a আদালতে প্রকাশ্যে রায় ও আদেশ ঘোষণা করতে হবে: সুপ্রিম কোর্ট
ঢাকা রবিবার, ২৫ মাঘ ১৪৩২, ০৮ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

আদালতে প্রকাশ্যে রায় ও আদেশ ঘোষণা করতে হবে: সুপ্রিম কোর্ট


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৮:৪০
আদালতে প্রকাশ্যে রায় ও আদেশ ঘোষণা করতে হবে: সুপ্রিম কোর্ট

ফাইল ছবি

মামলার যে কোনো রায় বা আদেশ প্রকাশ্য আদালতে ঘোষণা করতে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এক মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের এই নির্দেশনা মেনে চলতে বিচারকদের প্রতি সার্কুলার জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। 

গতকাল বুধবার এই সার্কুলার জারি করা হয়। এতে বলা হয়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে নিম্ন আদালতসমূহের বিচারকের জামিনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অন্তর্বর্তী আদেশ ও রায় প্রকাশ্য আদালতে মামলার সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ বা তাদের আইনজীবীদের উপস্থিতিতে ঘোষণার নির্দেশ দেওয়া হলো।

উল্লেখ্য, ‘দুদক বনাম পার্থ গোপাল বনিক ও অন্য’ মামলার রায়ে হাইকোর্ট বলেছে, ৮০ লাখ টাকা আত্মসাত্ ও পাচারের মামলায় সাবেক ডিআইজি প্রিজন্স পার্থ গোপাল বনিকের জামিন আবেদন শুনানির পর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক মো. ইকবাল হোসেন তাত্ক্ষণিক ভাবে প্রকাশ্য আদালতে কোনো আদেশ প্রদান করেননি, যা সংশ্লিষ্ট আইনজীবীগণ কর্তৃক স্বীকৃত। 

আদেশটি অতিগোপনে কারা কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা হয়, যা সংশ্লিষ্ট পক্ষের আইনজীবীরাও জ্ঞাত ছিলেন না। এ ধরনের ঘটনা হতাশা ও লজ্জাজনক এবং আইনের সাথে সংগতিহীন।

সংশ্লিষ্ট আইনসমূহে অর্থাত্ ফৌজদারি কার্য বিধির ধারা ৩৬৬ এবং ক্রিমিনাল রুলস অ্যান্ড অর্ডাস (প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রসিকিউটর অব সাব-অর্ডিনেট কোর্টস), ২০০৯ রুল ১৭৯(২)-এ সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে ‘রায়’ প্রকাশ্য আদালতে সংশ্লিষ্ট পক্ষদের উপস্থিতিতে প্রদান করতে হবে। 

যদিও আইন ও বিধিতে ‘রায়’ শব্দটি উল্লেখ রয়েছে, কিন্তু আইন ও বিধির মর্ম হলো গুরুত্বপূর্ণ যে কোনো বিষয়ে আদালতের আদেশ/সিদ্ধান্ত প্রকাশ্য আদালতে প্রদান করতে হবে। কিন্তু এই মামলায় আইনের ব্যত্যয় ঘটানো হয়েছে। 

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের দ্বৈত বেঞ্চ চলতি মাসে এই রায় দেন। এই রায়ের নির্দেশনা মেনে চলার জন্য অধস্তন আদালতের সকল পর্যায়ের বিচারকদের প্রতি সার্কুলার জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সশস্ত্রবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার যথাযথ ব্যবহার করতে হবে


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৪ মার্চ, ২০২৫, ০৪:০৬
সশস্ত্রবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার যথাযথ ব্যবহার করতে হবে

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  দেশের বর্তমান চলমান উদ্বেগজনক আইনশৃঙ্খলা পরিস্হিতিতে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে নতুন বাংলাদেশের অঙ্গীকার নিয়ে গঠিত জনতার দল। আজ ২৪ মার্চ ২৫, সকাল ১১ ঘটিকায় ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস ছালাম হলে মূলত দুইটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। আইটেম-১। সশস্ত্রবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার যথাযথ প্রয়োগ না হওয়া প্রসংগে।

আইটেম-২। আর পি ও ১২(১)(চ) এর সংশোধনী প্রসংগে।
সংবাদ সম্মেলনের প্রথম বিষয়, সশস্ত্রবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার যথাযথ প্রয়োগ না হওয়া প্রসংগে জনতার দলের প্রধান সমন্বয়ক এবং মুখপাত্র ডেল এইচ খান বলেন, ৫ আগষ্ট স্বৈরাচার পতনের পরে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্হিতির চরম অবনতি ঘটে। ক্রমান্বয়ে এ পরিস্হিতির সামান্য উন্নতি হলেও উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা ক্রমশ বাড়ছে। গত ০১ মাসে শিশুধর্ষণ এবং মব জাষ্টিসের ঘটনাগুলো প্রমান করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্হিতির কতটা ভঙ্গুর! প্রায় ৬ মাস ধরে সশস্ত্রবাহিনী ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা নিয়ে মাঠে থাকা সত্বেও আইনশৃঙ্খলা উন্নতি হচ্ছে না। তৃণমূল পর্যায়ে কোনো কোনো রাজনৈতিক দলের দখলদারী ও চাঁদাবাজী অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। জুলাই বিপ- বের ছাত্র হত্যা মামলাকে পুঁজি করে সারাদেশে অসংখ্য মিথ্যা মামলা হয়েছে। সরকার, স্বরাষ্ট্রউপদেষ্টা, আইজিপিসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে সতর্কতা বা মিথ্যা মামলায় হয়রানি না করার জন্য প্রজ্ঞাপন জারী করার পরও কোনো কাজ হচ্ছে না।

অনেক সাধারণ - নিরীহ মানুষ ঘরে ঘুমাতে পাচ্ছেন না। এলাকার পারিবারিক, সামাজিক এবং রাজনৈতিক বিষয়ে প্রতিপক্ষের প্রতি চরম প্রতিহিংসামূলক আচরণ করা হচ্ছে। এ পরিস্হিতিতে সশস্ত্রবাহিনীকে ম্যাজিষ্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে দীর্ঘদিন মাঠে রাখার ফলে সশস্ত্রবাহিনীর ভাবমূর্তি ভীষণভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে। যদি সরকার আম্ভরিক থাকে সশস্ত্রবাহিনীর বহুমাত্রিক ব্যবহার করে ১৫ দিনের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্হিতির অভূতপূর্ণ উন্নতি করা সম্ভব। এ বক্তব্যের আলোকে আমাদের দলীয় অবস্হান - হয় সশস্ত্রবাহিনীর ম্যাজিষ্ট্রেসি ক্ষমাতার পূর্ণ/সদ্ব্যবহার করা হোক নতুবা সশস্ত্রবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরে নেয়া হোক। এমন দীর্ঘ মোতায়েনের ফলে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী।

সংবাদ সম্মেলনের ২য় বিষয়, আর পি ও ১২(১)(চ) এর সংশোধনী প্রসংগে বলেন, জনপ্রতিনিধিত্ব আইন ১৯৭২ এর আর্টিকেল ১২(১) (চ) এর ধারামতে প্রজাতন্ত্রের বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের বা প্রতিরক্ষা কর্ম বিভাগের কোনো চাকুরী থেকে পদত্যাগ করেছেন এবং উক্ত পদত্যাগ বা অবসর গমনের পর ৩ বছর অতিবাহিত না হলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। এ ধারাকে চ্যালেঞ্জ করে ২০২৩ সালে মোট ৪টি রীট পিটিশন করা হয় - যা বিগত স্বৈরাচারী সরকারের ফরমায়েশি আদেশে মহামান্য হাইকোর্টে খারিজ করেন।

বাংলাদেশের সংবিধানের আর্টিকেল ৬৬ (২) এ সংসদ নির্বাচনের অযোগ্যতার কারণসমূহ সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ধারাটি বাংলাদেশ সংবিধানের আর্টিকেল ১১, ১৯, ২৬-২৭ এবং ৬৬ এর সাথে সাংঘর্ষিক এবং এ-তে অবসারপ্রাপ্ত সরকারী চাকুরীজীবীগণের সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুন্ন করা হয়েছে। বিপ-বোত্তর সময়ে গঠিত নির্বাচন ব্যবস্হা সংস্কার তাঁদের সুপারিশে আর পি ও'র এই ধারাটি বাতিলের সুপারিশ করেননি। এ ধারাটি নির্বাহী আদেশে বাতিল করতে অর্ববর্তীকালীন সরকারকে বিনীত অনুরোধ করছি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বিশ্বের প্রথম করোনা টিকার স্থায়ী অনুমোদন পেয়েছে ফাইজার


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ২৪ আগষ্ট, ২০২১, ০৯:৩৫
বিশ্বের প্রথম করোনা টিকার স্থায়ী অনুমোদন পেয়েছে ফাইজার

ফাইল ছবি

বিশ্বে সর্বপ্রথম করোনার টিকা হিসেবে স্থায়ী অনুমোদন পেয়েছে ফাইজার-বায়োএনটেকের করোনার টিকা। স্থায়ী অনুমোদনের পূর্বে এটি শুধু জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

গতকাল সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন-ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) এ তথ্য জানিয়েছে। করোনার ডেল্টা ধরন রুখতে কার্যকারিতার প্রমাণ পাওয়ায় ফাইজারের টিকাকে স্থায়ী ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

এফডিএর কমিশনার জেনেট উডকক বলেন, এ সিদ্ধান্ত আমাদের কাছে একটি বিশেষ মাইলফলক। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা টিকা নেওয়ার জন্য আরও আত্মবিশ্বাসী হবেন। তার দাবি, মানবদেহে দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষার ফলাফল বিশ্নেষণ করেই ফাইজারকে পূর্ণাঙ্গ ছাড়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তাই যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএ, ১৬ বছর বা তার বেশি বয়সের সবার জন্য ফাইজার ভ্যাকসিনের পূর্ণ অনুমোদনের কথা ঘোষণা করল। এ কমিশনার জেনেট উডকক সোমবার বিবৃতিতে আরও জানান, জনগণ এখন আশ্বস্ত হতে পারেন এফডিএ একটি দ্রব্য অনুমোদনের জন্য যে নিরাপত্তা, কার্যকারিতা ও গুণগত মান আশা করে, এ ভ্যাকসিন তা সফলভাবে অর্জন করেছে।

গত ডিসেম্বর মাসে, ফাইজার-বায়োএনটেকের ভ্যাকসিনকে জরুরি ভিত্তিতে অনুমোদন দেওয়া হয়। স্থায়ী অনুমোদনের পর ফাইজার সংস্থার সিইও আলবার্ট বুরলা আশা ব্যক্ত করেন যে, এ সিদ্ধান্ত আমাদের ভ্যাকসিনের ওপর আস্থা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে, কারণ জীবন বাঁচাতে এই ভ্যাকসিনই সর্বোত্তম পন্থা বলে বিবেচিত।

বিবিসির তথ্যমতে গত ডিসেম্বরে আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য ফাইজারের টিকাকে ছাড়পত্র দিয়েছিলেন। তার আগে ব্রিটেন, বাহরাইন, কানাডা, সৌদি আরব ও মেক্সিকো সরকারের জরুরি অনুমোদন পেয়েছিল ।

স্বাস্থ্যবিষয়ক সাময়িকী ল্যানসেটে প্রকাশিত এক গবেষণার তথ্য মতে ফাইজার ও অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকার দুই ডোজ নেওয়ার পর দেহে তৈরি হওয়া সামগ্রিক অ্যান্টিবডি মাত্রা ছয় সপ্তাহের মধ্যে কমতে শুরু করবে। আর ১০ সপ্তাহের মধ্যে তা ৫০ শতাংশ কমে যেতে পারে।

গবেষণাটি করেছেন ব্রিটেনের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের (ইউএলসি) বিজ্ঞানীরা। তারা বলেন, যদি অ্যান্টিবডির মাত্রা এভাবে কমতে থাকে, তবে টিকার সুরক্ষা প্রভাবও কমে যাও শুরু করবে। বিশেষ করে নতুন ভ্যারিয়েন্টের ক্ষেত্রে এই আশঙ্কা বেশি দেখা দেবে। খবর এনডিটিভির।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আইন