a
সংগৃহীত ছবি
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক ২৩৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে রাজধানী ঢাকায় ২১৮ জন এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ১৯ জন।
রাজধানীতে ভর্তি রোগীদের মধ্যে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত হাসপাতালে ৫২ জন ও বেসরকারি হাসপাতাল এবং ক্লিনিকে ১৬৬ জন।
এ নিয়ে সারাদেশের হাসপাতালে ভর্তি মোট ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৬২ জন। মোট ভর্তি রোগীর মধ্যে ঢাকার হাসপাতালে ৮২৮ এবং ঢাকার বাইরে ৩২ জন ভর্তি রয়েছেন। এছাড়া চলতি মৌসুমে ডেঙ্গু সন্দেহে মারা যাওয়া চারজনের তথ্য পর্যালোচনার জন্য আইইডিসিআরে পাঠানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
অধিদফতর থেকে প্রাপ্ত পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ (১ আগস্ট) পর্যন্ত রাজধানীসহ সারাদেশে মোট দুই হাজার ৮৯৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন দুই হাজার ২৯ জন।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৩২ জন, ফেব্রুয়ারিতে নয়জন, মার্চে ১৩ জন, এপ্রিলে তিনজন, মে মাসে ৪৩ জন, জুনে ২৭২ জন এবং জুলাইয়ে দুই হাজার ২৮৬ জন রোগী ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী আজ শুক্রবার (২০ মে) সারাদেশে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। তথ্য সংগ্রহ ও সুপারভাইজার কর্তৃক যাচাই কার্যক্রম আজ থেকে পরবর্তী ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত অথবা শুরুর তারিখের পরবর্তী ৩ সপ্তাহ ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
জানা গেছে, প্রথম ধাপে ১৪০ উপজেলায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে ছবি তোলা ও ভোটার নিবন্ধনের কার্যক্রম চলবে। অবশিষ্ট উপজেলাগুলোর জ্যেষ্ঠ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা স্থানীয়ভাবে তথ্য সংগ্রহ ও নিবন্ধন কার্যক্রমের সময়সূচি নির্ধারণ করবেন।
এবার ভোটার হালনাগাদ কার্যক্রমে ২০০৭ সালের ১ জানুয়ারি বা এর আগে যাদের জন্ম তাদের এবং বিগত ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে যারা বাদ পড়েছেন তাদেরও নিবন্ধনের জন্য তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব এস এম আসাদুজ্জামান বলেন, বয়স ১৮ না হলেও জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়া হবে। যাদের বয়স ১৮ হয়নি, তাদের বয়স ১৮ বছর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটার তালিকায় নাম যুক্ত হয়ে যাবে। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
কুয়েতে ১১তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় ১১৭ দেশের সঙ্গে লড়বেন দুই বাংলাদেশি হাফেজ। তারা হলেন, হাফেজ তাওহিদুল ইসলাম ও হাফেজ আবু রাহাত।
গত বুধবার (১২ অক্টোবর) কুয়েতের ধর্মমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আশিকুজ্জামানসহ ১১৭ দেশের রাষ্ট্রদূতগণ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম আয়োজিত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার দু'জন শিক্ষার্থী দুটি গ্রুপে প্রতিনিধি নির্বাচিত হন। ১১ অক্টোবর সকালে কুয়েতের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন হাফেজ তাওহিদুল ইসলাম ও হাফেজ আবু রাহাত। তাদের সঙ্গে আছেন মাদ্রাসার পরিচালক শায়েখ নেছার আহমাদ আন নাছিরী।
কুমিল্লার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে হাফেজ তাওহিদুল ইসলাম এরই মধ্যে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত বিশ্ব হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় ৭০টি দেশের মধ্যে ১০ম স্থান অধিকার করেন। এছাড়া সিরাজগঞ্জের রমজান আলীর ছেলে হাফেজ আবু রাহাত জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা-২০২০ পিএইচপি কুরআনের আলোয় প্রথম স্থান অধিকার করেন।
হাফেজ আবু রাহাত বলেন, আমি দেশের হয়ে কুয়েতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছি। সবাই দোয়া করবেন, আমি যেন বাংলাদেশের লাল সবুজের সম্মান বয়ে আনতে পারি। সূত্র: ইত্তেফাক