a
ছবি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
স্পেনের সিমাগো ইনস্টিটিউশন র্যাঙ্কিং-২০২২ এর প্রকাশিত ফলাফলে আন্তর্জাতিক মানদন্ডে রসায়ন বিষয়ে গবেষণা সূচকে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। এই উপলক্ষে ২৪ জুলাই রোজ রবিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগকে সংবর্ধনা জানান। সিমাগো ইনস্টিটিউশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি গতবছরে বিভিন্ন বিষয়ে ১৯টি সূচকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৪ হাজার ১২৬টি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে জরিপ করেছে। জরিপে রসায়ন বিষয়ক গবেষণা সূচকে বাংলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সবার প্রথমে।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শামছুন নাহার বলেন, আমাদের এ অর্জন বিভাগের শিক্ষকদের টিম ওয়ার্কের ফসল। সকলের সমন্বয়ে আমাদের গবেষণা কার্যক্রম এগয়ে যাচ্ছে। করোনাকালে বিভাগের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত গবেষণা করেছেন, তাদের ত্যাগই আমদেরকে রসায়নে দেশসেরা করেছে।
এসময় বিজ্ঞান অনুষদের ডিন, রসায়ন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান বলেন, বিভাগের সাফল্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন আয়োজনে আমি আবেগতাড়িত হয়ে গেছি। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি যখন নিযুক্ত হই, বিভাগের শিক্ষকদের বসার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা ছিলনা, গবেষণার সুযোগ ছিলনা বললেই চলে। সেখান থেকে আমরা এখন দেশে রসায়নে প্রথম।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ড. কামালউদ্দীন আহমদ জানান, জবির সাবেক উপাচার্য ড. মীজানুর রহমান বলেছিলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার দিক থেকে সবচেয়ে ভালো বিভাগ হচ্ছে রসায়ন বিভাগ। আপনারা স্যারের কথা প্রমাণ করে চলছেন। তিনি আরো বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন শিক্ষক কিংবা শিক্ষার্থী তাদের কর্মক্ষেত্রে বা খেলাধুলায় এরকম সাফল্য দেখলে আমি আবেগ নিয়ন্ত্রন করতে পারিনা।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউজিসি অধ্যাপক ড. শরীফ এনামুল কবীর বলেন, ২০১৯ সালে আমি যখন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলাম তখন জাবি রসায়নে দেশসেরা ছিল, বর্তমানে আমি জবির রসায়ন বিভাগের সাথে যুক্ত আছি, এখন জবির রসায়ন বিভাগ দেশসেরা এজন্য আমি গর্বিত। এ বিভাগের তরুণ শিক্ষকরা গবেষণা প্রবণ এটা আশার আলো দেখায়।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. ইমদাদুল হক রসায়ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আপনারা বিশ্ববিদ্যালয়ের নামকে উজ্জ্বল করেছেন। আপনাদের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কৃতজ্ঞ। এসময় আগামীতে দেশসেরা হওয়ার জন্য বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণা কাজকে তরান্বিত করার আহ্বান জানান।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
জবি প্রতিনিধি, মুন্না শেখ: ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি সন্ত্রাসী বাহিনি কর্তৃক হামলার প্রতিবাদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একযোগে বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয় ।
সোমবার (৭ ই এপ্রিল) জোহরের নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ এর সামনে থেকে এ মিছিল শুরু হয়ে সম্পূর্ণ ক্যাম্পাস, ভিক্টোরিয়া পার্ক ও রায় সাহেব বাজার সংলগ্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের রফিক ভবনের সামনে এসে মিছিলটি শেষ হয়।
উক্ত সংহতি সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ট্রেজারার, প্রক্টর, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, বিভিন্ন সক্রিয় ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে বক্তারা গাজার সাধারণ মানুষের ওপর ইসরায়েলি আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানান এবং বিশ্ব নেতাদের প্রতি এই বর্বরতা বন্ধে দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান। তাঁরা বলেন, ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর বর্বর হামলায় হাজার হাজার নিরীহ শিশু, নারী ও বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন। এ সময় ফিলিস্তিনের পক্ষে বিশ্বব্যাপী জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বক্তারা ইসরায়েল ও তার মিত্র পশ্চিমা দেশগুলোর মালিকানাধীন পণ্য বয়কটের আহ্বানও জানান। একইসাথে ঐকবদ্ধভাবে আমেরিকার দূতাবাসে লং মার্চ ঘোষণা এবং স্মারকলিপি প্রদানের কথা উঠে আসে। ।
এ সময় মিছিলে "নারায়ে তাকবির আল্লাহু আকবার, ফ্রম দ্য রিভার টু দ্য সি ফিলিস্তিন উইল বি ফ্রি, মুসলিম উম্মারা এক হও এক হও, মুসলিম বিশ্ব ঐক্য গড়, ফিলিস্তিন স্বাধীন করো, নেতানিয়াহুর চামড়া তুলে নিবো আমরা, ফ্রি ফ্রি ফিলিস্তিন" ইত্যাদি স্লোগানে লোকান্তরিত হয়।
সংগৃহীত ছবি
করোনাভাইরাস মোকাবেলায় চলমান কঠোর লকডাউন আগামী বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত শিথিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে গণপরিবহন।
সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এ নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
কোরবানি ঈদের মানুষের চলাচল ও পশুরহাটে কেনাবেচার বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সময়ে ভার্চুয়ালিভাবে সরকারি অফিস চলবে এবং বন্ধ থাকবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও খোলা থাকবে শপিংমল ও দোকানপাট।