a আগামীকাল থেকে নিম্ন আদালতে স্বাভাবিক বিচারকাজ শুরু
ঢাকা বুধবার, ৮ মাঘ ১৪৩২, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

আগামীকাল থেকে নিম্ন আদালতে স্বাভাবিক বিচারকাজ শুরু


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ২০ জুন, ২০২১, ০৯:২০
আগামীকাল থেকে নিম্ন আদালতে স্বাভাবিক বিচারকাজ শুরু

সংগৃহীত ছবি

আগামীকাল রোববার থেকে ফের শারীরিক উপস্থিতিতে শুরু হচ্ছে বিচারকাজ। দ্বিতীয়দফা লকডাউনে দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ ছিল অধস্তন আদালতে স্বাভাবিক বিচারকাজ।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের অনুমোদনক্রমে শনিবার রাতে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। 
 
তবে করোনার বিস্তার রোধে যেসব জেলায় স্থানীয় প্রশাসনের বিধিনিষেধ চলছে সেখানে ভার্চুয়ালি জামিন ও জরুরি বিষয়ে শুনানি করা যাবে বলে জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

এর আগে গত ১৭ জুন হাইকোর্ট বিভাগে ভার্চুয়ালি ৫৩টি বেঞ্চ গঠন করে সব ধরনের মামলার বিচারকাজ শুরুর ঘোষণা দেয় সুপ্রিম কোর্ট। রোববার থেকে হাইকোর্ট বিভাগে ওই বেঞ্চগুলোতে বিচারকাজ শুরু হবে। এছাড়া গত ১ জুন থেকে সপ্তাহের সব কার্যদিবসে ভার্চুয়ালি আপিল বিভাগে বিচারকাজ শুরু হয়।

এরপর দ্বিতীয় দফা করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার কারণে গত ৪ এপ্রিল বিজ্ঞপ্তিতে সীমিত পরিসরে ভার্চুয়ালি উচ্চ ও অধস্তন আদালতে শুধুমাত্র জামিনসহ জরুরি বিষয়ে শুনানি গ্রহণের ঘোষণা দেয়া হয়। যার ফলে স্বাভাবিক বিচারকাজ বন্ধ হয়ে মামলার জট বাড়ার পাশাপাশি বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি ও হয়রানিও চরমে পৌঁছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান পরিবার নিয়ে মার্কিন দূতাবাসে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শুক্রবার, ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ০৬:৫০
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান পরিবার নিয়ে মার্কিন দূতাবাসে

ফাইল ছবি: ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) এমরান আহম্মদ ভূঁইয়া ও তার পরিবার

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) এমরান আহম্মদ ভূঁইয়াকে তার পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার রাতে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। রাষ্ট্রপতির আদেশে এ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এদিকে এমরান আহম্মদ ভূঁইয়া শুক্রবার বিকেলে জানান তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই তিনি পরিবারকে নিয়ে আশ্রয়ের জন্য আমেরিকান দূতাবাসে অবস্থান করছেন।

তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তাই পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে হাজির হয়েছি। বন্ধের দিন হওয়ায় নিরাপত্তাকর্মীরা ভেতরে যেতে দেননি। মূল ফটকের পাশে একটি কক্ষে আমাদের বসতে দিয়েছেন।

এরপর বিকাল পাঁচটার দিকে আবারও ফোন দিলে এমরান জানান, এখনো তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন।

শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিষয়ে বিবৃতি সংক্রান্ত বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় আসেন এমরান আহম্মদ। শুক্রবার সকালে এমরান আহম্মদকে বরখাস্তের বিষয়টি জানান আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগের দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘দ্য বাংলাদেশ ল অফিসার্স অর্ডার, ১৯৭২–এর ৪ (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান আহম্মদ ভূঁইয়ার নিয়োগ আদেশ জনস্বার্থে বাতিলক্রমে তাকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হলো।’

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘন ও দুর্নীতির মামলা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে খোলা চিঠি (বিবৃতি) পাঠিয়েছিলেন বিশ্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্বস্থানীয় দেড় শতাধিক ব্যক্তি। তাদের মধ্যে শতাধিক নোবেলজয়ী রয়েছেন। এ বিষয়ে গত সোমবার হাইকোর্টের বর্ধিত ভবনের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, ড. ইউনূস একজন সম্মানিত ব্যক্তি। তার সম্মানহানি করা হচ্ছে এবং এটি বিচারিক হয়রানি।’

শতাধিক নোবেলজয়ীর ওই খোলা চিঠির বিপরীতে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় থেকে প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দেওয়ার কথা রয়েছে- এমন দাবি করে এমরান আহম্মদ বলেন, ‘অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে কর্মরত সবাইকে এতে স্বাক্ষর করার জন্য নোটিশ করা হয়েছে। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করব না।’

এর পরদিন মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের আইনমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি (এমরান আহম্মদ ভূঁইয়া) অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন ডিএজি (ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল)। তিনি যদি সাংবাদিকদের সামনে কথা বলেন, তাহলে তাকে হয় পদত্যাগ করে কথা বলা উচিত অথবা অ্যাটর্নি জেনারেলের অনুমতি নিয়ে কথা বলা উচিত। তিনি সেটি করেননি।

ওই দিন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস থেকে ড. ইউনূসের বিপক্ষে বিবৃতির কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। অন্য কোনো পক্ষকে খুশি করার জন্য ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান আহম্মদ ভূঁইয়া এটা বলেছেন। নিশ্চয়ই এখানে তার অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল।

এরপর বৃহস্পতিবার অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেন। ওই প্রজ্ঞাপনে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো প্রকার বক্তব্য প্রদানের পূর্বে অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে পরামর্শ ও পূর্ব অনুমতি নিতে হবে বলে নির্দেশনা আসে।

এদিকে পদ থেকে অব্যাহতির বিষয়ে জানতে চাইলে এমরান আহম্মদ ভূঁইয়া শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে জানান, তিনি আশ্রয়ের জন্য আমেরিকান দূতাবাসে যাচ্ছেন। তিনি বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

একটি জাতিকে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে পরিচালিত করতে রাজনৈতিক প্রজ্ঞা অপরিহার্য


কর্নেল(অব.)আকরাম, অধ্যাপক ও কলাম লেখক
রবিবার, ০৪ মে, ২০২৫, ১২:৪৭
 একটি জাতিকে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে পরিচালিত করতে রাজনৈতিক প্রজ্ঞা অপরিহার্য

ছবি সংগৃহীত

 

নিউজ ডেস্ক: সমাজে যে কোনো ধরনের নেতৃত্বের জন্য প্রজ্ঞাই সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। একটি জাতিকে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে পরিচালিত করতে রাজনৈতিক নেতাদের অবশ্যই প্রজ্ঞার গুণাবলী থাকতে হবে। প্রজ্ঞাবিহীন রাজনৈতিক নেতা কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারে না; বরং জনগণের জন্য সমস্যার সৃষ্টি করে। একটি সমাজ কেবল তখনই সমৃদ্ধি লাভ করতে পারে যখন তা সুশাসিত ও প্রাজ্ঞ নেতৃত্ব দ্বারা পরিচালিত হয়।

ইতিহাসে এমন অসংখ্য উদাহরণ আছে যেখানে একজন গতিশীল নেতার নেতৃত্বে একটি দেশ দ্রুত উন্নতি লাভ করেছে। সাম্প্রতিক ইতিহাসে মালয়েশিয়ার মাহাথির মোহাম্মদ তার একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। বর্তমান বিশ্বে তুরস্কের এরদোয়ান আরেকজন প্রাজ্ঞ নেতৃত্বের দৃষ্টান্ত। বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর উন্নয়নে নেতার রাজনৈতিক প্রজ্ঞাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করা হয়।

দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, এখানে অনেক মুসলিম নেতা তাদের প্রজ্ঞাবান নেতৃত্বের মাধ্যমে জনগণের কল্যাণে কাজ করেছেন। ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে ঢাকার নবাব স্যার সলিমুল্লাহ আবির্ভূত হয়েছিলেন এবং প্রজ্ঞাবান নেতা হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছিলেন। মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠা তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞার এক উজ্জ্বল প্রমাণ।

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে সর্বাধিক সফল রাজনৈতিক নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যিনি ভারতের মুসলিমদের জন্য একটি নতুন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন। পাকিস্তানের জন্ম তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতার ফলেই সম্ভব হয়েছিল।

বাঙলার আরেক রাজনৈতিক মেধাবী ছিলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, যিনি কলকাতার মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের উত্থানে অসাধারণ অবদান রেখেছিলেন। খাজা নাজিমুদ্দিন ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীও রাজনৈতিক প্রজ্ঞার মহান উদাহরণ, যারা পাকিস্তান গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
বাংলাদেশের জনগণ প্রথমবার রাজনৈতিক প্রজ্ঞার পরিচয় পেয়েছিল মেজর জিয়ার মাধ্যমে, যিনি সঠিক সময়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে পুরো জাতিকে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ থেকে মুক্ত করেছিলেন। যদিও শেখ মুজিব বাঙালি জাতীয়তাবাদের উত্থানের জন্য ভূমি প্রস্তুত করেছিলেন, তবে যুদ্ধের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে নেতৃত্ব প্রদানে ব্যর্থ হন। তার এই ভূমিকা পরবর্তীতে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দেয়। দেশ পরিচালনায়ও তিনি রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতার অভাবে ব্যর্থ হন। বাকশাল গঠন শেখ মুজিবের একটি বড় রাজনৈতিক ভুল হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এর ফলে তার জীবনও ঝরে যায়।

অন্যদিকে, জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের এক দূরদর্শী নেতা, যিনি একটি আধুনিক ও স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছিলেন, যেখানে বহিরাগত হুমকি থেকে মুক্তি ছিল। তার গৃহীত সংস্কার কর্মসূচি তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞার প্রমাণ। 'বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ' ধারণার প্রবর্তন এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠা তার প্রজ্ঞাবান নেতৃত্বের ফল। গত পাঁচ দশকের ইতিহাসে জিয়াউর রহমানকেই বাংলাদেশের একমাত্র দূরদর্শী নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

জেনারেল এরশাদ নিজেকে দেশ গড়ার একজন কর্মী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারতেন, কিন্তু রাজনৈতিক প্রজ্ঞার অভাবে তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রথমবারের মতো ভণ্ডামির দ্বার খুলে দেন। এরশাদের পতনের পর বিএনপি বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক প্রজ্ঞার মাধ্যমে ক্ষমতায় আসে এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় দক্ষতা প্রদর্শন করে। তবে বিএনপির কিছু রাজনৈতিক ভুলের কারণে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে। এরপর খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা আবার কাজ করে এবং বিএনপি পুনরায় ক্ষমতায় ফিরে আসে।

কিন্তু পরবর্তীতে বিএনপির রাজনৈতিক ভুলভ্রান্তি বড় বিপর্যয়ে পরিণত হয় এবং তারাই এর শিকার হয়। পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবেশ দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় এবং গত পনেরো বছর ধরে শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট শাসনামলে বাংলাদেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ে।

বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা এই ফ্যাসিস্ট শাসনের চরম নির্যাতনের শিকার হন। হেফাজতসহ অন্যান্য ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোকেও কঠোর দমন-পীড়নের সম্মুখীন হতে হয়। বাংলাদেশের জনগণ পরিবর্তনের সকল আশা হারিয়ে ফেলেছিল, কিন্তু হঠাৎ করে আল্লাহর কৃপায় একটি বিপ্লবের মাধ্যমে, যা বিপুল প্রাণহানি ও অপরিসীম কষ্টের বিনিময়ে এসেছিল, তারা আশার আলো দেখতে পায়।

ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সফলতা অর্জন করেছে এবং ড. ইউনুস দায়িত্ব পালনে যোগ্য বলেই প্রতীয়মান হয়েছেন। তবে সমস্যা রয়েছে বিপ্লবের অংশীদারদের মধ্যে, যারা দেশের সংকটময় মুহূর্তে নিজেদের দায়িত্ব ভুলে ক্ষমতার জন্য প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হচ্ছে।

দেশ অবশ্যই একটি রাজনৈতিক দলের দ্বারা পরিচালিত হওয়া উচিত এবং এটি এখন বিএনপির পালা। জনগণ প্রত্যাশা করে বিএনপির নেতৃত্ব এমন পরিপক্কতা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা প্রদর্শন করবে, যা অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত হুমকির মুখে দেশকে রক্ষা করতে সক্ষম হবে।

বাংলাদেশের জনগণ ঐতিহাসিকভাবে স্বাধীনতাপ্রেমী এবং যারা জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যাবে, তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে কখনও দ্বিধা করবে না। বাংলাদেশের জন্য যারা রাজনীতি করছেন, তাদের সবার এই বাস্তবতা মনে রাখা উচিত।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আইন