ঢাকা শুক্রবার, ৩ আষাঢ় ১৪২৮, ১৮ জুন, ২০২১
Mukto Sangbad Protidin

৩৩৩ নম্বরে ফোন করে খাদ্য সহায়তা চাওয়া বৃদ্ধের পাশে টিম পজিটিভ বাংলাদেশ


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক বৃহস্পতিবার, ২৭ মে, ২০২১, ১২:২৫
৩৩৩ নম্বরে ফোন করে খাদ্য সহায়তা চাওয়া বৃদ্ধের পাশে টিম পজিটিভ বাংলাদেশ
সংগৃহিত ছবি

সরকারি খাদ্য সহায়তা নম্বর ৩৩৩ তে ফোন করে হেনস্থার শিকার হওয়া বৃদ্ধের জন্য খাদ্য সামগ্রী নিয়ে তার বাসায় গেছেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক টিম পজিটিভ বাংলাদেশের সভাপতি গোলাম রাব্বানী। কিছুদিন আগে ৩৩৩ নম্বরে ফোন করে খাদ্য সহায়তা চাওয়ায় জরিমানার শিকার হন বৃদ্ধ ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। 

গতকাল বুধবার নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার দেওভোগ নাগবাড়ি এলাকায় ফরিদ উদ্দিনের বাড়িতে ১০০ কেজি চাল, ৬০ কেজি আলু, ২৫ কেজি ডাল, ৮ কেজি তেল নিয়ে হাজির হন তিনি। এ সময় নগদ ৫ হাজার টাকাও সহযোগিতা করেছেন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার (২০ মে) সরকারি খাদ্য সহায়তা সেন্টার ৩৩৩-এ নম্বরে কল করে খাদ্য সহায়তা চেয়েছিলেন বৃদ্ধ ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। পরে গুজব রটানো হয় ঐ বৃদ্ধ চারতলা বাড়ির মালিক পরে ইউএনও তাকে জরিমানাস্বরুপ ১০০ জনকে খাদ্য সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দেন। তার উপর চাপিয়ে দেওয়া জরিমান পরিশোধের জন্য তিনি ধারদেনা করেন। 

পরে ঘটনার সত্যতা জানাজানি হলে পাশে দাড়ান জেলা প্রশাসক, এবার তার পাশে দাড়ালেন গোলাম রাব্বানী নিজে, রাব্বানীর পক্ষ থেকে সহায়তা পাঠানো হবে বলে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার ১৫ ঘন্টা পার না হতেই সাবেক এই সাধারণ সম্পাদক নিজেই বৃদ্ধের বাসায় উপস্থিত থেকে তাকে সাহায্য করেন। ফরিদ উদ্দিনের পরিবারে তার প্রতিবন্ধী ছেলে, কলেজ পড়ুয়া মেয়ে ও স্ত্রীর আছেন।

এ প্রসঙ্গে গোলাম রাব্বানীর বক্তব্য ছিল, আজ ফরিদ চাচার বাড়িতে গিয়ে বাস্তবতা দেখে এসেছি। টিম পজিটিভ বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে চাচাকে বেশ কিছু খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা করা হয়েছে। আশা রাখি তিন মাস এসব খাবার খেতে পারবেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন টিপিবি সদস্য শাকিল নিঝুম, রিয়াদুল ইসলাম ও শাহ পরান শাকিল।

রাব্বানি আরো বলেছেন, চলমান এ দুর্যোগে দেশের যেকোনো স্থান থেকে প্রকৃত অসহায় কেউ যদি ৩৩৩ নম্বরে ফোন করে মাঠ প্রশাসনের দায়িত্ব অবহেলায় খাদ্য সহায়তা না পান তাহলে টিম পজিটিভ বাংলাদেশকে অবহিত করুন। আমরা কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করবো ইনশাল্লাহ।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / [email protected]

স্বামী অপছন্দে অভিমানে নববধূর আত্মহত্যা


নিউজ ডেস্ক:
শনিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২১, ১০:০৬
স্বামী অপছন্দে অভিমানে নববধূর আত্মহত্যা

ফাইল ছবি

স্বামী পছন্দ না হওয়ায় বিয়ের মাত্র ২০ দিনের মাথায় তপতি রাণী (১৮) নামে এক নববধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

নওগাঁর রাণীনগরের কাশিমপুর হালদার পাড়া গ্রামে শনিবার (১০ এপ্রিল) দুপু‌রে এ ঘটনা ঘটে। তপতি ওই গ্রামের দেবনাথ হালদারের মেয়ে।
 
এ ঘটনার বিষয়ে তপতির মা তুলশি রাণী বলেন, গত ২০ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে নাটোর লালপুর উপজেলার তারাপুর মন্ডলপাড়া গ্রামের যুগল চন্দ্রের ছেলে মিঠন চন্দ্রের (২৩) সাথে বিয়ে হয় মেয়ের। বিয়ের মাত্র কয়েক দিন পর থেকে স্বামী পছন্দ না হওয়ায় সংসার করবে না জিদ ধরে নানা রকম টালবাহনা করতে থাকে। একপর্যায়ে শুক্রবার তপতির বড় ভগ্নিপতি শিবেন চন্দ্রকে জামাই-মেয়েকে আনতে পাঠায়।

তপতির মা তুলশি রাণী আরো বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় জামাই মিঠনসহ মেয়ে তপতি বাড়িতে পৌঁছায়। এরপর রাতে তপতি কেন সংসার করবে না এসব জানার পর পরিবার থেকে সংসার করতে অনুরোধ জানানো হয়। রাতে মা-মেয়ে একরুমে এবং দুই জামাই এক রুমে ঘুমিয়ে পড়ে।

এদিকে শনিবার খুব সকালে তুলশি রাণী ঘুম থেকে টয়লেট গেলে ফিরে এসে দেখতে পান তার মেয়ে তপতি গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঘরের তীরের সাথে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করছে। এ সময় মা তুলশির চিৎকারে লোকজন ছুটে এসে তপতিকে উদ্ধার করে রাণীনগর হাসপাতালে নিলে ডা. তাকে মৃত ঘোষণা করে।

রাণীনগর থানার ওসি মো. শাহিন আকন্দ এ ঘটনার বিষয়ে বলেন, তপতির বাবা দেবনাথ বাদী হয়ে থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের করেছেন। 

দুপুর নাগাদ মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

১২ ঘন্টা তান্ডব চালাতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‌‍‌‌‍‌‌'ইয়াস'


আবহাওয়া ডেস্ক:
সোমবার, ২৪ মে, ২০২১, ০৫:২৯
১২ ঘন্টা তান্ডব চালাতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‌‍‌‌‍‌‌ইয়াস

ফাইল ছবি

 

বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। রাতে এটা নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে বলে ধারণা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। গত (২২ মে) শনিবার উত্তর আন্দামান সাগর এবং আশেপাশের এলাকায় ওই লঘুচাপ তৈরি হয়। এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে এর নাম হবে ‘ইয়াস’।

রোববার সন্ধ্যায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ একেএম রুহুল কুদ্দুস গণমাধ্যমকে বলেছেন, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িষ্যা ও বিহার উপকূলীয় এলাকায় আছড়ে পড়তে পারে। বাংলাদেশের খুলনা উপকূলেও এটি আঘাত হানতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ টানা ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা তাণ্ডব চালাতে পারে। এ সময় বাতাসের গতি ঘণ্টায় গড়ে ১৮০ থেকে ২০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এই ঘূর্ণিঝড়ের পর্যবেক্ষণ ও তথ্য সংগ্রহ করার জন্য কন্ট্রোল রুম চালু করেছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়।

আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানা বলেছেন, আমরা পর্যবেক্ষণে রেখেছি, রোববার সন্ধ্যা বা রাত নাগাদ এটি নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। তখন সেটির কেন্দ্র, গতি বা কোনদিকে যাচ্ছে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। নিম্নচাপে পরিণত হলে ২৫ বা ২৬ তারিখে বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান।

নিম্নচাপটি দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ৭০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ৬২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে, মোংলা বন্দর থেকে ৭১০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা বন্দর থেকে ৬৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল।

ফলে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া আকারে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের কাছে সাগর উত্তাল রয়েছে।

অনলাইনে যুক্ত হয়ে দুর্যোগ মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতির আহ্বান জানিয়ে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক বলেন, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা আমাদের জন্য নতুন নয়। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বাঁধ মনিটরিংসহ জরুরি কাজের জন্য পর্যাপ্ত জিও ব্যাগ প্রস্তুত রাখা রয়েছে। সেইসঙ্গে প্রকৌশলীদের কাছে আক্রান্তদের জন্য মাস্ক, স্যালাইনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

মাঠপর্যায়ে সবার উপস্থিতি নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়ে পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম বলেন, জরুরি ভিত্তিতে লোকবল নিশ্চিত করাসহ সার্বক্ষণিক যোগাযোগ নিশ্চিত করতে হবে। দুর্যোগ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেউ স্টেশন ত্যাগ করতে পারবে না। কোথাও বাঁধ ক্ষতিগ্রস্থ হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ মোকাবিলায় উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৫১৭ আশ্রয় কেন্দ্র। এসব আশ্রয় কেন্দ্রে ঘূণিঝড়ের সময় করোনা স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রায় ৩ লাখ লোকের থাকাসহ গবাদিপশুও রাখা যাবে। একই সাথে এসব আশ্রয় কেন্দেরাখা হয়ে হ্যান্ড সেনিটাইজার, মাস্কসহ পর্যাপ্ত পানি ও সেনিটেশনের ব্যবস্থা। জেলা সদরসহ জেলার ৯টি উপজেলাসহ পুলিশ, মোংলা বন্দর কর্তপক্ষ, কোস্টাগার্ড, নৌবাহিনী, রেডক্রিসেন্ট, ফায়ার সার্ভিস ও পূর্ব সুন্দরবন বিভাগ জরুরী সেবা দিতে কন্টোল রুম খুলেছে।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook
×