a
ফাইল ছবি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সহ পৃথিবীতে অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ইনস্টাগ্রাম। বিশেষ করে সেলিব্রেটিদের এই মাধ্যমটি বেশি ব্যবহার করতে দেখা যায়, মাঝে মাঝেই শোনা যায় কারো না কারো আইডি হ্যাক হয়ে গিয়েছে বা ভুলবশত নিজের একাউন্ট এর সব ছবি ডিলেট করে দিয়েছে। সে কথা চিন্তা করেই বিশেষ এক সুবিধা নিয়ে আসলো ইনস্টগ্রাম। ইনস্টাগ্রাম তাদের অ্যাপে এইবার নিয়ে আসলো নতুন একটা ফিচার যার মাধ্যমে সহজেই মুছে ফেলা ছবি আবার ফিরিয়ে আনা যাবে।
বিশেষ করে হ্যাক হয়ে যাওয়া অ্যাকাউন্ট এর সকল ছবি হ্যাকার ডিলিট করে দেয় কিন্তু যখন অ্যাকাউন্ট উদ্ধার করা হয় তখন সেই পুরনো ছবি ফিরে পাওয়া যায় না।
মাঝে মাঝে আমরা নিজেরাও ভুল করে আমাদের একাউন্টের ছবি ডিলিট করে থাকি। এই সমস্যা সমাধানের জন্যই ইনস্টাগ্রাম এই নতুন ফিচার যুক্ত করেছেন। নতুন সংস্করণ থেকে অ্যাকাউন্ট করলে রিসেন্টলি ডিলিটেড’ নামের নতুন একটি ফোল্ডারে জমা হবে ডিলিট করা ছবি সেখান থেকেই চিরতরে মুছে ফেলা যাবে অথবা পুনরুদ্ধার (রিস্টোর) করা যাবে।
যা সাধারণত ডেস্কটপ,ল্যাপটপের রিসাইকেল বিনের মতো কাজ করবে। কিন্তু এই সুবিধা নিতে হলে অবশ্যই পাসওয়ার্ড লাগবে।
ছবি, ভিডিও, রিল, আইজিটিভি ভিডিও থেকে স্টোরিজ পর্যন্ত সব ধরনের কাজে ব্যবহার করা যাবে এই ফিচার। এই ফাইল গুলো ৩০ দিন পর্যন্ত রিসেন্টলি ডিলিটেড নামের ফোল্ডারে জমা থাকবে।
এই ফিচার ব্যাবহার করার জন্য যেতে হবে হবে সেটিংস > অ্যাকাউন্ট > রিসেন্টলি ডিলিটেড অপশনে।
অনেক চিন্তাভাবনার পর অবশেষে এই সুবিধাটি গ্রাহকদের দেয়া হচ্ছে। ইনস্টাগ্রাম এক ব্লগ পোস্টে জানিয়েছেন ‘আমরা জানি, হ্যাকার অ্যাকাউন্টের অ্যাকসেস পেয়ে গেলে কখনো কখনো অ্যাকাউন্টের ছবি সহ বিভিন্ন ডকুমেন্ট ডিলিট করে ফেলেন। তাই যেন সবার প্রিয় মূহুর্তের ছবিগুলো যেন হারিয়ে না যায় সে পরিকল্পনা থেকেই এই ফিচার যুক্ত করা।
ফাইল ছবি: মোল্লা জালাল ও উদয় হাকিম
সাংবাদিক নেতা মোল্লা জালাল পুনরায় বৃহত্তর ময়মনসিংহ সাংবাদিক সমিতি ঢাকার সভাপতি পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। সমিতির সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন অনলাইন নিউজ পোর্টাল রাইজিং বিডির প্রধান সম্পাদক উদয় হাকিম। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সংগঠনটির প্রীতিভোজ ও সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সম্মেলন শেষে মোল্লা জালাল ও উদয় হাকিমের নেতৃত্বে ৩৫ সদস্যের নতুন কমিটি ঘোষণা করেন সমিতির বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক নুরুল হাসান খান। এ সময় বৃহত্তর ময়মনসিংহের ৬ জেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।
সংগঠনটির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এ ৬ জেলার নেতারা সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী। এ কমিটি আগামী দুই বছর দায়িত্ব পালন করবে। কমিটির প্রথম বৈঠক আগামী ১০ এপ্রিল জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক উদয় হাকিম।
কমিটির সহ-সভাপতিরা হলেন- আশরাফ আলী (টাঙ্গাইল), মহসিন আব্বাস (কিশোরগঞ্জ), নুরুল হাসান খান (নেত্রকোনা), পল্লব মাহমুদ (জামালপুর), রুশো হায়দার (শেরপুর)। যুগ্ম সম্পাদকরা হলেন- ইব্রাহিম খলিল খোকন (কিশোরগঞ্জ), মোহাম্মদ শাহজাদা (জামালপুর), শওকত আলী খান লিথো (নেত্রকোনা), আকতার হোসেন (ময়মনসিংহ) ও তানজিল রিমন (শেরপুর)।
এছাড়া কমিটির কোষাধ্যক্ষ সরদার ফরিদ আহমদ, প্রচার সম্পাদক বাহরাম খান, দফতর সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া। সাংস্কৃতিক সম্পাদকের পদটি এখনো শূন্য রয়েছে। কার্যকরী কমিটির প্রথম সভায় তা পূরণ করা হবে।
গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বৃহত্তর ময়মনসিংহের ৬ জেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা পদাধিকার বলে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য। তারা হলেন- কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার সভাপতি আজিজুল হক এরশাদ, সাধারণ সম্পাদক হামিদ মোহাম্মদ জসীম, টাঙ্গাইল সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার সভাপতি তালুকদার হারুন, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মান্না, ময়মনসিংহ সাংবাদিক সমিতি ঢাকার সভাপতি উৎপল কুমার সরকার, সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, জামালপুর সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার সভাপতি আবু সাঈদ, সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল, নেত্রকোনা সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার সভাপতি ফারুক তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ করিম, শেরপুর সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার আহবায়ক হকিকত জাহান হকি ও সদস্য সচিব মামুন আবদুল্লাহ।
এছাড়া ৬ জেলার নারী সদস্যরা হলেন- মফিদা আকবর (ময়মনসিংহ), শাকিলা জেসমিন (কিশোরগঞ্জ), শাহনাজ পারভীন এলিস (টাঙ্গাইল), বনশ্রী ডলি (নেত্রকোনা), খাতুনে জান্নাত কণা (জামালপুর) এবং তাছলিমা হোসেন শিখা (শেরপুর)।
ফাইল ছবি
গত সোমবার ১৭ মে রাত সাড়ে ১০ টায় ঢাকাগামী এক মোটরসাইকেল আরোহীকে দাউদকান্দি টোলপ্লাজায় ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। নিহতের বাড়ি শরিয়তপুর জেলার সখিপুর থানার বালা কান্দি গ্রামে।
দাউদকান্দি গোমতী টোলপ্লাজায় ছিনতাইকারীরা পথরোধ করে দাঁড়িয়ে মটর সাইকেল নিয়ে যেতে চাইলে বাধা দেয় বিল্লাল (২৫)। তখন ছিনতাকারী দলের সদস্যরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে বিল্লালকে আঘাত করলে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে সে। এরপর ভয়ে পালিয়ে যায় ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা। পরে ভুক্তভোগী বিল্লালকে (২৫) স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকা মৃত ঘোষণা করেন।
উক্ত ঘটনায় ১৮ মে মঙ্গলবার পুলিশ নিজে বাদী হয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
কোন ধরনের চিহ্ন না থাকা এই মামলাটি বেশ জটিল ছিল, তারপরেও অল্প সময়ের মধ্যেই দুই আসামীকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন দাউদকান্দি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নজরুল ইসলাম ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।
গ্রেফতারকৃত ছিনতাইচক্রের দুই সদস্য হলেন উপজেলার সবজিকান্দি গ্রামের আব্দুল ওয়াদুদ মিয়ার ছেলে মো. মনির হোসেন, একই উপজেলার দোনারচর গ্রামের মাইজউদ্দিনের ছেলে আলাউদ্দিন।
দাউদকান্দি মডেল থানার অফিসার-ইনচার্জ মো.নজরুল ইসলাম গনমাধ্যমকে জানান," বিল্লাল হোসেন খুনের অন্যতম আসামী মনির হোসেন ও আলাউদ্দিনকে আমরা গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। আসামি মনির হোসেন আদালতে ১৬৪ ধারায় হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। আসামি মনিরকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। জবানবন্দিতে আরও জড়িত থাকার নাম পেয়েছি। বাকী আসামীদেরকেও গ্রেফতার প্রক্রিয়া চলমান আছে।
তিনি আরও জানান, আসামী মনিরের বিরুদ্ধে এর আগে ৩ টি মামলা এবং আসামি আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে ডাকাতি, অস্ত্র, দ্রুত বিচার ও মাদকের ১২ টি মামলা বিচারাধীন আছে।"