a বীর মুক্তিযোদ্ধারা জুলাই মাস থেকে ভাতা পাবেন ২০ হাজার টাকা
ঢাকা শুক্রবার, ১ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৩ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বীর মুক্তিযোদ্ধারা জুলাই মাস থেকে ভাতা পাবেন ২০ হাজার টাকা


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ২০ জুন, ২০২১, ০৯:২৬
বীর মুক্তিযোদ্ধারা জুলাই মাস থেকে ভাতা পাবেন ২০ হাজার টাকা

ফাইল ছবি

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক জানিয়েছেন, জুলাই মাস থেকেই ২০ হাজার টাকা করে সম্মানী ভাতা পাবেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। 

রোববার ঢাকা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান। 

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ৩ কোটি ৬ লাখ টাকা ব্যয়ে এই কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরে মোজাম্মেল হক বলেন, কয়েক দিনের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৩০ হাজার বীরনিবাস নির্মাণ কাজ শুরু হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৩০ হাজার বীরনিবাস নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন করেছেন। প্রথমে ১৪ হাজার থাকলেও পরে প্রধানমন্ত্রী এ সংখ্যা ৩০ হাজারে উন্নীত করেছেন বলে জানান তিনি।

মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী আরও জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন বিশেষায়িত হাসপাতাল এবং জেলা-উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র্রে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সারা দেশে সব বীর মুক্তিযোদ্ধার কবর একই ডিজাইনে করার কাজও চলমান রয়েছে বলেও জানান মোজাম্মেল হক।

উল্লেখ্য, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি গণভবনে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ১২ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার করার কথা জানিয়েছিলেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা আবারও বহাল


আরাফাত, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ০৫ জুন, ২০২৪, ০৩:১৭
সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা আবারও বহাল

ছবি: সংগৃহীত

সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা আবারও বহাল
 
প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল থাকবে।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ (এস কে) সাইফুজ্জামান জামান। এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করা হবে বলেও জানান তিনি।

এ সংক্রান্ত রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় প্রদান করেন।

আদালতে আজ রিটের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মো. মুনসুরুল হক চৌধুরী। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ (এস কে) সাইফুজ্জামান জামান।

সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জারি করা পরিপত্র কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের সাতদিনের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছিল।

এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি নিয়ে ২০২১ সালের ৬ ডিসেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

নারী কোটা ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ এবং জেলা কোটা ১০ শতাংশ বাতিল করে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর এ পরিপত্র জারি করা হয়।

তখন রিটকারীরা জানান, মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ কোটা নবম গ্রেড (পূর্বতন প্রথম শ্রেণি) এবং ১০ম থেকে ১৩তম গ্রেড (পূর্বতন দ্বিতীয় শ্রেণি) বাতিল করে (তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি) ১৪ থেকে ২০তম গ্রেডে রাখা হয়েছে। যা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে হেয়প্রতিপন্ন করার শামিল।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-১ শাখা থেকে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর নবম গ্রেড এবং ১০ম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত সরাসরি নিয়োগে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে একটি পরিপত্র জারি করা হয়।

সেখানে বলা হয়েছিল, ৯ম গ্রেড (পূর্বতন ১ম শ্রেণি) এবং ১০ম-১৩তম গ্রেড (পূর্বতন ২য় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাতালিকার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হবে। ওই পদসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হলো।

ওই পরিপত্র চ্যালেঞ্জ করে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি অহিদুল ইসলাম তুষারসহ সাতজন হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।

ওই রিটের শুনানি নিয়ে কোটা বাতিলের পরিপত্র কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত।

সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে ২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে ৫৬ শতাংশ কোটা বাতিল করা হয়। তবে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণিতে কোটা ব্যবস্থা বহাল রাখে সরকার। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসন থেকে সংসদ সদস্য হয়ে উপজেলাবাসীর পাশে থাকতে চাই- এম.এ হান্নান


সাইফুল আলম, ঢাকা প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ৩১ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসন থেকে সংসদ সদস্য হয়ে উপজেলাবাসীর পাশে থাকতে চাই- এম.এ হান্নান

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

সাইফুল আলম, ঢাকা:  শহীদ ও বীরমুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান সরকারি তিতুমীর কলেজের সাবেক ছাত্রদল নেতা গোকর্ণ ইউনিয়ন পরিষদের দুই বারের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির দুই বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বার বার কারানির্যাতিত নেতা রাজপথের পরীক্ষিত সৈনিক ও তৃনমূলের ভোটে নির্বাচিত সংগ্রামী সভাপতি এম.এ হান্নান ব্রাহ্মণবাড়িয়া-০১ সংসদীয় আসন-২৪৩ (নাসিরনগর) এ সংসদ সদস্য সদে বিএনপি'র দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে নাসিরনগর উপজেলাবাসীর সুখ দুঃখের সাথী হতে চান তিনি। 

আজ ৩১শে অক্টোবর ২০২৫ বিকেল পাঁচটায় রাজধানী ঢাকার বংশালের ফজলুল করিম কমিউনিটি সেন্টারে জননেতা জনাব এম এ হান্নান এর সাথে ঢাকাস্থ নাসিরনগর উপজেলাবাসীর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১ আসন থেকে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র পক্ষ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী এবং পরিচিত সভায় সভাপত্বিত করেন জনাব, মোঃ জাহের মিয়া, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। প্রধান অতিথি হিসেবে আসন অলংকৃত করেন জনাব, এম এ হান্নান, সভাপতি - নাসিরনগর উপজেলা, জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।

নাসিরনগর উপজেলার প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক জনাব মোঃ আবুল হাসান চৌধুরীর পরিচালনায় উক্ত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব, মফিজ উদ্দিন আহমেদ, সাবেক অতিরিক্ত সচিব, অর্থ মন্ত্রনালয়। জনাব, এড. আমিনুল ইসলাম মনির, সদস্য, জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরাম, সুপ্রিম কোর্ট বার শাখা। জনাব, মোহন মোল্লা, যুগ্ম-আহবায়ক শাহবাগ থানা বিএনপি, ঢাকা। জনাব, অধ্যাপক ডঃ হাফিজ উদ্দিন ভূঁইয়া, সভাপতি, নাছির নগর উপজেলা সমিতি-ঢাকা। জনাব, মোস্তাক আহমেদ,  বযুগ্ম-আহবায়ক, কোতয়ালী থানা বিএনপি, ঢাকা। জনাব, আলহাজ্ব হাফিজ উদ্দীন ভূঁইয়া, বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ীসহ ঢাকাস্থ্য নাসিরনগর উপজেলার সকল নেতাকর্মীরা। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এম.এ হান্নান বলেন, বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামত এর রূপরেখার ৩১ দফা বাস্তবায়নে আমরা নাসিরনগরবাসী বদ্ধপরিকর। আমি আপনাদের পাশে আছি। আপনারাও আমার পাশে থেকে দেশবাসীর সেবা করা সুযোগ দিন। সবশেষে তিনি সকলের দোয়া চাইলেন এবং বাহ্মণবাড়িয়া-১ সংসদীয় আসন ২৪৩ থেকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী করেন।
উল্লেখ্য যে, জনাব তারেক রহমান রাষ্ট্র মেরামতের জন্য ৩১ দফা দাবি দিয়েছেন। তিনি সংবিধান ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার গণতান্ত্রিক সংস্কার, অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে প্রণীত এজেন্ডা তুলে ধরেন। বাংলাদেশের জনগণ গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে রাষ্ট্র গড়িয়া তুলিয়াছিল, সেই রাষ্ট্রের মালিকানা আজ তাহাদের হাতে নাই। বর্তমান কর্তৃত্ববাদী সরকার বাংলাদেশ রাষ্ট্র কাঠামোকে ভাঙ্গিয়া চুরমার করিয়া ফেলিয়াছে। এই রাষ্ট্রকে মেরামত ও পুনগঠন করিতে হইবে। দেশের জনগণের হাতেই দেশের মালিকানা ফিরাইয়া দেওয়ার লক্ষ্যে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে জয়লাভের পর বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকার হঠানোর আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলসমূহের সমন্বয়ে একটি "জনকল্যাণমূলক জাতীয় ঐকমত্যের সরকার" প্রতিষ্ঠা করা হইবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়