a
ফাইল ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের একটি ভবনে আগুন লাগার ঘটনায় ৯ শিশুসহ ১৯ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় রবিবার সকালে ত্রুটিপূর্ণ স্পেস হিটার থেকে এ আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানা যায়। রয়টার্স
প্রতিবেদন বলছে, ভবনটির নিচতলার একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়। ধোঁয়ার কারণে আটকে পড়া বাসিন্দারা বাতাস চলাচলের জন্য জানালা ভেঙে, তোয়ালে ভিজিয়ে নিজেদের রক্ষার চেষ্টা করেন। এ সময় আহত বেশ কয়েকটি শিশুকে উদ্ধার করে অক্সিজেন দিতে দেখা যায়।
ফায়ার কমিশনার ড্যানিয়েল নিগ্রো জানান, কিছু লোক অতিরিক্ত ধোঁয়ার কারণে ভবন থেকে নামতে পারেননি। ৬০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন এবং ১৩ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে নিহতদের বেশির ভাগই ধোঁয়ায় শ্বাস নিতে না পারায় প্রাণ হারিয়েছেন।
মেয়র এরিক অ্যাডামস এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, দুর্ঘটনাস্থলের বেশির ভাগ বাসিন্দার আদি নিবাস পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়ার অধিবাসী। সূত্র: ইত্তেফাক
সংগৃহীত ছবি
সিরিয়ায় জঙ্গি তৎপরতা বন্ধে সহযোগিতার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে ইরান, তুরস্ক ও রাশিয়া।
বৃহস্পতিবার কাজাখস্তানের রাজধানী নুর সুলতানে ১৬তম দফার বৈঠকে সিরিয়ায় জঙ্গিবাদ নির্মূলে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিন দেশ। খবর-পার্সটুডের
বৈঠকে তারা বলেছেন, সিরিয়া থেকে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের শেকড় উপড়ে ফেলতে তারা বদ্ধপরিকর এবং এ লক্ষ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। সিরিয়া বিষয়ক প্রথম আলোচনা শুরুর সময় কাজাখস্তানের রাজধানীর নাম ছিল আস্তানা। পরবর্তীতে শহরটির নাম পরিবর্তন করে নুর সুলতান রাখা হয়। এ কারণে তিন দেশের এই আলোচনা প্রক্রিয়াটি এখনও 'আস্তানা আলোচনা' নামেই বেশি পরিচিত।
এই তিন দেশ প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে আরও বলেছে, সিরিয়ায় জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস বা দায়েশসহ অন্যান্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মূল উৎপাটন করতে হবে। এ কারণে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখা জরুরি।
বিবৃতিতে তিন দেশই সিরিয়ার ইদলিবে স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং সব চুক্তি পুরোপুরি বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়েছে। এসব দেশ সিরিয়ার ইউফ্রেটিস নদীর পূর্বাঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করার পরিকল্পনারও বিরোধিতা করেছে।
ইরান, রাশিয়া ও তুরস্ক ওই বিবৃতিতে আরও বলেছে, তারা সিরিয়ার তেলসহ কোনো সম্পদ লুট, বিক্রি ও স্থানান্তরের বিরোধী। সিরিয়ার সম্পদ কেউ নিতে পারবেনা।
সিরিয়ার ভূখণ্ডে ইসরায়েলি হামলা বন্ধের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বিবৃতিতে। এতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে সিরিয়ায় মাঝে মধ্যেই হামলা চালাচ্ছে দখলদার ইসরায়েল। এ ধরনের তৎপরতা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। চলতি ২০২১ সালের শেষের দিকে পরবর্তী দফা আস্তানা আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
বাইডেন ও নরেন্দ্র মোদী
ভারতে ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়ছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। এর মাঝে ব্যাহত হচ্ছে ভ্যাকসিন উৎপাদন। কাঁচামালের অভাবে দেশটির টিকা প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলো পর্যাপ্ত ভ্যাকসিনের ডোজ তৈরি করতে পারছে না। এমতাবস্থায় বিভিন্ন রাজ্যে দেখা দিয়েছে টিকার স্বল্পতা।
এই পরিস্থিতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারত আবেদন করেছিল যাতে করোনা টিকা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের রফতানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। তবে ভারতের আবেদন গ্রহণ না করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন প্রশাসন নিষেধাজ্ঞার পক্ষেই যুক্তি যেন।
এই বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের বক্তব্য, ভারতের ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতিতে ভ্যাকসিন উৎপাদনে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল বা ওষুধ কতটা জরুরি, তা বুঝতে পারলেও ডিপিএ অ্যাক্ট অনুযায়ী কিছু বিধিনিষেধ মানতে হয় মার্কিন সরকারকে। তাই আমেরিকান কোম্পানিগুলোকে দেশের অভ্যন্তরের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিতে হয়।
কয়েকদিন আগেই ভ্যাকসিনের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের জোগানের আবেদন জানিয়ে মার্কিন সরকারকে একটি টুইট করেন সেরাম ইনস্টিটউটের সিইও আদার পুনাওয়ালা। এরপরই আমেরিকায় ভারতের অ্যাম্বাসাডর তরণজিৎ সিং সান্ধু বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন, সেখানে ভারতে দ্রুত ওষুধ পাঠানোর ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানানো হয়।
এরপর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্তনি ব্লিনকেন আর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের মাঝে ফোনালাপে করোনাভাইরাস মহামারীর বর্তমান অবস্থা এবং তা মোকাবেলা করার বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এদিকে ইতোমধ্যেই বিশ্বজুড়ে ভ্যাকসিন উৎপাদন আর সরবরাহের জন্যে কোয়াড গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে। সেখানে ভারত-মার্কিন যৌথ উদ্যোগে আমেরকিায় তৈরি ভ্যাকসিন নোভাভ্যাক্স আর জনসন অ্যান্ড জনসন তৈরি করার কথা। আর সেই প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে।
এই বিষয়ে ওয়াশিংটনের বক্তব্য, ভারতের কথা মাথায় রয়েছে মার্কিন সরকারের। তবে সেখানে হোয়াইট হাউজ ওষুধ রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেনি। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস