a প্রধান বিচারপতির আজ শপথ
ঢাকা মঙ্গলবার, ১৪ মাঘ ১৪৩২, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

প্রধান বিচারপতির আজ শপথ


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শুক্রবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২১, ১১:৪৮
প্রধান বিচারপতির আজ শপথ

ফাইল ছবি

নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী আজ বিকেলে শপথ নেবেন।  রাজধানীর বঙ্গভবনে বিকায় ৪টায় ২৩তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেবেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন।

হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীকে বৃহস্পতিবার রাতে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তিনি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের পদে স্থলাভিষিক্ত হলেন।

সংবিধান অনুযায়ী প্রধান বিচারপতিসহ সুপ্রিমকোর্টের বিচারকরা ৬৭ বছর পর্যন্ত পদে থাকতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ৬৫ বছর বয়সি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী প্রায় দুই বছর প্রধান বিচারপতির আসনে থাকবে।

তিনি ২০১৫ সাল থেকে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। উল্লেখ্য, তার বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিকীও আপিল বিভাগের বিচারপতি ছিলেন।

বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ১৯৫৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার রমানাথপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর পাসের পর আইনে ডিগ্রি অর্জন করে আইন পেশায় যোগ দেন।

১৯৮১ সালে জেলা আদালত, ১৯৮৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগ ও ১৯৯৯ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৯ সালে হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে যোগদান করেন। তিনি ২০১৩ সালে আপিল বিভাগের বিচারক হন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

নিয়োগ বঞ্চিত ৭৫৭ এস আই ও সার্জেন্ট চাকুরীতে ফিরতে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা


সাইফুল আলম, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫, ১২:৪৫
নিয়োগ বঞ্চিত ৭৫৭ এস আই ও সার্জেন্ট চাকুরীতে ফিরতে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা: সুপারিশকৃত ২০০৭ সালে বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ বঞ্চিত এস.আই ও সার্জেন্ট প্রার্থীদের চাকুরীতে যোগদানে প্রধান উপদেষ্টা মহোদয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের দাবীতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে নিয়োগ বঞ্চিত ৭৫৭ পুলিশ এস আই ও সার্জেন্টবৃন্দ। আজ সকালে রাজধানীর ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন হলে কান্না বিজারিত এবং আবেগ ঘন মুহূর্ত নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলন করেন পুলিশে নিয়োগ বঞ্চিত এই সদস্যরা।

সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্য দিয়ে সকল সদস্যদের পক্ষে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, স্বরাষ্ট্র, অর্থ, জনপ্রশাসন, পুলিশ সদর দপ্তর এবং আইন মন্ত্রণালয়ের সুপারিশকৃত ২০০৭ সালে বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ বঞ্চিত এস.আই ও সার্জেন্ট প্রার্থীদের চাকুরীতে যোগদানে প্রধান উপদেষ্টা মহোদয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের দাবীতে আজ আমরা এখানে উপস্থিত হয়েছি। আমরা ২০০৬ সালে চূড়ান্ত নির্বাচিত ও ২০০৭ সালে নিয়োগ বঞ্চিত এস.আই ও সার্জেন্ট প্রার্থীগণ অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি।

২০০৬ সালে চূড়ান্ত নির্বাচিত ৫৩৬ জন এস.আই ও ২২১ জন সার্জেন্টকে তৎকালীন আই.জি.পি নূর মোহাম্মদ ও ডি.আই.জি বেনজির আহমেদ মহোদয় কোন প্রকার নোটিশ প্রজ্ঞাপন ব্যতিরেকে শুধুমাত্র একটি সাদা কাগজে নোটের মাধ্যমে শুধুমাত্র দলীয় ট্যাগে ঢালাওভাবে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া অবৈধভাবে বাতিল ঘোষণা করে।

তৎকালীন সময়ে আমরা আইনের দ্বারস্থ হয়েও সুবিচার থেকে বঞ্চিত হই। সুদীর্ঘ ১৮ বছর তৎকালীন ফ্যাসিষ্ট সরকার হাসিনার আমলেও আমরা কোন প্রকার সুবিচার পাইনি বরং নানাভাবে দমন-পীড়নের স্বীকার হয়েছি।

বিগত ৫ আগষ্ট ২০২৪ সালে ছাত্রজনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর রাজনীতির আকাশে ঘনকালো মেঘ ভেদ করে নতুন ভোরে নতুন সূর্য উদীত হলে আবারও আমরা নতুন করে, নতুন আশার আলো দেখতে পাই। বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মানে অন্তর্বর্তী সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মহোদয়ের নির্দেশক্রমে আমাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনর্বহালে উপস্থিত ৩৩০ জনের একটি তালিকাসহ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সুপারিশক্রমে একটি আবেদন করা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব(পুলিশ) যুগ্মসচিব (জনপ্রশাসন), যুগ্মসচিব (আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়) এবং পুলিশ সদর দপ্তরের ডি.আই.জি (অ্যাডমিন) পদমর্যাদার উচ্চপর্যায়ের ৬ সদস্যের কমিটি তৎকালীন আই.জি.পি নুর মোহাম্মদ ও ডি.আই.জি বেনজির আহম্মেদ মহোদয়ের সাদা কাগজের বাতিল আদেশটি বাতিল করে আমাদের নিয়োগ পুনর্বহালের সুপারিশ গত ০৭/০৫/২০২৫ইং তারিখে প্রদান করেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা ডঃ আসিফ নজরুল স্যারের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি সবদিক যাচাই-বাছাই করে, এই বিষয়ে একটি Legitimate Expectation তৈরী হয়েছে। সেকারণে, ২০০৬ সালের বাতিলকৃত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে প্রশাসনিক আদেশ দ্বারা নিয়োগের শর্ত পূরণ সাপেক্ষে নিয়োগ প্রদান করা যেতে পারে বলে গত ২৩/০৪/২০২৫ইং তারিখে মতামত প্রদান করা হয়।

আমাদের নিয়োগ সংক্রান্ত সারসংক্ষেপটি ৬ মাস ১৪ দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। অথচ আমরা ফ্যাসিষ্ট হাসিনা সরকার দ্বারা বিগত ১৮ বছর বৈষম্যের স্বীকার হয়ে এখনও বৈষম্যমুক্ত মানবিক নতুন বাংলাদেশে আমাদের সারসংক্ষেপ অনুমোদনের অপেক্ষায় পরিবার-পরিজন নিয়ে অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছি।

আমাদের দাবী, বৈষম্যমুক্ত নতুন বাংলাদেশে মানবিক সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা মহোদয়ের নিকট আন্তরিক শ্রদ্ধা রেখে বিনয়ের সহিত বলতে চাই-- ২০০৭ সালে বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ বঞ্চিত ৭৫৭ জন এস.আই সার্জেন্টদের জেষ্ঠতাসহ বয়স ট্রেনিংকালীন সময় প্রমার্জনা করে অনতিবিলম্বে চাকরিতে যোগদানের অনুমতি প্রদান করে দেশ তথা রাষ্ট্রীয় সেবায় অংশগ্রহণের আদেশ প্রদান করে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপনের অনুরোধ করছি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা মানববন্ধন করেছে বসুন্ধরার এমডিকে গ্রেপ্ততারের দাবিতে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ০১ মে, ২০২১, ১০:১৬
মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা মানববন্ধন করেছে বসুন্ধরার এমডিকে গ্রেপ্তার দাবিতে

মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড ও মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মের মানববন্ধন। ফাইল ছবি

মোসারাত জাহান মুনিয়ার আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলার একমাত্র আসামি বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে বীর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড ও মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম নামের দুটি সংগঠন।

আজ শনিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংগঠন দুটির নেতারা মানববন্ধনে অংশ নিয়ে এ দাবি জানান।

মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড ও মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মের নেতারা বলেছেন, অবিলম্বে মোসারাত জাহানের মৃত্যুর সঠিক তদন্ত করতে হবে। মামলার আসামি বসুন্ধরা গ্রুপের সায়েম সোবহানকে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। একই সঙ্গে এর সঙ্গে যারা যারা জড়িত, তাঁদের সবােইকে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান।

মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড ও মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম নামের সংগঠনটির সভাপতি মেহেদী হাসান মানববন্ধনে বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট বলতে চাই, বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীর কোথায় আছেন, সেটি সবাই জানতে চায়। তিনি যদি লুকিয়ে থাকেন, তাহলে তাঁকে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে। আর যদি পালিয়ে যান, সেটা আমাদের জাতির ব্যর্থতা। সরকারের ব্যর্থতা। আমরা জেনেছি, নিহত মুনিয়ার বোনকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তাঁর পরিবার জীবনের নিরাপত্তা পাচ্ছে না।’

কুমিল্লার মেয়ে উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থী মোসারাত জাহানের মৃত্যু নিয়ে গণমাধ্যমের ভূমিকার সমালোচনা করেন মানববন্ধনে অংশ নেওয়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড ও মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম নামের সংগঠনটির নেতারা।

মেহেদী হাসানের অভিযোগ, মুনিয়ার মৃত্যুর পর তাঁর চরিত্র হননের অপচেষ্টা করা হচ্ছে। একটি মহল অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মুনিয়ার মৃত্যু নিয়ে সঠিক সংবাদ যাতে প্রচার না হয় তারও চেষ্টা করা হচ্ছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা রেজ্জাকুল হায়দার, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান দীপাবলি, হাবিবুল্লাহ মেজবাহ প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গত ২৬ এপ্রিল রাতে গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে মোসারাতের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তাঁর বোন নুসরাত জাহান বাদী হয়ে গুলশান থানায় মামলা করেন।

আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় আগাম জামিন পেতে বসুন্ধরার এমডি সায়েম সোবহান আনভীর হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। তবে উচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের বিধি ও চলমান সর্বাত্মক লকডাউনে সরকারি বিধিনিষেধের কারণে এ মুহূর্তে কোনো ধরনের আগাম জামিন আবেদন শোনা যাবে না বলে অভিমত জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ অভিমত জানান। সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - আইন