a
ফাইল ছবি
গাজায় চলমান ইসরায়েলি হামলার বিরোধিতা করায় যুক্তরাষ্ট্রে ৫০০ ইহুদিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা ইসরায়েল বিরোধী বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছিল, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ইহুদিদের সংগঠন ‘জিউইশ ভয়েস ফর পিস’ এই বিভেক্ষের আয়োজন করে। খবর আল-জাজিরার।
গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, গাজায় অনবরত হামলার বিরুদ্ধে গত বুধবার মার্কিন কংগ্রেসের সামনে এক বিক্ষোভ আয়োজন করে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ইহুদিরা। তাদের পরনে ছিল যুদ্ধ বিরোধী টিশার্ট, যেখানে লেখা ‘নট ইন আওয়ার নেম’(আমাদের নামে নয়)।
মার্কিন কংগ্রেস ভবনের লবির মেঝেতে বসে পড়েন সংগঠনের শত শত সদস্য। হাতে ছিল যুদ্ধবিরতি লেখা সম্বলিত ব্যানার। তাদের দাবি, গাজায় নিরপরাধ ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি হামলা বন্ধ করতে হবে।
জিউইশ ভয়েস ফর পিস জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে যুদ্ধবিরোধী এক মিছিলে অংশ নিয়েছেন ১০ হাজার ইহুদি। আমরা কংগ্রেসে বসে আন্দোলন করেছি যেন যুক্তরাষ্ট্র ফিলিস্তিনিদের ওপর চলা ইসরায়েলি নিপীড়নের দিকে দৃষ্টি দেয়। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ফটো
পাকিস্তানের সংসদ থেকে চীনা ক্যামেরা উদ্ধার নিয়ে হৈ-চৈ শুরু হয়। পাকিস্তানের সংসদে তখন ভোট চলছিল। দেশটির সংসদের উপরের কক্ষে সিনেট চেয়ারম্যান নির্বাচন নিয়ে গত শুক্রবার (১১ মার্চ) সকাল থেকেই উত্তপ্ত ছিল সংসদের অধিবেশন। এক্ষেত্রে ভোটের প্রক্রিয়া চলছিল গোপনীয়তা রক্ষা করে।
খবরে জানা যায়, গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট প্রদান করছিলেন জনপ্রতিনিধিরা। হঠাৎ ভোট চলাকালে সিনেট হল থেকে উদ্ধার করা হয় চীনা গোপণ ক্যামেরা। হয়তোবা কোন চীনা স্পাই গোপন ক্যামেরার মাধ্যমে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়াটিকে মনিটরিং করে আসছিল বলে ধারণা করা হয়। ফলে ফের হট্টগোল শুরু হয়। ব্যাহত হয় ভোট প্রক্রিয়া।
সিনেটের চেয়ারম্যান ও ডেপুটি চেয়ারম্যান পদে গোপন ব্যালটে নির্বাচন চলছিল। সেখানে গোপন ক্যামেরার মাধ্যমে কে রেকর্ডিং করছিলেন তা জানা যায়নি। তবে পাকিস্তানের সংসদের মধ্যে চীনের স্পাই ক্যামেরা উদ্ধার হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ফাইল ফটো: সৌদির তেল স্থাপনা
সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরের পেট্রোলিয়াম ট্যাংকে ড্রোন হামলা এবং আরামকো তেল স্থাপনার ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথা নিশ্চিত করেছে রিয়াদ সরকার।
রবিবার এক বিবৃতিতে সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র স্বীকার করেছেন, সাগরের উপর দিয়ে উড়ে এসে একটি ড্রোন রাস তানুরা বন্দরের একটি পেট্রোলিয়াম ট্যাংকে হামলা করে। রাস তানুরা বন্দর হচ্ছে বিশ্বের তেল রপ্তানিকারক সবচেয়ে বড় বন্দর।
সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, দাহরান শহরে অবস্থিত আরামকো তেল স্থাপনার আশপাশে আবাসিক এলাকায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরো গিয়ে পড়ে। তবে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি ভূপাতিত করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এই হামলায় কোনো ব্যক্তি হতাহত সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানান।
এদিকে, সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তুর্কি আল-মালকি এক বিবৃতিতে বলেন, লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই হামলা দু'টি প্রতিহত করা হয়েছে। এই হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পরার সাথে সাথে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যায়।