a
ফাইল ছবি
ফিলিস্তিনের আল-আকসা মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি সম্প্রতি ইসরাইলি হামলায় হতাহতদের প্রতি শোক ও সমবেদনা জানিয়ে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রপতি মাহমুদ আব্বাসকে পত্র পাঠিয়েছেন।
বুধবার (১২ মে) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ফাইল ছবি: বেগম খালেদা জিয়া
দেড় মাসের বেশি সময় ধরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তার শারীরিক অবস্থা উন্নতি হয়নি বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। লিভার প্রতিস্থাপনের জন্য দ্রুত বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
এ অবস্থায় গত সোমবার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার সুযোগ চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে তার পরিবার। মতামতের জন্য আবেদন পাঠানো হয়েছে আইন মন্ত্রণালয়ে। এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত আজ জানানোর কথা রয়েছে। তার পরিবার মানবিক বিবেচনায় অনুমতি পাওয়ার প্রত্যাশা করছে।
শনিবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) ভবনে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, খালেদা জিয়া কয়েকটি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, তিনি কারাগারে ছিলেন। কিন্তু তার স্বজনদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী তার দণ্ডাদেশ স্থগিত করে বাসায় থেকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। যাতে তিনি উন্নত চিকিৎসা পান সে ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ইতিপূর্বে বিদেশে নিতে তার ভাই একটি আবেদন করেছিলেন। কিন্তু এখানে আইনি জটিলতা রয়েছে, তাই আমরা আমাদের পক্ষ থেকে আবেদনটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। এরপরে কিছু করতে হলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থায় যেতে হবে।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত রোববার (আজ) জানিয়ে দেয়া হবে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্থায়ীভাবে মুক্তি দিয়ে বিদেশে চিকিৎসা দেওয়ার অনুমতি চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন তার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার।
এর আগেও একাধিকবার আবেদন করেছিলেন তিনি। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত পাননি। পরিবারের একজন সদস্য বলেন, খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত। তার এখন যে অবস্থা, তাতে তাকে বাইরে নেওয়া খুব জরুরি। মানবিক বিবেচনায় বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার অনুমতি পাবেন বলে তারা আশা করেন।
তিনি আরও বলেন, মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী তারা খোঁজ নিয়েছেন যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে এর উন্নত চিকিৎসা আছে। এরই মধ্যে ওই দেশগুলোয় খালেদা জিয়ার জন্য উপযুক্ত হাসপাতালের সন্ধান করছেন, যাতে তারা অনুমতি পাওয়া মাত্র অসুস্থ খালেদা জিয়াকে বাইরে নিতে পারেন।
এদিকে খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী আইনি ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তবে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবীদের অনেকে মনে করেন, সরকার চাইলে আদালতে না গিয়ে তাকে বিদেশে পাঠানোর অনুমতি দিতে পারে।
এ বিষয়ে সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক সম্প্রতি গণমাধ্যমকে বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে আদালতের আলাদা অনুমতির কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে নির্বাহী আদেশে। তাকে (খালেদা জিয়া) জেলে গিয়ে আবেদন করতে হবে বলে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে তা আইনের যৌক্তিক ব্যাখ্যা বলে আমার কাছে মনে হয় না। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে টিকে থাকতে ইউক্রেনকে অস্ত্র সহায়তা দিয়ে সহযোগিতা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্ররা। এর মধ্যে জার্মানি অন্যতম।
এবার প্রকাশ্যে এল দেশটির ভেতরের খবর। ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ করতে গিয়ে এখন নিজেই সংকটে পড়েছে জার্মানি।
জানা গেছে, এখন জার্মানির কাছে আর মাত্র প্রায় ২০ হাজার অতি শক্তিশালী বিস্ফোরক আর্টিলারি শেল অবশিষ্ট আছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের গোপন নথির বরাত দিয়ে এই তথ্য সামনে এনেছে জার্মান সাময়িকী ডের স্পিগেল।
গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, অতি শক্তিশালী বিস্ফোরক আর্টিলারি শেল জরুরি ভিত্তিতে ক্রয়ের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি বাজেট কমিটিকে বোঝানোর জন্য ওই নথি প্রস্তুত করা হয়েছে।
সংবাদ সংস্থা রয়টার্স বলছে, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সামরিক আগ্রাসন শুরু করে রাশিয়া। আর এরপর যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি জার্মানির মতো অন্যান্য মার্কিন মিত্ররা হাউইৎজারের ব্যবহারের জন্য ১৫৫ এম আর্টিলারি রাউন্ড ইউক্রেনকে ব্যাপকভাবে সরবরাহ করে চলেছে। আর এতেই এসব দেশের নিজস্ব প্রতিরক্ষার জন্য গোলাবারুদের মজুদ নিচে নামছে।
ডের স্পিগেল লিখেছে, জার্মানির সামরিক বাহিনীকে ২০৩১ সালের মধ্যে প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার আর্টিলারি শেলের মজুদ প্রস্তুত রাখতে হবে। মূলত সামরিক জোট ন্যাটোর লক্ষ্যমাত্রা মেনেই এটা করতে হবে যাতে ব্যাপক যুদ্ধ বাঁধলেও ৩০ দিন লড়াই চালিয়ে যাওয়ার মতো যথেষ্ট আর্টিলারি হাতে থাকে। জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অবশ্য তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।
আগামী মাসগুলোতে কামান এবং ট্যাংক গোলাবারুদের জরুরি ক্রয়ের জন্য নয়টি চুক্তি বাজেট কমিটির সামনে উপস্থাপন করবে জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, লিখেছে ডের স্পিগেল। সূত্র: রয়টার্স