a
ফাইল ছবি
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইগোর কোনাসেনকোভ শুক্রবার দাবি করেছেন রাশিয়ার সেনারা ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় জ্বালানি ডিপোটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে উড়িয়ে দিয়েছে।
রাজধানী কিয়েভের কাছে অবস্থিত কালইয়ানকোভা ডিপোতে এ হামলা চালানো হয়। এই ডিপোর জ্বালানি ব্যবহার করে আসছে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী। জ্বালানি ডিপোটি উড়িয়ে দেওয়ার ব্যাপারে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইগোর কোনাসেনকোভ বলেন, ২৪ মার্চ সমুদ্র থেকে কালিবার ক্রুস ক্ষেপণাস্ত্র কালইয়ানকোভা ফুয়েল ডিপোতে আঘাত করা হয়।
তিনি আরও বলেন,বর্তমানে ইউক্রেনে যে কটি জ্বালানির ডিপো রয়েছে, তার মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় ডিপো ছিল। এই ডিপো থেকে ইউক্রেনের কেন্দ্রীয় অংশে থাকা সেনাদের ফুয়েল সরবরাহ করা হত। রাশিয়ার করা হামলায় ডিপোটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়।
রাশিয়ার দাবি যদি সত্যি হয় তাহলে এটি ইউক্রেনের জন্য বড় ধরনের ধাক্কা বলে বিশেজ্ঞরা মনে করেন। কারণ রাজধানী কিয়েভের কাছে অবস্থান করা সেনারাই রাজধানীকে এখনো অক্ষত রেখেছেন।
ডিপোটি ধ্বংস হওয়ার পর যদি তারা জ্বালানির সংকেট পড়ে, তাহলে রুশদের আক্রমণ প্রতিহত করা কঠিন হয়ে পড়বে। সূত্র: সিএনএন
ফাইল ছবি
পরমাণু সমঝোতা নিয়ে যৌথ কমিশনের ভার্চুুয়াল বৈঠকে যোগ দেন ইরানের অন্যতম আলোচক সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি। ইরান ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে, আমেরিকা যেমন কোনও রকমের আলোচনা ছাড়াই ২০১৮ সালে তেহরানের বিরুদ্ধে অবৈধ ও একতরফা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল, তেমনি আলোচনা ছাড়াই তা প্রত্যাহার করতে হবে। নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণ প্রত্যাহার ছাড়া আমেরিকার সঙ্গে ইরানের কোনও আলোচনা হবে না।
পরমাণু সমঝোতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র ইরানের স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল প্রেস টিভিকে শুক্রবার এসব তথ্য জানিয়েছে। ওই সূত্র জানায়, পরমাণু সমঝোতা থেকে বের হয়ে আমেরিকা ইরানের বিরুদ্ধে যতগুলো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তার সবগুলো প্রত্যাহার করতে হবে। এর ব্যতিক্রম হলে ইরান আমেরিকার সঙ্গে কোনও আলোচনায় বসবে না।
ওই সূত্র প্রেস টিভিকে আরও জানায়, ইরানের ওপর থেকে সমস্ত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর ইরানি কর্মকর্তারা তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখার পরই শুধুমাত্র তেহরান পরমাণু সমঝোতার সমস্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করবে। যা গত ৮ জানুয়ারি সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী দিক-নির্দেশনা দিয়েছিলেন তার আলোকেই সবকিছু হতে হবে।
সূত্র আরও জানায়, পরমাণু সমঝোতা বাস্তবায়ন বিষয়ক যৌথ কমিশন ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের যে ধারণা দিয়েছে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। বরং সর্বোচ্চ নেতার দিক-নির্দেশনা অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।
সংগৃহিত ছবি
ব্যাপক বৃষ্টিপাতের কারণে তুরস্কের কৃষ্ণ সাগরীয় প্রদেশগুলোতে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। গত বুধবার তুরস্কের উত্তরাঞ্চলে আকস্মিক এ বন্যার কারণে ৯ ব্যক্তি নিহত ও ১৩ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া এক বয়স্ক নারী নিখোঁজ আছেন। তুর্কি সরকারের পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
হঠাৎ সৃষ্ট এ বন্যায় তিনটি শহর তলিয়ে গেছে। সেখান থেকে ৬০০ এর অধিক মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে কাজ করে যাচ্ছে নিরাপত্তাকর্মীরা। উদ্ধার অভিযানে নিয়োজিত আছে প্রায় ৫০০ জন উদ্ধারকারী তারা ২০ টি হ্যালিকপ্টার দিয়ে উদ্ধার কাজ চলমান রেখেছেন।
তুরস্কের কাস্টামোনু প্রদেশের কাতালজাইটিন জেলায় বন্যার ফলে ভূমিধস হওয়ার কারণে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ওই জেলার নগর কর্তৃপক্ষ। তুরস্কের সামরিক পুলিশ, কোস্টগার্ড আর দুর্যোগ ও জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এএফএডি) ওই অঞ্চলের সাধারণ বাসিন্দাদের নিয়ে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ইসমাইল কাটাকলি জানিয়েছেন, তুরস্কের আনটালিয়া প্রদেশের কুমলুচা জেলায় বন্যা ও ভূমিধসের কারণে আরো এক ব্যক্তি নিখোঁজ আছেন। বার্তিন প্রদেশে ব্ন্যার কারণে ঘর-বাড়ি আর বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে, অনেক যানবাহন পানিতে ভেসে গেছে। এছাড়া এ প্রদেশটিতে বন্যার প্রবল স্রোতে গণপরিবহন উল্টে গিয়ে ১৩ ব্যক্তি আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আহতদেরকে নিকটস্থ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
তুরস্কের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ আরো জানিয়েছে যে উলুস জেলার বেশ কয়েকটি গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ আছে। সিনোপ প্রদেশের আয়ানচিক জেলায় একটি সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগীদের অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এ বন্যার মধ্যেই আয়ানচিক জেলার ১৯ ব্যক্তিকে তাদের বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে তুর্কি কোস্ট গার্ড। সূত্রঃ আনাদোলু এজেন্সি