a
সংগৃহীত ছবি
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের টিকা নিয়ে নতুন ঘোষণা দিল রাশিয়া। তাদের উদ্ভাবিত স্পুটনিক-ভি টিকার আরেকটি সংস্করণ এনেছে। এক ডোজের এই টিকার নাম দেওয়া হয়েছে স্পুটনিক লাইট। ৬ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার টিকাটির অনুমোদন দেয় রাশিয়া।
মস্কো বলছে, করোনা প্রতিরোধে এক ডোজের এই টিকা ৮০ শতাংশ কার্যকর। লড়াই করতে পারবে করোনার সব ভ্যারিয়েন্টের সঙ্গে। তবে স্পুটনিকের ২ ডোজ টিকার চেয়ে ১ ডোজের কার্যকারিতার কিছুটা ব্যবধান থাকবে।
রাশিয়ার টিকা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান গামালিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তৈরি স্পুটনিক লাইটের অর্থায়ন করেছে দেশটির ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড-আরডিআইএফ।
এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, দুই ডোজের টিকা স্পুটনিক ভি টিকা ৯১ দশমিক ৬ শতাংশ কার্যকার হলেও স্পুটনিক লাইট করোনা প্রতিরোধে ৮০ শতাংশ কার্যকর প্রমাণ পাওয়া গেছে। গত বছরের ৫ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত চলা পরীক্ষার মাধ্যমেই স্পুটনিকের এক ডোজকে অনুমোদন দিয়েছে মস্কো।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইতিমধ্যে জানিয়েছেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের চেয়ে আমাদের এ ভ্যাকসিন অনেক উন্নত। এই ভ্যাকসিন ব্যবহারে কোনও ঝুঁকি নেই। এটা শুধু আমাদের কথা নয়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিশেষজ্ঞরাও আমাদের ভ্যাকসিনের প্রশংসা করেছেন। বৈশ্বিক এই মহামারী মোকাবিলায় আমাদের ভ্যাকসিন সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।
ফাইল ছবি
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ইউক্রেনে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের হুমকিতে টনক নড়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ)। সংস্থাটির পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রধান জোপেস বোরেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বোরেল বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, এটা ভয়ংকর সময়। রাশিয়ার আংশিক সেনা সমাবেশের নির্দেশ এবং ইউক্রেনের চার অঞ্চলে গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তের পর বোরেল এসব কথা বলেন।
ইউক্রেনে খানিকটা অসুবিধায় আছে রাশিয়ার সেনাবাহিনী। বোরেল বলেন, ‘হঠাৎ করেই এই ভয়ংকর মুহূর্ত এসে গেছে, কারণ রাশিয়ার সেনাবাহিনী কোণঠাসা এবং পুতিন পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের হুমকি দিয়েছেন।’
চলতি সপ্তাহে এক ভাষণে পুতিন হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, প্রয়োজনে ইউক্রেনে রাশিয়ার হাতে থাকা সব ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করা হবে। আর বিষয়টির গুরুত্ব বোঝাতে তিনি বলেছেন, তিনি এ বিষয়ে মোটেও তামাশা করছেন না। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
ইরাকে অবস্থানরত মার্কিন সৈন্যদের প্রত্যাহারে অবশেষে বাধ্য হল আমেরিকা। এ বিষয়ে বাগদাদ ও ওয়াশিংটন দু’দেশের মধ্যে ঐকমত্যে পৌঁছেছে বলে জানানো হয়। বুধবার এক যৌথ বিবৃতির দ্বারা বাগদাদ ও ওয়াশিংটন তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরাকের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সমস্ত মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হবে। মার্কিন সরকার মনে করছে, ইরাকি সেনারা বর্তমানে যুদ্ধ করার সক্ষমতা অর্জন করেছে।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সরকারের আমলে ইরাক ও আমেরিকার প্রথম কৌশলগত আলোচনার পর সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে সমঝোতা হয়।বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ইরাকে শুধুমাত্র অল্প কয়েকজন সেনা থাকবে যারা শুধু প্রশিক্ষণ দেবেন।
উল্লেখ্য, সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়ে ইরাক থেকে যুদ্ধক্ষেত্রের সমস্ত সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছিল কিন্তু ২০১৪ সালে ইরাকে উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের নামে আবারও আমেরিকান সেনা ইরাকে ফিরিয়ে আনা হয়।
ইরাকের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের পক্ষ থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের জন্য ব্যাপক আন্দোলন ও চাপ ছিল। বিশেষ করে গত বছরের জানুয়ারিতে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র কুদস ফোর্সের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে মার্কিন বাহিনী ইরাকের মাটিতে সন্ত্রাসী হামলায় শহীদ করার পর এই চাপ
আরও তীব্র হতে থাকে।
মার্কিন সৈন্যদের ইরাক ত্যাগের চাপ বাড়ার উল্লেখযোগ্য কারণ হচ্ছে মার্কিন সৈন্যদের সন্ত্রাসী হামলায় ইরাকের জনপ্রিয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হাশদ আশ-শাবির সেকেন্ড ইন-কমান্ড আবু মাহদি আল-মুহান্দিসও জেনারেল কাসেম সোলাইমানির সঙ্গে শহীদ হন।