a
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সাইফুল আলম, ঢাকা: বাংলাদেশ পাট ও বস্ত্র কল এবং কারিগরী শিক্ষা রক্ষা আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে আজ জাতীয় প্রেসক্লাবে মানববন্ধন করা হয়। রাষ্ট্রয়াত্ত সকল বস্ত্র ও পাট কলগুলো অনতিবিলম্বে চালু করার দাবীতে বাংলাদেশ পাট ও বস্ত্র এবং কারিগরী শিক্ষা রক্ষা আন্দোলন, কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে আজকের এই মানববন্ধন।
মানব বন্ধনের সভাপতিত্ব করছেন সংগঠনের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ফখরুল আলম। ইঞ্জিনিয়ার এ বি এম রুহুল আমীন আকন্দ এর পরিচালনায় বিজেএমসি, বিটিএমসি, তাঁত বোর্ড, বস্ত্র দপ্তর সহ টেক্সটাইল সেক্টরের সিনিয়র পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। তারা দাবি রাখেন, অর্থনীতির মেরুদন্ড খ্যাত টেক্সটাইল সেক্টরকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে রক্ষা করার জন্য। এবং রাষ্ট্রয়াত্ত সকল বস্ত্র ও পাট কলগুলো অনতিবিলম্বে চালু করার দাবিতে জোড়ালো বক্তব্য রাখেন।
উপরোল্লিখিত দাবীসমূহ দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষিত হওয়ায় টেক্সটাইল সেক্টরের পেশাজীবিদের মধ্যে বৈষম্য ও বেকারত্বের হার বহুলাংশে বেড়ে চলছে। পাশাপাশি উক্ত কারখানাগুলোতে চাকুরিরত বিপুল সংখ্যক শ্রমিক এখন সম্পূর্ণরূপে বেকার হয়ে পড়েছে। যা বাংলাদেশের অর্থনীতির মেরুদন্ড খ্যাত টেক্সটাইল সেক্টরকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে।
এমতাবস্থায় সমৃদ্ধ টেক্সটাইল সেক্টর, স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে উপরোল্লিখিত দাবীসমূহ অনতিবিলম্বে বাস্তবায়নের জন্য সরকারের নিকট জোর দাবী জানাচ্ছি। আমরা সরকারকে আগামী ১০ দিন সময় দিচ্ছি। এর মধ্যে সরকার যদি দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ না নেয় আমরা কঠোর থেকে কঠোরতম আন্দোলন কর্মসূচী দিতে বাধ্য হব।
ফাইল ছবি
পেট্রোবাংলার কোম্পানি রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) প্রধান কার্যালয়ে মেডিকেল অফিসার (রিটেইনার) পদে একজনকে অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের ডাকযোগে বা কুরিয়ারের মাধ্যমে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।
যোগ্যতা: সরকার অনুমোদিত মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি থাকতে হবে। সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে মেডিকেল অফিসার পদে কমপক্ষে দুই বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ও বিএমডিসির রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত হতে হবে।
বয়স: ২০২৩ সালের ৪ অক্টোবর সর্বোচ্চ ৬০ বছর এবং চাকরির ধরন: অস্থায়ী। কর্মস্থল: আরপিজিসিএল ভবন, নিউ এয়ারপোর্ট রোড, নিকুঞ্জ-২, খিলক্ষেত, ঢাকা।
বেতন: সাকল্যে মাসিক সম্মানী ৫০,০০০ টাকা।
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীদের কুরিয়ার/ডাকযোগে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে। সরাসরি কোনো আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য হবেনা। নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য আরপিজিসিএলের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
আবেদনের শেষ তারিখ: ৯ নভেম্বর ২০২৩।
ফাইল ছবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে থানায় নিয়ে নির্যাতনের প্রতিবাদে এবং নির্যাতনকারী এডিসি হরুন অর রশিদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়েছে।
রোববার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সাধারণ শিক্ষার্থীরা এ বিক্ষোভ করেন।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া এক শিক্ষার্থী বলেন, এডিসি হারুনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগ আছে। সর্বশেষ গতকাল রাতে আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীতে নির্মমভাবে নির্যাতন করেছে।
নির্যাতনে আহত দুজন গুরুতর আহতাবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে কালকে সে আমাকেও বিনা দোষে নির্যাতন করবে। তাই আমরা এডিসি হারুনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এডিসি হারুনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মানুষকে রক্ষা করার জন্য। কিন্তু তারা মানুষকে রক্ষা না করে তাদেরই নির্যাতন করছে। প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মচারীর কাছে থেকে এই ধরনের আচরণ কখনোই কাম্য নয়। তাকে চাকরিচ্যুত করতে হবে। কারণ তিনি তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।
এর আগে শনিবার রাতে রাজধানীর শাহবাগ থানায় ছাত্রলীগের দুই কেন্দ্রীয় নেতাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের রমনা বিভাগের এডিসি হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে।
আহতরা হলেন— ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফজলুল হক হলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন নাঈম এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞানবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাবির শহীদুল্লাহ হলের সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহমেদ মুনিম।
ভুক্তভোগী ও তাদের সহপাঠীদের অভিযোগ, পুলিশের রমনা বিভাগের এডিসি হারুন অর রশিদ তাদের থানায় নিয়ে বেদমভাবে পিটিয়েছেন। ছাত্রলীগের নেতা পরিচয় দেওয়ার পরও হারুনের সঙ্গে ১০-১৫ জন পুলিশ সদস্য মিলে তাদের পেটান। এর মধ্যে নাঈমের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তার মুখমণ্ডল মারত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত বর্ণনায় ছাত্রলীগ নেতারা জানান, পুলিশের ৩১ ব্যাচের ক্যাডার এডিসি হারুন শনিবার রাতে ৩৩ ব্যাচের আরেক নারী পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে বারডেম হাসপাতালে আড্ডা দিচ্ছিলেন। ওই সময় নারী কর্মকর্তার স্বামী কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে যান। নারী কর্মকর্তার স্বামীও একজন ক্যাডার কর্মকর্তা।
তার সঙ্গে এডিসি হারুনের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সেটি হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এরই জেরে পুলিশ ডেকে এনে তাদের থানায় নিয়ে বেদম প্রহার করে। সূত্র: যুগান্তর