a
ফাইল ছবি
মুসলিম দেশগুলোর সহিত সম্পর্ক বহুমুখীকরণ করতে দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ।
বুধবার রাশিয়া এবং মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তৃতায় ল্যাভরভ এই আহ্বান জানান। রাশিয়া এবং মুসলিম বিশ্বের মধ্যে এটি হচ্ছে দ্বাদশ সম্মেলন। রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় কাজান শহরে সম্মেলনটি শুরু হয়েছে।
রাশিয়া এবং মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ব্যাপকভিত্তিক সহযোগিতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
আজ শুক্রবার সম্মেলন শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এতে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সদস্য দেশগুলো অংশ নিচ্ছে।
সম্মেলনে দেওয়া বক্তৃতায় ল্যাভরভ বলেন, “মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, অংশীদারিত্ব এবং আন্তঃধর্মীয় ও আন্ত সভ্যতার সংলাপ, জাতিসংঘ সনদের লক্ষ্য ও আদর্শ সামনে রেখে আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা রক্ষার প্রতিশ্রুতির ভিত্তির ওপর রাশিয়ার এই সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত। এ কারণে আমরা ঘনিষ্ঠভাবে এবং সফলতার সাথে মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে নানামুখী যে সম্পর্ক রক্ষা করে চলেছি তা ন্যায় সঙ্গত।”
এই সম্মেলনে দেওয়া বক্তৃতায় রাশিয়ার তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-পরিচালক আলেকজান্ডার বিকান্তভ বলেন, তার দেশ এবং মুসলিম বিশ্বের ওপর পশ্চিমা দেশগুলো অব্যাহতভাবে গোয়েন্দা যুদ্ধ চালিয়ে আসছে। পশ্চিমাদের এই শত্রুতা মোকাবেলার জন্য রাশিয়া এবং মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ফাইল ছবি । নেহানিয়াহু
ফিলিস্তিনিদের বিপক্ষে ১১ দিনের যুদ্ধে ভয়াবহ রকেট হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছিল ইসরায়েল বাহিনী। ইহুদিবাদী দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ফিলিস্তিনিদের সাথে যুদ্ধ শুরু হলে হামাসের ভয়াবহ রকেট ঠেকাতে না পেরে শেষে যুদ্ধবিরতির জন্য আমেরিকার কাছে ধর্না দিয়েছিলেন বলে সংবাদ মাধ্যম ইয়েদিয়োথ অহরোনথ এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
জানা গেছে, ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস এবং ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের ভয়াবহ রকেট হামলার মুখে যুদ্ধের ১১তম দিনে নিরুপায় হয়ে আমেরিকার মধ্যস্থতার জন্য জোর তৎপরতা চালায় ইসরায়েল।
ইসরায়েলের যুদ্ধের বিষয়ে যা ধারণা করেছিল, এক্ষেত্রে বাস্তবতা ছিল তার সম্পূর্ণ বিপরীত। তাই ইসরায়েল এই যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য আমেরিকার দ্বারা সব ধরণের প্রচেষ্টা চালিয়েছিল।
পত্রিকাটির তথ্য অনুসারে, ইসরায়েল জো বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির জন্য বারবার যোগাযোগ করেছে, যাতে আমেরিকা মিশর এবং আরো কয়েকটি দেশের উপর চাপ সৃষ্টি করে যুদ্ধবিরতির ব্যবস্থা করে। তবে লক্ষ্যনীয় যে, সেসময় কোন এক রহস্যে জো বাইডেন প্রশাসন এ ব্যাপারে তেমন একটা আগ্রহ দেখাননি। সূত্র: পার্সটুডে
ফাইল ছবি
ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ নিয়ে ইসরায়েলকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া। দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেছেন, ইউক্রেনে ইসরায়েলের অস্ত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত হবে ‘বেপরোয়া’।
দিমিত্রি মেদভেদেভ বর্তমান রাশিয়ার নিরাপত্তা কাউন্সিলের উপ প্রধানের দায়িত্বে আছেন। ইউক্রেন ইস্যুতে বিভিন্ন মন্তব্য করে বেশ আলোচনায় আছেন তিনি।
সোমবার এক টেলিগ্রাম বার্তায় দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেন, ‘মনে হচ্ছে ইসরায়েল ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহের পরিকল্পনা করছে। এই সিদ্ধান্ত ‘খুবই অপরিণামদর্শী’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটা রাশিয়া-ইসরায়েলের মধ্যে সকল আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক নষ্ট করে দিবে।’
এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম সিএনএন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে যোগাযোগ করে। কিন্তু মেদভেদেভের মন্তব্য নিয়ে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
উল্লেখ্য, ইসরায়েলের প্রবাসী (ডায়াস্পোরা) বিষয়ক মন্ত্রী ন্যাসম্যান শাই রবিবার এক টুইটবার্তায় ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা পাঠানোর পক্ষে কথা বলেন।
ইসরায়েলের এই মন্ত্রী টুইটারে লেখেন, ইরান রাশিয়ায় ব্যালেস্টিক মিসাইল পাঠাচ্ছে এমন খবর বের হয়েছে। সুতরাং এই রক্তাক্ত সংঘাতে ইসরায়েলের কোথায় অবস্থান নেওয়া উচিত, তা নিয়ে আর কোনো সন্দেহ নেই। ন্যাটো এবং যুক্তরাষ্ট্রের মতো ইসরায়েলের কাছ থেকেও ইউক্রেনের অস্ত্র নেওয়ার সময় এসেছে।’ ইউক্রেন যুদ্ধে ইসরায়েল রাশিয়ার নিন্দা জানালেও কিয়েভকে এখন পর্যন্ত অস্ত্র দেয়নি। সূত্র: বিডি প্রতিদিন