a যুক্তরাজ্যে ড্রোন কারখানায় তালা ঝুলিয়ে ফিলিস্তিনে হামলার প্রতিবাদ
ঢাকা শুক্রবার, ৩ মাঘ ১৪৩২, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

যুক্তরাজ্যে ড্রোন কারখানায় তালা ঝুলিয়ে ফিলিস্তিনে হামলার প্রতিবাদ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ২০ মে, ২০২১, ০৪:৫৫
যুক্তরাজ্যে ড্রোন কারখানায় তালা ঝুলিয়ে ফিলিস্তিনে হামলার প্রতিবাদ

ফাইল ছবি

 

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় গত ১১ দিন ধরে চলা ইসরায়েলি বর্বরতার হামলায় এ পর্যন্ত কমপক্ষে ২২৭ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৬৪ জন শিশু ও ৩৮ জন নারী রয়েছেন। এ নিয়ে বিভিন্ন দেশের নিন্দা-প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে দখলদার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে।

এ কারণে ফিলিস্তিনিদের ওপর চলমান আগ্রাসনের প্রতিবাদে যুক্তরাজ্যে ইসরায়েলি মালিকানাধীন একটি ড্রোন কারখানায় তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলনকারীরা। 

কারখানাটির ছাদে অনেকেই প্রতিবাদ হিসেবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে। তাদের নামাতে স্থানীয় দমকল বাহিনী ডেকেছিল ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ, কিন্তু তারা জানিয়ে দিয়েছে, মানবিক কাজে নিয়োজিত এই বাহিনী ফিলিস্তিনপন্থীদের গায়ে হাত দিতে পারেন না।

আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করছে, নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর আক্রমণ চালাতে ব্যবহৃত ড্রোন ওই কারখানায় তৈরি করা হয়। এজন্য কারখানাটির প্রবেশদ্বারে তালা লাগিয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছে তারা। এতে সেখানকার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে বলেও দাবি তাদের। সূত্র : বিবিসি

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ইরাকের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সমস্ত মার্কিন সেনা প্রত্যাহারে রাজী ওয়াশিংটন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ০৮ এপ্রিল, ২০২১, ১০:১৩
ইরাকের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সমস্ত মার্কিন সেনা প্রত্যাহারে রাজী ওয়াশিংটন

ফাইল ছবি

ইরাকে অবস্থানরত মার্কিন সৈন্যদের প্রত্যাহারে অবশেষে বাধ্য হল আমেরিকা। এ বিষয়ে বাগদাদ ও ওয়াশিংটন দু’দেশের মধ্যে ঐকমত্যে পৌঁছেছে বলে জানানো হয়। বুধবার এক যৌথ বিবৃতির দ্বারা বাগদাদ ও ওয়াশিংটন তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরাকের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সমস্ত মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হবে। মার্কিন সরকার মনে করছে, ইরাকি সেনারা বর্তমানে যুদ্ধ করার সক্ষমতা অর্জন করেছে।

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সরকারের আমলে ইরাক ও আমেরিকার প্রথম কৌশলগত আলোচনার পর সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে সমঝোতা হয়।বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ইরাকে শুধুমাত্র অল্প কয়েকজন সেনা থাকবে যারা শুধু প্রশিক্ষণ দেবেন।

উল্লেখ্য, সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়ে ইরাক থেকে যুদ্ধক্ষেত্রের সমস্ত সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছিল কিন্তু ২০১৪ সালে ইরাকে উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের নামে আবারও আমেরিকান সেনা ইরাকে ফিরিয়ে আনা হয়।

ইরাকের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের পক্ষ থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের জন্য ব্যাপক আন্দোলন ও চাপ ছিল। বিশেষ করে গত বছরের জানুয়ারিতে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র কুদস ফোর্সের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে মার্কিন বাহিনী ইরাকের মাটিতে সন্ত্রাসী হামলায় শহীদ করার পর এই চাপ 
আরও তীব্র হতে থাকে। 

মার্কিন সৈন্যদের ইরাক ত্যাগের চাপ বাড়ার উল্লেখযোগ্য কারণ হচ্ছে মার্কিন সৈন্যদের সন্ত্রাসী হামলায় ইরাকের জনপ্রিয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হাশদ আশ-শাবির সেকেন্ড ইন-কমান্ড আবু মাহদি আল-মুহান্দিসও জেনারেল কাসেম সোলাইমানির সঙ্গে শহীদ হন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

মোহাম্মদের সমাধি প্রিন্স মাহমুদ


আরাফাত, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:৪৪
মোহাম্মদের সমাধি প্রিন্স মাহমুদ

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

মোহাম্মদের সমাধি
প্রিন্স মাহমুদ

যে স্বপন দেখিয়া ঘুম ভাঙ্গিল রজনী দ্বি-প্রহরে
তা’র বর্ণন করিবার আগে তওবা করি হাত ওঠায়ে বসিয়াছি বিছানার ওপরে
এলাহি কবুল করুন।
জান্নাতুল বাকীতে নাই বা যদি হয় মসজিদের ধারে
চিতায় না দিয়ে ঘুমা'তে দিয়েন বাসন্তীকে পাশের গোরে।
‘আল্লাহু-আকবার’ ডাক শুনি তা’রে লয়ে ওঠে
পরিতে পারি গো যেন আপনার চরণে লুটে।
দুনিয়ার জমিনের তলে
মোমেন মোমেনা যত ঘুমায়েছে পৃথিবীর আড়ালে
এই তওবা পৌঁছে দিন তা'দের তরে
আমার জনক জননীকে বিচার দিনে
আপনার হাবিবে সাফা নসিবে জুটায়ে দিয়েন জৌলুস আয়োজনে।
লা-ইলাহা ইল্লাললাহু মোহাম্মাদুর রাসূরুল্লাহ্ (স.)।।

উরুতে শুয়ে জিজ্ঞেস করিল মোহাম্মদ- মরণের পর
বলতে পার আয়েশা কোথা হবে আমার কবর?
হা প্রাণের স্বামী
কবরস্ত হবে কোথা তা জানি আমি।
বলিল মোহাম্মদ আনন্দে নাচি
"বল শুনি তুমি আমার অন্তর যাচি।"
ইয়া রাসূরুল্লাহ, মাতৃভূমি মক্কা মোয়াজ্জেমার উত্তরে
ঘুমায়ে রয়েছে খাদিজা জান্নাতুল মহল্লার তরে।
আমরা ন-জন নারী, সেবা করি
তাঁ'র গল্পই তবু তোমার প্রাণে জরি।
এ জন্যে আমার ধারনা
প্রথমা বিবির পাশ ছাড়া কোথাও ঘুমাইবে না।
আয়েশা! খাদিজার পাশে ঘুমা'ব, ঠিক করি নাই।
যদি অনুমতি দাও, আরেকটি জায়গার নাম বলতে চাই।
সম্মতি দিয়ে বলিল মোহাম্মদ- "এটা কোন স্থান?"
মদিনা থেকে মক্কা আসিবার পথে বাবলা বাগান
লাল বালির মরুভূমি'র আবয়া প্রান্তর
ঘুমায়ে রয়েছে বাবা-মা, কাল হতে কালান্তর।
ওনাদের পাশে
ঘুমাবে বলে পণ করেছ নিশ্চয়ই আশে আশে।
বলিল মোহাম্মদ- আয়শা! মরণের পর
ঠিক করি নাই হোক, বাবা-মা'র পাশে কবর।
আবার বলিল আয়শা- "ইয়া রাসূরুল্লা-হে
জান্নাতুল বাকীতে ঘুমা'বে বলতে পারি নিঃসন্দেহে।
তোমার স্বীয় হাতে গড়া মদিনার এই কবর স্থান
বানায়ে রাখিয়াছে আল্লা বেহেস্তের বাগান।
এই কবরে যা'রা ঘুমা'বে
আজাব বলতে কেয়ামত পর্যন্ত কিছু না বুঝবে।
স্বীয় হাতে দেয়া যখন দশ হাজার সাহাবীর কবর
বলতে পারি এই খানেই ঘুমাবে তুমি মরণের পর।
বলিল মোহাম্মদ- ওগো পূজারী মোর
ঠিক করি নাই হোক, জান্নাতুল বাকীতে গোর।
বুঝেছি, নাই বলিবে তুমি তোমার প্রশ্নের জবাবে
হার মেনে জিজ্ঞাসী প্রশ্নকরীকেই- "কোথা ঘুমাইবে?"
বলিল মোহাম্মদ- রয়েছি আজ যেথা যেই ভাবে শোয়ে
পশ্চিমে মাথা পূর্বে পা দক্ষিণে কাবায় মুখ ফিরে ঘুমায়ে
থাকতে চাই কেয়ামত পর্যন্ত যদি
মরণের পর দিবে কি তোমার ঘরে আমাকে সমাধি?
জবাবে বলিল আয়শা- ইয়া রাসুরুল্লাহে
তোমার কথা শুনে ভরে গেল হৃদয়, অক্ষয় উৎসাহে।
এই ঘরে! এইখানে, মরণের পর দিব তোমাকে কবর
মানুষ এসে ঘরটাও দেখে আমার সম্মান বাড়ায়ে চলিবে জনম ভর।

আজিকে সোম, মঙ্গল বুধ গিয়া বেলা আসর
গভীর ঘুমে ঘুমায়ে রয়েছে শেষ পয়গম্বর।
তিন দিন ধরি ঊনানে বসায়নি হাড়ি
দেখেনি চেয়ে শিশুরাও মায়ের বুকেরপুরী।
প্রিয় নবী প্রিয় নেতা নিয়াছে বিদায়
আঁধার পৃথিবী শোকে কাঁদে পিঠ লাগায়নি কেউ বিছানায়।
তলে তলে একে একে আসি পড়ে যানাজার নামায
ওয়াক্তের বেলায় নামিয়া আসিয়াছে সাঁঝ।
যায়নি শোনা বেলালের আযান ধ্বনির সুর
ইসলাম রবির আলো যাচ্ছে চলি দূর হতে দূর।
আরো সময় যায় যদি চলে ক্রমে ক্রমে
স্বীয় ধর্মের কথা যা'বে ভুলে এ জনমে।
রহিবে না আর কভু ধরিবার মত হাল
এই বিদায়ী-ই উড়ায়েছে ইসলাম রবির কিরণ-পাল।
হইবে না ঠিক আর রাখা মাটির ওপর
বিধাতার নিয়মেই দিতে হইবে কবর।
এই ভাবি সাহাবিগণ বসি এক সাথে
খাদিজার পাশে কেহ বলে মা-বাবা বা জান্নাতুল বাকীতে
প্রিয় নবী প্রিয় নেতাকে সমাহিত করিতে।
যত সব পরামর্শ, সিদ্ধান্ত বাক্য যায় গর্মিল জলে ভাসি
সবে মিলে বলিল শেষে, আয়েশার কাছে আসি
"প্রিয় নবী মরিবার পর
পৃথিবী আঁধারে ঢাকা, ভাঙ্গিয়াছে মক্কা মদিনার অধর।
আরো সময় যদি রাখি তাহাকে মাটির ওপরে
ইসলাম রবি নিভিয়া গিয়া চলিবে আর মোড়ে।
এই ভাবি কবরস্ত করিতে যত জায়গাই ঠিক করি
বৃথাই চলে জিজ্ঞাসী তাই- ‘পছন্দ রয়েছে না কি কোনো পুরী?’
জবাবে বলিল আয়শা- এই-খানে এক দিন রাসূল শোয়ে
বলিল- থাকতে চাই তোমার ঘরে ইহ জীবনের ঘুম ঘুমায়ে
তুমি নিবা না-কি বল আমার এ কথা কবুল করি?
জবাবে বলিলাম- আমার পরম ভাগ্য জনম জনম ধরি
তোমার কবর দেখিতে আসিয়া ঘরটাও দিখি দিখি
খোদার তরে আমার দাম বাড়ায়ে নিবে মানুষ ঠিকই।
 ইয়া রাসূরুল্লাহে
আমার ঘরে তোমাকে ঘুমাতে দিব বলিলাম উৎসাহে।
আয়েশার কথা শুনি সাহাবিগণ এক সাথে মিলি
স্বীয় পরামর্শ দিয়া দিল বলী।
অতপর সব ব্যথা বুকে সয়ে
কবর খুঁড়িল সবে মোহাম্মদের লাশ একটু খানি সরায়ে।
পশ্চিমে মাথা পূর্বে পা দক্ষিণে কাবার দিকে মুখ ফিরে
শেষ পয়গম্বরকে রাখি চলিয়া গেল সবে যার যার নীড়ে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক