a নবনির্মিত ডাক ভবনের শুভ উদ্বোধন আগামীকাল
ঢাকা শনিবার, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

নবনির্মিত ডাক ভবনের শুভ উদ্বোধন আগামীকাল


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ২৬ মে, ২০২১, ১২:০৬
নবনির্মিত ডাক ভবনের শুভ উদ্বোধন আগামীকাল

ফাইল ছবি: নবনির্মিত ডাক ভবন

নবনির্মত ডাক অধিদপ্তরের সদর দপ্তর ‘ডাক ভবন ’ এর আগামীকাল আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হচ্ছে। ডাক বাক্সের মডেলে ঢাকার আগারগাঁওয়ে অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত নান্দনিক এই ভবনটি আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন। প্রধান অতিথি হিসেবে গণভবন থেকে অনলাইনে শুভ উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার আগারগাঁওয়ে ডাক ভবনে নিজে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো: আফজাল হোসেন এবং ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: সিরাজ উদ্দিনসহ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ও এর অধীন দপ্তর ও সংস্থা সমূহের কর্মকর্তাগণ স্বাস্থ্য বিধি মেনে আগারগাঁও প্রান্ত থেকে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন।

৯১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা ব্যয়ে রাজধানীর ঢাকার আগারগাঁওয়ে দৃষ্টিন্দন এই ভবনটি নির্মাণ করা হয়। ২টি বেইজমেন্টসহ ১৪ তলা ভবন নির্মাণের জন্য বাংলাদেশ ডাক অধিদপ্তরের সদরদপ্তর শীর্ষক প্রকল্পটি গত ২০ মার্চ ২০১৮ তারিখ একনেকে অনুমোদিত হয়। নবনির্মিত ডাক ভবনটিতে থাকছে সুসজ্জিত ও সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, আধুনিক পোস্টাল মিউজিয়াম, সুপরিসর অডিটরিয়াম, ক্যাফেটেরিয়া, ডে-কেয়ার সেন্টার, মেডিক্যাল সুবিধা, অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা এবং সার্বক্ষণিক ওয়াইফাইসহ অন্যান্য তথ্যপ্রযুক্তিগত সুবিধা রাখা হয়েছে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার এ বিষয়ে বলেন, ১৯৭১ সালের ২০ ডিসেম্বর তারিখে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই তৎকালীন ঢাকা জিপিও ভবনের কয়েকটি কক্ষ নিয়ে ডাক অধিদপ্তরের যাত্রা আরম্ভ হয়। তীব্র স্থান সংকটের মধ্যে স্বাধীনতার পর থেকে অদ্যাবধি ঢাকার গুলিস্তানে অবস্থিত ঢাকা জিপিও ভবন এর তৃতীয় তলায় ডাক অধিদপ্তরের প্রশাসনিক সদর দপ্তরের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। ঢাকা জিপিও প্রায় ৬০ বছরের পুরোনো হয়ে যাওয়ায় ভবনটির উর্ধমুখী সম্প্রসারণ এখন সম্ভব নয়। ফলে স্থান সংকুলান না হওয়ায় দাপ্তরিক কর্মপরিবেশ ও গতিশীলতা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছিল। এ অবস্থায় ডাক অধিদপ্তরের সদর দপ্তর হিসেবে একটি আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন ও নান্দনিক স্বতন্ত্র ডাক ভবন স্থাপন করা ছিল একান্ত জরুরী। এ সংকট নিরসনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অসামান্য আন্তরিকতায় বর্তমান সরকার তাঁর উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় উন্নত কর্মপরিবেশ ও প্রশাসনিক কাজে উদ্যম ও গতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে ঢাকার শেরে বাংলা নগরে ডাক অধিদপ্তরের সদর দপ্তর হিসেবে একটি স্বতন্ত্র ভবন স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি এই অনন্য ভবনটি নির্মাণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

আজ নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শুক্রবার, ২৮ মে, ২০২১, ১২:৫০
আজ নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস

সংগৃহীত ছবি

 

আজ (শুক্রবার) নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস। অন্যান্য বছর বাংলাদেশে দিবসটি নানা আয়োজনে উদযাপিত হয়ে থাকে। এবার করোনার কারণে দিবসটি সীমিত আকারে পালন করা হবে। ১৯৯৭ সাল থেকে দিবসটি দেশে পালিত হয়ে আসছে। নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।

গর্ভকালীন, প্রসবকালীন ও প্রসব পরবর্তী সময়ে সকল নারীর জন্য নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণই হলো নিরাপদ মাতৃত্ব। দিবসটি উপলক্ষে আজ সকাল সাড়ে ১০টায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
 
বাংলাদেশ ম্যাটারনাল মর্টালিটি অ্যান্ড হেলথ কেয়ার সার্ভে (বিএমএমএস), স্যাম্পল ভাইটাল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম (এসভিআরএস) এবং ইউএন (ইউনাইটেড নেশন) ইস্টিমেট সূত্রে জানা গেছে, দেশে গর্ভবতী মায়ের মৃত্যু সংখ্যা আগের তুলনায় কমেছে। ৯০-এর দশকে প্রতি এক লাখ জীবিত শিশু জন্ম দিতে গিয়ে ৫৭৪ জন সন্তানসম্ভবা নারীর মৃত্যু হতো। ২০১৯ সালে যা কমে প্রতি লাখে ১৬৫ জনে দাঁড়ায়। সে হিসাবে ৯০-এর দশকের তুলনায় মাতৃমৃত্যু ৭০ শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়েছে।

আগের তুলনায় মাতৃমৃত্যু কমলেও এখনও সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে প্রতি বছর চার হাজার ৭২০ জন গর্ভবতী মায়ের মৃত্যু হয়। সে হিসেবে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৩ জন অর্থাৎ প্রতি দুই ঘণ্টায় একজন গর্ভবতী মায়ের মৃত্যু হয়। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অনুযায়ী, দেশে মাতৃমৃত্যু হার লাখে ৭০ জনে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে সরকার। গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে গর্ভবতী মায়ের সেবা কিছুটা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

মায়ের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে প্রথম সন্তান প্রসবের পর তিন বছর বিরতি নেয়ার পরামর্শ স্বাস্থ্য অধিদফতরের। একইসাথে গর্ভবতী মায়েদের ভারী জিনিস বহন না করা, নিয়মিত টিকা নেয়ার পাশাপাশি অ্যান্টিনেটাল কেয়ার বা পোস্ট নেটাল কেয়ার নেয়া এবং বাড়িতে প্রসবকালীন জটিলতা দেখা দিলে দ্রুত ক্লিনিক ও হাসপাতালে নেয়ার জন্য স্বজনদের প্রতি আহ্বান অধিদফতরের।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

টেলিটকে বর্তমান এমডি ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রেতাত্মা


সিরাজ, বিশেষ প্রতিনিধি
সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫, ০৭:২২
টেলিটকে বর্তমান এমডি ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রেতাত্মা

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: আওয়ামী ফ্যাসিস্ট বিরোধী ভিন্ন মতাবলম্বীদের প্রতি চরম অবজ্ঞা এবং অসম্মান দেখিয়ে তৃপ্তি লাভই জেনো টেলিটক বাংলাদেশ লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব নুরুল মাবুদ চৌধুরীর ধ্যান জ্ঞান। ফ্যাসিষ্ট সরকারের আমলে সুপারিশের ভিত্তিতে তিনি টেলিটকে ডেপুটেশনে আসেন।জুলাই আন্দোলনের ঘোর বিরোধীতা করেও তিনি সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব মুশফিকুর রহমান এর প্রিয়ভাজন হন এবং এম ডি সিহেবে পূর্ন দায়িত্ব গ্রহণ করেন।এরপরে তিনি সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার স্নেহধন্য ও সুপারিশে জিএম পদে নিয়োগ প্রাপ্ত জনাব ডি এম নুরুল হুদা কে  ঢাকায় বদলী করে নিজের কাছে নিয়ে আসেন । জনাব ডি এম নুরুল হুদা বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদ টেলিটক শাখার উপদেষ্টা হিসেবে দাপটের সাথে ফ্যাসিষ্ট আমলে চাকরী করে আসছিলেন। বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদ টেলিটক শাখার সভাপতি জনাব মোঃ রনক আহসান এবং সাধারন সম্পাদক জনাব আতিকুল আলম(মতিয়া চৌধুরীর দেবর) বছরের পর বছর অফিস না করলেও তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে (জুলাই আন্দোলন সমর্থকদের চাপে) বদলী করে কার্যত তাদের সকল অপরাধ মাফ করে দেন এবং ফৌজদারী অপরাধে অপরাধী জনাব মোঃ রনক আহসান ও অর্থযোগানদাতাদের ভারতে গিয়ে দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নে সাহায্য করতে ভারত ভ্রমনের অনুমতি দেন যা সত্যিই বিস্ময়কর।পরে অদৃশ্য ক্ষমতাবলে তিনি বেছে বেছে জুলাই আন্দোলনের প্রকাশ্য বিরোধীতাকারী এবং ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহনকারী সহ সাবেক মন্ত্রী এমপি দের আত্মীয় স্বজনদের বৈদেশীক ভ্রমনের ব্যবস্থা করেন ।সাবেক আলোচিত ডাক টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক এর খালাত ভাই জনাব মোঃ মকলেসুর রহমান (বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদ কমিটির পদধারী),সিংড়া উপজেলা মহিলা লীগের সভাপতি কন্যা এবং  প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক এর বন্ধু জনাবা শাকিলা বিশ্বাস (বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদ কমিটির পদধারী), জনাব মাসুদুর রহমান (বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদ কমিটির পদধারী) এবং হাতেগোনা কয়েকজন ছাড়া অধিকাংশ কট্টর আওয়ামীপন্থীদের বৈদেশিক ভ্রমন এর আদেশ করেন।শুধু তাই নয় আউট সোর্স এমপ্লয়ী ( আওয়ামী মন্ত্রী এমপি এবং সচিবগনের আত্মীয় স্বজন ) যাদের সংখ্যা প্রায় ৫০০+ তাদের কে তিনি আগলে রেখেছেন পরম মমতায় পক্ষান্তরে যে দুইএকজন আওয়ামী মনভাবের বাহিরে তাদেরকে শাস্তি দিচ্ছেন বদলী করে।  

প্রজেক্ট সহ গুরুত্বপূর্ন পদ গুলোতে বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদ নির্বাহী কমিটির পদধারীদের তিনি পদায়ন করে ফ্যাসিষ্টদের নির্বিঘ্ন বিচরণ নিশ্চিত করেছেন। শুধুমাত্র জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী পরিষদে সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে এমন হাতেগোনা কয়েকজনকে বৈদেশিক ভ্রমনে নাম প্রস্তাব করায় জনাব আশরাফুজ্জামান, সভাপতি,টেলিটক এমপ্লয়ীজ ওয়েলফেয়ার এ্যাসোসিয়েশন কে ৫জি প্রকল্প থেকে অব্যাহতি দেন অথচ তার মেধাবী নেতৃত্বে  স্থবির টেলিটক ৫জি প্রজেক্ট গতি পায়  এবং  দুর্নিতির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান গ্রহন এর ফলে   সর্ব মহলে প্রশংসিত হয়েছিলেন। 
সুযোগের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে টেলিটক বাংলাদেশ লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব নুরুল মাবুদ চৌধুরী সাবেক সচিব আবু হেনা মোর্শেদ জামান ও তৈয়বুর গং কে “স্মার্ট বাংলাদেশের অদম্য অভিযাত্রা ও অন্যান্য প্রসঙ্গ” বই লিখতে উৎসাহ দিয়ে পাশে ছিলেন আবার জুনায়েদ আহমেদ পলকের আস্থা ভাজন ছিলেন আবার সাবেক উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম কে তিনি কব্জা করেন এলাকার ছেলে হিসেবে। তাকে দিয়েই শেষ মূহুর্তে এমডি পোষ্ট বাগিয়ে নেন। এই বিরল চরিত্রের অধিকারী্র নিকট বাংলাদেশ রাজনৈতিক পটভূমি পরিবর্তন কোন মানেই রাখেনা।তার অতিরিক্ত আওয়ামী প্রীতি জুলাই আন্দোলনের প্রতি অবজ্ঞার তীব্র প্রদর্শন।

টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড এর কর্মী সংগঠন টেলিটক এমপ্লয়ি ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন গতকাল ৫/১১/২০২৫ একটি স্মারক লিপি টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহোদয় কে প্রদান করে। প্রতিবাদ লিপিতে চুক্তিভিত্তিক সকল নিয়োগ ঘোষণা বাতিল  এবং পদোন্নতি নীতিমালা চুড়ান্ত না করে নিয়োগ ও পদোন্নতি পরীক্ষা সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম স্থগিত রাখার আহবান জানানো হয় এবং গত ৬/১১/২০২৫খ্রিঃ তারিখ বিকাল ৪:৩০ মিনিটে টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহোদয়ের সাথে সাক্ষাৎ করে স্মারক লিপি তে উল্লেখিত বিষয়ে গৃহীত সিদ্ধান্ত সম্বন্ধে জানতে চাওয়া হয়।তিনি বলেন,চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ স্থগিত করা হবে না।

ফ্যাসিস্ট দোসর রেডিসন গ্রুপ কর্তৃক নিয়োগকৃত এমপ্লয়িদের কেনো পুন:বহাল করার তোরজোড় চলছে জানতে চাইলে ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন,এই সরকারের সময়ে নিরপেক্ষতা থাকবে আর ভোটের পরে তদবিরের কারনে সুষ্ঠ নিয়োগ সম্ভব হবে না। পদোন্নতি সম্পর্কে তার বক্তব্য অত্যন্ত স্পর্শকাতর। এখন পদোন্নতি   না দিলে ভোটের পরে এই মেধাবীদের(বিপিপি বংগবন্ধু প্রকৌশল পরিষদ) মুল্যায়ন হবে না কারন আগামী সরকারের সময়ে লবিং হবে বেশী। 

উল্লেখ, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের নামে অনিদিষ্ট সংখ্যক পদে লোক নিয়োগের একটা মচ্ছব চালানোর জন্যই পরিকল্পিত ভাবে নিয়োগ দিতে চাইছে এবং আজ্ঞাবহ বিপিপির একনিষ্ঠ কর্মীদের পদোন্নতি যাতে আগামী সরকার বানচাল করতে না পারে তার পাকা ব্যবস্থা করাই ব্যবস্থাপনা পরিচালকের প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব বলে আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে।

১৯ বছর থেকে ছলে বলে কৌশলে টিকে থাকা ফ্যাসিষ্ট বিরোধী মুষ্টিমেয় কর্মীদের বঞ্চিত করার সুযোগ তিনি কিছুতেই হারাতে চান না এবং পদোন্নতি দিয়ে আওয়ামী ফ্যাসিষ্টদের তিনি এমন অবস্থানে রেখে যেতে চান যাতে তারাই টেলিটকের মূল দায়িত্ব পালন করে ভিন্ন মতের এমপ্লয়ীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। 

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল এবং পদোন্নতি নীতিমালা চুড়ান্ত না করে পদোন্নতি নেওয়ার ধান্দাবাজি বন্ধ করার জন্য সাধারন এমপ্লয়িরা আহবান জানাচ্ছে।
ফ্যাসিষ্ট প্রেতাত্মাদের পরম আত্মীয় হয়ে উঠা এই মেধাবী বর্ণচোরা কে আওয়ামী অধ্যুষিত টেলিটক থেকে অবিলম্বে অব্যহিত দিয়ে নিরপেক্ষ ব্যক্তি এমডি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া উচিৎ সময়ের প্রয়োজনে। 

জুলাই আন্দোলনে শহীদের রক্তের সাথে প্রতারণা করে বাংলাদেশ মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে না-টেলিটক ফ্যাসিষ্টদের দৌরাত্ম থেকে মুক্তি চায়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়