a ড. ইউনূসকে আইনি প্রক্রিয়ায় হয়রানি করা হচ্ছে, জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনারের দাবি
ঢাকা শনিবার, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৪ মার্চ, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ড. ইউনূসকে আইনি প্রক্রিয়ায় হয়রানি করা হচ্ছে, জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনারের দাবি


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ১০:২০
ড. ইউনূসকে আইনি প্রক্রিয়ায় হয়রানি করা হচ্ছে, জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনারের দাবি

ফাইল ছবি

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস, মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের দুই নেতা এবং বাংলাদেশে কাজ করা মানবাধিকার কর্মীদের আইনি প্রক্রিয়ায় হয়রানির বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক।

এক বিবৃতিতে তিনি মানবাধিকারকর্মী ও অন্যান্য সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের জন্য নিরাপদ ও সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরির জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি ও মার্তা হুরতাদো গণমাধ্যমকে এ উদ্বেগের কথা জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, প্রায় এক দশক ধরে ড. ইউনূস হয়রানি ও ভয়ভীতির মুখোমুখি।  বর্তমানে তিনি শ্রম আইন লঙ্ঘন ও দুর্নীতির দু’টি অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন। যেগুলোতে তার কারাদণ্ড হতে পারে।

হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক বলেন, বাংলাদেশে সুশীল সমাজ, মানবাধিকারকর্মী এবং ভিন্নমত পোষণকারীদের আইনি প্রক্রিয়ায় হয়রানি করা হচ্ছে, যা উদ্বেগজনক। বাংলাদেশের স্বাধীন বিচার বিভাগের জন্য এ মামলাগুলো একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য অধ্যাপক ইউনূস সুপরিচিত। তিনি আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাবেন।

তিনি বলেন, অধিকারের নেতা আদিলুর রহমান খান ও নাসিরুদ্দিন এলানের বিরুদ্ধে মামলা জাতিসংঘ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। যেগুলোর রায় ৭ সেপ্টেম্বর ঘোষণা করা হবে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সঙ্গে ১০ বছর আগের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের সম্পর্ক রয়েছে।

বিবৃতিতে জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার বলেন, ইউনূসের বিরুদ্ধে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে অনেক সময়ই মানহানিকর প্রচারণা আসছে। আমরা এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন। এতে তিনি ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ণ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন।

যথাযথ প্রক্রিয়া এবং ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের বিচার বিভাগকে এই মামলাগুলোর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পর্যালোচনা নিশ্চিতের আহ্বান জানান হাইকমিশনার।

বাংলাদেশের নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনটিও জাতিসংঘ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে উল্লেখ করে বিবৃতিতে ভলকার তুর্ক বলেন, নতুন আইনটিতে কারাদণ্ডের পরিবর্তে জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া কয়েকটি অপরাধের জন্য জামিনের সুযোগ থাকবে। তবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে আটকাতে আইনের স্বেচ্ছাচারী ব্যবহার রোধ করতে সব উদ্বেগের সমাধান করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সূত্র: ইত্তেফাক

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

তালেবান ৩ প্রাদেশিক রাজধানী ১ দিনেই দখল করলো


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০৯ আগষ্ট, ২০২১, ১০:০২
তালেবান ৩ প্রাদেশিক রাজধানী ১ দিনেই দখল করলো

সংগৃহীত ছবি

১ দিনেই আফগানিস্তানের ৩টি প্রাদেশিক রাজধানী দখল করেছে নিয়েছে তালেবান। এ নিয়ে মোট ৫টি রাজধানী নিয়ন্ত্রণে নিলো। রবিবার (৮ আগস্ট) ঘটেছে এই ঘটনা। দখলকৃত শহরগুলো হচ্ছে কুন্দুজ প্রদেশের কুন্দুজ, সার-ই-পুল প্রদেশের সার-ই-পুল এবং তাখার প্রদেশের তালোকান। এর আগে, জোজ্জন প্রদেশের রাজধানী শেবারগান ও নিমরোজের জারাঞ্জ শহর তালেবান নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল।

বিবিসি'র মতে, রবিবার মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই তিনটি প্রাদেশিক রাজধানী তালেবানের দখলে চলে যায়। কুন্দুজের প্রাদেশিক পরিষদের এক আইনপ্রণেতা বলেন, নগরীর কেবলমাত্র একটি বিমানবন্দর এবং সেনাঘাঁটি ছাড়া আর সবই দখল করে নিয়েছে তালেবান। তবে খোয়া যাওয়া সব এলাকা পুনর্দখল করতে খুব শিগগিরই বড় ধরনের সেনা অভিযান শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন নিরাপত্তা বাহিনীর এক মুখপাত্র।

সার-ই-পুলেও তালেবান যোদ্ধারা প্রাদেশিক কর্মকর্তাদেরকে মূল নগরী থেকে হটিয়ে দিয়েছে। এই কর্মকর্তারা এখন কোণঠাসা হয়ে আছেন কাছের একটি সামরিক ঘাঁটিতে। প্রাদেশিক পরিষদের এক সদস্য জানিয়েছেন এমন কথাই। 

এদিকে, তাখার প্রদেশের পার্লামেন্টের এক প্রতিনিধি আশরাফ আয়ানি রোববার সন্ধ্যায় বলেন, তালেবানের হাতে প্রাদেশিক রাজধানী তালোকানের পতন হয়েছে। যোদ্ধারা সব সরকারি ভবনের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে এবং বন্দিদের মুক্ত করে দিয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারা পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন পাশের জেলায়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

নিরাপত্তা বাহিনীর রাজনৈতিক বিক্ষোভে বেশি বল প্রয়োগ নয়


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১১:৪৮
নিরাপত্তা বাহিনীর রাজনৈতিক বিক্ষোভে বেশি বল প্রয়োগ নয়

ফাইল ছবি

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর অতিরিক্ত বল প্রয়োগ ঠেকানো সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার নাদা আল-নাশিফ গতকাল সোমবার জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের ৫১তম অধিবেশনের শুরুতে বক্তব্য দেওয়ার সময় বাংলাদেশ প্রসঙ্গে এসব কথা বলেন। তিনি মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের সুযোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার বলেন, ‘আগামী নির্বাচনের আগে মেরুকরণের পরিবেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশ নিশ্চিত করা এবং বিক্ষোভের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর মাধ্যমে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করা থেকে বিরত থাকা সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী, সাংবাদিক ও ভুক্তভোগীদের পরিবারকে তাদের কাজের জন্য প্রতিশোধ বা নিষেধাজ্ঞায় ফেলা উচিত হবে না। ’

ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার নাদা আল-নাশিফ বলেন, সদ্যোবিদায়ি জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল বাশেলেত গত মাসে বাংলাদেশ সফরকালে সব ধরনের উদ্বেগের বিষয়ে আলোচনা করেছেন। অনলাইনে নিয়ন্ত্রণমূলক আইন বদলাতে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক দপ্তর বাংলাদেশকে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, মিশেল বাশেলেত গত মাসের শেষ দিকে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দায়িত্ব শেষ করেন। নতুন হাইকমিশনার নিয়োগপ্রক্রিয়া এখনো শেষ না হওয়ায় ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মানবাধিকারবিষয়ক দপ্তরের উপহাইকমিশনার নাদা আল-নাশিফ।

ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার নাদা আল-নাশিফ গতকাল অধিবেশনের শুরুতে বৈশ্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মানবাধিকার পরিষদকে অবহিত করেন। সেখানে অন্য দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ আসে।

ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার বলেন, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার গত মাসে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ এবং কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, ‘সাবেক হাইকমিশনার (মিশেল বাশেলেত) সব ধরনের উদ্বেগের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের (বাংলাদেশ) সঙ্গে আলোচনা করেছেন। অনলাইনে মত প্রকাশ ঘিরে নিয়ন্ত্রণমূলক আইনগুলো পর্যালোচনা করতে তিনি জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের সহযোগিতা নেওয়ার প্রস্তাব দেন।’

ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার নাদা আল-নাশিফ বলেন, সাবেক হাইকমিশনার আইন প্রয়োগকারী বিভিন্ন সংস্থা, বিশেষ করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের বিরুদ্ধে গুমসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের নানা অভিযোগ তদন্তে একটি স্বাধীন ও বিশেষায়িত কাঠামো প্রতিষ্ঠা করতে বাংলাদেশকে উৎসাহিত করেছেন।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল বাশেলেত গত মাসে বাংলাদেশে চার দিনের সফর করেন। সফর শেষে গত ১৭ আগস্ট ঢাকায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি বাংলাদেশে গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যার মতো গুরুতর অপরাধের অভিযোগগুলো নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ওই অভিযোগগুলোর স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত এবং নিরাপত্তা খাতের সংস্কার হওয়া দরকার।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ঢাকায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, প্রস্তাবিত উপাত্ত সুরক্ষা আইনসহ ‘ওভার দ্য টপ প্ল্যাটফরম (ওটিটি)’ সংক্রান্ত বিধি-বিধান আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ করার বিষয়েও আলোচনা করেছেন। বাংলাদেশে জাতিসংঘের কার্যালয় উপাত্ত সুরক্ষা আইনের খসড়াবিষয়ক ১০টি সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ সরকারকে দিয়েছে। বর্তমান খসড়া আইনে পরিণত হলে মানবাধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কাও দেখছে জাতিসংঘ।

বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক জিন লুইস গতকাল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘উপাত্ত সুরক্ষা আইন নিয়ে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়ায় জাতিসংঘ বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টার অত্যন্ত প্রশংসা করেছে। উপাত্ত সুরক্ষা আইন নিয়ে জাতিসংঘ তার মন্তব্য জানিয়েছে।’

জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক বলেন, ‘আমরা ওই আইনটির সংশোধিত সংস্করণ এবং এ বিষয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ও আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আরো সম্পৃক্ত হওয়ার অপেক্ষায় আছি।’ সূত্র: কালের কন্ঠ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক