a রেকর্ড পরিমাণ কর দিতে যাচ্ছে স্যামসাং পরিবার
ঢাকা মঙ্গলবার, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৭ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

রেকর্ড পরিমাণ কর দিতে যাচ্ছে স্যামসাং পরিবার


হানিফ, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
মঙ্গলবার, ০৪ মে, ২০২১, ০৪:৪৩
রেকর্ড পরিমাণ কর দিতে যাচ্ছে স্যামসাং পরিবার

ফাইল ছবি

বিশ্বের অন্যতম সেরা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্যামসাং। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রযুক্তি পণ্যের জন্য শিরোনামে আসলেও এবার ভিন্ন এক কারনে আলোচনায় আসলো এই জায়ান্ট কোম্পানি। দক্ষিণ কোরিয়ার নিয়মানুসারে তাদেরকে  উত্তরাধিকার কর দিতে হবে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠান স্যামসাং ইলেকট্রনিকসের চেয়ারম্যান লি কুন-হির পরিবারের। 

এই কর দেওয়া হলে তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল রেকর্ড তৈরি করবে। কারণ তাদের করের পরিমাণ ১২ ট্রিলিয়ন ওন (দক্ষিণ কোরিয়ার মুদ্রা) বা ১০ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ ৮৪ হাজার ২৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা! ব্রিটিশ গণ্যমাধ্যম বিবিসি'র সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ কোরিয়ার নিজস্ব নিয়ামানুসারে উত্তরাধিকার কর অনেক বেশি। মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীদের তার সম্পদের ওপর প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ হারে কর দিতে হয়। এই রকম করের নিয়ম সবচেয়ে বেশি জাপানে, এরপরেই আছে দক্ষিণ কোরিয়া। 

গত বছরের ২৫ অক্টোবর স্যামসাংয়ের চেয়ারম্যান লি কুন-হির মৃত্যু হয়। যিনি ছিলেন স্যামসাংয়ের প্রতিষ্ঠাতা লি বিয়ং-চুলের সন্তান।  পিতার ছোট্ট ব্যবসাকে লি কুন-হি শুধু নিজ দেশেই সীমাবদ্ধ রাখেননি,বরং তিনি কঠোর পরিশ্রম আর সাধনা করে বিশ্বেরই একটি শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান  হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। এক বিবৃতিতে স্যামসাং নিশ্চিত করে এই অর্থ শুধুমাত্র  দক্ষিণ কোরিয়াই নয় যা বিশ্বে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ উত্তরাধিকার কর। 

বিবিসি বলছে, পাঁচ বছর সময় নিয়ে মোট ছয় কিস্তির মাধ্যমে স্যামসাং পরিবার এই বিশাল অঙ্কের কর পরিশোধ করবে। সূত্র : বিবিসি

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বক্তব্য-পাল্টা বক্তব্যে ইউক্রেন ধ্বংস হচ্ছে, তামাশা দেখছেন বিশ্ববাসী!


খোরশেদ, আন্তর্জাতিক সংবাদ:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২১ মার্চ, ২০২২, ০১:০৪
বক্তব্য-পাল্টা বক্তব্যে ইউক্রেন ধ্বংস হচ্ছে, তামাশা দেখছেন বিশ্ববাসী

ফাইল ছবি

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালিয়ে আসছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পরাশক্তি রাশিয়া। ইতোমধ্যে ইউক্রেনের অধিকাংশ নগরী, সামরিক স্থাপনা ধ্বংস ও দখলে নিয়েছে রুশ সৈন্যরা। এতে করে দেশটির বিভিন্ন জায়গায় সামরিক-বেসামরিক হতাহত হয়েছে অনেক।

রাশিয়ার দাবি ইউক্রেনে তাদের সামরিক অভিযানের অর্থ যুদ্ধ নয়। তারা দাবি করছে, বিশ্বব্যাপী একটি সম্ভাব্য যুদ্ধ এড়াতে এই অভিযান। মি. পুতিন আরও বলেন, ইউক্রেনকে নাৎসিমুক্ত করা, দেশটির নিরস্ত্রিকরণ ও ন্যাটো জোটে ইউক্রেনের অন্তর্ভুক্তি প্রতিহত করাই এই অভিযানের লক্ষ্য।

ইউক্রেনে সামরিক অভিযানে এই প্রথমবারের মতো রাশিয়া শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি গতিসম্পন্ন হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। এটি গত শুক্রবার পশ্চিম ইউক্রেনের বড় ধরনের ভূগর্ভস্থ অস্ত্রের গুদাম বরাবর আঘাত হানে এবং আঘাতে পুরো গুদামটি ধ্বংস হয়ে যায়।

এরপর গত রবিবার রুশ বাহিনীর হামলায় ইউক্রেনের বন্দরনগরী মারিউপলে অবস্থিত ইউরোপের বৃহত্তম স্টিল প্ল্যান্ট আজোভস্তল ‘ধ্বংস’ হয়ে গেছে বলে সেখানকার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ইউক্রেনের সংসদ সদস্য লেসিয়া ভ্যাসিলেঙ্কো টুইটারে লিখেছেন, ইউরোপের সবচেয়ে বড় স্টিল প্ল্যান্ট ধ্বংস হয়ে গেছে। এতে ইউক্রেনের অর্থনীতির বিশাল ক্ষতি বয়ে আনবে।

অপরদিকে, ইউক্রেনের সেনাবাহিনী জানিয়েছে তাদের পাল্টা হামলায় গত তিন সপ্তাহে ১৪ হাজার ৪০০ রাশিয়ান সেনা নিহত হয়েছে। জেনারেলসহ উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাও এর মধ্যে রয়েছেন। এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির  জেলেনস্কি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে খুব তাড়াতাড়ি আলোচনা-বৈঠকের তাগিদ দিয়ে বলেছেন, ‘এখনই সময় আলোচনার’। সূত্র : বিবিসি, রয়টার্স, ইন্টারফ্যাক্স, সিএনএন, দ্য গার্ডিয়ান।

জেলেনস্কি মাঝে মাঝে পরাশক্তি রাষ্ট্রপ্রধানের ন্যায় হুঙ্কার ছাড়ছেন এবং পশ্চিমা বড় বড় শক্তিধর দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা যা বলেন না, তিনি তাই বলে যাচ্ছেন এবং মাঝে মধ্যে মানবিক মায়া কান্নাও কেটে বিশ্ব বিবেককে জাগ্রত করার চেষ্টা করছেন। বর্তমানে তিনি বলছেন, আলোচনার এটাই সময় : ‘অবিলম্বে’ মস্কোর সঙ্গে অর্থবহ শান্তি ও নিরাপত্তা আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

গত ১৯ মার্চ, শনিবার  জেলেনস্কি বলেন, আগ্রাসন চালিয়ে রাশিয়ার করা ‘ভুলের’ ক্ষয়ক্ষতি সীমিত রাখার এটাই একমাত্র সুযোগ। প্রতিদিনের মতো দেওয়া রাত্রিকালীন ভাষণে জেলেনস্কি বলেন, ‘নিজেদের ভুলের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য রাশিয়ার কাছে এটাই একমাত্র সুযোগ, এটাই সাক্ষাতের সময়, আলোচনার সময়, এটাই ইউক্রেনের ন্যায়বিচার ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা পুনর্বহালের সময়।’ মস্কোকে সতর্ক করে জেলেনস্কি আারও বলেন, ‘অন্যথায় রাশিয়ার এমন ক্ষয়ক্ষতি হবে, তা কাটিয়ে উঠতে আপনাদের কয়েক প্রজন্মের প্রয়োজন পড়বে।’

রুশ নাগরিকদের উদ্দেশে জেলেনস্কি বলেন, ‘কেবল কল্পনা করুন মস্কোর স্টেডিয়ামে পড়ে আছে ১৪ হাজার মৃতদেহ এবং হাজার হাজার আহত ও অঙ্গহানির শিকার হওয়া মানুষ। এই আগ্রাসনে ইতোমধ্যে রাশিয়ার বহু হতাহত হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘এটাই যুদ্ধের মূল্য। তিন সপ্তাহের সামান্য কিছু বেশি সময়ে। এই যুদ্ধ অবশ্যই থামাতে হবে।’

উল্লেখ্য, রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের পর ইউরোপ, আমেরিকা ও ন্যাটোসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ইউক্রেন সামরিক সাহায্যের আবেদন করলেও কোন দেশ রাশিয়ার বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণে সাহস দেখায়নি। ন্যাটো, ইউরোপ, আমেরিকাসহ প্রতিটি দেশ তাদের সৈন্যদের যুদ্ধক্ষেত্রে না পাঠিয়ে, নিরাপদ অবস্থান থেকে কৌশলে তারা ইউক্রেনকে মারণাস্ত্র দিয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যু্দ্ধ করতে প্রকারন্তরে ইউক্রেনকে উৎসাহ দিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করছে।

আবার আমেরিকাসহ কিছু দেশের অস্ত্র যখন ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী রাশিয়া বাহিনীর বিরুদ্ধে ভাল প্রতিরোধ গড়ছে, তখন সেসব দেশের অস্ত্র ব্যবসায়ীরা রাতে রাতে ইউরোপসহ উন্নত দেশগুলোতে ধুঁয়া তুলছে প্রতিটি দেশকে নিরাপদ রাখতে আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম মজুদ করার এখনই উপযুক্ত সময়! তাই বিশ্বের নজর যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ময়দানে, এই সুযোগে অস্ত্র রফতানীকারক দেশগুলো ভিতরে ভিতরে অস্ত্র ব্যবসায়ে তৎপর।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সৈন্য, যুদ্ধ-বিমান, নো-ফ্লাই জোনসহ নানাবিধ সাহায্য চেয়ে বার বার বিফল হয়েছে। ইউরোপসহ, আমেকিার রাষ্ট্র প্রধানরা জানিয়ে দিয়েছেন রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনে সৈন্য বা সামরিক বিমান পাঠালে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের রূপ নিতে পারে বলে নিজেদের নিরাপদে রাখার চেষ্টা করেছে। ফ্রান্স, জার্মান, ইসরায়েল, ভারতসহ অনেক দেশ আমেরিকার কূটনৈতিক চাল থেকে নিজেদের কৌশলগত স্বতন্ত্র অবস্থানে রাখার চেষ্টা করে আসছে এবং তারা পরোপক্ষভাবে পুতিনের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে নিজেদের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে চিহ্নিত করছেন।

এদিকে ইউক্রেন সংকটের ঘটনাপ্রবাহ অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করছে পশ্চিমাঘেষা সোস্যাল মিডিয়া।এক্ষেত্রে ইউক্রেন সংকটের শুরু থেকেই আলোচিত সোস্যাল মিডিয়ার ভূমিকা। বিশ্বে এর আগে কখনও কোনো যুদ্ধ কিংবা লড়াইয়ের ঘটনাপ্রবাহ সামাজিক মাধ্যমে এভাবে সরাসরি ও তাৎক্ষণিকভাবে নাক গলায়নি বা বাগাড়ম্বর সংবাদ পরিবেশন করেনি। বর্তমানে যুদ্ধের ঘটনাপ্রবাহও যেন ঠিক করে দিচ্ছে সামাজিক মাধ্যমগুলো।

পাশাপাশি যুদ্ধের ব্যাপারে পশ্চিমা বিশ্বের নীতি নির্ধারকদের প্রতি করণীয় ঠিক করার ব্যাপারে চাপ তৈরি হচ্ছে সামাজিক মাধ্যম থেকেই। সিরিয়া যুদ্ধে এই প্রবণতা দেখা গেলেও, ইউক্রেন সংকটে তা যেন ব্যাপকহারে পরিলক্ষিত হচ্ছে।

পাশাপাশি সোস্যাল মিডিয়ায় তৈরি হওয়া এ জনমতের চাপ তার কতটুকু আসল আর কতটুকু কৃত্রিম, সে প্রশ্নও উঠছে। বর্তমানে রাশিয়ার আক্রমণে যখন ইউক্রেনের বড় বড় শহর ও স্থাপনাগুলো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, তখন অপরপক্ষগুলো শান্তি স্থাপনের উদ্যোগ না নিয়ে প্রকারন্তরে ইউক্রেনে সমরাস্ত্র পাঠাচ্ছেন। এবিষয়ে রুশ পার্লামেন্টের চেয়ারম্যান যথার্থই বলেছেন ব্রাসেলসে ন্যাটো জোটের প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা এক জরুরি বৈঠকে শান্তির কথা না বলে ইউক্রেনে সমরাস্ত্র পাঠিয়ে যাওয়ার পক্ষে মত দেন।

তিনি আরও বলেন, ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো ইউক্রেনে সমরাস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ করে যাচ্ছে। এসব দেশের সরকারগুলোর সম্মতিতে ইউক্রেনের উগ্র জাতীয়তাবাদীদের পক্ষে যুদ্ধ করার জন্য ভাড়াটে সেনাদের আমদানি করা হচ্ছে। পাশাপাশি ইউক্রেনের জয়ের সামান্য বিষয়গুলো বড় করে প্রচার করার চেষ্টা করছেন। যেমন গত ২০ মার্চ প্রচার করা হয় ইউক্রেনের আকাশে বাধাহীন এবং মন্থরভাবে দেশটির যুদ্ধবিমান উড়ছে। দেশটিতে অবস্থানকারী মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের রিপোর্টিং টিম এমন দৃশ্য দেখেছেন।

ইউক্রেন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র  ও যুক্তরাজ্যের  গোয়েন্দারা তাদের দৈনন্দিন আপডেটে দাবি করে আসছে এবং বলার চেষ্টা করছে ইউক্রেনের আকাশসীমায় রাশিয়া ‘প্রবল আধিপত্য’ বিস্তার করতে সক্ষম হয়নি। এসব খবর রাশিয়াকে আরো বেশি ক্ষেপিয়ে তুলবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। সিএনএনের টিম দাবি করছে, তাদের দেখা দৃশের সঙ্গে পশ্চিমা গোয়েন্দা তথ্যের মিল রয়েছে।      

খবরে বলা হয়েছে, সিএনএনের একটি টিম শনিবার ইউক্রেন সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন কয়েকটি এলাকায় ভ্রমণ করেছেন। এই এলাকায় কয়েকশ কিলোমিটারের মধ্যে আকাশের নিম্নসীমায়  তারা ইউক্রেনের যুদ্ধবিমান উড়তে দেখেছেন। এসব খবরে পরাশক্তি রাশিয়া তার সর্বোচ্চ শক্তি ব্যবহারের কৌশল অবলম্বন করাটাই স্বাভাবিক। এতে ইউক্রেনের কিছু কৌশলগত সামরিক-বেসামরিক জায়গা নিরাপদ থাকলেও এসব খবরের পর তা প্রধান টার্গেটে পরিণত হবে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, রাশিয়া এর আগে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেনি, কিন্তু ইউক্রেন এধরণের অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগের পর রাশিয়া তার দ্বিগুণ গতিসম্পন্ন হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইউক্রেণের শহর-জনপথ ধ্বংস করে দিচ্ছে। ইতিমধ্যে জেলনস্কি জানিয়েছেন, ইউক্রেন পূনর্গঠনে কয়েক বিলিয়ন সাহায্যের প্রয়োজন হবে। করোনারোত্তর সারা বিশ্ব যখন অর্থনৈতিক টালমাটাল অবস্থা, তখন যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা সারা বিশ্বের জন্যই হুমকিস্বরূপ।

এদিকে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের হুমকিও দিয়ে বসলেন জেলেনস্কি, তিনি বলেন, পুতিনের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হলে ‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ’ হবে।

জেলেনস্কি বলেছেন, তিনি রাশিয়া প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। তবে তিনি একইসঙ্গে সতর্ক করেছেন, যদি আলোচনার চেষ্টা ব্যর্থ হয়, তাহলে দুই দেশের মধ্যে লড়াই ‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের’ দিকে নিয়ে যাবে।'

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি রবিবার সকালে সিএনএন-এর ফরিদ জাকারিয়ার সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন।

আবার রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানায়, আমেরিকা পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে এখন ইউক্রেনকে এস-৪০০ দিতে তুরস্ককে প্রস্তাব করেছে।

রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে সহযোগিতার জন্য ইউক্রেনকে রাশিয়ার তৈরি সেই আলোচিত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এস-৪০০ দেওয়ার জন্য তুরস্কের প্রতি আবারও আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

যদিও প্রথম থেকেই রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার জন্য তুরস্কের প্রতি নাখোশ ছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে অবস্থা বেগতিক দেখে এখন সেই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাই ইউক্রেনকে দিতে অনুরোধ করছেন মার্কিন নেতারা।

অপরপক্ষে, রুশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ দুমার চেয়ারম্যান ভ্যাজিস্লাভ ভোলোদিন তার ব্যক্তিগত টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বলেছেন, শান্তি চাইলে ইউক্রেনে মানবিক ত্রাণ না পাঠিয়ে অস্ত্র পাঠাচ্ছেন কেন?
ব্রাসেলসে ন্যাটো জোটের প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা এক জরুরি বৈঠকে ইউক্রেনে সমরাস্ত্র পাঠিয়ে যাওয়ার পক্ষে মত দেওয়ার পর রুশ পার্লামেন্টের চেয়ারম্যান এ কথা বলেছেন।

ইউক্রেনে সমরাস্ত্র ও ভাড়াটে সেনা পাঠানোর ব্যাপারে আমেরিকা ও তার পশ্চিমা মিত্রদের হুশিয়ার করে দিয়েছে রাশিয়া। দেশটি ইউক্রেন সংকট নিরসনে কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতে বিলম্ব করার জন্যও পাশ্চিমাদের দায়ী করেছে। খবর রুশ বার্তা সংস্থা তাসের।

তিনি বলেন, ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো ইউক্রেনে সমরাস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ করে যাচ্ছে। এসব দেশের সরকারগুলোর সম্মতিতে ইউক্রেনের উগ্র জাতীয়তাবাদীদের পক্ষে যুদ্ধ করার জন্য ভাড়াটে সেনাদের আমদানি করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও তার সহকর্মীরা শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানোর আগে তাদের নিজেদের আগে এ ব্যাপারে উদ্যোগী হতে হবে।
তাই শান্তিকামী বিশ্ববাসী মানুষের আশা, বক্তব্য-পাল্টা বক্তব্য পরিহার করে সত্যিকার শান্তি স্থাপনে সকল পক্ষ মনোযোগী হওয়া। যা তুরস্ক, ফ্রান্স ও জার্মানসহ কিছু রাষ্ট্রের রাষ্ট্রনায়করা মাঝে মধ্যে উদ্যোগী হচ্ছেন। এসব উদ্যোগী রাষ্ট্র নায়করা সত্যিকার অর্থে শান্তি স্থাপনে উদ্যোগ নিতে পারলে বিশ্ববাসী হয়তোবা কথিত তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হতে রেহাই পাবে।

মোহা. খোরশেদ আলম, সম্পাদক, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

গুগলের অফার ফিরিয়ে দিয়ে মাইক্রোসফটে যোগ দিলেন রুয়েট শিক্ষার্থী আসিফ


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক:
শুক্রবার, ২০ আগষ্ট, ২০২১, ০৯:৪০
গুগলের অফার ফিরিয়ে দিয়ে মাইক্রোসফটে যোগ দিলেন রুয়েট শিক্ষার্থী আসিফ

ফাইল ছবি

জীবনে কখনো ভাবিনি যে ছোট বেলার স্বপ্নের কোম্পানি গুগল থেকে আমার ইন্টারভিউ এর জন্য অফার আসবে আর আমাকে তা ফিরিয়ে দিতে হবে। তার পিছে কারনও ছিলো অবশ্য, সেটা পরেই বলি।

আমার শৈশব কাটে সাতক্ষীরাতে। বাবা মা ছিলেন চাকরিজীবি। স্কুল জীবনে কখনো তেমন আহামরি ভালো স্টুডেন্ট ছিলাম না। তৃতীয় শ্রেনীতে যখন সাতক্ষীরা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ হয় তখন ক্লাসের শেষ ছেলেটি ছিলাম আমি, রোল ছিলো ৫৭। এবং পরের শ্রেনীগুলোতেও এই অবস্থার তেমন উন্নতি হয় নাই।

একটি মধ্যবিত্ত একান্নবর্তী পরিবারের সব থেকে বড় অভিবাবক হওয়ার কারনে বাবা-মার অনেক দায়িত্ব ছিলো, যে কারনে আমার প্রতি কখনো এক্সপেক্টেশন রাখতেন না। আমার যেদিকে ইচ্ছে ওইদিকেই লাইফ গোল সেট করার স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। যেই বিষয় আমার ভালো লাগতো, কেবল ওই বিষয়টাই বেশি পড়তাম সবসময়। যে কারনে একটা বিষয়ে ভালো ফলাফল আসলেও বাকিগুলোতে টেনেটুনে কেবল থার্ড টার্ম পরীক্ষায় পাস করেও পরের ক্লাসে উঠছি এমন অনেকবার ঘটেছে। ছোটবেলা থেকেই বিজ্ঞান এবং টেকনোলজির প্রতি আগ্রহ আমার খুব বেশি ছিল। এখনও মনে আছে ক্লাস সিক্সে একবার একটি টেলিফোন বানিয়েছিলাম নিজের পেট প্রোজেক্ট হিসেবে। এইভাবেই কাটে স্কুল জীবন।

কলেজে উঠে প্রথম কম্পিউটার পাই। কলেজ প্রথম বর্ষে বন্ধু শুভর কাছ থেকে পাওয়া “নিটনের সি” বইটি দেখে কিছু বেসিক প্রোগ্রাম লিখছিলাম। তখন থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন বুনতে শুরু করি। এবং মাইক্রোসফট, গুগলের মত কোম্পানিগুলোতে কোটি মানুষের জীবন সহজ করার সফটওয়্যার বানানোর দিবাস্বপ্ন দেখতে থাকতাম।

কলেজ শেষে এইচএসসি-তে রেজাল্ট তেমন ভাল হল না। বুয়েটের ফর্ম তুলতে পারলাম না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেলেও মা জোর করলে রুয়েট, কুয়েটের ফর্ম তুলি। ভাগ্যক্রমে রুয়েটে স্বপ্নের ডিপার্টমেন্ট কম্পিউটার সায়েন্সে পড়ার সুযোগ পেলাম। রুয়েট জীবন নিয়ে গল্প বলতে গেলে কয়েক রাত পার করে দেয়া যাবে। ডিপার্টমেন্টে আমি খুবই ভাল একটা ফ্রেন্ড সার্কেল পাই, যেখানে বিভিন্ন বিষয়ে আগ্রহী বন্ধু পাই।

পাশাপাশি হল লাইফটাও ইঞ্জয় করতে থাকি। রুয়েট লাইফটা জুনিয়র, সিনিয়র, ক্লাসমেটদের জন্যই মূলত আনন্দমুখর ছিলো। সেলিম হল, হামিদ হল, টিনশেড হলে থাকার মুহূর্তগুলো ছিল অবিস্মরণীয়। বিশেষ করে সন্ধ্যায় কারেন্ট চলে গেলেই টিনশেড হলের মাঝে গোল চত্বরে বসে সবাই মিলে বসে গান, মাঝে মধ্যে বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে গিটার বাজানো, রাতে ১৫-২০ জন মিলে রাজশাহীর গলিতে গলিতে ঘুরে গান গাওয়া আজও মিস করি।

রুয়েট এসে সিনিয়রদের কাছ থেকে কমপিটেটিভ প্রোগ্রামিং-এর সাথে পরিচয় ঘটে। প্রোগ্রামিং করতে গিয়ে খেয়াল করলাম গণিতে আমার ব্যাসিক খুবই দুর্বল। সে সময় ক্লাস ৯-১০ এর গণিত বই থেকে শুরু করলাম। রুয়েটে আমাদের প্রোগ্রামিং এর জন্য তেমন সুবিধা ছিলনা। একটা অ্যালগরিদম শিখতে দেখা যেত ২-৩ সপ্তাহ লাগতো। এরপর আমরা একজন শিখে আরেকজনকে সেটা শেখাতাম। সে সময়টা প্রোগ্রামিং শেখার জন্য বেশ কষ্ট করতে হয়েছিল। অনেকবার এমনও হয়েছে যে নিজের টাকা দিয়ে প্রোগ্রামিং কনটেস্ট করতে গেছি আমরা যেখানে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বাকি সব টীমগুলোকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই অর্থায়ন করে কনটেস্টে পাঠানো হতো।

মনে পড়ে আমাদের অ্যালগরিদম চর্চা করার কোন জায়গা না থাকায় রুয়েট প্লে-গ্রাউন্ডে বসে জুনিয়রদের সাথে হোয়াইট বোর্ড নিয়ে এক সাথে আলোচনা করার কথা। অনেক প্রচেষ্টার পর ফোর্থ ইয়ারে এসে আমাদের সবার এত বছরের চেষ্টা দেখে হেড স্যার আমাদের একটা ল্যাব দেন চর্চা চালিয়ে যাওয়ার জন্য। তিনি ল্যাবের নাম দেন এনালাইটিক্যাল প্রোগ্রামিং ল্যাব। এটা হয়ে উঠেছিলো আমাদের প্রোগ্রামিং হাব।

রাজশাহীর গরমে মশার কামড় খেয়ে এই ল্যাবে জুনিয়রদের সাথে সারা রাত জেগে প্রোগ্রামিং করে ভোরবেলা তালাইমারী যেয়ে এক কাপ চা খাওয়ার স্মৃতিগুলো মনে পড়লে এখনও মুখের কোণে একটা হাসি চলে আসে। এই ল্যাবেই আমরা অনেক রকম অ্যাক্টিভিটি করতাম, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো “জ্ঞান-jam” নামক কনটেস্টটি। প্রতিবছর বিদায়ী ব্যাচের দায়িত্ব থাকে বিদায়ের আগে একটা “জ্ঞান-jam” আয়োজন করা। ভাবলেই খুবই গর্ব হয় যে সেই সংষ্কৃতিটা জুনিয়ররা এখনও চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রোগ্রামিং এর পাশাপাশি আমরা RUET জীবনটা আরও মজার করার জন্য বেশ কয়েকটি সংগঠন বানাই সবাই মিলেই। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো Science and Astronomy Society of RUET (ASSR), চিরকুমার সংঘ, সমানুপাতিক, প্রচেষ্টা সহ বেশ কিছু সংগঠন।

আমি রুয়েটে এসে নিজস্ব "Reason to Live" নামের একটি লিস্ট তৈরি করি। কেও আমাকে কোন কিছু পারবো না এমন কিছু বললে আমি সেটা লিখে রাখতাম। যদি কখনও ভুল প্রমান করতে পারি এটা ভেবে। আলহামদুলিল্লাহ বেশ অনেকগুলোই ভুল প্রমান করতে পেরেছি। ফোর্থ ইয়ারে উঠে একবার একটা কনটেস্টে একটা প্রবলেমও সল্ভ করতে পারল না আমাদের টিম, আমরা খুবই লজ্জায় পড়ে যাই।

ডিপার্টমেন্টের এক শিক্ষিকা ক্লাসে সবার সামনে অপমান করে বলছিলেন, “রুয়েট থেকে কখনও কেও গুগল মাইক্রোসফটে চাকরি পাবে না। তাই পড়াশোনায় মনোযোগ দাও”। কথাটা খুবই গাঁয়ে লেগেছিলো। সেটা শোনার পর আমার এক বন্ধু রবিকে বলেছিলাম শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করবো আমি মাইক্রোসফট বা গুগলে যাওয়ার জন্য। 

ক্যারিয়ারের শুরুটা হয় শেষ সেমিস্টার শুরুর ঠিক এক সপ্তাহ আগে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জব ফেয়ারে সেলিস রকিং সফটওয়্যার কোম্পানিতে চাকরি পাই। জীবনের মোড়টা ঘুরে সুইডেনের অ্যাডফেনিক্স এবি নামক স্টার্টআপে চাকরির মাধ্যমে। প্রথমে দেশ ছাড়া লাগবে ভেবে রিজেক্ট করার সিদ্ধান্ত নেই। কিন্তু সবার পরামর্শে এক্সেপ্ট করি। একটু ভ্রমণপিপাসু হওয়ায় অস্ট্রেলিয়া এবং সিঙ্গাপুরে চাকরি অফার আসলেও ইউরোপকেই বেছে নিয়েছিলাম। এরপর সুইডেনের সনামধন্য ন্যাসডাক কোম্পানিতে চাকরি পাই। এর মাঝেই ২৩ মার্চ,২০১৮ তে ডাক আসে স্বপ্নের কোম্পানি থেকে। ফোনে যখন বলল মাইক্রোসফট কোম্পানি থেকে বলছেন, আমি ভেবেছি আমি হয়তো ভুল শুনেছি। বিশ্বাস হচ্ছিল না, উত্তেজনায় জিজ্ঞাস করে বসি,"তুমি সিরিয়াসলি মাইক্রোসফট থেকে বলছো?" চাকরি পাওয়ার খবর জানাতে ফোন দেই মা-বাবাকে। মা-বাবাকে চাকরির খবর দেয়ার পর খেয়াল করলাম আমার চোখে পানি চলে এসেছে। জীবনের এতো সময় পর আমি প্রথম বুঝতে পারলাম এটাই আনন্দের অশ্রু। অবশেষে ডেনমার্কে এসে জয়েন করি স্বপ্নের কোম্পানিতে। দিনটি ছিল ঈদের দিন। আমার জীবনের বেস্ট ঈদ। ইনফ্যাক্ট বেস্ট মোমেন্ট।

এবার আসি কেন আর একটা স্বপ্নের কোম্পানির ইনটারভিউ অফার আমাকে রিজেক্ট করতে হলো। মাইক্রোসফটে জব হওয়ার ঠিক তিন মাসের মধ্যেই গুগল থেকেও ইন্টারভিউ-এর ডাক আসে। কিন্তু কেবলই মাইক্রোসফটে জয়েন করার কারণে  গুগলে আর ইন্টারভিউ দেয়া হয়নি। রিক্রুটারের সাথে এখনও মাঝে মধ্যে কনট্যাক্ট হলেও মাইক্রোসফট ছাড়ার মন এখনও হয় নাই।

আমির খানের থ্রি ইডিয়টস মুভিটা আমার খুবই প্রিয় একটা মুভি। এই মুভিতে যেমনটা দেখেছিলাম, আমি খুব করে চাইতাম এমন কিছু যেন আমার সাথেও হয়। এখন নিজের পছন্দের কাজ করছি, পৃথিবীর অন্যতম সেরা সফটওয়্যার কোম্পানিতে। বিকাল ৫টা পর্যন্ত অফিস থাকলেও অনেক সময়েই আমি রাত ৯টা পর্যন্ত অফিস করি। আমার কাজ আমার এতো প্রিয় বলেই হয়ত টের পাইনা সময় কখন চলে যাচ্ছে। বছর খানেক আগে ডেনমার্কে একটি শিক্ষক সেমিনার আয়োজন করে মাইক্রোসফট যেখানে আমাকে একটা টক দেয়া লাগছিলো। আমি সেখানে গিয়ে রুয়েটে আমার অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করি। কিভাবে রুয়েটে RAPL, ASSR এর মত শিক্ষণীয় সংগঠনগুলো তৈরি করেছিলাম আমরা। সবাই বেশ মুগ্ধ হয়ে আমাদের কাহিনীগুলো শুনেছিলেন।

অন্য সবার মতই রুয়েটে থাকা অবস্থায় অনেক সময় নিজের মধ্যে হতাশা কাজ করত। মনে হত, যদি আশে পাশে কোন নিদর্শন থাকতো যাকে দেখলে মনে হতো যে আমরাও পারবো। সে সময়ে সামাদ ভাই, মুফতি ভাই, রিফাত ভাই, মেরিন ভাই সহ বেশ অনেকে ছিলেন যাদের অনুপ্রেরণায় নিজেকে অনেক বড় জায়গায় কল্পনা করতে পারতাম। এক-একজন মানুষের কাছে সফলতার মাপকাঠি এক-একরকম। প্রতিটা মানুষ তার নিজের মত করে সফল হয়। আমার মতে আমার মত below average একটা ছাত্রের মাইক্রোসফটে আসাকে যদি সত্যিই সফলতা মনে হয়ে থাকে, তাহলে আমি বলবো রুয়েটে প্রতিটা স্টুডেন্ট এর এই পটেনশিয়াল আছে।

আবু আসিফ খান চৌধুরী: সিএসসি, ১০ম ব্যাচ, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার, মাইক্রোসফট ডেভেলপমেন্ট কোপেনহেগেন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক