a
ফাইল ছবি
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত স্বীকার করেছেন, যদি আসন্ন শীতে জ্বালানির সঙ্কট দেখা দেয় তাহলে ইউক্রেনে বন্ধ হয়ে যেতে পারে পশ্চিমা দেশগুলোর সাহায্য। জার্মান রাষ্ট্রদূত মিগুইয়েল বার্গারকে প্রশ্ন করা হয়, শীতের কঠিন পরিস্থিতিতে ইউক্রেনে জার্মানির রাজনৈতিক সহায়তা কমে যেতে পারে কিনা।
এমন প্রশ্নের জবাবে মিগুইয়েল বার্গার জানান, শুধু জার্মানি না অন্য দেশগুলোকেও ইউক্রেনকে সাহায্য বন্ধ হয়ে যেতে পারে। কারণ পুতিন তাদের গ্যাস নিয়ে ব্ল্যাকমেইল করছেন।
এ ব্যাপারে জার্মান রাষ্ট্রদূত বলেন, আমি মনে যুক্তরাজ্যেও একই চ্যালেঞ্জ রয়েছে ( ইউক্রেনকে সাহায্য দেওয়া বন্ধ করা), ফ্রান্সের জন্য, পুরো ইউরোপের জন্য। পুতিন যেভাবে গ্যাসকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন এবং আমাদের উপর চাপ সৃষ্টি করছেন- সে আমাদের সঙ্কল্প পরীক্ষা করতে চায়। অবশ্যই পুরো বিষয়টি নির্ভর করছে আমাদের সরকারের রিলিফ প্যাকেজের ওপর।
তিনি আরও বলেছেন, জার্মান সরকার আগেই কোম্পানিগুলোকে অনুদান দিয়েছে, সাধারণ মানুষকে সরাসরি সহায়তা দেওয়া এবং ট্রেড ইউনিয়ন ও শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করেছে। কিন্তু তিনি স্বীকার করেছেন ‘ঝুঁকি আছে’ ইউক্রেনের জন্য জার্মানির সহায়তা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান/বিডি প্রতিদিন
সংগৃহীত ছবি
সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় হাসাকা প্রদেশে মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি বহরকে আটকে দিয়েছে সেই এলাকার সাধারণ জনগণ। সিরিয়ায় মার্কিন সেনাদের মোতায়েনের কারণে দেশটির জনগণ যে প্রচণ্ড সংক্ষুব্ধ সামরিক বহর আটকে দেয়ার ঘটনা তারই বহিঃপ্রকাশ।
সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক বহরে চারটি গাড়ি ছিল কিন্তু জনতার বাধা ও অনড় অবস্থানের কারণে মার্কিন সেনারা বহর নিয়ে পিছু হটতে বাধ্য হয়। এসময় লোকজন মার্কিন সামরিক বহরকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে।
বার্তা সংস্থা সানা জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক বহরের সঙ্গে কুর্দি গেরিলাদের একটি গাড়িও ছিল। সিরিয়ার কুর্দি গেরিলাদেরকে প্রকাশ্যে সমর্থন দিয়ে আসছে আমেরিকা।
এদিকে, গতকাল (মঙ্গলবার) একটি বিশাল সামরিক বহরে করে সিরিয়ার হাসাকা প্রদেশ থেকে কয়েক টন গম ইরাকের আধা-স্বায়ত্ত্বশাসিত কুর্দিস্তানে নেয়া হয়। ওই বহরে অন্তত তিন ডজন ট্রাক ছিল। কুর্দি প্রভাবিত সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেস বা এসডিএফ’র গেরিলারা এসব ট্রাক পাহারা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল।
ফাইল ছবি
ভারতে ভয়াবহ অক্সিজেন সংকট ও হাস্যপাতালের বেডের অভাবে আম্বুলেন্সেই মারা যাচ্ছে করোনাআক্রান্ত রোগী। দেশটির হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেনের মারাত্মক সংকটে পড়ায় কেন্দ্রীয় সরকারের নিকট জরুরি সাহায্য চেয়েছে রাজ্য সরকারগুলো।
ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ অনেকটাই কমে যাওয়ায় প্রশাসন যথেষ্ট ঢিলেঢালা পদক্ষেপ নিতে শুরু করে। বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব এবং রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে জনসমাগমে কোনো স্বাস্থ্যবিধি মানা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজেও জনসভায় ভাষণ দিয়েছেন। এসব নিয়ে এখন যথেষ্ট সমালোচনার মুখে রয়েছেন তিনি ও তার প্রশাসন।
এদিকে, দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মনিশ সিসোদিয়া আজ বুধবার বলেছেন, 'রাজধানীর বড় সরকারি হাসপাতালগুলোর অক্সিজেন মজুদ দিয়ে আট থেকে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত সেবা কার্যক্রম চালানো যাবে। বেসরকারি হাসপাতালে মজুদের পরিমাণ আছে মাত্র চার থেকে পাঁচ ঘণ্টার মতো। বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) সকালের মধ্যে পর্যাপ্ত সরবরাহ না পেলে একটা বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানান, 'চাহিদা অনুযায়ী অক্সিজেনের সরবরাহ নিশ্চিত করতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলো এবং বেসরকারি খাতও একত্রে চেষ্টা করে যাচ্ছে। আমরা অক্সিজেনের উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ানোরও চেষ্টা করে যাচ্ছি। দেশজুড়ে হাসপাতালের শয্যা, অক্সিজেন ও ভাইরাস প্রতিরোধক ওষুধ পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহ নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে কেন্দ্র।'
উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ২ লাখ ৯৫ হাজার মানুষ। সংক্রমণের এই রেকর্ড বৃদ্ধিতে দেশটিতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১ কোটি ৫৬ লাখ।