a হামলা করে ইরানের পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস করা কঠিন কাজ: ইসরাইল
ঢাকা রবিবার, ২৭ পৌষ ১৪৩২, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

হামলা করে ইরানের পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস করা কঠিন কাজ: ইসরাইল


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২১, ১০:৩৭
হামলা করে ইরানের পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস করা কঠিন কাজ: ইসরাইল

ফাইল ছবি

ইসরাইলের সেনা গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল আমোস ইয়াদলিন বলেছেন, সামরিক হামলা চালিয়ে ইরানের পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস করা অত্যন্ত কঠিন কাজ।

তিনি মার্কিন একটি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন। এতে তিনি আরও বলেন, ইসরাইল যেভাবে ১৯৮১ সালে ইরাকের এবং ২০০৭ সালে সিরিয়ার পরমাণু স্থাপনা মাত্র একবার হামলা চালিয়ে ধ্বংস করেছিল, ইরানের পরমাণু স্থাপনা সেভাবে ধ্বংস করা যাবেনা।  খবর সিএনবিসির।

ইসরাইলের এই সাবেক জেনারেল ও তেলআবিব ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ইরানের পরমাণু কর্মসূচির সঙ্গে ইরাক ও সিরিয়ার পরমাণু কর্মসূচির পার্থক্যসমূহ তুলে ধরেন।

তিনি আরও বলেন, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি অনেক বেশি সমৃদ্ধশালী ও বিভিন্ন স্থানে ছড়ানো-ছিটানো কিন্তু ইরাক ও সিরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি নির্দিষ্ট স্থানে সীমাবদ্ধ।

ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো বহু স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এগুলোর বেশিরভাগ পাহাড়ের নিচে ভূগর্ভে স্থাপন করা হয়েছে। ইসরাইলের বা পশ্চিমা দেশগুলোর পক্ষে ইরানের পরমাণু কর্মসূচির সার্বিক চিত্র সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পেরেছে কিনা তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন।

জেনারেল ইয়াদলিন বলেন, ইসরাইল আকস্মিক হামলা চালিয়ে ১৯৮১ সালে ইরাকের সাদ্দাম সরকারকে এবং ২০০৭ সালে সিরিয়ার বাশার আসাদ সরকারকে হতভম্ভ করে দিয়েছিল। কিন্তু ইরানের ক্ষেত্রে অনুরূপ ঘটনা ঘটানো সম্ভব নয়। কারণ ইরান গত ২০ বছর যাবত এ রকম হামলা মোকাবিলায় নিজেদের সক্ষম করে তুলেছে।

ইসরাইল বহুবার ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো বোমা মেরে ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল। ইরানের ভূগর্ভস্থ পরমাণু স্থাপনাগুলো কীভাবে বাঙ্কার ব্লাস্টার বোমা দিয়ে ধ্বংস করা যায় সে সংক্রান্ত বহু বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলোতে প্রকাশ করা  হয়েছিল।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

গাজায় দুর্ভিক্ষ সৃষ্টির অর্থ হচ্ছে যুদ্ধাপরাধের শামিল: জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৪, ১০:১১
গাজায় দুর্ভিক্ষ সৃষ্টির অর্থ হচ্ছে যুদ্ধাপরাধের শামিল: জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান

ফাইল ছবি: ভলকার তুর্ক

কয়েক মাস উপর্যুপরি সতর্কতার পর জাতিসংঘ সমর্থিত সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনের পরিসংখ্যানগত প্রমাণে দেখা গেছে গাজায় মানবিক বিপর্যয় মানবসৃষ্ট দুর্ভিক্ষে পরিণত হচ্ছে। তাই ফিলিস্তিনি নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য আইনি দায়িত্ব পালন করতে ইসরায়েলের ওপর চাপ বাড়িয়েছে জাতিসংঘ। সেইসঙ্গে যাদের প্রয়োজন তাদের কাছে পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা সরবরাহের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘের সবচেয়ে ঊর্ধ্বতন মানবাধিকার কর্মকর্তা, ভলকার তুর্ক বিবিসি-র একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ইসরায়েলের উল্লেখযোগ্য দোষ রয়েছে। তারা যে গাজা যুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে অনাহারকে ব্যবহার করছে সেটিরও ‘প্রমাণযোগ্য’ ঘটনা রয়েছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার তুর্ক বলেছেন, অভিপ্রায় প্রমাণিত হলে তা হবে যুদ্ধাপরাধ।

বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির একজন সিনিয়র রাজনীতিবিদ ও ইসরায়েলের অর্থনীতি মন্ত্রী নির বারকাত তুর্কের সতর্কবার্তাকে ‘সম্পূর্ণ অর্থহীন ও দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

তার মন্ত্রিপরিষদের সহকর্মীদের মতো বারকাত জোর দিয়ে বলেছেন, ইসরায়েল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাকি বিশ্বের পাঠানো সহায়তা গাজায় প্রবেশ করতে দিচ্ছে। তবে ইসরায়েল মিথ্যাচার করে বলছে, হামাস নিজেদের সাহায্য করার পর বাকি যা থাকে সেগুলো বিতরণ করতে ব্যর্থ জাতিসংঘ। কিন্তু গাজা উপত্যকার উদ্দেশ্যে আসা ত্রাণবাহী লরিগুলোর দীর্ঘ সারি দেখা গেছে মিসরের রাফা সীমান্তে। জটিল ও আমলাতান্ত্রিক তল্লাশির পরই এগুলো ইসরায়েলের মধ্য দিয়ে গাজায় প্রবেশ করতে পারে।

পর্যাপ্ত সহায়তা গাজায় না পৌঁছানোয় জর্ডান, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ অন্য দেশগুলো আকাশপথে বাধ্য হচ্ছে সরবরাহ পাঠাতে। আর এই ত্রাণের ভাগ নিতে আসা ফিলিস্তিনিরা সমুদ্রে ডুবে মরছে। অনেকে আবার প্যারাসুট দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে।

মার্কিন নৌবাহিনী সমুদ্রপথে সাহায্যের জন্য একটি অস্থায়ী পিয়ার তৈরি করতে আটলান্টিক জুড়ে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্লোটিলাও পাঠাচ্ছে।

ইসরায়েল যদি গাজায় সম্পূর্ণ রাস্তার প্রবেশাধিকার দেয় এবং উত্তর গাজার প্রায় আধা ঘণ্টা পথের দূরত্বে আধুনিক কনটেইনার বন্দরের মাধ্যমে ত্রাণ সরবরাহের গতি বাড়ায় তবে এসবের কোনটিরই প্রয়োজন হবে না। জেনেভা থেকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে তুর্ক বলেছেন, প্রমাণ পাওয়া গেছে যে ইসরায়েল সাহায্য সরবরাহের গতি কমিয়ে দিচ্ছে বা আটকে রেখেছে।

৭ অক্টোবর ইসরায়েলি বেসামরিক ও সৈন্যদের ওপর হামাসের হামলারও নিন্দা করেছেন তুর্ক। তবে তিনি এও বলেছিলেন, যুদ্ধের কোনো পক্ষই গাজায় সহায়তা বন্ধ করার যেকোনো প্রচেষ্টাসহ অন্যান্য কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহিতার বাইরে থাকবে না। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সময় দ্রুত ফুরালেও, ঘুম ভাঙছে না ভারতের চন্দ্রযানের


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ০৭:০০
সময় দ্রুত ফুরালেও, ঘুম ভাঙছে না ভারতের চন্দ্রযানের

ফাইল ছবি

তীব্র শীতের চন্দ্র রাতের পর দিন এলেও ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর ডাকে সাড়া দিচ্ছে না চন্দ্রযানের অবতরণ বাহন (ল্যান্ডার) বিক্রম। ফলে সময় যতো গড়াচ্ছে ততোই কমে আসছে চন্দ্রযানটির সজাগ হওয়ার আশাও।

তবে এখনই হাল ছাড়তে নারাজ ইসরো। চন্দ্র দিবস শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা চেষ্টা চালিয়ে যাবে। উল্লেখ্য, পৃথিবীর ১৪ দিনের সমান চাঁদের একদিন।

গত শুক্রবার ইসরো জানিয়েছে, তারা ল্যান্ডার বিক্রম ও রোভার প্রজ্ঞানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করছে। তবে তারা কোনো সংকেত পাচ্ছে না।

আগস্ট মাসে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফলভাবে অবতরণ করে ভারতের চন্দ্রযান-৩। দুই সপ্তাহ চাঁদের মাটিতে সচলভাবে কাটানোর পর চন্দ্ররাত নামলে বিক্রম ও রোভারকে স্লিপিং মুডে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ইসরোর বিজ্ঞানীদের আশা ছিল চন্দ্র দিবসে রোদ্রালোক পেলেই জেগে উঠবে ল্যান্ডার বিক্রম ও রোভার প্রজ্ঞান। তবে সেই আশায় আপাতত গুঁড়েবালি। ইসরোর ডাকে সাড়া দিচ্ছে না চন্দ্রযানের দুই অংশই। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক