a রোববার সকাল থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর, স্বস্তির প্রহর গুনছেন ফিলিস্তিনিরা
ঢাকা সোমবার, ২২ পৌষ ১৪৩২, ০৫ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

রোববার সকাল থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর, স্বস্তির প্রহর গুনছেন ফিলিস্তিনিরা


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৮:৪১
রোববার সকাল থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর, স্বস্তির প্রহর গুনছেন ফিলিস্তিনিরা

ছবি সংগৃহীত: ইসরায়েলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্থ নিজ ঘর-বাড়িতে ফিরছেন ফিলিস্তিনিরা


আজ ১৯ জানুয়ারি, রোববার সকাল থেকে গাজায় ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে নিশ্চিত করা হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমগুলোতে। ৪৬০ দিনেরও বেশি সময় ধরে চলা ইসরায়েলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গাজার প্রতিটি পরিবার। তবে ইসরাইলের মন্ত্রিসভায় যুদ্ধবিরতি ও ‘জিম্মি’ মুক্তির চুক্তি অনুমোদন পাওয়ায় স্বস্তির আশায় প্রহর গুনছেন ফিলিস্তিনিরা। আজ রোববার সকাল থেকেই তারা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারবে এবং প্রাণ ভরে ভোগ করবে স্বাধীনতার স্বাদ।

গতকাল শনিবার (১৮ জানুয়ারি) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সামাজিক মাধ্যম এক্সের এক পোস্টে ঘোষণা করেছেন, স্থানীয় সময় রোববার সকাল ৮টা ৩০ মিনিট (গ্রিনিচ সময় ৬টা ৩০ মিনিট) থেকে গাজায় ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে।

মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি শনিবার এক টুইট বার্তায় বলেছেন, ‘পক্ষগুলোর মধ্যে চুক্তির ভিত্তিতে... গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি রোববার সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে শুরু হবে। আমরা আমাদের ভাইদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করার এবং সরকারি সূত্র থেকে নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করার পরামর্শ দিচ্ছি।’

আল-জাজিরা জানিয়েছে, শনিবার সকালের দিকে ইসরাইলি সরকার ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বৈঠকের পর চুক্তিটি অনুমোদন করেছে, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়।

আল-জাজিরা আরো জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর ৪৬০ দিনেরও বেশি সময় পর এই চুক্তিটি অনুমোদিত হয়েছে। এ সময়ে ইসরাইলি বাহিনী ৪৬ হাজার ৭৮৮ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে এবং ১ লাখ ১০ হাজার ৪৫৩ জনকে আহত করেছে।

চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ৬ সপ্তাহের মধ্যে গাজায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের হাতে বন্দী ৩৩ ইসরাইলিকে মুক্তি দেয়া হবে। বিনিময়ে ইসরাইল কর্তৃক বন্দী শত শত ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেয়া হবে।

জর্ডান থেকে আল-জাজিরার সাংবাদিক হামদাহ সালহুত বলেছেন, ‘সকলের নজর এই মুহূর্তে গাজার দিকে। এই শেষ মুহূর্তে ইসরাইলি সেনাবাহিনী কী করতে চলেছে তা দেখার জন্য। কারণ ঐতিহাসিকভাবে, যেকোনো ধরনের যুদ্ধবিরতি চুক্তির আগে ইসরাইলি সেনাবাহিনী তার সমস্ত শক্তি দিয়ে গাজা উপত্যকায় আক্রমণ করে।’

তিনি আরো বলেন, এই মুহূর্তে সেখানে ‘অনেক ভয় ও উদ্বেগ থাকবে।’

এদিকে, বিভিন্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে গত বুধবার যুদ্ধবিরতি চুক্তির ঘোষণা আসার পরও ইসরাইলি বাহিনী এলোপাতাড়ি বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে। সূত্র: আলজাজিরা

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

হামলা করে ইরানের পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস করা কঠিন কাজ: ইসরাইল


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২১, ১০:৩৭
হামলা করে ইরানের পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস করা কঠিন কাজ: ইসরাইল

ফাইল ছবি

ইসরাইলের সেনা গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল আমোস ইয়াদলিন বলেছেন, সামরিক হামলা চালিয়ে ইরানের পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস করা অত্যন্ত কঠিন কাজ।

তিনি মার্কিন একটি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন। এতে তিনি আরও বলেন, ইসরাইল যেভাবে ১৯৮১ সালে ইরাকের এবং ২০০৭ সালে সিরিয়ার পরমাণু স্থাপনা মাত্র একবার হামলা চালিয়ে ধ্বংস করেছিল, ইরানের পরমাণু স্থাপনা সেভাবে ধ্বংস করা যাবেনা।  খবর সিএনবিসির।

ইসরাইলের এই সাবেক জেনারেল ও তেলআবিব ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ইরানের পরমাণু কর্মসূচির সঙ্গে ইরাক ও সিরিয়ার পরমাণু কর্মসূচির পার্থক্যসমূহ তুলে ধরেন।

তিনি আরও বলেন, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি অনেক বেশি সমৃদ্ধশালী ও বিভিন্ন স্থানে ছড়ানো-ছিটানো কিন্তু ইরাক ও সিরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি নির্দিষ্ট স্থানে সীমাবদ্ধ।

ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো বহু স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এগুলোর বেশিরভাগ পাহাড়ের নিচে ভূগর্ভে স্থাপন করা হয়েছে। ইসরাইলের বা পশ্চিমা দেশগুলোর পক্ষে ইরানের পরমাণু কর্মসূচির সার্বিক চিত্র সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পেরেছে কিনা তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন।

জেনারেল ইয়াদলিন বলেন, ইসরাইল আকস্মিক হামলা চালিয়ে ১৯৮১ সালে ইরাকের সাদ্দাম সরকারকে এবং ২০০৭ সালে সিরিয়ার বাশার আসাদ সরকারকে হতভম্ভ করে দিয়েছিল। কিন্তু ইরানের ক্ষেত্রে অনুরূপ ঘটনা ঘটানো সম্ভব নয়। কারণ ইরান গত ২০ বছর যাবত এ রকম হামলা মোকাবিলায় নিজেদের সক্ষম করে তুলেছে।

ইসরাইল বহুবার ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো বোমা মেরে ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল। ইরানের ভূগর্ভস্থ পরমাণু স্থাপনাগুলো কীভাবে বাঙ্কার ব্লাস্টার বোমা দিয়ে ধ্বংস করা যায় সে সংক্রান্ত বহু বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলোতে প্রকাশ করা  হয়েছিল।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি


আরাফাত, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৯:৩১
হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি

ছবি সংগৃহীত

 

নিউজ ডেস্ক: ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলাকারী মূল আসামি দেশেই আছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. নজরুল ইসলাম।  

রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমনটাই দাবি করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. নজরুল ইসলাম জানান, ওসমান হাদির ওপর সন্দেহভাজন হামলাকারীদের পাসপোর্ট ব্লক করে দেওয়া হয়েছে। আমাদের ইমিগ্রেশন ডাটাবেজ অনুযায়ী তারা দেশ থেকে পালিয়ে যায়নি।

তিনি জানান, হাদির ওপর হামলার ঘটনায় সীমান্ত পারাপার করার কাজে জড়িত এমন দু’জনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা তাদের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। কারণ, পরিবারের সদস্যরা রোগীকে নিয়ে ব্যস্ত। পরিবারের পক্ষ থেকে  মামলা না করলে, পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করবে।

তিনি আরও জানান, হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে একজন হামলার সময় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটির মালিক। বাকি দু’জন অবৈধ পথে সীমান্ত পারাপার করে থাকে। তাদের কাছে এ ধরনের কোনো তথ্য আছে কিনা, এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। নতুন কোনো তথ্য পেলে পরবর্তীতে জানানো হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শুধু একজন জুলাই যোদ্ধা হাদিই না, লক্ষ জুলাই যোদ্ধা আছে। তাদের সবাইর নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব না। তবে হাই থ্রেট যাদের আছে, তাদের নিরাপত্তা দেওয়া হবে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক