a
ফাইল ছবি
হঠাৎ করেই ঠান্ডা বাতাস বইছে। এই বাতাসে শীত আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। উত্তরের বাতাস বয়ে যাওয়ার কারণে আজ রবিবার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল থেকে ঢাকায় বেশ ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ ডিগ্রি, আর শনিবার এই তাপমাত্রা ছিল ১৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আজ সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। চলতি সপ্তাহের শেষের দিতে উত্তরাঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হতে পারে। এছাড়া বাতাসের কারণে ঠান্ডাটা আরেকটু বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা।
চলতি সপ্তাহের শেষে উত্তরাঞ্চল থেকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হতে পারে বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল ও আজ সেখানে একই তাপমাত্রা ছিল।
আজ তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উল্লেখ্য, এখনও উত্তরাঞ্চল কিংবা দেশের অন্য কোথাও শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়নি।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো নির্বাচনে আসছে না। ফলে সেই ধরনের প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
সম্প্রতি ভয়েস অব আমেরিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এমনই মন্তব্য করেন। সিইসি বলেন, নির্বাচন প্রতিহত করার ঘোষণা অসাংবিধানিক ও আইনের পরিপন্থী। সংবিধানে সভা-সমাবেশ করার যে অধিকারের কথা বলে হয়েছে তা শর্তসাপেক্ষে।
এবারের নির্বাচন একটু ভিন্ন ধরনের। কারণ ২০১৪ সাল বাদে নির্বাচনের আগে সংঘাত ও সহিংসতার ঝুঁকি তৈরি হয়নি। কারণ নির্বাচনগুলো ছিল সর্বজনীন। তিনি বলেন, যারা সভা-সমাবেশ করছে নির্বাচনের পক্ষে তাদেরও নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। নির্বাচনের পক্ষে ও বিপক্ষে তারা মুখোমুখি হলে সংঘাতের ঝুঁকি থাকে। আমরা চাই, এ ধরনের যে কোনো ঘটনা যাতে না ঘটুক। শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করলে কোনো সমস্যা নেই।
এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি জানান, নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা থেকেই নির্বাচন করতে হবে কমিশনকে। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সচেতন হতে হবে, ভোটকেন্দ্রে কোন কারচুপি হচ্ছে কিনা? যে কোনো উপায়ে জেতার মানসিকতা থেকে প্রার্থীদের বেরিয়ে আসতে হবে জানান সিইসি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি নিয়ে নির্বাচন কমিশন মাথা ঘামাচ্ছে না। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী একটি অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করার সক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের আছে। ভোট করতে প্রয়োজন ১২ লাখ জনবল, কিন্তু কমিশনের আছে মাত্র ১ হাজার ৫০০ লোকবল। ফলে বিভিন্ন দপ্তর থেকে জনবল নিতে হয় কমিশনকে। সিইসি মন্তব্য করেন, এককভাবে কমিশনের পক্ষে নির্বাচন সফল করা সম্ভব হবে না, সবার সম্মিলিত প্রয়াসেই নির্বাচন সফল হবে।
৭ জানুয়ারির নির্বাচন দেশে-বিদেশে গ্রহণযোগ্য না হলে পদত্যাগ করবেন কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি সরাসরি কোনো উত্তর দেননি। তবে নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে এককভাবে কমিশনকে দায়বদ্ধ করা যাবে না, এর দায় সরকারের ওপরেও বর্তাবে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে প্রশ্নের জবাবে কাজী হাবিবুল আউয়াল মনে করেন, এটি একটি রাজনৈতিক বিতর্কিত প্রশ্ন। এই বিতর্ক সমাধান করতে হবে রাজনৈতিক দলগুলোকেই। এ সময় তিনি বলেন, তবে আওয়ামী লীগ, স্বতন্ত্রসহ ২৭টি দল এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। কোন কোন দল নির্বাচন বয়কট করতে কোনো বাধা নেই বলেও জানান তিনি। সূত্র: যুগান্তর
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সাইফুল আলম, ঢাকা: দীর্ঘদিন ধরে দাবি আদায় এবং চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য কথা বলছেন গ্রামীণ ব্যাংক চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা। এরই প্রেক্ষিতে লাগাতার মানববন্ধন, অবস্থান কর্মসূচি, প্রেসক্লাবের হলরুমে বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলনসহ বিভিন্ন মহলে স্মারকলিপি পাঠাচ্ছেন সুবিধা বঞ্চিত কর্মচারীরা।
গ্রামীণ ব্যাংক চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারীরা দীর্ঘ ৩২ বছর ধরে চাকরি করলেও তাদের চাকরি স্থায়ীকরণের কোন উদ্যোগ গ্রামীণ ব্যাংক প্রশাসন নিচ্ছে না। কর্মচারীরা তাদের দাবী জানাতে গত ৩১ জানুয়ারি '২০২৫ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে। সেই সংবাদ সম্মেলন করার কারনে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের প্রায় ১৫০ জন শ্রমিককে চাকরিচ্যুত করে।
চাকরি স্থায়ীকরণের দাবীতে গ্রামীণ ব্যাংক চতুর্থ শ্রেনী কর্মচারীদের ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে আগামীকাল ২৭ ফেব্রুয়ারী'২০২৫ বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্বারকলিপি পেশ করা হবে।
আজ ২৬ ফেব্রুয়ারী বুধবার সকাল ১০:৩০ রাজপথে মিছিল এবং জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংক কর্মচারী মিন্টু রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন এর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রমিক নেতা রাজু আহমেদ, বক্তব্য রাখেন আশিক, আপেল, রহমতুল্লাহ জসীমউদ্দিন প্রমুখ। বক্তাগন চাকরি স্থায়ীকরণের দাবীতে আন্দোলন এর ধারাবাহিকতায় আগামীকাল প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্বারকলিপি পেশ এর কর্মসূচি ঘোষনা করেন। একই সাথে দাবি আদায়ে রাজপথে থাকবেন বলে ঘোষণা করেন।