a
ফাইল ছবি
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইগোর কোনাসেনকোভ শুক্রবার দাবি করেছেন রাশিয়ার সেনারা ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় জ্বালানি ডিপোটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে উড়িয়ে দিয়েছে।
রাজধানী কিয়েভের কাছে অবস্থিত কালইয়ানকোভা ডিপোতে এ হামলা চালানো হয়। এই ডিপোর জ্বালানি ব্যবহার করে আসছে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী। জ্বালানি ডিপোটি উড়িয়ে দেওয়ার ব্যাপারে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইগোর কোনাসেনকোভ বলেন, ২৪ মার্চ সমুদ্র থেকে কালিবার ক্রুস ক্ষেপণাস্ত্র কালইয়ানকোভা ফুয়েল ডিপোতে আঘাত করা হয়।
তিনি আরও বলেন,বর্তমানে ইউক্রেনে যে কটি জ্বালানির ডিপো রয়েছে, তার মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় ডিপো ছিল। এই ডিপো থেকে ইউক্রেনের কেন্দ্রীয় অংশে থাকা সেনাদের ফুয়েল সরবরাহ করা হত। রাশিয়ার করা হামলায় ডিপোটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়।
রাশিয়ার দাবি যদি সত্যি হয় তাহলে এটি ইউক্রেনের জন্য বড় ধরনের ধাক্কা বলে বিশেজ্ঞরা মনে করেন। কারণ রাজধানী কিয়েভের কাছে অবস্থান করা সেনারাই রাজধানীকে এখনো অক্ষত রেখেছেন।
ডিপোটি ধ্বংস হওয়ার পর যদি তারা জ্বালানির সংকেট পড়ে, তাহলে রুশদের আক্রমণ প্রতিহত করা কঠিন হয়ে পড়বে। সূত্র: সিএনএন
ফাইল ছবি
শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের সরকারি ভবনে আলমারির দরজা খুলতেই চোখে পড়ল সিঁড়ি। ধাপে ধাপে সেই সিঁড়ি নেমে গেছে অনেক নিচে। সিঁড়ি ধরে নামলে থেমে যেতে হবে এক লোহার দরজার সামনে। সম্ভবত ওই দরজার ওপারে রয়েছে সুড়ঙ্গ। সেই সুড়ঙ্গ দিয়েই কি তবে পালিয়ে গিয়েছেন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে?
শনিবার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনে ঢুকে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। দাবি, পদত্যাগ করতে হবে গোতাবায়াকে। তার পর থেকেই প্রেসিডেন্টের বাসভবন তছনছ করছেন বিক্ষোভকারীরা। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, কখনো সুইমিং পুলে স্নান করছেন তারা। কখনো সরকারি ভবনের রান্নাঘরে খাওয়া-দাওয়া করছেন। অন্য একটি ভিডিওতে দেখা গেল, প্রেসিডেন্টের পালঙ্কে শুয়ে রয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। তুলছেন ছবিও।
সরকারি বাসভবন খানাতল্লাশির সময়ই বিক্ষোভকারীরা খুলে ফেলেন নকল ওই আলমারির দরজা। তার পরেই তাদের চোখে পড়ে সেই সিঁড়ি। শনিবার দুপুরে প্রেসিডেন্টের বাড়িতে বিক্ষোভকারীদের জোর করে ঢুকে পড়ার কিছুক্ষণ আগেই সেখান থেকে পালিয়ে যান গোতাবায়া। মনে করা হচ্ছে, ওই সুড়ঙ্গ দিয়েই পালিয়ে গিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, শনিবার প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহের ব্যক্তিগত বাড়িতেও আগুন দেন বিক্ষোভকারীরা। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা
ফাইল ছবি
তথ্য সচিব মো. মকবুল হোসেনকে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো নিয়ে আলোচনার মধ্যেই এবার পুলিশ সুপার (এসপি) পদমর্যাদার তিন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দিল সরকার।
গতকাল মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
এই তিন পুলিশ কর্মকর্তা হলেন—পুলিশ সদর দপ্তরের পুলিশ সুপার (টিআর) মুহাম্মদ শহীদুল্ল্যাহ চৌধুরী, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পুলিশ সুপার মো. দেলোয়ার হোসেন মিঞা এবং মীর্জা আবদুল্লাহেল বাকী। তাদের মধ্যে ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে মুহাম্মদ শহীদুল্ল্যাহ চৌধুরী পিপিএম এবং মীর্জা আবদুল্লাহেল বাকী পিপিএম (সেবা) পদকপ্রাপ্ত।
জানা গেছে, বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া এই তিন পুলিশ কর্মকর্তার মধ্যে মুহাম্মদ শহীদুল্ল্যাহ চৌধুরী ও দেলোয়ার হোসেন মিঞা বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ১২তম ব্যাচের। বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা মীর্জা আবদুল্লাহেল বাকী।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি ২০১৮ (২০১৮ সালের ৫৭ নম্বর আইন) এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে তাদেরকে সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হলো। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ কার্যকর হবে। তবে এই তিন কর্মকর্তা বিধি মোতাবেক অবসরজনিত সব সুযোগ-সুবিধা পাবেন কি না প্রজ্ঞাপনে সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। এর আগে গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ ওমর ফারুককে বাধ্যতামূলক অবসর দিয়েছিল সরকার। সূত্র: ইত্তেফাক