a ডেঙ্গু আক্রান্তের সর্বোচ্চ রেকর্ড
ঢাকা মঙ্গলবার, ৩০ পৌষ ১৪৩২, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ডেঙ্গু আক্রান্তের সর্বোচ্চ রেকর্ড


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ০১ আগষ্ট, ২০২১, ১১:৩৮
ডেঙ্গু আক্রান্তের সর্বোচ্চ রেকর্ড

সংগৃহীত ছবি

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক ২৩৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে রাজধানী ঢাকায় ২১৮ জন এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ১৯ জন।

রাজধানীতে ভর্তি রোগীদের মধ্যে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত হাসপাতালে ৫২ জন ও বেসরকারি হাসপাতাল এবং ক্লিনিকে ১৬৬ জন।

এ নিয়ে সারাদেশের হাসপাতালে ভর্তি মোট ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৬২ জন। মোট ভর্তি রোগীর মধ্যে ঢাকার হাসপাতালে ৮২৮ এবং ঢাকার বাইরে ৩২ জন ভর্তি রয়েছেন। এছাড়া চলতি মৌসুমে ডেঙ্গু সন্দেহে মারা যাওয়া চারজনের তথ্য পর্যালোচনার জন্য আইইডিসিআরে পাঠানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

অধিদফতর থেকে প্রাপ্ত পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ (১ আগস্ট) পর্যন্ত রাজধানীসহ সারাদেশে মোট দুই হাজার ৮৯৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন দুই হাজার ২৯ জন।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৩২ জন, ফেব্রুয়ারিতে নয়জন, মার্চে ১৩ জন, এপ্রিলে তিনজন, মে মাসে ৪৩ জন, জুনে ২৭২ জন এবং জুলাইয়ে দুই হাজার ২৮৬ জন রোগী ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

স্বাধীনতাযুদ্ধে ভারতের অবদান ভুলবার নয়



শুক্রবার, ২৬ মার্চ, ২০২১, ০৭:৩২
স্বাধীনতাযুদ্ধে ভারতের অবদান ভুলবার নয়

‘স্বাধীনতাযুদ্ধে ভারতের অবদান ভুলবার নয়’

বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময়ে ভারতের সহযোগিতা ভুলবার নয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধে সবমিলিয়ে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান থেকে প্রায় এক কোটি শরণার্থী ভারতে আশ্রয় নিয়ে ছিলেন। ওই সময়ে ভারত সরকার শরনার্থীদের ভরণ-পোষণ দিয়েছে। যুদ্ধে অস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করেছে। তাই মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহায়তা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে বাংলাদেশ। 

জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে আজ শুক্রবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীর ১০ম দিনে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

এসময় নিজের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে ভারতের অনেকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছেন। বাংলাদেশ স্বাধীনতা হওয়ার পেছনে ভারতের অবদান ভুলবার নয়।

শেখ হাসিনা আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সৈন্যরা অত্যাচার-নিপীড়ন চালিয়েছিল। গণহত্যা, অগ্নিসংযোগহ, ধর্ষণ, লুটপাটের শিকার হয়ে বাংলাদেশ থেকে প্রায় এক কোটি মানুষ ভারতে গিয়ে আশ্রয় নেন। ভারত সেই শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়েছে, খাদ্য দিয়েছে, চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে। সেই সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা যারা অংশ নিয়েছেন, সেই মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে ভারত, অস্ত্র সরবরাহ করে সহযোগিতা করেছে। আমি ভারতের জনগণ ও সরকারের কাছে বাংলাদেশের জনগণ ও আমার নিজের পক্ষ থেকে অশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ঢাকার পথে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি



শুক্রবার, ২৬ মার্চ, ২০২১, ১০:০৯
ঢাকার পথে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঢাকার পথে রওনা হয়েছেন।  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে তিনি শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সকালে একটি ছবি শেয়ার করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

 শেয়ার করা ওই ছবির ক্যাপশনে মোদি লিখেছেন, ‘ঢাকার জন্য রওনা হলাম। এই ভ্রমণ বাংলাদেশ ভারতের বন্ধুত্ব আরও গভীরতর করবে।'

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) এক ভিডিও বার্তায় নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, ‘আমি আগামীকাল জাতীয় দিবস উদযাপনে অংশ নেওয়ার জন্য অধীর অপেক্ষায় আছি, যাতে শততম জন্মবার্ষিকীতে বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকেও স্মরণ করা হবে। গত শতাব্দীর অন্যতম শীর্ষ নেতা বঙ্গবন্ধু, যার জীবন ও আদর্শ এখনও লাখ লাখ মানুষকে অনুপ্রেরণা জুগিয়ে যাচ্ছে।’

ওই বিবৃতিতে তিনি  উল্লেখ করেন, টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্যও অধীর অপেক্ষার কথা।

নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘করোনা মহামারির এই সময়ে এমন এক প্রতিবেশী বন্ধু দেশে সফর করতে পেরে আমি আনন্দিত, যার সঙ্গে ভারতের গভীর সাংস্কৃতিক, ভাষাগত এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক বিদ্যমান।’
আরো পড়ুন: জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর পূর্ণাঙ্গ ভাষণ

সাতক্ষীরা ও গোপালগঞ্জে মন্দির পরিদর্শনের কথা উল্লেখ করে নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘সাতক্ষীরায় পৌরাণিক যশোরেশ্বরী মন্দিরে মা-কালীর প্রতিও পূজা দিতে চাই আমি। বিশেষ করে ওড়াকান্দিতে মতুয়া সম্প্রদায়ের সঙ্গেও মিথস্ক্রিয়া করতে চাই আমি, যেখানে শ্রী হরিচরণ ঠাকুর পবিত্র বাণী প্রচার করেছিলেন।’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘গত ডিসেম্বরে ভার্চুয়াল বৈঠকের প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আমার বিশেষ আলাপ-আলোচনা হবে। পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও অন্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হবে।’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বাপ্নিক নেতৃত্বে তাৎপর্যপূর্ণ অর্থনৈতিক ও উন্নয়নমূলক অগ্রগতির জন্য বাংলাদেশকে সাধুবাদ জানানোয় আমার সফর সীমাবদ্ধ থাকবে না; এর সঙ্গে এই অর্জনে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতিও থাকবে।’

এ সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি উল্লেখ করে বলেন, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহযোগিতা ও সংহতির বার্তাও সফরে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, মুজিব শতবর্ষে চিরঞ্জীব নেতা জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি ভালোবাসায় ও স্বাধীন বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শুক্রবার (২৬ মার্চ) ঢাকা আসছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর পাশাপাশি বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্বের ৫০ বছর পূর্তিতে মোদির এ সফর বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - জাতীয়