচার করেছেন তিনি। এ নিয়ে একটি তদন্ত প্রতিবেদন হিব্রু ভাষায় প্রচার করবে ইসরায়েলি টেলিভিশন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা বলেছেন, ফিলিস্তিনিদের সাথে ইসরায়েলিদের যে আচরণ করছে তা বর্ণবাদী যুগের দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে মিল রয়েছে। ফ্রান্স ২৪ টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেছেন বলে জানায় আল জাজিরা।
রামাফোসা বলেন, ফিলিস্তিনিরা তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার চায়। তারা চায় তাদের নিজস্ব রাষ্ট্র। তারা তাদের নিজস্ব বিষয়গুলি পরিচালনা করতে এবং স্বাধীনতা অর্জন করতে সক্ষম হতে চায়। প্যালেস্টাইনিরা আর সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না।
তিনি আরো বলেন, ইসরায়েলিরা যেভাবে ফিলিস্তিনিদের অধিকার অস্বীকার করে আসছে, যেভাবে তারা ফিলিস্তিনিদের এলাকায় বোমাবাজি করে যাচ্ছে- তাতে একে সহজেই কেউ বর্ণবাদী রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করতে পারবে। ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলিরা কী আচরণ করছে তা বর্ণনা করার মতো আমার আর কোনও রেফারেন্স পয়েন্ট নেই।
অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট গাজায় দ্রুত যুদ্ধবিরতির পথে হাঁটার জন্য ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানালেও দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হামলা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেছে। যদিও দাবি করা হয় বাইডেন নেতানিয়াহুর ওপর চাপ প্রয়োগ করেছেন বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে হোয়াইট হাউজ।
এর আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ আন্তর্জাতিক প্রভাবশালী নেতৃবৃন্দ গাজায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু ইসরাইল হামাস নেতাদের হত্যার চেষ্টায় যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ ভেস্তে যাচ্ছে। গাজায় ইসরাইল হামলা অব্যাহত রেখেছে। শিশু, নারী, সাংবাদিকসহ ২২০ জন নিহত হয়েছেন। এদিকে ফিলিস্তিনি-ইসরায়েল প্রসঙ্গে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন একে অপরকে সমালোচনা করেছে। খবর বিবিসি ও আলজাজিরার
ফাইল ছবি
শরীরে অগ্ন্যাশয় যথাযথভাবে ইনসুলিন তৈরি করতে না পারলে অথবা শরীরে ইনসুলিনের সঠিক কাজ ব্যাহত হলে সেখানেই ডায়াবেটিস সৃষ্টি হয়। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ঘন ঘন প্রস্রাব হয়; অধিক তৃষ্ণা অনুভব করেন এবং বারবার মুখ শুকিয়ে যায়। আক্রান্ত ব্যক্তিরা দুর্বলতা অনুভব করেন, সার্বক্ষণিক ক্ষুধা, স্বল্পসময়ে দেহের ওজন হ্রাস, চোখে ঝাপসা দেখাসহ নানারকম সমস্যায় ভোগেন। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়ক কয়েকটি খাবার নীচে উল্লেখ করা হলো-
সবুজ চাঃ সবুজ চা মানুষের শরীরে ইনসুলিনের মতো কাজ করে; ডায়াবেটিস প্রতিরোধে এটি অন্যরকম সহায়ক হিসেবে কাজ করে।
ওয়াইল্ড স্যামনঃ ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য অন্যতম একটি ঔষধী খাদ্য ওয়াইল্ড স্যামন। এতে উচ্চমাত্রায় ওমেগা-৩ রয়েছে। ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি বড় উৎস এটি। ডায়াবেটিসের পাশাপাশি কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁঁকিও কমায় ওয়াইল্ড স্যামন।
মাছঃ গবেষণায় দেখা যায় মাছের ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা উন্নত করতে সহায়তা করে। এটি গ্লুকোজের ঘনত্ব কমিয়ে ডায়াবেটিস রোগের ঝুঁকি হ্রাস করে। এতে চর্বিহীন প্রোটিন রয়েছে।
টক দইঃ টক দই একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য। এতে চিনির পরিমাণ কম থাকে। এটি রক্তে চিনির পরিমাণ কমাতেও সাহায্য করে। এটি ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে থাকে।
ডিমের সাদা অংশঃ ডিম পেশি গঠনকারী খাদ্য। এতে উচ্চমানের প্রোটিন রয়েছে। ডিমের সাদা অংশে উচ্চমানের চর্বিহীন প্রোটিন ও কম মাত্রায় কার্বোহাইড্রেট রয়েছে, যা ২ ধরনের ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে।
লেবুঃ লেবু ও লেবুজাতীয় ফল ডায়াবেটিস প্রতিরোধে কাজ করে থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরে ভিটামিন সি'র অভাবে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি থাকে। তবে লেবুজাতীয় ফল খেলে ভিটামিন সি'র অভাব অনেকটা পূরণ হয়। জাম্বুরা, কমলা ও লেবু এসব ফল ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ইনসুলিনের মতো কাজ করে।
সবুজ শাকসবজিঃ সবুজ শাকসবজি ২ ধরনের ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমায়। পালং শাক, পাতাকপি, শালগম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লেটুসপাতা ইত্যাদি খাবারে ক্যালরি ও কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কম। গবেষণায় দেখা যায়, সবুজ শাকসবজি ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১৪ শতাংশ পর্যন্ত কমে। সূত্র:বিডি প্রতিদিন