a জরুরি সেবা দিতে কোন হাসপাতাল অসম্মতি জানাতে পারবে না: হাইকোর্ট
ঢাকা বুধবার, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৮ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

জরুরি সেবা দিতে কোন হাসপাতাল অসম্মতি জানাতে পারবে না: হাইকোর্ট


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১০:৪৬
জরুরি সেবা দিতে কোন হাসপাতাল অসম্মতি জানাতে পারবে না: হাইকোর্ট

ফাইল ছবি

জরুরি চিকিৎসাসেবা দিতে কোনো সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অসম্মতি জানাতে পারবে না বলে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

হাসপাতাল, ক্লিনিক বা চিকিৎসকের কাছে কোনো অসুস্থ ব্যক্তিকে নেওয়া হলে তাৎক্ষণিক তাকে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অসম্মতি জানাতে পারবে না।

তবে জরুরি স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা না থাকলে তাকে কাছের কোনো হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে। সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের তালিকা আগামী তিন মাসের মধ্যে আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে।

জরুরি চিকিৎসাসেবা বিভাগ রয়েছে এমন হাসপাতাল ও ক্লিনিকের পৃথক তালিকা এবং সেগুলোর বর্তমান অবস্থার বিস্তারিত বিবরণ দাখিল করতে হবে।

রোববার এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এসএম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

একইসঙ্গে দেশে বিদ্যমান সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক প্রয়োজন বিশেষে যে কোনো অসুস্থ ব্যক্তিকে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা দিতে অসম্মতি জানানোকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

কোনো হাসপাতাল বা ক্লিনিকে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার ব্যবস্থা না থাকলে জরুরি সেবা রয়েছে এমন কাছের কোনো হাসপাতালে উক্ত ব্যক্তিকে কেন পাঠানো হবে না রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকের নতুন লাইসেন্স ইস্যু করার সময় এবং বিদ্যমান রেজিস্টার্ড হাসপাতাল বা ক্লিনিকের লাইসেন্স নবায়ন করার সময় জরুরি স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ আবশ্যিকভাবে বিদ্যমান থাকতে হবে- এমন শর্ত যুক্ত করে দিতে কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না- রুলে তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

স্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতের আদেশ সম্পর্কে রিটের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম বলেন, এ আদেশের ফলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মুমূর্ষু রোগীকে জরুরি চিকিৎসাসেবা দিতে বাধ্য থাকবে। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সশস্ত্রবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার যথাযথ ব্যবহার করতে হবে


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৪ মার্চ, ২০২৫, ০৪:০৬
সশস্ত্রবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার যথাযথ ব্যবহার করতে হবে

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  দেশের বর্তমান চলমান উদ্বেগজনক আইনশৃঙ্খলা পরিস্হিতিতে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে নতুন বাংলাদেশের অঙ্গীকার নিয়ে গঠিত জনতার দল। আজ ২৪ মার্চ ২৫, সকাল ১১ ঘটিকায় ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস ছালাম হলে মূলত দুইটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। আইটেম-১। সশস্ত্রবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার যথাযথ প্রয়োগ না হওয়া প্রসংগে।

আইটেম-২। আর পি ও ১২(১)(চ) এর সংশোধনী প্রসংগে।
সংবাদ সম্মেলনের প্রথম বিষয়, সশস্ত্রবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার যথাযথ প্রয়োগ না হওয়া প্রসংগে জনতার দলের প্রধান সমন্বয়ক এবং মুখপাত্র ডেল এইচ খান বলেন, ৫ আগষ্ট স্বৈরাচার পতনের পরে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্হিতির চরম অবনতি ঘটে। ক্রমান্বয়ে এ পরিস্হিতির সামান্য উন্নতি হলেও উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা ক্রমশ বাড়ছে। গত ০১ মাসে শিশুধর্ষণ এবং মব জাষ্টিসের ঘটনাগুলো প্রমান করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্হিতির কতটা ভঙ্গুর! প্রায় ৬ মাস ধরে সশস্ত্রবাহিনী ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা নিয়ে মাঠে থাকা সত্বেও আইনশৃঙ্খলা উন্নতি হচ্ছে না। তৃণমূল পর্যায়ে কোনো কোনো রাজনৈতিক দলের দখলদারী ও চাঁদাবাজী অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। জুলাই বিপ- বের ছাত্র হত্যা মামলাকে পুঁজি করে সারাদেশে অসংখ্য মিথ্যা মামলা হয়েছে। সরকার, স্বরাষ্ট্রউপদেষ্টা, আইজিপিসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে সতর্কতা বা মিথ্যা মামলায় হয়রানি না করার জন্য প্রজ্ঞাপন জারী করার পরও কোনো কাজ হচ্ছে না।

অনেক সাধারণ - নিরীহ মানুষ ঘরে ঘুমাতে পাচ্ছেন না। এলাকার পারিবারিক, সামাজিক এবং রাজনৈতিক বিষয়ে প্রতিপক্ষের প্রতি চরম প্রতিহিংসামূলক আচরণ করা হচ্ছে। এ পরিস্হিতিতে সশস্ত্রবাহিনীকে ম্যাজিষ্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে দীর্ঘদিন মাঠে রাখার ফলে সশস্ত্রবাহিনীর ভাবমূর্তি ভীষণভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে। যদি সরকার আম্ভরিক থাকে সশস্ত্রবাহিনীর বহুমাত্রিক ব্যবহার করে ১৫ দিনের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্হিতির অভূতপূর্ণ উন্নতি করা সম্ভব। এ বক্তব্যের আলোকে আমাদের দলীয় অবস্হান - হয় সশস্ত্রবাহিনীর ম্যাজিষ্ট্রেসি ক্ষমাতার পূর্ণ/সদ্ব্যবহার করা হোক নতুবা সশস্ত্রবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরে নেয়া হোক। এমন দীর্ঘ মোতায়েনের ফলে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী।

সংবাদ সম্মেলনের ২য় বিষয়, আর পি ও ১২(১)(চ) এর সংশোধনী প্রসংগে বলেন, জনপ্রতিনিধিত্ব আইন ১৯৭২ এর আর্টিকেল ১২(১) (চ) এর ধারামতে প্রজাতন্ত্রের বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের বা প্রতিরক্ষা কর্ম বিভাগের কোনো চাকুরী থেকে পদত্যাগ করেছেন এবং উক্ত পদত্যাগ বা অবসর গমনের পর ৩ বছর অতিবাহিত না হলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। এ ধারাকে চ্যালেঞ্জ করে ২০২৩ সালে মোট ৪টি রীট পিটিশন করা হয় - যা বিগত স্বৈরাচারী সরকারের ফরমায়েশি আদেশে মহামান্য হাইকোর্টে খারিজ করেন।

বাংলাদেশের সংবিধানের আর্টিকেল ৬৬ (২) এ সংসদ নির্বাচনের অযোগ্যতার কারণসমূহ সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ধারাটি বাংলাদেশ সংবিধানের আর্টিকেল ১১, ১৯, ২৬-২৭ এবং ৬৬ এর সাথে সাংঘর্ষিক এবং এ-তে অবসারপ্রাপ্ত সরকারী চাকুরীজীবীগণের সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুন্ন করা হয়েছে। বিপ-বোত্তর সময়ে গঠিত নির্বাচন ব্যবস্হা সংস্কার তাঁদের সুপারিশে আর পি ও'র এই ধারাটি বাতিলের সুপারিশ করেননি। এ ধারাটি নির্বাহী আদেশে বাতিল করতে অর্ববর্তীকালীন সরকারকে বিনীত অনুরোধ করছি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে ক্রিকেটার রশিদ খানের টুইট


ক্রীড়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১৫ আগষ্ট, ২০২১, ০৮:৩২
আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে ক্রিকেটার রশিদ খানের টুইট

ফাইল ছবি

নিজের দেশে তালেবান সৈন্যদের হাতে ইতোমধ্যে চলে গেছে। আফগানিস্তানের তারকা ক্রিকেটার নিজের দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন। এই কঠিন সময়ে দফায় দফায় রশিদের টুইটে স্পষ্ট তার দুর্ভাবনার কথা। আজ রবিবার (১৫ আগস্ট) এক টুইট বার্তায় রশিদ লিখেছেন, ‘শান্তি।’ সেই টুইটে তিনি যে ইমুজি ব্যবহার করেছেন, তা বোঝাচ্ছে আফগানিস্তানের শান্তির জন্য প্রার্থনার আহ্বান।

এর পূর্বে  গত ১০ আগস্ট জোড়া টুইট করে বিশ্ব নেতাদেত দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেন ক্রিকেটার  রশিদ খান। আফগানিস্তানে চলমান পরিস্থিতিকে ‘যুদ্ধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে আর্তমানবতার সেবায় এগিয়ে এসে নিজের নামে গড়া রশিদ খান ফাউন্ডেশনে অনুদানের আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিনই আরেক টুইটে তিনি বিশ্বনেতাদের আফগানিস্তানে শান্তি ফেরানোর আহ্বান জানান। রশিদ লিখেন, ‘প্রিয় বিশ্ব নেতারা, আমার দেশে যুদ্ধ চলছে। নারী ও শিশুসহ হাজার হাজার নিরীহ মানুষ প্রতিদিন শহীদ হচ্ছেন। বাড়িঘর সব ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। হাজারো পরিবার হয়ে পড়েছে গৃহহীন। আমাদের মারবেন না, ধ্বংস করবেন না। আমরা শান্তি চাই।’ 

রশিদ খানের এ টুইট বার্তায় অনেকেই দ্বিমত পোষণ করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করতেছেন যখন আফগানিস্তান আমেরিকা সেনাদের দ্বারা বিপর্যস্ত হচ্ছিলো তখন তার ভিতর এই প্রেম কই ছিলো? এখন দেশে শতভাগ ইসলামি আইন প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করে যাচ্ছে তালেবানরা যা তার কাছে যুদ্ধ মনে হয়েছে!

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আইন