a
ফাইল ছবি
আজ রবিবার দেশের আটটি বিভাগের মধ্যে চারটি বিভাগের অনেক জায়গায় এবং অন্য চার বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর এ তথ্য জানায়।
সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে এবং সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, আজ রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সূত্র: কালের কন্ঠ
ফাইল ছবি: মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু
দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন সাবেক জেলা দায়রা জজ ও দুদকের সাবেক কমিশনার মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দলীয় প্রার্থী হিসেবে তার নাম চূড়ান্ত করেছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
ওই সূত্র জানায়, আজ রবিবার দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের নির্বাচন কমিশনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর নাম দাখিল করেছেন। বিএনপি, জাতীয় পার্টসহ অন্য কোন দল থেকে প্রার্থী দেয়া না হলে সাহাবুদ্দিনই পরবর্তী প্রেসিডেন্ট বলা যায়।
মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর জন্ম ১৯৪৯ সালে পাবনা জেলা। তিনি ছাত্রজীবনে পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। তিনি ১৯৮২ সালে বিসিএস (বিচার) ক্যাডার হিসেবে যোগ দেন। বিচারকের বিভিন্ন পদে চাকরি শেষে ২৫ বছর পর ২০০৬ সালে জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে অবসর নেন।
মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
করোনার সংক্রমণ রোধ করতে ১৪ এপ্রিল (বুধবার) থেকে সারাদেশে এক সপ্তাহের সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। এ সময় সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও কিছু প্রতিষ্ঠান এবং সেই প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারিরা লকডাউনের আওতার বাইরে থাকবে।
সোমবার (১২ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
আরো পড়ুন: সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা
এ বিষয়ে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে |
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, লকডাউনের সময় সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না।
এছাড়াও প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এসব জরুরি সেবা ছাড়া এ সময়ে সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত এ লকডাউন চলবে।