a
ফাইল ছবি
ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, কুরবানি আমাদের মাঝে আত্মদান ও আত্মত্যাগের মানসিকতা সঞ্চারিত করে। আত্মীয় স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীর সঙ্গে সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নেয়ার মনোভাব ও সহিষ্ণুতার শিক্ষা দেয়।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে শনিবার দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানদের আন্তরিক অভিনন্দন ও মোবারকবাদ জানিয়ে এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, মহান আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য ও সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা। ‘আজহা’ অর্থ কুরবানি বা উৎসর্গ করা। ঈদুল আজহা উৎসবের সঙ্গে মিশে আছে চরম ত্যাগ ও প্রভুপ্রেমের পরাকাষ্ঠা। মহান আল্লাহর নির্দেশে স্বীয় পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.) কে কুরবানি করতে উদ্যত হয়ে হযরত ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর প্রতি অগাধ ভালোবাসা, অবিচল আনুগত্য ও অসীম আত্মত্যাগের যে সুমহান দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা ইতিহাসে অতুলনীয়। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি: সিনিয়র সচিব ড. মোখলেস উর রহমান
নিউজ ডেস্ক: সব কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মহার্ঘ্য ভাতা পাবেন বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোখলেস উর রহমান।
রবিবার সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের তিনি একথা জানান।
জনাব মোখলেস উর রহমান বলেন, সচিব থেকে পিয়ন পর্যন্ত সবাই এই ভাতা পাবেন। তবে একটা স্লাব করা হতে পারে। একই সঙ্গে পেনশনভোগীরাও পাবেন এই সুযোগ-সুবিধা।
তিনি আরও বলেন, এই লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ বিষয়ে কমিটি যে সুপারিশ দেবে, সে মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
সংগৃহীত ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে জেনারেল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জ্যেষ্ঠপুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শহিদ শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার কনস্যুলেট জেনারেল কার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে কনস্যুলেটের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসা এবং কনস্যুলেটের অন্যান্য কর্মকর্তারা। জাতির পিতা ও তার পরিবারের অন্যান্য শহীদ সদস্যসহ সকল শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এবং দেশের অব্যাহত সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পরে তাদের আত্মার শান্তি কামনায় ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে শেখ কামালের উপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
কনসাল জেনারেল বলেন, বহুগুণের অধিকারী শেখ কামালের কর্মময় জীবন ও আদর্শ সবসময় আমাদের কাছে বিশেষ করে যুবসমাজের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। শহীদ শেখ কামালকে একজন পরিপূর্ণ আলোকিত মানুষ হিসেবে উল্লেখ করে কনসাল জেনারেল শেখ কামালের কর্মময় জীবন ও বাংলাদেশের ক্রীড়া, শিল্প, সংস্কৃতি ও রাজনীতিতে তার অবদান সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে অবহিত করার জন্য সকলকে আহবান জানান।
অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের আলবেনীতে বসবাসরত শহীদ শেখ কামালের স্ত্রী সুলতানা কামালের বড় বোন মিসেস খালেদা রহমান অনলাইনে যোগ দেন এবং মর্মস্পর্শী স্মৃতিচারণ করেন। সূত্র: যুগান্তর